Posts Tagged ‘কর্পোরেট’


লিখেছেন: অজয় রায়

এ বছর গোল্ডম্যান পরিবেশ পুরস্কার জয়ী উড়িশ্যার সামাজিক ন্যায়ের আন্দোলনের নেতা প্রফুল্ল সামন্তরা ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে তার কর্পোরেটবান্ধব নীতি পুনর্বিবেচনা করার আহ্বান জানিয়েছেন।[] ডোঙ্গরিয়া কোন্ড আদিবাসীদের ভূমির অধিকার সুনিশ্চিতকরণ এবং বৃহদায়তন, উন্মুক্ত আকরিক অ্যালুমিনিয়াম খনি প্রকল্প থেকে নিয়মগিরি পাহাড় রক্ষা করতে সামন্তরা বারো বছরব্যাপী আইনি লড়াই চালান। যা নিয়মগিরির বুকে স্থানীয় আদিবাসীদের চলমান গণসংগ্রামেরই পরিপূরক ছিল। (বিস্তারিত…)

Advertisements

বস্তার – রাষ্ট্রকর্পোরেটহিন্দুত্ববাদের যৌথ সন্ত্রাস’ বইটি প্রকাশিত হয়েছে। মধ্যভারতে রাষ্ট্রীয় শোষণনিপীড়নের বিপরীতে আদিবাসীদের সংগ্রামের চিত্র উঠে এসেছে এ গ্রন্থে।

বইটি পাওয়া যাচ্ছে শাহবাগ, আজিজ মার্কেটের ‘প্রথমা’, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার ‘দেবদারু’তে।

অনলাইনে rokomari.com থেকেও সংগ্রহ করা যাবে।

এছাড়া ০১৯৮০১৩৭৯৫৬ (উৎস পাবলিশার্স) নম্বরে যোগাযোগ করেও বইটি সংগ্রহ করা যাবে।

কলকাতার পরিবশক সেতু প্রকাশনীতে আগামী মাসে বইটি পাওয়া যাবে।

(বিস্তারিত…)


লিখেছেন: অশোক চট্টোপাধ্যায়

Modi_Hitlerএকবিংশ শতাব্দীর একটা দশক অতিক্রান্তির উত্তরপর্বে দাঁড়িয়েও বিগত শতাব্দীর নব্বইয়ের দশকটিকে বিস্মৃত হওয়া সম্ভব নয়। নব্বইয়ের দশকটি আমাদের দেশে উগ্র ধর্মীয় ফ্যাসিবাদের নগ্ন প্রকাশের দশক হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে। ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে পাঞ্জাবের নবগঠিত হিন্দুসভা পরবর্তী আট বছরের মাথায় ১৯১৫ খ্রিস্টাব্দে সারা ভারত হিন্দুমহাসভা নামে আত্মপ্রকাশ করেছিল। এই ঘটনার ঠিক দশ বছরের মাথায় ১৯২৫ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হয় জঙ্গি হিন্দুত্ববাদী সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ বা আরএসএস। ১৯৬৪ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হয় বিশ্বহিন্দু পরিষদ। এখন আর জনসঙ্ঘ নেই, সেখানে হয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি বা বিজেপি। সঙ্ঘপরিবারের মূল নিয়ন্তা শক্তি হলো আরএসএস। এর সহযোগী হিসেবে শিবসেনা সহ অন্যেরা তো আছেই। (বিস্তারিত…)


 

লিখেছেন: সব্যসাচী গোস্বামী

private-prisons-for-profitদুনিয়ার দিকে দিকে গণতন্ত্রের ঠিকাদার হয়ে বসে আছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন ঘেষা প্রচারমাধ্যমগুলোও মার্কিনি গণতন্ত্রের প্রশংসায় পঞ্চমুখ, অথচ মার্কিন জেলগুলোর দিকে তাকালেই বোঝা যাবে যে সেখানে কি ব্যপক পরিমানে মানবাধিকারকে পদদলিত করা হয়। এ এমনই এক দেশ, যেখানে কারান্তরালে রয়েছেন প্রায় ২৫ লক্ষ সেই দেশেরই সহনাগরিক। অর্থাৎ মোট জনসংখ্যার প্রায় ১ শতাংশ। প্যারোল এবং প্রবিশন ধরলে সংখ্যাটা আরো বেশি। জনসংখ্যার শতকরা ৩.২ শতাংশ। অর্থাৎ এক্ষেত্রে বলা যায়, প্রতি ৩১ জন প্রাপ্তবয়স্ক মার্কিন নাগরিকের মধ্যে অন্ততঃ একজন জেলে আছেন! পৃথিবীর বন্দী সংখ্যার ২৫ শতাংশই মার্কিনি বন্দী। ক্যালিফোর্ণিয়ার প্রিজন ফোকাসের মতে “মানব সমাজের ইতিহাসে আর কোন সমাজে এত বেশি সংখ্যক সহনাগরিককে বন্দী করে রাখা হয়নি”। ইন্টার ন্যাশানাল সেন্টার ফর প্রিজন স্টাডিজের পরিসংখ্যান জানাচ্ছে প্রতি এক লক্ষ জনসংখ্যা অনুপাতে পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি মানুষ বন্দী আছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। প্রতি লাখে ৭১৬ জন। এই অনুপাতে দ্বিতীয় স্থানে আছে রাশিয়া। প্রতি লাখে ১২১ জন (ভারতও অবশ্য পিছিয়ে নেই সারা বিশ্বে বন্দী সংখ্যার নিরিখে ভারতের স্থান পঞ্চম!)। কালো চামড়ার মানুষরা আমেরিকায় জনসংখ্যার ১৩ শতাংশ, অথচ মোট বন্দীদের ৬০ শতাংশই হলো কালো চামড়ার মানুষ। ২০ থেকে ২৯ বছর বয়সী আফ্রোআমেরিকান পুরুষদের প্রতি তিনজনে একজন, কোন না কোন ক্রিমিনাল জাস্টিস সুপারভিশনের আওতায় আছেন। ৩০ বছর বয়সী কৃষাঙ্গ পুরুষদের প্রতি ১০ জনে ১ জন জেলে আছেন। বন্দিদের অনুপাত দেখলেই তথাকথিত ‘সভ্য’দের বর্ণবিদ্বেষ চোখে পড়বে। পরিসংখ্যান বলছে ১ কোটি ৪০ লক্ষ শ্বেতাঙ্গ এবং ২৬ লক্ষ কৃষ্ণাঙ্গ মাদকাসক্ত, অর্থাৎ মাদকাসক্তের অনুপাতে শ্বেতাঙ্গরাই অনেক বেশি। প্রায় ৫ গুণ বেশী। অথচ মাদক সংক্রান্ত মামলায় শ্বেতাঙ্গদের তুলনায় ১০গুন বেশি কৃষ্ণাঙ্গ মানুষ জেলে বন্দী! (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: সব্যসাচী গোস্বামী

Modi-4এমনিতে আপনাদের সংবাদপত্রটা দৈনিকই পড়ি মাষ্টারমশাই। টিভি চ্যনেলটাও দেখি। কেননা ‘পিছিয়ে পড়ার’ ইচ্ছে আমার নেই। ভেতো বাঙালী তো, তাই যুগের সাথে তাল মিলিয়ে হুজুগেও মাতি। এই যেমন সারা দেশ জুড়ে এখন মোদী জ্বর। ফলতঃ প্রতিদিন মোদি কি বলছেন, কি করছেন, তা নিয়ে কিঞ্চিত আগ্রহ তৈরি হচ্ছে বইকি! মোদি যখন ভোটের আগে কলকাতায় এসে লাড্ডুর খাওয়ানোর ‘গল্পো’ শুনিয়ে গেলেন, মনে বেশ পুলক জেগে ছিল, চোখে ঘনিয়ে ছিল ঘোর, শত হলেও ভোজন রসিক বাঙালী কিনা! কিন্তু এক বন্ধু তখন বলল, ‘ওরে! এ লাড্ডু সে লাড্ডু নয়, এ একেবারে দিল্লীকা লাড্ডু। তুই খেতে চাস তো খা, তবে জেনে রাখ এ লাড্ডু খেলেও পস্তাতে হয়, না খেলেও।’ তো, আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম ‘খেলে পস্তাতে হয় না হয় তবু বোঝা গেল। পেট টেট খারাপ হওয়ার ইঙ্গিত, কিন্তু না খেলে পস্তানোর ব্যাপারটা তো ঠিক বোঝা গেল না!’ সে তখন বলল, ‘এটা সব থেকে ভাল বুঝেছে গুজরাটের মুসলমানরা, তাই তারা আগেভাগেই গিয়ে দলে দলে মোদীজিকে ভোট দিয়ে ওর হাতে লাড্ডু খেয়ে নিচ্ছে।’ (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: আনোয়ার হোসাইন ফার্মার

জিন কি?

monsantoপৃথিবিতে ব্যাকটেরিয়া থেকে শুরু করে মানুষ পর্যন্ত যত জীবন আছে প্রত্যেকেরই দেহকোষে ডিএনএ নামক রাসায়নিক পদার্থ আছে। অন্যভাবে বললে, ডিএনএ ছাড়া কোন জীব বা জীবনের অস্তিত্ব নেই। যে কোন জীবের জন্মগত সকল বৈশিষ্ট্য এই ডিএনএ দ্বারাই নির্দিষ্ট হয়। যেমন ধরা যাক, একটি আম গাছ, তার সমস্ত দৈহিক বৈশিষ্ট্য, পাতার আকার, ফলের আকার, কাঠের ঘনত্ব, ফলের মিষ্টতা এর প্রত্যেকটি নির্দিষ্ট হয় এক বা একাধিক নির্দিষ্ট প্রোটিনের ওপর! এক্ষেত্রে একএকটি নির্দিষ্ট প্রোটিন উৎপন্ন হবে কিনা, হলে কতটা পরিমানে হবে তা নির্ভর করে সুত্রের আকারের ডিএনএ অনুর এক একটি অংশের ওপর। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: শাহেরীন আরাফাত

Arvind_Kejriwal_aam_aadmi_party_5অনলাইনে বা ফেসবুকে বন্ধুতালিকার অনেককেই দেখলাম ভারতের রাজধানী দিল্লীতে নতুন আত্মপ্রকাশ করা আম আদমি পার্টির রাজ্য সরকার গঠন করাকে কেন্দ্র করে ভীষণ রকম উল্লোসিত, কারো কারো মাঝে সেই পার্টির পক্ষে প্রচারণা চালাতেও লক্ষ্য করলাম। আর তাই এ প্রসঙ্গে দুয়েকটা কথা বলাই এই লেখার মূল উদ্দেশ্য। প্রথমেই দুটো প্রশ্ন করছি, আপনার কাছে, আপনাদের কাছে, সেই সাথে আমার নিজের কাছে গণতন্ত্র বলতে আমরা আদতে কি বুঝি? আর ভারতের রাষ্ট্রব্যস্থাটাই বা কেমন? (বিস্তারিত…)

প্রকাশিত হলো মঙ্গলধ্বনির ৩য় সংখ্যা…

Posted: নভেম্বর 3, 2013 in অর্থনীতি, আন্তর্জাতিক, দেশ, প্রকৃতি-পরিবেশ, মতাদর্শ, মন্তব্য প্রতিবেদন, সাহিত্য-সংস্কৃতি
ট্যাগসমূহ:, , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,

 Mongoldhoni-logo-1

মেষ শাবককে খাবার জন্যে নেকড়ের কোনো যুক্তির প্রয়োজন হয় না। কিন্তু চিঁ চিঁ ধ্বনির প্রতিবাদ নেকড়েকে প্রতিহত করতে পারে না। নেকড়েকে রুখতে হলে আকাশ বির্দীণ করা চিৎকার করতে হবে। তেমন চিৎকার একক কন্ঠে সম্ভব নয় সম্মিলিত কন্ঠে প্রবল শক্তির নির্ঘোষে হতে হবে। সেই শক্তির আবাহনের কর্তব্যবোধে ‘মঙ্গলধ্বনি’র সকল আয়োজন। জগতে একা একা কিছুই হয় না একটা কুটোও নড়ানো যায় না। তবু একা চলার সাহস দেখাতেই হবে। যে প্রথম সামনে এগোয় সে অন্যকে উৎসাহিত করে, অনুপ্রাণিত করে। একা ব্যক্তির এই ভূমিকা প্রশংসার, শ্রদ্ধার। ‘মঙ্গলধ্বনি’ প্রশংসা ও শ্রদ্ধার চেয়ে অধিক প্রত্যাশা করে সহযোগিতা ও সহমর্মিতা। আর একত্রিত হয়ে আকাশ বিদীর্ণ করা চিৎকার দেবার শক্তি হয়ে ওঠার। সে শক্তি নেকড়েদের কেবল রুখবেই না চিরতরে মানব সমাজ থেকে নিশ্চিহ্ন করে দেবে। নেকড়ে ও মানুষ এক সমাজে বাস করতে পারে না। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: শাহেরীন আরাফাত

ক্রসফায়ার, হত্যা, গুমক্রসফায়ার ক্রসফায়ার ক্রসফায়ার

চারিদিকে ফাটফাট,

মার মার কাট কাট

কিন্তু প্রশ্ন জাগে

একি নতুন কিছু? (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: শাহেরীন আরাফাত

এক.

prothom-alo-logo-2-বিশ্বব্যাংকের সংবাদ সম্মেলনের বরাতে প্রথম আলো লিড নিউজ করেছে “দেশে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা দ্রুত কমছেখবরের শিরোনামেই তার মূলভাব নিহিত থাকে, যেমনটা নিহিত রয়েছে এই খবরেও। দেশের ব্যাপক নিপীড়িত শ্রমজীবী জনগণ (শ্রমিককৃষক) আধপেটা খেয়ে না খেয়ে কোনো ক্রমে বেঁচে আছে, শ্রেণী বৈষম্য যেখানে ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে, যেখানে আমার বোন সোনাবরুরা না খেতে পেয়ে নিজেকে মেরে ফেলতে উদ্ধত হয়, গ্রামীন ব্যাংকের করাল গ্রাসে যেখানে দেনাগ্রস্থ কৃষক আত্মহনন করতে বাধ্য হয়, যা মূলত সামাজিক হত্যাকাণ্ডের বাইরে কিছু নয়, সেখানে যদি বলা হয় – “দেশে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা দ্রুত কমছে”, তাহলে বুঝতে হবে এতে নিশ্চয় কোনো দুরভিসন্ধি আছে। (বিস্তারিত…)