Posts Tagged ‘এনজিও’


লিখেছেন: পাইচিংমং মারমা

CHT-8-মনে করুন আপনি কোথাও বাসে চলেছেন। কানে হেডফোন গুঁজে প্রিয় একটা গান চালাতেই আপনার পাশে বসা সহযাত্রী হর হর করে বমি করে দিলো আপনার কোলের উপর। আপনার গান শোনা আর জানলা দিয়ে প্রকৃতি দেখা বমির টক গন্ধে, বিবমিষায় ভরে গেলো। এরপর সেই পার্শ্ববর্তী যাত্রী আপনার সামনে, আপনার পাশে বারবার বমি করলো। আপনার গোটা যাত্রাপথটাই সে নোংরা করে দিলো। কানে গুঁজে দেওয়া মিষ্টি মিষ্টি প্রেমের গানগুলো সে বমির গন্ধে টক বানিয়ে দিলো। কেমন লাগবে? (বিস্তারিত…)

Advertisements

কর্পোরেটোক্রেসি, সাম্রাজ্যবাদের নয়া চেহারা ও বাংলাদেশ (শেষ পর্ব)

Posted: অগাষ্ট 18, 2013 in মতাদর্শ
ট্যাগসমূহ:, , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,

লিখেছেন: জাহেদ সরওয়ার

প্রথম পর্বের পর

Corporatocracy-2কর্পোরেটোক্রেসির প্রতিটি কাজের পেছনে রয়েছে গোপনীয়তা। তাদের কর্মকাণ্ড সাধারণের আয়ত্তের বাইরে। ভিতরে কি হচ্ছে তা বাইরে থেকে বুঝার কোনো উপায় থাকে না। কারণ দুনিয়ার অধিকাংশ মিডিয়া কর্পোরেটোক্রেসির অংশ। ন্যাশনাল ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশনের (এনবিসি) মালিক হচ্ছে জেনারেল ইলেকট্রিক কোম্পানি। আমেরিকান ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশনের (এবিসি) মালিক হচ্ছে ডিজনি। ভায়াকম হচ্ছে কলম্বিয়া ব্রডকাস্টিং সার্ভিসের (সিবিএস) মালিক। ক্যাবল নিউজ নেটওয়ার্ক (সিএনএন) হচ্ছে আমেরিকা অন লাইন টাইম ওয়ার্নার গ্রপের অংশ। (বিস্তারিত…)

কর্পোরেটোক্রেসি, সাম্রাজ্যবাদের নয়া চেহারা ও বাংলাদেশ (পর্ব – ১)

Posted: অগাষ্ট 14, 2013 in মতাদর্শ
ট্যাগসমূহ:, , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,

লিখেছেন: জাহেদ সরওয়ার

Corporatocracy-2গোটা দুনিয়াকে নিয়ন্ত্রণ ও শোষণের আওতাভুক্ত করতে উন্নত দেশসমূহের বহুজাতিক বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, বিশ্বব্যাংক, বহুজাতিক দাতাসংস্থা, আইএমএফ ও উন্নত দেশগুলির সরকারসমূহ অলিখিতভাবে যে লুটেরা বাণিজ্যিক সংস্কৃতির চর্চ্চা করে থাকেন তাকে বলা হয় কর্পোরেটোক্রেসি। নিজেরা বুঝার জন্য আমরা যার অর্থ করতে পারি ‘সম্মিলিত শোষণাগার’। যা সাম্রাজ্যবাদেরই আরেকটি ধাপ, নয়া চেহারা। (বিস্তারিত…)

নেপাল :: বিপ্লবের বীজ ধ্বংসে এনজিও’র ভূমিকা

Posted: অগাষ্ট 21, 2012 in অর্থনীতি, আন্তর্জাতিক, দেশ, প্রকৃতি-পরিবেশ, মতাদর্শ, মন্তব্য প্রতিবেদন
ট্যাগসমূহ:, , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,

 

নেপাল বিপ্লবের দুর্বলতা :: এনজিও সৃষ্ট ফল

লিখেছেন: সাবা নাভালান

অনুবাদ: বন্ধুবাংলা

সাম্রাজ্যবাদের শান্তির ডাক...আজকাল বৈশ্বিক পরিপেক্ষিতে যা সহজে দৃশ্যমান তা হলোদেশে দেশে নিবদ্ধ থাকা বহুজাতিক কোম্পানির লোভী দৃষ্টি; সেই সব দেশের মধ্যে অন্যতম, প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর, তেমনি এক দেশনেপাল। ভারতের পশ্চাতে অবস্থিত নেপাল যুগ যুগ ধরে ভারতের দাসরাজ্য রূপে বিবেচিত হয়ে আসছে। নেপালের গরীব কৃষক ও শ্রমিক শ্রেণী এখানে বিশ্বের ‘নয়া দাস’ রূপে চিন্হিত। অধিকাংশ গ্রামে রাষ্ট্রের কোন কর্তৃত্ব ও প্রশাসনের উপস্থিতি নেই। এসব গ্রাম্য মানুষেরা কখনোই সরকারী চিকিৎসা পরিষেবা পায় না। বিগত শতাব্দীর সামন্ততান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার ভয়াবহ দাসত্বের ফাঁদ বর্তমানের মোড়কে এখনো ভয়ঙ্কর রূপে বর্তমান।

দীর্ঘকাল যাবৎ ভারতের উপনিবেশিকতার মাঝে থাকার ফলে নেপালে দাসত্ব ও পরাধীনতার পরিব্যাপ্তি ঘটেছে। মাওবাদী আন্দোলনের আগে বিকল্প রাজনীতি তথা ভারতের সম্প্রসারনবাদী উপনিবেশিক নীতি ও সামন্ততান্ত্রিক দাস পদ্ধতির বিরুদ্ধে বিপ্লবী পথের প্রস্তাবনা কেহই প্রবর্তন করতে পারেনি। এই পারিপার্শ্বিক অবস্থায় ইউনিফাইড কম্যুনিস্ট পার্টি, যা মাওবাদী চিন্তা ও চেতনা দ্বারা চালিত, জনগণকে বিপ্লবের জন্য প্রস্তুত করেছিল। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: কল্লোল কর্মকার

আমি লিখতে চাইনি। কারণ আজকাল লেখা আর কারও মনে আঘাত কিংবা প্রতিঘাত করে না। মানুষের মন আজ কর্পোরেট কোম্পানির বাগানে লাগানো প্লাস্টিকের ফুল। তবুও আজ সকালে ঘুম থকে উঠে কলম ধরতে হলো নিজের কাছে নিজের দায় থেকে। সকালে একদিনের বাসি পত্রিকায় একটা নিউজ দেখে নিজেকে সামলে রাখা কষ্টকর হলো। লেখাটা ছিল আমি সর্বহারাশিরোনামে সাংবাদিক মিনার মাহমুদের লেখা একটা চিঠি। আত্মহত্যা করবার আগে স্ত্রী লাজুককে লেখা তার এই শেষ চিঠিতে তিনি লিখে গেছেন তার যন্ত্রনা ও এই সমাজের কুৎসিত ক্ষতগুলোর কথা।

মিনার মাহমুদ

মিনার মাহমুদ যখন সকাল বেলা বাসা থেকে বের হন তখনও তিনি জানতেন যে তিনি আর ফিরে আসবেন না বাসায় নিজের স্ত্রীর কাছে। কতটা স্বপ্নভঙ্গ হলে একজন মানুষ এতটা পরিকল্পিতভাবে নিজেকে সর্বহারা ঘোষণা করে আত্মহত্যা করতে পারে। তার এই আত্মহত্যার জন্য দায়ী এই রাষ্ট্র, এই ব্যবস্থা এবং এই রাষ্ট্রের মিডিয়ার কুৎসিত সম্পাদকরা।

মিনার মাহমুদের চিঠির বয়ানে আত্মহত্যা প্রসঙ্গে: মোটেও না, আসলে নির্দিষ্ট কোনো কারণ নেই। কারও প্রতি আমার কোনো অভিযোগ নেই। অভিযোগ আছে আমার বাংলাদেশের সার্বিক সমাজ ব্যবস্থায় ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পরবর্তী সময় থেকে এযাবৎকাল এদেশের মিডিয়ার উপর এসেছে একের পর এক আঘাত। কখনও মিডিয়াকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে দেওয়া হয়নি। একটা সময় মিডিয়া দাসত্ব করেছে কোনো দলের আর এখন দাসত্ব করছে কর্পোরেট কোম্পানির। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: আলবিরুনী প্রমিথ

'জাগো ফাউন্ডেশন'এর লুটপাট কর্মসূচীতে জাফর ইকবাল

গত ৪ নভেম্বর প্রথম আলো পত্রিকার ১৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ওদের নিয়ে কেন স্বপ্ন দেখব না?’ শিরোনামে লেখক জাফর ইকবালের একটি লেখা প্রকাশিত হয়েছিলো। সেই লেখাটিতে তিনি নানা বিষয়ের অবতারনা করেছেন যার মধ্যে আমাদের দেশের পুরুষতান্ত্রিক সংস্কৃতিএর বিষয়টি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে খুব প্রাসঙ্গিকভাবেই তিনি বোরকা, হিজাব এসবের কথা লিখেছেন। কিন্তু তার সেই লেখা প্রকাশিত হবার পর থেকেই ব্লগে, ফেসবুকে পুরুষতান্ত্রিক লালাসায় পরিপূর্ণ পার্ভার্টরা তার মেয়ে ইয়েশিম ইকবালের কিছু ব্যক্তিগত ছবি প্রকাশ করে এবং নানা আদিরসাত্মক আলাপআলোচনাকে উস্কে দেয়। তার সেই লেখায় তিনি যা যা বলেছেন কিংবা লেখাটির উপজীব্য বিষয়কে ছেড়ে দিয়ে সেই পার্ভার্টগুলো ক্রমাগত তাকে সমালোচনার নামে ব্যক্তিগত কুৎসা রটায় এবং নিজেদের অবদমিত পুরুষতান্ত্রিক লালসা, মনের বিকৃতি, উগ্রতা উগড়ে দেয়। ব্যক্তিগতভাবে তেলগ্যাস ইস্যুতে তার নানাবিধ নষ্টামী, ইউনুস সাহেবের নির্লজ্জ এবং উদ্দেশ্যমূলক পক্ষপাতিত্ব এবং নানাবিধ কর্পোরেট বেশ্যাবৃত্তির কারণে আমি তাকে বিক্রী হয়ে যাওয়া বুদ্ধিজীবী বলেই মনে করি। কিন্তু তাই বলে সমালোচনার নামে তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে যেভাবে টানাটানি করা হয়েছে তা যেকোন অবস্থাতে নিন্দিত এবং কঠোর সমালোচনার যোগ্য। জাফর ইকবালের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে আলোচনাসমালোচনা হতে পারে, যদি তিনি নিজে যা লিখেছেন তা থেকে তার নিজের বিচ্যুতি ঘটে থাকে, তবে সেটাও সমালোচনা করা যেতে পারেন। তাই বলে তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কেন এই নোংরা খেলা এবং কেন আমাদের সেই নোংরামীকে সমর্থন করা? জাফর ইকবাল তার সেই লেখাটিতে যা লিখেছেন তা থেকে তিনি নিজে বিচ্যুত এমনটা কি এখনো প্রমাণিত হয়েছে? এছাড়া আমরা যদি বিভিন্ন বিখ্যাত ব্যক্তির দিকে তাকাই তবে দেখব যে তাদের অনেকেই তাদের জীবনে বিভিন্ন ধরণের অপরাধ করেছেন। উদাহরণ স্বরুপ পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ লেখকদের ছোট তালিকা তৈরী করতে বলা হলে সেখানে লিও টলস্টয়ের নাম অবশ্যই আসবে যার সম্পর্কে লেনিন বলেছিলেন, টলস্টয়ের লেখা না পড়লে কোন কমিউনিস্টের শিক্ষা পূর্ণ হয়না সেই লিও টলস্টয় তের বছরের একটি বালিকাকে ধর্ষণ করেছিলেন, যার স্বীকারোক্তি তিনি নিজে দিয়েছিলেন, এখন তাই বলে তার লেখাকে কী অস্বীকার করা সম্ভব? সাহিত্যের জগতে তার যেই অসামান্য অবদান তাকে আস্তাকুঁড়ে নিক্ষেপ করাটা কতটা যুক্তিযুক্ত হবে উপরিউক্ত ঘটনাটির কারণে? এর সাথে তুলনা করলে ব্যক্তিগত জীবনে জাফর ইকবাল এমন কি লঙ্কাকান্ড ঘটিয়েছেন, যার কারণে পোঁদ ফাঁটা আবেগে এই বিকৃতিকে সমর্থন করছেন? দুঃখের ব্যাপার হলো, জাফর ইকবালের অনেক ভক্তকে ব্যক্তিগতভাবে চিনলেও তাদের মধ্যে হাতেগোণা কয়েকজন ছাড়া আর কাউকেই এই নিয়ে তেমন কথা বলতে শুনিনি কিংবা দেখিনি!! (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: আলবিরুনী প্রমিথ

ফটো-সেশনে ব্যস্ত ভলেন্টিয়্যাররা

গত ৩ নভেম্বর শিশু দিবস উপলক্ষ্যে জাগো ফাউন্ডেশন নামে একটি এনজিওতে কাজ করা নানা প্রাইভেট–পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা রাষ্ট্রেরমৌলিক অধিকারগুলো থেকে বঞ্চিত শিশুদের সাথে সময় কাটিয়েছে, তাদের খাইয়েছে, হৈ হুল্লোড় করেছে, ফুল বিক্রি করে টাকা তুলে বিচ্ছিন্নভাবে দারিদ্র্যতা দূরীকরণ(!)এর অসম্ভব কাজটি একদিনের জন্য হলেও সম্পন্ন করার চেষ্টা করেছে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এই ধরনের এনজিও পরিচালিত কর্মকান্ডের উত্তোরোত্তর বৃদ্ধি মোটেও হেলাফেলার বিষয় নয়। কেননা এই ধরনের কর্মকান্ডের অরাজনৈতিকইমেজের মোড়কে যেই প্রতিক্রিয়াশীল রাজনীতিবিদ্যমান তাকে সঠিকভাবে অনুধাবন এবং তাকে স্পষ্ট করে তুলে ধরাটা এই সময়ের জন্য অবশ্য কর্তব্য। (বিস্তারিত…)