Posts Tagged ‘কর্পোরেট সাম্রাজ্যবাদ’


লিখেছেন: লাবণী মণ্ডল

শিল্প ও সাহিত্যের ক্ষেত্রে সমালোচনা হলো সংগ্রাম ও বিকাশের অন্যতম প্রধান পদ্ধতি। এর গুরুত্ব উপলব্ধি করেই বস্তার বইটি নিয়ে দুচার কথা লিখতে বসলাম। এই আলোচনা বা সমালোচনা কতটুকু সাহিত্যমানসম্পন্ন হবে, সে সম্পর্কে নিশ্চিত নই। সেক্ষেত্রে এটিকে আমার উপলব্ধির বিকাশ ধরে নেয়াটাই শ্রেয়। রাজনৈতিক দর্শনে নিজের সীমাবদ্ধতা মেনে নিয়েই লিখছি। শাহেরীন আরাফাতের লেখা বইটির পুরো নামবস্তার রাষ্ট্রকর্পোরেটহিন্দুত্ববাদের যৌথ সন্ত্রাস। এটি ২০১৭ সালের মে মাসে উৎস পাবলিশার্স থেকে প্রকাশিত হয়। প্রচ্ছদ করেছেন শিশির মল্লিক।

বর্তমান সময়ে বাংলাদেশসহ তামাম দুনিয়ায় সাম্রাজ্যবাদ ও প্রতিক্রিয়াশীল শক্তিগুলো শ্রমিকশ্রেণী এবং জনগণের মুক্তি ও অগ্রগতির পথে নানা উপায়ে বাধা সৃষ্টি করার জন্য সংহত হচ্ছে। শিল্পসাহিত্যকেও তারা কাজে লাগাচ্ছে ব্যাপকভাবে। এমন সময়ে বস্তার বইটি নিয়ে আলোচনার গুরুত্ব অনস্বীকার্য। তবে উৎকৃষ্ট সাহিত্য সমালোচনা করাটা নিতান্ত সহজ কাজ নয়। বরং এমন বইযেখানে সমাহার ঘটেছে ইতিহাস, রাজনীতি, অর্থনীতি, আগ্রাসন, সংগ্রাম ও প্রতিরোধের বিপুল তথ্যতা নিয়ে আলোচনা করাটা বেশ কঠিন ও জটিল। (বিস্তারিত…)

Advertisements

mongoldhonyপ্রকাশিত হলো মঙ্গলধ্বনিসাম্রাজ্যবাদবিরোধী সংখ্যা। সাম্রাজ্যবাদকে বিভিন্নজন বিভিন্ন আঙ্গিকে ব্যাখ্যাবিশ্লেষণ করেছেন এবারের সংখ্যায়। প্রচ্ছদ করেছেন হেলাল সম্রাট। সহযোগিতায় ছিলেন আবিদুল ইসলাম, আনোয়ার হোসেন, অনুপ কুণ্ডু, আব্দুল্লাহ আলশামছ্‌ বিল্লাহ, তৌফিক খান, সুস্মিতা তাশফিন, কৌস্তভ অপু প্রমুখ। ২১ ফর্মার এই সংখ্যাটির বিনিময় মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২৫০টাকা। নিম্নে এবারের সংখ্যার সম্পাদকীয়, সূচিপত্র এবং প্রাপ্তিস্থান তুলে দেওয়া হলো।

—————————————

সম্পাদকীয়

সাম্রাজ্যবাদ পূর্বের ন্যায় কেবলমাত্র অস্ত্রহাতেই কি তার উপস্থিতি, নাকি এখন সে ভিন্ন কৌশলে অভিন্ন উদ্দেশ্যে ঘরের দোরগোড়ায় উপস্থিত ফুলেল মুখোশে? আর সেই মুখোশ চিনে নিতে আমরা নিজেরাই বা কতোটা প্রস্তুত? (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: সব্যসাচী গোস্বামী

narinder-modi-a-real-terroristপ্রধানমন্ত্রীর গদিতে বসার পর মোদি প্রত্যাশিতভাবেই সাংস্কৃতিক জগতেও তার ফ্যাসিবাদী কার্যকলাপ চালু করে দিয়েছে। সম্প্রতি মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণে প্রয়াত হয়েছেন সাংবাদিক এবং তথ্যচিত্র নির্মাতা শুভ্রদীপ চক্রবর্তী। মৃত্যুর কিছুদিন আগেই তিনি ‘ইন দিনো মুজাফরনগর’ নামে একটি তথ্যচিত্র নির্মাণ করেছিলেন। তথ্যচিত্রটিতে সাম্প্রতিক মুজাফরনগরে ঘটে যাওয়া দাঙ্গার পিছনের রাজনীতিটিকে উন্মোচিত করা হয়েছিল। স্বভাবতই এর ফলে আঙুল উঠছে সংঘ পরিবারের দিকে, তাই মোদি ক্ষমতায় আসার পরই দেখা গেল সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ফিল্ম সার্টিফিকেশানের পক্ষ থেকে ছবিটির ক্লিয়ারেনস আটকে গেল! শুধু তাই নয়, এর বিরুদ্ধে তিনি যখন ফিল্ম সার্টিফিকেশান এপিলেট ট্রাইবুনালে গেলেন, তখন সেখানেও তার জন্য দরজা বন্ধ হয়ে গেল। তথ্যচিত্র নির্মাতার অভিযোগ যে, তথ্যচিত্রটিকে বন্ধ করতে স্বয়ং মোদি তৎপর হয়েছিলেন। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: সব্যাসাচী গোস্বামী

modi-100-daysকথা ছিল, ক্ষমতায় এসেই প্রথমে মোদিজী দেশের দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির সমস্যা মেটাবেন। কথা ছিল, দুর্নীতি সমাধানে একটা জবরদস্ত সমাধান করা হবে। কিন্তু অভিযোগ ছিল, স্রেফ যে মোদিকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তুলে ধরতেই খরচ করা হয়েছে প্রায় দশ হাজার কোটি টাকা, সে কি করে একটা দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন উপহার দেবে দেশবাসীকে! প্রচারের বহর দেখে এই অভিযোগের সত্যতা নিয়ে সন্দেহরও অবকাশ থাকে না। (বিস্তারিত…)


Maithon_dam_india-1[*এটাকে ঠিক লেখা হিসাবে না ধরে একটা লেখার আংশিক খসড়া পাঠ হিসাবে বিবেচনা করলে ভাল করবেন, প্রিয় পাঠক নেসার আহমেদ]

নদীকেন্দ্রিক ভারতের তৎপরতা

ভারত ও বাংলাদেশের রাজনীতিতে পানি এখন একটা গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ইস্যু। বাংলাদেশে ক্ষমতা চর্চাকারী সরকারিবিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি এ বিষয়ে নির্বিকার। কিন্তু ভারতের অবস্থান একদম বিপরীত। ওই রাষ্ট্রের কোনো কোনো প্রদেশে নির্বাচনের ইস্যু হিসাবে ‘জল ঘোলার’ রাজনীতি এখন প্রকট। বিশেষত প্রতি গ্রীষ্মেই দক্ষিণ ও পশ্চিম ভারতের বিস্তীর্ণ এলাকার প্রায় ২৮ কোটি মানুষ তীব্র খরার কবলে আক্রান্ত হন। তাদের কাছে তখন খাদ্যবস্ত্রের চেয়ে তৃষ্ণা নিবারণের প্রশ্নটা প্রধান হয়ে ওঠে। যাকে ভিত্তি করে ১৯৯০ সালের পর থেকে দক্ষিণ ও পশ্চিম ভারতের ভোটের রাজনীতিতে পানি ইস্যুটি ভোটব্যাংক হিসাবে কাজ করে। (বিস্তারিত…)