Posts Tagged ‘কংগ্রেস’


লিখেছেন: অজয় রায়

ভারতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকারের তিন বছর পূর্ণ হয়েছে গত মে মাসে। যা খুব জাঁকজমক করে পালন করা হয়। তবে এ তিন বছরে দেশটির আমজনতার দুর্দশা আরও বেড়েছে। গত ২৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে ভারত সরকার নয়াউদারবাদী নীতি ধারণ করে চলেছে। তবে এক্ষেত্রে বিগত কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ জোট সরকার থেকেও বেশি জোর কদমে দেশ বেচার এই জনবিরোধী নীতিকে কাজে পরিণত করতে উঠে পড়ে লেগেছে বর্তমান বিজেপি সরকার। (বিস্তারিত…)

Advertisements

লিখেছেন: সৌম্য মণ্ডল

kisssssssচা এর দোকান থেকে সংবাদ মাধ্যম, বঙ্গরাজনীতি উত্তাল, হৈ হৈ এবং ছি ছিক্কারে, কারণ গত ৫ নভেম্বর রাস্তা অবরোধ করে প্রায় ৩০০ ছাত্র ছাত্রী চুমু খেয়েছে! তাও আবার যাদবপুর থানার সামনে দাড়িয়ে! ওয়াকি টকি হাতে পুলিশ ঘেঁটে লাট, “স্যার”কে কি ভাষায় রিপোর্টিং করবে বুঝতে পারছেনা! অন্য সময় হলে না হয় “হাতে নাতে” ধরা পরা “অপরাধী” মেয়েটির বুকে খানিক হাত বুলিয়ে নেওয়া যেত অথবা যুগলের কাছ থেকে ২০০ টাকা ফাইন, অন্তত পক্ষে ধমকির ফরম্যাটে একটু জ্ঞান তো দেওয়া যেত! মানে ওই পার্কে, বা অন্ধকার গলিতে আইনের রক্ষকরা যে বঙ্গ সংস্কৃতিটা অনুশীলন করেন আর কি! (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: আবিদুল ইসলাম

hasina-manmohanভারতের Indian Express পত্রিকার সম্পাদক শেখর গুপ্ত’র National Interest: Dear Narendrabhai শীর্ষক একটি নিবন্ধ গত ৩১ অগাস্ট পত্রিকাটিতে প্রকাশিত হয়েছে। নরেন্দ্র মোদিকে প্রিয় নরেন্দ্র ভাইহিসেবে সম্বোধন করে তার কাছে খোলা চিঠি আকারে লেখা নিবন্ধটিতে যে কথাগুলো বলা হয়েছে সেটা মোটা দাগে একটি সাম্রাজ্যবাদী রাষ্ট্র হিসেবে ভারতের বৃহৎ পুঁজির স্বার্থের প্রতিনিধি সে দেশের শাসক শ্রেণী তার আশপাশের প্রতিবেশী দেশগুলো সম্পর্কে যে দৃষ্টিভঙ্গি ধারণ ও বক্তব্যসমূহ প্রদান করে থাকে তার থেকে ব্যতিক্রম কিছু নয়। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: অজয় রায়

Telangana_mapদীর্ঘ টালবাহানার পর অবশেষে কংগ্রেস ও ইউপিএ পৃথক তেলেঙ্গানা রাজ্য গঠনের ঘোষণা করেছে। রাজ্য গঠনের এই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হতে আরও চারপাঁচ মাস লাগবে বলে জানা গিয়েছে। ভারতের উনত্রিশতম রাজ্য হিসাবে তেলেঙ্গানা আত্মপ্রকাশ করছে। অন্ধ্রপ্রদেশের উত্তরভাগের দশটি জেলা নিয়ে গঠিত হবে এই রাজ্য []। আর অন্ধ্রের বাকি জেলাগুলি নিয়ে গঠিত হবে সীমান্ধ্র। আগামী দশ বছরের জন্য দুই রাজ্যেরই রাজধানী হিসাবে থাকবে হায়দ্রাবাদ। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: আবিদুল ইসলাম

revolutionary-force-2বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে দেশের জনগণ অনেকটাই বিমূঢ় হয়ে পড়েছেন। যারা কোনোভাবেই দেশের রাজনীতির সাথে সরাসরি সংশ্লিষ্ট নন তাদের ক্ষেত্রে এটা হওয়া অত্যন্ত স্বাভাবিক। কেননা গত কয়েক মাস ধরে পরিস্থিতির মধ্যে দ্রুত বেশকিছু পরিবর্তন ঘটে চলেছে। কয়েক মাস আগেও যা এদেশের জনগণ কল্পনাও করতে পারেন নি বাংলাদেশে এখন সেটাই হচ্ছে। মূলত গত ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ঘটনার সূত্রপাত হলেও এর মূল আরো অনেক গভীরে। কীভাবে কী হলো, এর পেছনে কোন সব শক্তি ও উদ্দেশ্য কাজ করছে সেগুলো নিয়ে ধাপে ধাপে পর্যালোচনা উপস্থিত করলে বর্তমান পরিস্থিতির জটিলতার পেছনে বিদ্যমান চক্রান্তের জালগুলো কিছুটা পরিষ্কার হতে পারে। (বিস্তারিত…)

ভারতে বহুজাতিক কোম্পানির আগ্রাসন এবং কিষেনজির মৃত্যু

Posted: এপ্রিল 22, 2012 in আন্তর্জাতিক, মন্তব্য প্রতিবেদন
ট্যাগসমূহ:, , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,

লিখেছেন: নেসার আহমেদ

কমরেড কিষেনজি

২৪শে নভেম্বর ২০১১, পশ্চিমবঙ্গের শালবিহারের বুড়িশোলের সোরাকোটা গ্রামে জঙ্গলে পুলিশ মাল্লাজুল্লা কোটেশ্বর রাও ওরফে কিষেনজিকে গ্রেফতার ও পরে গুলি করে হত্যা করে। কিষেনজি ছিলেন কমিউনিস্ট পার্টি অব ইন্ডিয়া (মাওবাদী)’র পলিটব্যুরোর সদস্য এবং একজন শীর্ষ নেতা। তাঁর মৃত্যুর সূত্র ধরে ভারতের রাজনীতিতে নানান মাত্রার বিতর্ক শুরু হয়েছে। রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যৌথ বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষেই কিষেনজির মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু ঘটনার পরদিন গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষা সমিতি (এপিডিআর) সহ ২৪টি মানবাধিকার সংগঠন, অন্ধ্রপ্রদেশের বিশিষ্ট কবি ও চিন্তাবিদ ভারভারা রাও দাবি করেছেনকিষেনজিকে বন্দি অবস্থায় খুন করা হয়েছে। সিপিআই সাংসদ গুরুদাস দাশগুপ্ত ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পালানিয়প্পন চিদম্বরমকে চিঠি লিখে ঘটনার তদন্ত চেয়েছেন। তাঁরও দাবি কিষেনজিকে গ্রেফতারের পর হত্যা করা হয়েছে। প্রখ্যাত লেখিকা ও মানবাধিকার নেত্রী মহাশ্বেতা দেবী কিষাণজিকে হত্যা করার প্রতিক্রিয়া হিসেবে মমতাকে ফ্যাসিস্ট হিসেবে সমালোচনা করেছেন এবং বিধানসভা সদস্য ও গায়ক কবির সুমনের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতার দ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছে। অবশ্য এর বিপরীত মতামতও রয়েছে। যেমন ভারতের শাসক শ্রেণী, কর্পোরেট মালিক এবং গণমাধ্যমগুলো দাবি করছে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকার গঠন করার ৬ মাসের মধ্যে কিষেনজিকে হত্যা করতে পারা মমতা ব্যানার্জির জন্য বড় মাপের সাফল্য! কিন্তু ঘটনা কি আসলেই তাই? কারণ কিষেনজিকে হত্যা করা হয়েছে এমন একটি সময়ে, যখন পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকারের সাথে মাওবাদীদের আলোচনা চলছিল। এবং কিষেনজিকে হত্যার পরপরই মাওবাদীরা আলোচনা প্রক্রিয়া ভেঙ্গে দিয়েছেন। পাশাপাশি মধ্যস্থতাকারীরা তাঁদের নাম প্রত্যাহার করেছেন। ফলে সব মিলিয়ে পরিস্থিতি কিছুটা নাজুক। সেটা যেমন ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের জন্য, তেমনি পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকারের জন্যও। কারণ কিষেনজির হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়ে মাওবাদীদের মুখ থুবড়ে পড়ার সম্ভাবনা আদৌ কতটুকু? এ প্রশ্নের সদুত্তর পাওয়া যাবে মূলত ভারতের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণের মধ্য দিয়ে। (বিস্তারিত…)