Posts Tagged ‘এনকাউন্টার’


লিখেছেন: নীলিম বসু

মহারাষ্ট্রের গড়চিরোলিতে ৩৯ জন মাওবাদী বিপ্লবীকে হত্যা করেছে ভারতের রাষ্ট্রীয় বাহিনী। এ ঘটনাকে ‘এনকাউন্টার’ হিসেবে উল্লেখ করা হলেও প্রকৃতপক্ষে এটি একটি পরিকল্পিত গণহত্যা। গণহত্যাকে এখানে একটি অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। এ আক্রমণটা হয়েছে লাল ঝাণ্ডার ওপর। লেনিন মূর্তি ভাঙা যেমন ছিলো, তারই হিংস্র এক রূপ। ওই সময় যেভাবে লাল ঝাণ্ডা আঁকড়ে ধরা প্রত্যেকে রাস্তায় নেমে আক্রমণের জবাব দিয়েছিলো, এবার তার চেয়েও জোরদার প্রতিরোধ গড়ে তোলা দরকার। এই প্রয়োজনীয়তা অনেকেই বুঝতে পারছেন। যারা নকশালপন্থী/মাওবাদী রাজনীতির সাথে মতপার্থক্য রাখেন, এমন অনেকেও এই গণহত্যার প্রতিবাদ হিসেবে ‘নকশালবাড়ী লাল সেলাম’ স্লোগান তুলছেন। (বিস্তারিত…)

Advertisements

Comrade Siraj-Sikderআজ ২ জানুয়ারি, ২০১(বৃহস্পতিবার)শহীদ বিপ্লবী ও দেশপ্রেমিক স্মৃতি সংসদ’এর উদ্যোগে বাংলাদেশের মাওবাদী আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ ও ‘পূর্ব বাংলার সর্বহারা পার্টি’র প্রতিষ্ঠাতা কমরেড সিরাজ সিকদারএর ৩৯তম শহীদ দিবস পালন করা হয়। ‘শহীদ বিপ্লবী ও দেশপ্রেমিক স্মৃতি সংসদ’ এই দিনে অন্যান্য শহীদ মাওবাদী বিপ্লবীদেরও স্মরণ করে থাকে এবং এই দিনকে ‘জাতীয় শহীদ দিবস’ হিসেবে পালন করে আসছে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: আবিদুল ইসলাম

rab-রাষ্ট্রীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কর্তৃক গত রাতে মিল্কিহত্যার প্রধান সন্দেহভাজন আসামির ভবলীলা সাঙ্গ হওয়ার পর আজ যারা বলছেন “তারেককে খুন করা র‌্যাবের উচিত হয় নি” তারা হচ্ছেন এমন সব ব্যক্তি যারা র‌্যাবের কাছ থেকে ‘ইতিবাচক’ কিছু আশা করেন। এই ভদ্রলোকগণ শ্রেণীগতভাবে জনগণের শিক্ষিত মধ্যবিত্ত অংশের প্রতিনিধি, যারা মনে করেন বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে দেশে ‘শান্তি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব’। (বিস্তারিত…)

এলিট বাহিনীর শ্বেত সন্ত্রাস ও রাষ্ট্রের নীরব সমর্থন

Posted: ডিসেম্বর 16, 2012 in দেশ, মন্তব্য প্রতিবেদন
ট্যাগসমূহ:, , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,

লিখেছেন: শাহেরীন আরাফাত

Rab-1এই বিজয়ের মাসে এমন একটা লেখা হয়তো অনেকেই আশা করবেন না, কিন্তু লিখছি নিজের তাগিদেই। বিচার বহির্ভুত হত্যাকাণ্ড, আর হয়রানি, গ্রেফতার বাণিজ্য, গুপ্তহত্যা, অপহরণে শঙ্কিত হয়েই লিখছি। হয়তো এই লেখার অপরাধেও হয়রানি বা গ্রেফতারের শিকার আমরা হতে পারি, কিন্তু তবুও বলতে হবে, তবুও লিখতে হবে! রাষ্ট্রীয় এলিট বাহিনীর সন্ত্রাসী কার্যকলাপের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার যে কোনো বিকল্প নাই!

.

২১ শে জুন, ২০০৪ সালে র‌্যাব গঠনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। ২৪ শে জুন, ২০০৪ সালে প্রথম র‌্যাবের হাতে ক্রসফায়ারের ঘটনায় একজন মারা পড়ে। তারপর থেকে ক্রসফায়ার প্রতিনিয়ত ঘটমান একটি বিষয়। যেমন ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৪ সালে দেশের ৬৪ টি জেলায় র‌্যাব একযোগে অপারেশনে নামে। ২৬ শে অক্টোবর, ২০০৪ সালে র‌্যাব গঠনের বৈধতা নিয়ে আদালতে একটা মামলা দায়ের হয়। কিন্তু তার ফলাফল শূণ্য। কারণ তার পরপর শুধু র‌্যাবই নয়, দেশের পুলিশ বাহিনীও প্রতিযোগিতামূলকভাবে ক্রসফায়ারের ঘটনা ঘটাতে থাকে এবং সংখ্যাগতভাবে ক্রসফায়ারের ঘটনা বাড়তে থাকে। তা গঠিত হয়েছিল মূলত পুলিশ, সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর সদস্যদের সমন্বয়ে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: মনজুরুল হক

শহীদ কমরেড সিরাজ সিকদার

ষাঁটের দশকের মাঝামাঝি সময়ে মনি সিংহমোজাফ্ফরদের রুশপন্থী সংশোধনবাদের বিরুদ্ধে সাধারণ আন্তরিক বিপ্লবীদের বিদ্রোহের প্রক্রিয়ায় গঠিত ইপিসিপি (এমএল) এবং এর ধারাবাহিকতার অন্যান্য দল ও উপদলগুলো নিজেদের সত্যিকার মার্কসবাদীলেনিনবাদী বিপ্লবী পার্টি হিসেবে দাবী করার পরও ১৯৬৭ সাল থেকেই কমরেড সিরাজ সিকদার এই ধারা থেকে বেরিয়ে এসে শ্রমিক শ্রেণীর একটি সত্যিকার মার্কসবাদীলেনিনবাদী–মাওসেতুঙ চিন্তানুসারী বিপ্লবী পার্টি গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে একটি নতুন প্রক্রিয়া শুরু করেন। এই উদ্যোগের মূলে ইপিসিপি (এমএল) ও এর থেকে বিভক্ত অন্যান্য দলউপদলগুলো জন্মের শুরু থেকেই যে সংশোধনবাদী লাইন গ্রহণ অনুসরণ করে তার বিরোধিতা করা এবং এর বিপরীতে একটি সত্যিকার মার্কসবাদীলেনিনবাদী বিপ্লবী পার্টি গড়ে তোলা।

. সে সময় ইপিসিপি (এমএল) আন্তর্জাতিকভাবে ক্রুশ্চেভের নেতৃত্বে রুশ পার্টির আধুনিক সংশোধনবাদী এবং দেশীয় ক্ষেত্রে মনিখোকামোজাফ্ফর চক্রের লাইনের বিরোধিতা করলেও সংশোধনবাদের বিরুদ্ধে সুস্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট রাজনৈতিক সংগ্রাম পরিচালনায় ব্যর্থ হয়েছিল। কারণ এরাই ইতিপূর্বে মনিখোকামোজাফ্ফরদের নেতৃত্বে তাদের সংশোধনবাদী, সংস্কারবাদী, সুবিধাবাদী ও বিলোপবাদী লাইন অনুশীলন করেছিল, পার্লামেন্টারী রাজনীতি তথা নির্বাচনকেন্দ্রীক রাজনীতির অনুসারী ছিল। সে কারণে তাদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ও বিভক্তির সময় মার্কসবাদীলেনিনবাদী বিপ্লবী দৃষ্টিভঙ্গি, অনুশীলনের সঠিক ও সার্বিক সারসংকলন এবং আত্মসমালোচনা করতে ব্যর্থ হয়। বরং অভ্যন্তরীন লাইনের ক্ষেত্রে তারা ওই সকল প্রকাশ্য গণসংগঠনবাদী, সংস্কারবাদীঅর্থনীতিবাদী অনুশীলনেই (৭০ এর পূর্ব পর্যন্ত) নিজেদেরকে নিয়োজিত রাখে।

মস্কোপন্থী সংস্কারবাদীদের থেকে বিভক্ত হওয়ার পরও এরা পেটি বুর্জোয়া সংস্কারবাদী ভাসানী ন্যাপের কাঠামোর অধীনে সংস্কারবাদী ও বিভ্রান্তিকর প্রকাশ্য রাজনৈতিক তৎপরতায় নিজেদের নিয়োজিত রাখে। হক, তোয়াহা’র মত নেতৃস্থানীয় ‘কমিউনিস্ট’রাও ইসলামী সমাজতন্ত্রের মত বিভ্রান্তিকর বক্তব্য প্রকাশ্যেই প্রচার করে এবং এভাবে শ্রমিক শ্রেণীর একটি বলশেভিক ধরণের বিপ্লবী রাজনৈতিক পার্টি গড়ে তুলতে তারা ব্যর্থ হয়। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: শিহাব ইশতিয়াক সৈকত

সহায়তায়: শাহেরীন আরাফাত

শহীদ কমরেড সিরাজ সিকদার

শহীদ কমরেড সিরাজ সিকদার বা তাঁর হাতে গড়া ‘পূর্ব বাংলার সর্বহারা পার্টি’র নাম আমরা অনেকেই জানি। কমরেড সিরাজ সিকদার এবং সর্বহারা পার্টি, এই দু’টি নাম পরস্পর ওতপ্রোতভাবে জড়িত। শহীদ কমরেড সিরাজ সিকদার ছিলেন একজন দেশপ্রেমিক, বিপ্লবী রাজনীতিবিদ, মুক্তিযোদ্ধা ও কবি। একজন চিন্তাশীল এবং আদর্শবাদী ছাত্র নেতা হিসেবেও তাঁর মূল্যায়ন থাকা উচিৎ। উনার সম্পর্কে নিজের কিছু অনুভূতি প্রকাশ করতেই এই লেখার অবতারণা।

সিরাজ সিকদার, এক অকুতোভয় দেশপ্রেমিক, যার অস্তিত্বে জড়িয়ে আছে স্বদেশ, অথবা তার অস্তিত্ব ছড়িয়ে আছে স্বদেশের প্রতিটি কোণায়। তিনি অনুধাবন করতে সমর্থ হয়েছিলেন যে, মানুষের প্রকৃত মুক্তির জন্য বিপ্লবের কোন বিকল্প নেই। শরিয়তপুর জেলার ভেদেরগঞ্জে ১৯৪৪ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণকারী এই বিপ্লবী ১৯৭৫ সালের প্রথম দিনেই রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসীদের হাতে বন্দি ও পরদিন ওই উর্দি পরা সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হন। আর এর মাধ্যমেই শুরু হয় স্বাধীন বাংলাদেশে বিচার বহির্ভুত হত্যা, ‘ক্রসফায়ার’ কালচারের এক কলুষিত অধ্যায়, যার ধারকেরা এখনো এটি বয়ে বেড়াচ্ছেন।

সিরাজুল হক সিকদার ১৯৫৯ সালে বরিশাল জিলা স্কুল থেকে মেট্রিক ও ১৯৬১ সালে ব্রজ মোহন কলেজ থেকে আইএসসি পাশ করেন। তৎকালীন সময়ে বুয়েটের শিক্ষার্থীরা নিজেদের ভবিষ্যত কর্মজীবনের কথা ভেবে রাজনীতি থেকে দূরে থাকত, কারণ অঘোষিতভাবে ইউনিভার্সিটিতে তখন রাজনীতি নিষিদ্ধ ছিল। কিন্তু এসময়েই সিরাজ সিকদার ছাত্র ইউনিয়নে যোগদানের মাধ্যমে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। তখন তিনি লিয়াকত হলের ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি নির্বাচিত হন (মেনন গ্রুপ)। তিনি ১৯৬৭ সালে বুয়েট থেকে ১ম বিভাগে ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রী লাভ করেন। ডিগ্রী লাভের পর পরই তিনি সরকারী চাকরীতে (সি অ্যান্ড বি বিভাগের প্রকৌশলী হিসেবে) যোগ দান করেন, কিন্তু মাত্র ৩ মাসের ব্যবধানে তিনি চাকরী থেকে ইস্তফা দিয়ে টেকনাফ ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড নামের একটি বেসরকারী কোম্পানীতে যোগদান করেন। কিন্তু এর মাঝেই বিপ্লবী পার্টি গঠনের প্রক্রিয়া চলছিল। (বিস্তারিত…)


মূল লেখা: বার্নার্ড ডি’মেলো

অনুবাদ: শাহেরীন আরাফাত

কিষানজী লড়েছিলেন একটা উন্নত পৃথিবীর জন্য

একটি সাজানো এনকাউন্টার, যেখানে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মাওবাদী) [সিপিআইমাওবাদী]’এর পলিটব্যুরো সদস্য মাল্লোজুলা কোটেশ্বর রাও ‘কিষানজী’কে পশ্চিমবঙ্গের পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার বুড়িশোল জঙ্গলে, পশ্চিমবঙ্গঝাড়খন্ড সীমান্ত থেকে ১০ কিমি দূরে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়; সেই হত্যাকাণ্ডকে “সাচ্চা এনকাউন্টার” দেখানোর জন্য ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পি. চিদাম্বরম, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী (যিনি পশ্চিমবঙ্গের গৃহমন্ত্রনালয়ের দায়িত্বেও নিয়োজিত), কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব আর.কে. সিংহ এবং হত্যাকাণ্ডে জড়িত নিরাপত্তা বাহিনীর উচ্চপদস্থরা উঠে পড়ে লেগেছেন। প্রধান প্রধান গণমাধ্যম সমূহ সাংবাদিকতা পেশা শিকেয় উঠিয়ে সরকারী অসত্যতার সঙ্গে ধর্ম বিশ্বাসে তাদের দুষ্কর্মে সহায়তা দিচ্ছে উন্মুক্তভাবে, আমাদের অবশ্যই মনে রাখতে হবে তাঁর মৃত্যুকালীন পরিস্থিতি এখনো অজানা রয়েছে। ২৫ নভেম্বর ২০১১ তারিখে পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির মুখপাত্র ‘অভয়’ কর্তৃক প্রেরিত এক প্রেস বিবৃতিতে বলা হয়, “একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে আটক করার পর কিষানজীকে হত্যা করা হয়।”

নৃশংসতম রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের চিত্র

বিপ্লবী তেলেগু কবি ভারাভারা রাও ‘কিষানজী’কে তাঁর জন্মস্থান অন্ধ্রের করিমনগর জেলার পেদ্দাপল্লী গ্রামে নিয়ে যাওয়ার জন্য ‘কিষানজী’র ভাইজীর সাথে পশ্চিমবঙ্গে এসেছিলেন; তিনি বলেন: “গত ৪৩ বছরে আমি তথাকথিত এনকাউন্টারের নামে অনেক নিহতের মরদেহ প্রত্যক্ষ করেছি, কিন্তু এর মতন একটিও ছিল নাশরীরের এমন একটি জায়গা বাদ নেই, যেখানে ক্ষত ছিল না।” পোস্টমর্টেমের পূর্বে কিষানজীর মরদেহ প্রত্যক্ষ করা সিআরডিও (কোঅর্ডিনেশন অব ডেমোক্রেটিক রাইটস অর্গানাইজেশন)’এর কর্মীদের ভাষ্য মতে, “মাথার পিছনদিকের মস্তকের অংশ এবং মস্তিষ্ক ছিল না; ডান চোখ অক্ষিকোটর থেকে বেরিয়ে এসেছিল; নিচের চোয়াল বলতে কিছু অবশিষ্ট ছিল না; মুখমণ্ডলে চারটি ছুরিকাঘাতের ক্ষত ছিল; গলায় ছুরি চালানোর চিহ্ন সুস্পষ্টভাবেই পরিলক্ষিত হয়; হাত ভেঙ্গে দেওয়া হয় এবং কাঁধের নিচে ২টি গুলির ক্ষত দেখা যায়; বাম হাতের তর্জনীর একতৃতীয়াংশ উপড়ে ফেলা হয়; লক্ষ্য করা যায় কতগুলো গুলি ফুসফুস ভেদ করে চলে যায়; ডান হাঁটুতে গভীর ক্ষত করা হয়; বামপায়ের পাতা ছিল সম্পূর্ণরূপে দগ্ধ; শরীরের সামনের দিকে ৩০টিরও বেশী ব্যায়োনটের আঘাতের চিহ্ন লক্ষ্য করা যায়। যখন গুলি, ছুরিকাঘাত, পুড়ে যাওয়ার মতো অসংখ্য ক্ষত কিষানজীর সারা শরীরে, তখন আশ্চর্যজনকভাবে (!) তার পরিধেয় শার্টপ্যান্টে ক্ষত স্থানের অংশে কোন দাগ লাগেনি।” (পোস্টমর্টেম রিপোর্ট এখনও ‘কিষানজী’র আত্মীয় স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়নি)

উপড়ে ফেলা আঙ্গুল

(বিস্তারিত…)