Posts Tagged ‘ক্ষমতা’


বাংলাদেশ পরিস্থিতি নয়া উদারবাদী যুগে শাসনপ্রনালী ও কথকতা” নামের প্রকাশিতব্য সংকলনের প্রবন্ধ

লিখেছেন: বখতিয়ার আহমেদ

book-cover-1[সংকলকের ভূমিকা: আমাদের সমাজে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার নানান অভিঘাতকে নির্মোহ দৃষ্টিতে বিশ্লেষণ করে থাকেন বখতিয়ার আহমেদ। রাবির নৃবিজ্ঞান বিভাগের এই শিক্ষক যে গরীব কৃষকশ্রমিকের টাকায় যে জ্ঞানচর্চা করেন; তা একটিবারের জন্যও ভুলে যান না। সমাজে ক্ষমতাশালী কোনো অংশের প্রতিনিধিত্ব করেন না তিনি। করেন না বলেই রাষ্ট্রআইনকানুননিও লিবারাল বাজারের আধিপত্যকে নৃবৈজ্ঞানিক অবস্থান থেকে নির্মোহ বিশ্লেষণ করতে পারেন তিনি।

বখতিয়ার আহমেদের কাছে প্রথমে লেখা চেয়েছিলাম এই সঙ্কলনের জন্য। পরে সময় বিবেচনায় নিয়ে এবং কাজের ব্যাপারে তার পারফেকশান আর ধীর গতির (দুটোই আমার কাছে ইতিবাচক। সেকারণেই তিনি যা বলেন/লেখেন তা জরুরি হয়ে ওঠে। হুটহাট বলেন না বলেই।) কথা মাথায় রেখে ফন্দি আঁটি কোনোভাবে একটি বক্তৃতা করিয়ে নেয়া যায় কিনা তাঁকে দিয়ে। (বিস্তারিত…)

Advertisements

লিখেছেন: আহমদ জসিম

বাঁশ এক প্রকারের বৃক্ষ বিশেষ, হাজার বছর ধরে এই বৃক্ষরে নানাবিধ ব্যবহার মানবকূলে বিদ্যমান। এই বাঁশ বৃক্ষ নিয়ে বাঙলা ভাষায় আছে নানা প্রকারের প্রবাদপ্রবচন। এমনই এক প্রবাদ হচ্ছে ‘বাঁশ দেওয়া’। যার সোজাসাপ্টা বাংলায় অর্থ দাঁড়ায় ‘নিদারুণ আনিষ্ট করা’। সোহেল তাজ, যিনি তাজউদ্দিনের পুত্র। আওয়ামলীগের টিকেটে গাজিপুর থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য, এবং সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। তিনি স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রি হিসেবে দায়িত্ব পালনের ছয় মাসের মাথায় মন্ত্রীপদ থেকে পদত্যাগ করে পুরো জাতিকে এক বিস্ময় উপহার দিয়েছেন।

এই পোড়া দেশ, এই পোড়া জাতি। যে দেশের বেহায়া নির্লজ্জ শাসক শ্রেণীর নেতারা দুর্নীতি মামলায় গ্রেপ্তার হলেও বত্রিশপাটি দাঁত বের করে হাসতে হাসতে জেলে যায়। জেল থেকে বেরিয়ে দিব্যি ভুলে যায় তাদের অতীতের কথা, যে দেশের প্রধানমন্ত্রী কালো টাকা সাদা করে বলে, ‘কই আমিতো করি নাই!’ যে দেশে নেতারা ক্ষমতাকে আঁকড়ে ধরে পৈত্রিক সম্পদের মতো করে সেই দেশের একজন মন্ত্রীর পদত্যাগ সত্যিই বিরল ঘটনা বটে। সর্বশেষ তিনি পদত্যাগ করলেন তার সংসদ পদ থেকেও। পদত্যাগের ব্যাপারে তার নির্বাচনী এলাকার জনগণকে দিয়ে গেলেন একটা খোলা চিঠি। ধোঁয়াশাময় এই চিঠিতে পদত্যাগের সুনির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ না করে বলেছে, দলদেশজাতির স্বার্থে সবকথা বলা যাবে না। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: রেজা রহমান

তুমি বন্ধু তুমি শ্রমিকতা

আমার মানুষ বন্ধু কৃষি শিল্প ব্যবসাবানিজ্য

যেখানেই থাকো তুমি তোমার সাথেই হোক কথা।

এক তুমি বন্ধু তুমি গুনী

অনেক শুনেছো তুমি সয়েছো অনেক

এইবেলা তুমি বলো আর আমি শুনি।

জীবন চালাও তুমি রাষ্ট্র চালাবে

তোমার হাতেই জানি পৃথিবীটা একদিন স্বর্গ হয়ে যাবে। (বিস্তারিত…)

মার্কসবাদী জ্ঞানতত্ত্ব :: মাও সে-তুঙ’এর “প্রয়োগ সম্পর্কে”

Posted: এপ্রিল 10, 2012 in মতাদর্শ
ট্যাগসমূহ:, , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,

 

মার্কসবাদী জ্ঞানতত্ত্ব :: মাও সেতুঙএর “প্রয়োগ সম্পর্কে”, জ্ঞান ও প্রয়োগের মধ্যে, জানা ও করার মধ্যে সম্পর্ক প্রসঙ্গে (জুলাই, ১৯৩৭) হতে

সংকলন: থট রিডার

১। মানুষের সামাজিক অনুশীলন উৎপাদন কর্মের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এর বাইরেরও অনেক রূপ থাকতে পারে। শ্রেণী সংগ্রাম, রাজনৈতিক, বৈজ্ঞানিক, শিল্পকলা ইত্যাদি।

২। শ্রেণী বিভক্ত সমাজে প্রত্যেকে একটি নির্দিষ্ট শ্রেণীর সদস্য হিসেবে বাস করে, তাই ব্যতিক্রমহীনভাবে ব্যক্তির সব রকমের চিন্তাধারার উপরেই শ্রেণীর প্রভাব বিদ্যমান থাকে।

৩। মানুষের জ্ঞান ধাপে ধাপে নিন্মতর স্তর থেকে উচ্চতর স্তরে বিকাশ লাভ করে।

৪। মানুষের সামাজিক প্রয়োগই বহির্জগৎ সম্পর্কে মানুষের জ্ঞানের সঠিকতা যাচাইয়ের একমাত্র মাপকাঠি। সামাজিক প্রয়োগ হলোবৈষয়িক উৎপাদন, শ্রেণী সংগ্রাম, অথবা বৈজ্ঞানিক পরীক্ষানিরীক্ষার প্রক্রিয়া ইত্যাদি।

৫। প্রয়োগে ব্যর্থ হয়েই মানুষ তা থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে এবং নিজের চিন্তাকে সংশোধন করে বহির্জগতের নিয়মের সাথে সংগতিপূর্ণ করে তোলে। “বিফলতাই সফলতার জননী।”

৬। লেনিন তাঁর ‘হেগেলের “যুক্তিশাস্ত্রের বিজ্ঞান”এর সংক্ষিপ্ত সার’ লেখায় বলেছেন, “প্রয়োগ (তত্ত্বগত) জ্ঞানের চেয়ে অনেক বড়, কারণ তার যে শুধু সার্বজনীনতার গুণ আছে তাই নয়, তাতে আছে আশু বাস্তবতার গুণও।” (বিস্তারিত…)