Posts Tagged ‘কৃষক’


লিখেছেন: অজয় রায়

‘‘দাদা গো, আমরার জীবন বাঁচাইবার শেষ অবলম্বনটাও ভাইস্যা গেলো”, হাওরের এক কৃষক যেমন জানিয়েছেন সংবাদমাধ্যমকে। আগাম বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বাংলাদেশের হাওর অঞ্চলের সাতটি জেলা – কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোনা, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, সিলেট, মৌলভীবাজার ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া। এ অঞ্চলের প্রধান ফসল বোরো ধান নষ্ট হয়ে গেছে। বিষক্রিয়ায় বহু মাছ ও হাঁস মারা গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত অধিবাসীদের জন্য ত্রাণ সহায়তার অপ্রতুলতা নিয়েও অভিযোগ উঠছে। যখন বহু মানুষ একেবারে নিঃস্ব হয়ে গেছেন, তাদের অনেকে পরিবার নিয়ে বিভিন্ন শহরে চলে যাচ্ছেন কাজের সন্ধানে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: আলবিরুনী প্রমিথ

peasants-1কৃষি হচ্ছে জীবনজীবিকা, জীবনাচরণ, সংস্কৃতি, কৃষ্টি মোদ্দাকথা সামগ্রিক জীবনযাপনরীতি। কৃষির সাথে আমাদের সমাজের উৎপাদন, ভোগ, বিতরণ ও বিনিময়ের সম্পর্ক আছে যার ধরনের উপর আমাদের সমাজের বিদ্যমান রাষ্ট্রকাঠামো গড়ে উঠেছে। ঐতিহাসিকভাবেই আমাদের কৃষকদের উপরে নানাবিধ নিষ্পেষণ, নির্যাতন ও অত্যাচার চলেছে। কৃষকেরাও মাথা নত হবার নয়। তারা বারবার শত্রুর মোকাবেলা করেছে। বিদ্রোহ করেছে, জীবন দিয়েছে তবু রণে ক্ষান্ত দেয়নি। কৃষকের চিরন্তন জীবনজীবিকার লড়াইয়ের পালা চলতেই থাকে। তাদের নিয়ে আমাদের দেশের শাসকশ্রেণীর পদলেহন করা বুদ্ধিজীবী থেকে শুরু করে আমরাও ইনিয়েবিনিয়ে জয়গাঁথা রচনা করি। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে কৃষক পীড়নে আমরাও কোন না কোনভাবে তাদের কোলাবরেটর। তাই এই জনপদে কৃষক নিপীড়নের ইতিহাস দীর্ঘ তেমনি দ্বান্দ্বিকভাবে তাদের প্রতিরোধবিদ্রোহের ইতিহাসও প্রাচীন।
(বিস্তারিত…)


dabanol-1দেশ এক অন্তহীন সংকটে প্রবাহমান। বাংলাদেশ নামক এই মৃত্যু উপত্যকায় কৃষকশ্রমিক ও শ্রমজীবি মানুষের রক্ত ঝরছে অবিরাম। লুটপাটকারি শাসকগোষ্ঠীর সর্বগ্রাসি ক্ষুধায় ধ্বংস হচ্ছে আমাদের জীবন, সংস্কৃতি প্রকৃতি ও সম্পদ। লুটের বিশাল সম্পদের বেশির ভাগটাকে ভোগের জন্য শাসকগোষ্ঠীর ভেতরে হিংস্রতার কামড়াকামড়ি বিদ্যমান। এই কামড়ে লুটেরেরা যতোটা না পরস্পর পরস্পরকে রক্তাক্ত করছে তার চেয়েও অনেক বেশি রক্তাক্ত হচেছ একটি সুন্দর স্বপ্ন নির্মাণের সংগ্রামে জড়িত কৃষকশ্রমিক ও শ্রমজীবি সাধারণ মানুষেরা। (বিস্তারিত…)

স্মারক বক্তৃতা – লাল পতাকার নিচে সাংস্কৃতিক আন্দোলন

Posted: জুন 18, 2013 in মতাদর্শ, সাহিত্য-সংস্কৃতি
ট্যাগসমূহ:, , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,

world-to-win[নিম্নোক্ত বক্তৃতাটি বিশিষ্ট লেখক ও সাংস্কৃতিক আন্দোলন সংগঠক মহসিন শস্ত্রপাণি কর্তৃক প্রগতিশীল বুদ্ধিজীবী, আজীবন প্রতিবাদী ড. আহমদ শরীফএর চতুর্দশ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ‘স্বদেশ চিন্তা সংঘ’ আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রদত্ত ‘ড. আহমদ শরীফ স্মারক বক্তৃতা, ২০১৩’। সম্পাদনা পর্ষদ, মঙ্গলধ্বনি]

 

মাননীয় সভাপতি, স্বদেশ চিন্তা সংঘ’র সদস্যবৃন্দ ও সমাগত সুধীমণ্ডলীআপনাদের আন্তরিক শ্রদ্ধা ও শভেচ্ছা জানাই।

দেশের একজন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও চিন্তাবিদ, প্রথাবিরোধী, প্রতিবাদী ও দ্রোহী মানবপ্রেমী ড. আহমদ শরীফএর জীবনাবসানের আজ চতুর্দশ বার্ষিকী। তাঁর জীবন ও কীর্তি সম্পর্কে দুচার কথায় কিছুই বলা সম্ভব নয়, সে চেষ্টাও আমি করবো না। স্বদেশ চিন্তা সংঘ’র সদস্যবৃন্দ ‘ড. আহমদ শরীফ স্মারক বক্তৃতা’ দেবার আমন্ত্রণ জানিয়ে আমাকে কৃতার্থ করেছেন। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: বন্ধু বাংলা

ভূমিকা

yunus-2সাভারে শ্রমিক গণহত্যায় সুদূর ভ্যাটিকান সিটির পোপ থেকে শুরু করে দেশের সরকার, সুদখোর ইউনুস, মালিক শ্রেণী সবাই যেন নড়েচড়ে বসেছে, মন্তব্যের ফুলঝুরি নিয়ে হাজির হচ্ছে। অন্যদিকে সাভারের ভবন ধ্বসের শোকাবহ ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই গত ১৩২০১৩ তারিখে মন্ত্রীসভার বৈঠকে “বাংলাদেশ শ্রম আইন (সংশোধন), ২০১৩” এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়েছে যা আসলে শ্রম বান্ধব কোন নীতি নয় বরং চূড়ান্ত বিচারে শ্রমিক বিরোধী।এছাড়া ১২২০১৩ তারিখে সরকার একটি ন্যূনতম মজুরি বোর্ড গঠন করে। যেহেতু উৎপাদনের সাথে আমাদের সবার সরাসরি সংশ্লিষ্টতা নাই, তাই আপাত দৃষ্টিতে এসমস্ত পদক্ষেপকে আমরা ইতিবাচক ধরে নেই এবং রাষ্ট্রকে গনরাষ্ট্রের আয়নায় দেখতে অভ্যস্ত হয়ে পড়ি। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: বন্ধু বাংলা

yunus-2সাভারে শ্রমিক গণহত্যায় সুদূর ভ্যাটিকান সিটির পোপ থেকে শুরু করে দেশের সরকার, সুদখোর ইউনুস, মালিক শ্রেণী সবাই যেন নড়েচড়ে বসেছে, মন্তব্যের ফুলঝুরি নিয়ে হাজির হচ্ছেন। গত কয়েক দিনে গন মাধ্যমে প্রকাশিত সুদী কারবারি ইউনুসের সাম্প্রতিক একটি লেখা ও রাষ্ট্রের নতুন শ্রম আইন ও মুজুরি বোর্ড গঠনের বেশ কয়েকটি সংবাদ বিশ্লেষণ করতে গিয়েই এ লেখার অবতারণা। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: শাহ্জাহান সরকার

shahbagh-5-অনাচার চাইনা, চাইনা বিচারের প্রহসন

জনতার রায় মানতে হবে

তত্ত্বাবধায়ক সরকার থাক বা না থাক

ভোট দিয়ে আর কী হবে

তোরা সব এক গোয়ালের গরু

ভোট নিয়ে তোরা শোষণ করিস শুরু (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: মনজুরুল হক

shahbagh-5-শাহবাগের গণজাগরণের বয়স আজ ১৬ দিন। বাংলাদেশে অতীতে এতদিন ধরে আর কোনো গণজমায়েত বা গণআন্দোলন এভাবে এক জায়গায় সন্নিবেশিত থাকেনি। উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান, একাত্তরের গণজোয়ারের পর মুক্তিযুদ্ধ, নব্বইয়ের গণঅভ্যুত্থান ছিল বহুমাত্রিক। বহুকেন্দ্রে বিভক্ত এবং বহু অঞ্চলব্যাপী। এবারকার এই শাহবাগের গণজাগরণের মত এক সঙ্গে এত মানুষ টানা এতদিন ধরে আর কোনো আন্দোলনে একাট্টা থাকেনি। সে দিক দিয়ে তো বটেই আরও একটি কারণে এই আন্দোলন অভূতপূর্ব। স্বাধীনতা সংগ্রাম, স্বাধীকারের লড়াই এবং স্বৈরাচার বিরোধী সংগ্রাম ছিল প্রায় সমগ্র জনগণের। এবং সেই আন্দোলনগুলি কোনো না কোনো ভাবে ছিল বিদেশি শাসক বা দেশি শাসকদের বিরুদ্ধে মুক্তির লড়াই, কিন্তু এই আন্দোলনটি একেবারেই ভিন্ন প্রেক্ষাপটে উদ্ভব। রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে না, অথচ চূড়ান্ত বিচারে রাষ্ট্রেরই বিরুদ্ধে। সরকারের বিরুদ্ধে না, অথচ শেষ পর্যন্ত সরকারের আপোষকামীতার বিরুদ্ধে। মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারে গঠিত বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিরুদ্ধে না, অথচ সেই ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে। শেষ পর্যন্ত স্টাবলিশমেন্টেরই বিরুদ্ধে এই গণজাগরণ। কিন্তু শাসক দলের ‘নেক নজর’ সম্বল করে চেতনেঅবচেতনে তাদের এজেন্ডাগুলো বাস্তবায়নের ‘গুরু দায়িত্ব’ নিয়ে এই আন্দোলনের নেতৃত্ব একে ‘স্টপ ওয়াচ’ আন্দোলনে রূপ দিয়েছে। (বিস্তারিত…)


গণতান্ত্রিক ও শোষণমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার সংগ্রামে ঐক্যবদ্ধ হোন

Mongoldhoni - logo১৯৭১এর মুক্তিযুদ্ধ এই ভূখণ্ডের জনগণের আন্দোলন সংগ্রামের ইতিহাসে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। ঐতিহাসিকভাবেই এই ভূখণ্ডের মানুষ সংগ্রামী। তারা বৃটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেছে। যার মূল লক্ষ্য ছিল একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ও শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা করা। আর এই সংগ্রামের চাপে ভারতীয় উপমহাদেশ বিভক্ত হয়ে ১৯৪৭ সালে হিন্দুস্তান ও পাকিস্তান নামের দুইটি রাষ্ট্র সৃষ্টি ও তার শাসকদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করে বৃটিশরা। পাকিস্তান রাষ্ট্র গঠন প্রক্রিয়ার সময়ে মানুষ যে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের আশা করেছিল, তা থেকে যায় অধরা। উল্টো তারা সামরিক আমলাতান্ত্রিক এক ব্যক্তিকেন্দ্রিক শাসনে জর্জরিত হতে থাকে। আর এই প্রক্রিয়ার সহযোগী শক্তি হিসেবে বরাবরই সক্রিয় সমর্থন যোগায় ইসলামী ধারার কয়েকটি রাজনৈতিক দল। বিপরীতে জনগণের গণতান্ত্রিক ও শোষণমুক্ত সমাজের আকাঙ্খা থেকে অসংখ্য রাজনৈতিক সংগ্রাম সংগঠিত হয়। তারই ধারাবাহিকতায় আসে ’৭১, যা মুক্তিযুদ্ধে রূপ নেয়। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে জামায়াতে ইসলামী এবং তৎকালীন ইসলামী ছাত্র সংঘ (বর্তমানে ইসলামী ছাত্র শিবির) তৎকালীন পাকিস্তানি সামরিকআমলাতান্ত্রিক রাষ্ট্রকে রক্ষার জন্য পাকিস্তানী সেনা কমান্ডের অধীনে রাজাকার, আলবদর, আলশামস নামে ফ্যাসিস্ট বাহিনী গঠন করে। এই বিশেষ বাহিনী জনগণের মুক্তি সংগ্রামের বিপক্ষে দাঁড়িয়ে রাজনৈতিক নেতৃত্ব, কর্মীসহ মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি হিসেবে সাধারণ নিরীহ জনগণকে হত্যা, নারী নির্যাতন ও লুণ্ঠনে মেতে উঠে এবং তারা বর্ণবাদী ও সাম্প্রদায়িক মনোভঙ্গী থেকে দেশের ধর্মীয় সংখ্যালঘু হিন্দু জনগোষ্ঠীকে নির্মূলের চেষ্টা করে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: শাহ্জাহান সরকার

shahbagh-1জাগো প্রজন্ম চত্বর জাগো

দূর্বার সংগ্রামে জাগো

মুক্তির সংগ্রামে জাগো

আলোর পথে জাগো

বিপ্লবের পথে জাগো

জাগো জনতা জাগো

শ্রমিক, কৃষক জাগো (বিস্তারিত…)