Posts Tagged ‘ক্যাপিটাল’


লিখেছেন: অজয় রায়

১৮৬৭ সালের সেপ্টেম্বরে বার্লিনে প্রকাশিত হয় কার্ল মার্ক্সের পুঁজি: রাজনৈতিক অর্থনীতির এক সমালোচনা (ক্যাপিটাল)-এর প্রথম খণ্ড।[] যেখানে পুঁজিবাদী সমাজের গতিশীলতার বিধি উদ্ঘাটন করা হয়। এই বইয়ের প্রকাশনা রাজনৈতিক অর্থনীতি ও সমাজ বিজ্ঞানের ইতিহাসে এক উল্লেখযোগ্য রূপান্তরের সন্ধিক্ষণ হিসাবে চিহ্নিত। কারণ, বিশ্ব পুঁজিবাদী ব্যবস্থার একটি শোষণকারী দেশে পুঁজিবাদী বিকাশের প্রণালী বোঝার জন্য বস্তুবাদী দ্বান্দ্বিক পদ্ধতির এটাই ছিল প্রথম সফল প্রয়োগ। মার্ক্সের মৃত্যুর পরে তাঁর আজীবনের সহকর্মী ফ্রেডরিখ এঙ্গেলসের সম্পাদনায় ক্যাপিটালএর দ্বিতীয় এবং তৃতীয় খণ্ডও প্রকাশিত হয় যথাক্রমে ১৮৮৫ ও ১৮৯৪ সালে। আর এই বই বিভিন্ন ভাষায় অনুদিত হয়। (বিস্তারিত…)

Advertisements

লিখেছেন: মনজুরুল হক

দ্বিতীয় কিস্তি

রাজধানীর সড়ক বলেই কী রাজপথ ?

ঢাকার গোড়াপত্তনকালে ঢাকায় কেমন রাস্তা বানানো হয়েছিল সে তথ্য খুব একটা বেশি পাওয়া যায়না, তবে আজ থেকে প্রায় চার’শ বছর আগে যে শহরের রাস্তাঘাট গড়ে উঠেছিল সে শহরের রাস্তা ঘাটের হাল এই একবিংশ শতকে এসেও সেই চার’শ বছরের পুরোনো দশাতেই কেন থেকে যাবে সেই প্রশ্ন এই ঢাকাতে অবান্তর। বলা বাহুল্য পুরোনো ঢাকার সেই সময়কার রাস্তা ঘাটের পাশে বর্তমান আধুনিককালের রাস্তাঘাটের চেহারা তুলনায় আনলে বিস্মিত হতে হয়! একটা অদ্ভুত তথ্য হচ্ছে সামান্য বৃষ্টি হলেই যেখানে আধুনিক ঢাকার রাস্তা ঘাট জলে থৈ থৈ করে, রীতিমত নৌকা চালানোর মত অবস্থা হয়ে যায়, সেখানে এখনো পুরোনো ঢাকায় সেই আদ্দিকালে বানানো রাস্তায় জল জমেনা! তাহলে কি ধরে নিতে হবে, চার’শ বছরের পুরোনো প্রযুক্তির কাছে পরাজিত হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তি! ব্যাপারটা সেরকমই!

সে আমলে রাস্তাঘাট বানানোর সময় এখনকার মত প্রতিটি ঘাটে ঘাটে ঠিকাদারকে উৎকোচ দিতে হতোনা। কাজ পাওয়া বা সেই কাজ শেষ করার পর ইঞ্জিনিয়ার সাহেবের বাড়িতে টাকার বান্ডিল পাঠাতে হতো না, আর ইঞ্জিনিয়ার সাহেবেরাও বান্ডিল পেয়ে চোখ বন্ধ করে ফাইনাল বিলে স্বাক্ষর করত না। আধুনিকায়ন এই শহরের ঠিকাদারইঞ্জিনিয়র উভয়কেই ‘আধুনিক’ করেছে! পরিশীলিত করেছে! এরা এখন ঠিকঠাককরে নেয় যে কবে নাগাদ এই কাজটার নতুন ঠিকা দেয়ার ব্যবস্থা করা যায়। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: মনজুরুল হক

প্রথম কিস্তি

বসবাসের অযোগ্য নগরী ঢাকা

বেশ কিছুদিন আগে বিশ্বের অন্যতম দুষণযুক্ত নগরী হিসেবে ঢাকার নাম আন্তর্জাতিক মহলে আলোচিত হয়েছিল। সেই জরিপে বিশ্বের সব চেয়ে দুষিত নগরী বলা হয়েছিল বাকু’কে। আর ঢাকার অবস্থান ছিলবিশ্বের দ্বিতীয় দুষিত নগরী হিসেবে। এর পরের বছর এবং এবারো ঢাকা তার সেই মহানঐতিহ্য ধরে রেখেছে! বলা বাহুল্য এই জরিপকাজ করা হয় বা হয়েছিল আমাদের বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ এবং বিভিন্ন ভাষ্য কেন্দ্র করে। সংবাদপত্রে ঢাকার দুষণের বা যানজটের কিংবা শব্দদুষণের সব খবর প্রকাশ হয় না। যদি তাই হতো তাহলে বাকু কিংবা হারারে কোনোভাবেই আমাদের ‘তিলোত্তমা’ ঢাকাকে হারাতে পারত না! নিশ্চিতভাবেই আমরা প্রথম হতাম!

ঢাকা যে বিশ্বের সব চেয়ে দুষিত, সব চেয়ে শব্দদুষণে দুষ্ট, সব চেয়ে স্থবির, যানজটে নাকাল, নিয়মহীনতায় শ্রেষ্ঠ এতে আর কারো কোনো সন্দেহ থাকলেও থাকতে পারে, কিন্তু খোদ ঢাকাবাসীর কোনোই সন্দেহ নেই। একটি স্বাধীন দেশের রাজধানী হিসেবে ঢাকা কোনোভাবেই বিশ্বের আর কোনো দেশের রাজধানীর সাথে তুল্য হতে পারে না। উন্নত দেশের রাজধানীর কথা তোলা অনাবশ্যক। আমাদের মত পিছিয়ে পড়া দেশগুলোর কোনোটির রাজধানীর এমন করুণদশায় নেই। শুধু কি তাই? যাতায়াত, দুষণ, শব্দদুষণ, নোংরাআবর্জনা এবং যানজটের ক্ষেত্রে দেশের অন্যান্য শহরগুলো থেকেও ঢাকা পিছিয়ে! একটা অদ্ভুত নিয়মহীনতা, অনাচার, অনিয়ম, নীতিহীনতা, বিশৃঙ্খলতা, নির্লিপ্ততা, তুঘলকী কারবার আর মগের মুল্লুকের মত প্রায় দেড় কোটি মানুষের চাপ বুকে নিয়ে এটাই বাংলাদেশের রাজধানী! কোন বাংলাদেশে ? যে বাংলাদেশ নিজেকে এখন ডিজিটাল দেশে রূপান্তরের স্বপ্নে বিভোর! (বিস্তারিত…)