Posts Tagged ‘কৃষি’


Maithon_dam_india-1[*এটাকে ঠিক লেখা হিসাবে না ধরে একটা লেখার আংশিক খসড়া পাঠ হিসাবে বিবেচনা করলে ভাল করবেন, প্রিয় পাঠক নেসার আহমেদ]

নদীকেন্দ্রিক ভারতের তৎপরতা

ভারত ও বাংলাদেশের রাজনীতিতে পানি এখন একটা গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ইস্যু। বাংলাদেশে ক্ষমতা চর্চাকারী সরকারিবিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি এ বিষয়ে নির্বিকার। কিন্তু ভারতের অবস্থান একদম বিপরীত। ওই রাষ্ট্রের কোনো কোনো প্রদেশে নির্বাচনের ইস্যু হিসাবে ‘জল ঘোলার’ রাজনীতি এখন প্রকট। বিশেষত প্রতি গ্রীষ্মেই দক্ষিণ ও পশ্চিম ভারতের বিস্তীর্ণ এলাকার প্রায় ২৮ কোটি মানুষ তীব্র খরার কবলে আক্রান্ত হন। তাদের কাছে তখন খাদ্যবস্ত্রের চেয়ে তৃষ্ণা নিবারণের প্রশ্নটা প্রধান হয়ে ওঠে। যাকে ভিত্তি করে ১৯৯০ সালের পর থেকে দক্ষিণ ও পশ্চিম ভারতের ভোটের রাজনীতিতে পানি ইস্যুটি ভোটব্যাংক হিসাবে কাজ করে। (বিস্তারিত…)

Advertisements

লিখেছেন: আনোয়ার হোসাইন ফার্মার

জিন কি?

monsantoপৃথিবিতে ব্যাকটেরিয়া থেকে শুরু করে মানুষ পর্যন্ত যত জীবন আছে প্রত্যেকেরই দেহকোষে ডিএনএ নামক রাসায়নিক পদার্থ আছে। অন্যভাবে বললে, ডিএনএ ছাড়া কোন জীব বা জীবনের অস্তিত্ব নেই। যে কোন জীবের জন্মগত সকল বৈশিষ্ট্য এই ডিএনএ দ্বারাই নির্দিষ্ট হয়। যেমন ধরা যাক, একটি আম গাছ, তার সমস্ত দৈহিক বৈশিষ্ট্য, পাতার আকার, ফলের আকার, কাঠের ঘনত্ব, ফলের মিষ্টতা এর প্রত্যেকটি নির্দিষ্ট হয় এক বা একাধিক নির্দিষ্ট প্রোটিনের ওপর! এক্ষেত্রে একএকটি নির্দিষ্ট প্রোটিন উৎপন্ন হবে কিনা, হলে কতটা পরিমানে হবে তা নির্ভর করে সুত্রের আকারের ডিএনএ অনুর এক একটি অংশের ওপর। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন:বন্ধুবাংলা

চুকচুক পদলেহনের শব্দ শোনার কথা, কিন্তু শুনছি কই? এমএলএমকোম্পানির মত রাজনীতিবিদরা প্রতারণার ফাঁদ পেতে বছরের পর বছর জোঁকের ন্যায় জাতির রক্ত নিঃশব্দে চুষে খাচ্ছে তাও দেখছি না। কানে তুলা নয়, তালা দেয়া আছে! দুর্বল দৃষ্টিশক্তি ভাল দেখে না! তথাপি একটা ছবি দেখে চমকে উঠলাম!! তবে ছবির কথায় পরে আসি। আগে কিছু প্যাঁচাল পারি!

আমার পূর্বের লেখায় কৃষকের সাথে সরকারের প্রতারণার কথা উল্লেখ করেছিলাম। সেই সূত্র ধরেই আগামী কৃষি বাজেটের উপর সরকারের ভাবনা কি জানার আগ্রহ ছিল। পত্রিকার মারফতে পেয়েও গেলাম মন্ত্রী মতিয়াকে ও মন্ত্রী মুহিত মাল সাহেবকে; অর্থাৎ, তাদের মন্ত্রণালয়ের হাড়ির খবর। অর্থ ও কৃষি মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, কৃষির সাফল্যের ধরে রাখতে আগামী অর্থবছরের বাজেটেও সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে কৃষি খাতকে। কৃষকদের স্বার্থ সংরক্ষণে আসন্ন ২০১২১৩ অর্থবছরে কৃষি খাতে ৫ হাজার ৬০০ কোটি টাকা ভর্তুকির প্রস্তাব করা হয়েছে।

কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী বলেন, কৃষকের স্বার্থ সংরক্ষণ করাই আমাদের উদ্দেশ্য। তিনি আরও বয়ান করেছেন “প্রধানমন্ত্রী কৃষি ও কৃষকদের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিতে বলেছেন। তার নির্দেশ পালন করেছি। কৃষকদের সঙ্গে চলতে চলতে তাদের সম্পর্কে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি। তা কাজে লাগানোর চেষ্টা করছি।”( হঠাৎ যেন মুখে তেঁতো স্বাদ পেলাম )। সুত্র:

http://www.samakal.com.bd/details.php?news=14&action=main&option=single&news_id=257301&pub_no=1045

যাই হোক, আবার তেঁতো স্বাদ পেলাম অন্য একটি খবরে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অন্দর মহলের কথায়।

অন্য একটি জাতীয় দৈনিকে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল বলেছেন, আগামী ২০১২১৩ অর্থবছরের বাজেটের আকার তত বাড়ছে না। অর্থসংকটে সরকারকে এমন সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে। তিনি আরো বলেছেন, অনুন্নয়নউন্নয়ন মিলিয়ে বাজেটের মোট আকার হবে এক লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকার মতো। এর মধ্যে বার্ষিক ()উন্নয়ন কর্মসূচীর (এডিপি) বাজেট হবে ৫৪ হাজার কোটি টাকার। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: বন্ধুবাংলা

কৃষকের সাথে চলছে এমনই প্রহসনঅবশেষে সরকার ধানচালের দাম নির্ধারণ করেছে। চলতি বোরো মৌসুমে ২৮ টাকা কেজি দরে চাল এবং ১৮ টাকায় ধান কিনবে সরকার। ২০১১ সালেও সরকার সংগ্রহ মূল্য ঘোষণা করেছিল ধান ১৮ টাকা ও চাল প্রতি কেজি ২৯ টাকা। অর্থাৎ, দুই ডিজিটের সার্বিক মূল্যস্ফীতি ও কৃষি উপকরণের মূল্যবৃদ্ধি বিবেচনায় সরকার কর্তৃক ঘোষিত এই দাম গত বছরের চেয়ে তুলনামূলক কম।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ কমিটির (এফপিএমসি) সভায় সোমবার এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভা শেষে কমিটির সভাপতি খাদ্যমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। সুত্র: http://www.bdnews24.com/bangla/details.php?id=192739&cid=4

সরকারি সংস্থা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হিসাবে, গত বছরের তুলনায় বোরোতে উৎপাদন খরচ প্রায় ২০ শতাংশ বেড়েছে। অপর সরকারি সংস্থা ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) হিসাবে, গত এক বছরে বেশির ভাগ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম ১০ থেকে ২৫ শতাংশ বেড়েছে। অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞ মতে সার্বিক মুল্যস্ফিতি এখন দুই ডিজিটের ঘরে।

পাঠকের কাছে প্রশ্ন হল সরকার কি কৃষক বান্ধব? সরকার কাকে ঠকাচ্ছে আর কাকে লাভবান করছে, সোয়া কোটি প্রান্তিক কৃষক পরিবারের ৬ কোটি মানুষকে, নাকি মুষ্টিমেয় কিছু মধ্যসত্বভোগী ফড়িয়াকে?

এ কথা নিঃসন্দেহে বলা যায় যে, এ দেশের কৃষক হচ্ছে সবচাইতে বেশি শোষিতশ্রেণী। হরতালের রাজনীতি, হত্যা, গুম নাটকের ডামাডোলে আমরা কৃষকের আর্তনাদ শুনতে পাই না। অথচ কৃষি এখনও আমাদের মূল অর্থনৈতিক চালিকা শক্তি। আমি যে কথাটা বরাবরই বলে আসছিযে স্বাধীনতা লাভের এই ৪০ বছরে কোন সরকারই কৃষক বান্ধব ছিল না। মুজিবের সবুজ বিপ্লব, জিয়ার ১৯ দফা, এরশাদের ১৮ দফা কর্মসূচী সবই ছিল রাজনৈতিক ভাঁওতাবাজি, যা আজও অব্যাহত। (বিস্তারিত…)


নকশাল দ্রোহে নারী

পুরো বইটি পড়ুন এখান থেকে

https://mongoldhoni.files.wordpress.com/2012/06/intro.pdf

https://mongoldhoni.files.wordpress.com/2012/06/nokshal-nari-01.pdf

https://mongoldhoni.files.wordpress.com/2012/06/nokshal-nari-02.pdf

https://mongoldhoni.files.wordpress.com/2012/06/nokshal-nari-03.pdf

(বিস্তারিত…)