Posts Tagged ‘কল্লোল মোস্তফা’


লিখেছেন: কল্লোল মোস্তফা

.

Garment workers shout slogans during a rally demanding an increase to their minimum wage in Dhakaপাঁচ হাজার গার্মেন্টস মালিক সহ বিজিএমইএ ভবন ধ্বস! প্রথম দুই দিন প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ছাড়াই আর্মি, ফায়ার সার্ভিস ও সাধারণ মানুষের উদ্ধার প্রচেষ্টা। তৃতীয় দিন থেকে মানুষের দয়ায়, ত্রানে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি আসা শুরু। ততদিনে অধিকাংশ গুরুতর আহত মালিকের মৃত্যু। মৃত মালিকদের লাশের গন্ধে বাতাস ভারী। উদ্ধার কাজে আর্মির দাড়িয়ে থাকা, বাঁশি বাজানো, ফায়ার সার্ভিসের দুই/তিনটি দিক থেকে কাজ করা। বিশেষজ্ঞ মতামত, সমন্বয়, পরিকল্পনা, ব্যবস্থাপনার বালাই না থাকা। কেবল চারপাশ থেকে সাধারণ মানুষ, শ্রমিকদের আপ্রাণ চেষ্টায় হাতড়ে হাতড়ে কারো হাত কেটে কারো পা কেটে কাউকে আস্ত রেখে কিছু জীবন্ত মালিককে উদ্ধার, কিছু খন্ডিত, বিকৃত, গলিত লাশ উদ্ধার। (বিস্তারিত…)

Advertisements

লিখেছেন: কল্লোল মোস্তফা

.

Shaheed_Minarভাষা আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের শ্রেণী অবস্থান, রাজনৈতিক দর্শন, অংশগ্রহণের অনুপ্রেরণা ইত্যাদি সম্পর্কে ১৯৮৫৮৬ সালে ১২৩ জন ভাষা সংগ্রামীর মধ্যে একটি জরিপ পরিচালনা করা হয়। উর্দু একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হলে বাঙালির আর্থসামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিকাশ বাধার সম্মুখীন হবে বলে ভাষা আন্দোলনকারীদের মধ্যে একটা আশংকা ছিল। উর্দু একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হলে তাদের ব্যাক্তিগত ক্ষতি কি ধরণের হবে বলে তারা ভেবেছিলেনএ সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তাদের অনেকেই (১২৩ জনের মধ্যে ৪৪ জন) বলেছিলেন যে, ব্যাক্তিগত ক্ষতির কথা তখন তাদের ভাবনায় ছিল না। (বিস্তারিত…)

প্রকাশিত হলো মঙ্গলধ্বনির ৩য় সংখ্যা…

Posted: নভেম্বর 3, 2013 in অর্থনীতি, আন্তর্জাতিক, দেশ, প্রকৃতি-পরিবেশ, মতাদর্শ, মন্তব্য প্রতিবেদন, সাহিত্য-সংস্কৃতি
ট্যাগসমূহ:, , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,

 Mongoldhoni-logo-1

মেষ শাবককে খাবার জন্যে নেকড়ের কোনো যুক্তির প্রয়োজন হয় না। কিন্তু চিঁ চিঁ ধ্বনির প্রতিবাদ নেকড়েকে প্রতিহত করতে পারে না। নেকড়েকে রুখতে হলে আকাশ বির্দীণ করা চিৎকার করতে হবে। তেমন চিৎকার একক কন্ঠে সম্ভব নয় সম্মিলিত কন্ঠে প্রবল শক্তির নির্ঘোষে হতে হবে। সেই শক্তির আবাহনের কর্তব্যবোধে ‘মঙ্গলধ্বনি’র সকল আয়োজন। জগতে একা একা কিছুই হয় না একটা কুটোও নড়ানো যায় না। তবু একা চলার সাহস দেখাতেই হবে। যে প্রথম সামনে এগোয় সে অন্যকে উৎসাহিত করে, অনুপ্রাণিত করে। একা ব্যক্তির এই ভূমিকা প্রশংসার, শ্রদ্ধার। ‘মঙ্গলধ্বনি’ প্রশংসা ও শ্রদ্ধার চেয়ে অধিক প্রত্যাশা করে সহযোগিতা ও সহমর্মিতা। আর একত্রিত হয়ে আকাশ বিদীর্ণ করা চিৎকার দেবার শক্তি হয়ে ওঠার। সে শক্তি নেকড়েদের কেবল রুখবেই না চিরতরে মানব সমাজ থেকে নিশ্চিহ্ন করে দেবে। নেকড়ে ও মানুষ এক সমাজে বাস করতে পারে না। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: কল্লোল মোস্তফা

sundarbans-2ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যের ৩৬০০ মেগাওয়াটের কাড্ডালোর কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প থেকে পিচাভারম নামের ১১ বর্গ কিমি আয়তনের ছোট্ট একটি ম্যানগ্রোভ বনের দূরত্ব ৮ কিমি । ভারতের তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন সংক্রান্ত গাইডলাইন ১৯৮৭ অনুসারে এবং ইআএ গাইড লাইন, ২০১০ অনুসারে কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ২৫ কিমি সীমার মধ্যে কোন সংরক্ষিত বনভূমি, জাতীয় উদ্যান বা নগর থাকা চলবে না। ফলে তামিল নাড়ুর রাজ্য সরকার ২০১০ সালে কাড্ডালোর কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্পের পরিবেশ ছাড়পত্র দিলেও ২০১২ সালের ২৩ মে সেই ছাড়পত্র স্থগিত করে দিয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের গ্রীন ট্রাইবুনাল। (বিস্তারিত…)


সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

ticfa-1আজ, শুক্রবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৩, ডাকসু ভবনের দ্বিতীয় তলায় ছাত্র গণমঞ্চের উদ্যোগে ‘টিকফা কেন জাতীয় দাসত্বের চুক্তি’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন ছাত্র গণমঞ্চের যুগ্মআহ্বায়ক সুজিত সরকার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক সামিনা লুৎফা, প্রকৌশলী এবং তরুন বুদ্ধিজীবী কল্লোল মোস্তফা এবং জাতীয় গণতান্ত্রিক গণমঞ্চের আহ্বায়ক মাসুদ খান। সভায় সভাপতিত্ব করেন ছাত্র গণমঞ্চের কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক শান্তনু সুমন। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: কল্লোল মোস্তফা

ticfa-1একেকবার একেক মোড়কে পুরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে টিফা (ট্রেড এন্ড ইনভেষ্টমেন্ট ফ্রেমওয়ার্ক এগ্রিমেন্ট) চুক্তি স্বাক্ষরের পায়তারা চলছে বহুদিন ধরে। টিফা কখনও হয়ে যায় টিইসিএফ (ট্রেড এন্ড ইকোনমিক কোঅপারেশন ফোরাম), কখনও হাজির হয় টিকফা (ট্রেড এন্ড ইনভেষ্টমেন্ট কোঅপারেশন ফ্রেমওয়ার্ক এগ্রিমেন্ট)’র খোলশে। নাম যাই হোক, বাণিজ্য সুবিধা, পণ্যের শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার, কৌশলগত স্বার্থ ইত্যাদি নানান মিষ্টি প্রলেপ দিয়ে বাংলাদেশকে টিফার বিষাক্ত ক্যাপসুল গেলানোর জন্য বাংলাদেশের উপর চাপ প্রয়োগ করে যাচ্ছে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ। (বিস্তারিত…)

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :: শাহবাগে সাংস্কৃতিক ও ছাত্র সংগঠনের বিক্ষোভ সমাবেশ

Posted: ডিসেম্বর 9, 2012 in দেশ
ট্যাগসমূহ:, , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,

propod-logo

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

শাহবাগে সাংস্কৃতিক ও ছাত্র সংগঠনের বিক্ষোভ সমাবেশ

তাজরিন ফ্যাশনে অগ্নিকান্ডে নিহত, নিখোঁজ ও আহত শ্রমিকদের ঠিকানাসহ তালিকা প্রকাশ এবং প্রত্যেক নিহতদের পরিবারের জন্য ২০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণের দাবি

গত ২৪ নভেম্বর আশুলিয়ার তাজরিন ফ্যাশনে অগ্নিকান্ডে শ্রমিক হত্যার প্রতিবাদে আজ বিকাল ৪.৩০ টার সময় রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে এক বিক্ষোভ সমাবেশ আয়োজন করে কয়েকটি প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক ও ছাত্র সংগঠন।

জাগরণের পাঠশালা, প্রপদ, ছাত্র গণমঞ্চ, বিপ্লবী ছাত্রযুব আন্দোলন, গণমুক্তির গানের দল, মার্কসবাদের প্রথম পাঠ, শহীদ রফিক স্মৃতি পাঠাগার, মঙ্গলধ্বনি, বিজ্ঞানচেতনা পরিষদ, ল্যাম্পপোস্ট, শহীদ বিপ্লবী ও দেশপ্রেমিক স্মৃতি সংসদ এবং প্রগতিশীল ব্যক্তিবর্গের আয়োজনে বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন গণসংস্কৃতি পরিষদের সভাপতি ম. নুরুন্নবী। (বিস্তারিত…)


লঞ্চ দুর্ঘটনা না খুন :: একটি অবাস্তবায়িত তদন্ত রিপোর্টের আলোকে মেঘনার লঞ্চ ডুবি নিয়ে কিছু প্রশ্ন

লিখেছেন: ব্লগার “দিনমজুর” (সামহোয়্যারইনব্লগ)

প্রায় বছর খানেক আগে ২০১১ সালের ২১ এপ্রিল ভৈরবসাচনাসুনামগঞ্জ রুটে চলাচলরত এমভি বিপাশা নামক একটি লঞ্চ ভৈরব হতে যাত্রী ও মালামাল নিয়ে সাচনা যাবার পথে মেঘনা নদীতে অন্য একটি নিমজ্জিত কার্গো জাহাজের সাথে ধাক্কা লেগে ডুবে যায়, প্রাণ যায় ৩৩ জন যাত্রীর। এই ঘটনার পর যথারীতি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয় এবং তদন্ত রিপোর্টে দুর্ঘটনার সম্ভাব্য কারণ ও তার প্রতিকারের জন্য অনেকগুলো সুপারিশও করা হয়। গত তিরিশ বছরে এরকম ৬শ’রও বেশি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে যেগুলো আলোর মুখ দেখেনি বা দেখলেও সুপারিশগুলো বাস্তবায়িত হয়নি।

গত সোমবার রাতে মেঘনা নদীতে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় শরীয়তপুর থেকে ঢাকাগামী এমভি শরীয়তপুর১ নামক লঞ্চটি যদিও নিমজ্জিত কার্গো জাহাজের সাথে ধাক্কার বদলে চলমান একটি কার্গোর জাহাজের ধাক্কায় ৭০ফুট পানির নীচে ডুবে যায়, আমরা মনে করি, এমভি বিপাশা’র তদন্ত রিপোর্টটিতে ধাক্কা লেগে লঞ্চ ডুবে যাওয়া বিষয়ে যে কারিগরী ও ব্যাবস্থাপনাগত ত্রুটির কথা এসেছে, তার বেশির ভাগই এবারের ’দুর্ঘটনা’র ক্ষেত্রেও প্রাসঙ্গিক। সমস্যা চিহ্নিত করার পরও যদি সেই সমস্যার সমাধান না করা হয় এবং তার ফলে যদি কোন দুর্ঘটনা ঘটে, মানুষের মৃত্যু হয় তখন সেটাকে আর দুর্ঘটনা বলা যায়না, তখন সে ঘটনা হয়ে যায় হত্যাকান্ড। এই আলোচনার মাধ্যমে প্রশ্ন তুলতে চাই, আর কিছু না হোক, অন্তত: এক বছর আগের এমভি বিপাশার ডুবে যাওয়া বিষয়ক তদন্ত রিপোর্ট যদি বাস্তবায়িত হতো তাহলে কি এমভি শরীয়তপুর১ লঞ্চটির সাথে রাত্রীকালে কোন কার্গো জাহাজের সাথে সংঘর্ষ হতো? সংঘর্ষ হলেও কি লঞ্চটি ডুবতো? কোন কারণে লঞ্চটি ডুবলেও কি এত যাত্রী খুন হতো? (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: কল্লোল মোস্তফা

ভারতের আন্ত:নদী সংযোগ প্রকল্প অনুসারে, ভারতের উত্তরপূর্বদিকের হিমালয় অঞ্চলের বিভিন্ন নদীর “বাড়তি” পানি বিভিন্ন সংযোগ খালের মাধ্যমে ভারতের দক্ষিণের শুষ্ক এলাকার নদীগুলোতে সরবরাহ করে সেচ ও বিদ্যুৎ উৎপাদনের কাজে ব্যবহার করা হবে। ভৌগলিক ভাবে এই প্রকল্পকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছেহিমালয় অঞ্চল এবং দক্ষিণাঞ্চল বা পেনিনসুলার অঞ্চল। হিমালয় অঞ্চল থেকে মোট ৬ হাজার ১০০ কিমি দৈর্ঘ্যের ১৪টি খাল ও ১৬টি জলাধার ব্যবহার করে ১৪১.৩ বিলিয়ন কিউবিক মিটার(বিসিএম) পানি দক্ষিণের দিকে নিয়ে যাওয়া হবে এবং দক্ষিণের বিভিন্ন নদীর মধ্যে ৪,৭৭৭ কি,মি দৈর্ঘ্যের আরো ১৬টি খাল ও ৫৮টি জলাধার ব্যাবহার করে ৩৩ বিসিএম পানি সংগ্রহের মাধ্যমে হিমালয় ও দক্ষিণাঞ্চল মিলিয়ে মোট ১৭৪.৩ বিসিএম পরিমাণ পানি স্থানান্তর করা হবে। মুশকিল হলো, উজানের দেশ ভারতের শাসক শ্রেণী ও উন্নয়ণ বিশেষজ্ঞদের দৃষ্টিতে যে নদীগুলোর পানি ‘বাড়তি’ হিসেবে অযথাই বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়ে ‘অপচয়’ হচ্ছে, ভারতের গোটা হিমালয় অঞ্চলের জনগণ ও প্রকৃতির জন্য কিংবা গঙ্গাব্রহ্মপুত্র অববাহিকার ভাটির দেশ বাংলাদেশের জনগণের জন্য তাই অপরিহার্য, কারণ নদী অববাহিকার জনগণ ও প্রকৃতির কাছে নদী কেবল কিউমেক/কিউসেকে পরিমাপ যোগ্য পানির আধার নয়, নদী একটি প্রবাহমান জীবন্ত সত্ত্বা যার সজলসজীববাধাহীন অস্তিত্বের উপরই নির্ভর করে গোটা অববাহিকার কৃষিমৎসবনাঞ্চলজলাভূমি সহ সমগ্র জীবন ও প্রকৃতির স্বাভাবিক সজীব অস্তিত্ব।

যদিও নদী সংযোগ প্রকল্পটি রাষ্ট্রীয় সীমা নির্বিশেষে ভয়ংকর এবং সার্বিক ভাবেই ক্ষতিকর, বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে আমরা এখানে আন্ত:নদী সংযোগ প্রকল্পের মধ্যে কেবল বাংলাদেশে প্রবেশের আগে ব্রহ্মপুত্র ও গঙ্গা নদী অববাহিকার পানি যে প্রক্রিয়ায় স্থানান্তর করা হবে তার একটা চিত্র তুলে ধরার চেষ্টা করব যেন বিপর্যয়ের একটা আদল আমাদের কাছে ষ্পষ্ট হয়। আন্ত:নদী সংযোগ প্রকল্পের আওতায় ভারতের হিমালয় অঞ্চল থেকে ভারতের দক্ষিণে স্থানান্তরের জন্য নির্ধারিত মোট ১৪১.৩ বিলিয়ন কিউবিক মিটার(বিসিএম) পানির মধ্যে ৪৩ বিসিএম পানি নিয়ে যাওয়া হবে ব্রহ্মপুত্র অববাহিকা থেকে যে নদীটি শুষ্ক মৌসুমে বাংলাদেশের ৮০% পানির উৎস। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: ব্লগার “দিনমজুর” (সামহোয়্যার ইন ব্লগ)

সীমান্ত হত্যার প্রসংগ উঠলেই এতদিন বিএসএফ বলতো “আত্মরক্ষার জন্য” তারা “বাধ্য হয়ে” গুলি চালায়। এখন নিরস্ত্র বাংলারদেশী নাগরিকদের হত্যার ঘটনা উদঘাটিত, এমনকি নিরস্ত্র বাংলাদেশী নাগরিককে নির্মম নির্যাতনের ভিডিও ফাস হওয়ার পর বিএসএফ প্রধান ইউ কে বনশল বলছে সীমান্তে যতক্ষণ “অপরাধমূলক কর্মকান্ড” চলবে ততক্ষণ বিএসএফ গুলি চালাবে। তথাকথিত বন্ধুত্বের নামে ভারতের সাথে বাংলাদেশের শাসক গোষ্ঠীর নতজানু আচরণের ফলাফল হলো বিএসএফ এখন “আত্মরক্ষার্থে গুলি করিতে বাধ্য হইয়াছি” জাতীয় অযুহাত দেয়ারও প্রয়োজন মনে করছে না, পরিষ্কার ঔদ্ধত্যের সাথে জানিয়ে দিচ্ছে কথিত অপরাধ দমনের নামে গুলি বা অন্য যে কোন উপায়ে তারা খুন করছে এবং করতেই থাকবে । প্রশ্ন হলো, বিএসএফ কে এই খুনের লাইসেন্স কে দিল? বিএসএফ কি নিজেই এখন আদালত যে কথিত অপরাধ দেখলেই তারা তাৎক্ষণিক আদালত বসিয়ে মৃত্যুদন্ড দিয়ে দিতে পারে? ভারতের আইন এবং আন্তর্জাতিক আইন এ বিষয়ে কি বলে? আর কথিত অপরাধমূলক কর্মকান্ডই বা কি আর এর জন্য দায়ী কে বা কারা এবং এর ফলে লাভবানই বা কে বা কারা সে বিষয়গুলোও একটু বিবেচনা করা দরকার।

গরু চোরাচালানের অর্থনীতি

ভারতবাংলাদেশ সীমান্তে প্রতিদিন বৈধ বাণিজ্যের সমপরিমাণ বা তারও বেশি পরিমাণে ফেন্সিডিল থেকে শুরু করে বিভিন্ন ভারতীয় ভোগ্য পণ্যের কোটি কোটি টাকার চোরাচালান হলেও “অবৈধ কর্মকান্ড” বলতে মূলত ভারতীয় গরু বাংলাদেশে চোরাচালানের কথাই বলা হয়েছে কারণ বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় খুন হয়ে যাওয়া ব্যাক্তি ভারত থেকে গরু পাচার করার সময়ই বিএসএফ এর হাতে খুন হয়। বিএসএফ প্রতিবার সীমান্ত হত্যাকান্ড ঘটানোর পর নিহত বাংলাদেশী নাগরিককে গরু চোরাচালানী বলে অভিহিত করে যেন কেউ গরু চোরাচালান করলেই তাকে দেখা মাত্রই গুলি করা জায়েজ হয়ে যায়! প্রশ্ন হলো নিহত ব্যাক্তি যদি গরুচোরাচালান করেই থাকে, তাহলে সে কি চোরাচালান একাই করেছে? অন্য সব পণ্য চোরচালানের মতোই গরু চোরাচালান একটি যৌথকর্ম যার সাথে ভারতীয় বিক্রেতা এবং বাংলাদেশী ক্রেতা উভয় পক্ষই যুক্ত, বাজার অর্থনীতির নিয়মে উভয় পক্ষ লাভবান হলেই কেবল কোন বাণিজ্যিক লেনদেন করা সম্ভব তা বৈধ হোক আর অবৈধই হোক। (বিস্তারিত…)