Posts Tagged ‘ইতিহাস’


লিখেছেন: নীলিম বসু

ambedkar-marxএই উপমহাদেশের হাজার বছরের ইতিহাসে বর্ণব্যবস্থার বিরুদ্ধে সংগ্রামের ইতিহাসটাও অনেক পুরনো। চার্বাকদের ধ্বংস করেছিল ব্রাহ্মণ্যবাদীরা, চৈতণ্যের আন্দোলন, গৌতম বুদ্ধের ভাবধারাকে অঙ্গীভূত করে নেয় এই ব্রাহ্মণ্যবাদী ব্যবস্থা। ফুলে দম্পতি ও পেরিয়ারের সংগ্রাম এই ব্রাহ্মণ্যবাদী ব্যবস্থার বিরুদ্ধে সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা রাখে। মূলত পেরিয়ারের আন্দোলন দক্ষিণ ভারতে এক গভীর ও সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলে যায় ও ব্রাহ্মণ্যবাদী ব্যবস্থার বিরুদ্ধে দ্রাবিড় আত্মমর্যাদার আত্মপ্রকাশে পেরিয়ারের সংগ্রাম ও ভাবধারার গুরুত্ব অস্বীকার করা কারো পক্ষেই সম্ভব নয়। তবে ব্রাহ্মণ্যবাদী ব্যবস্থার বিরুদ্ধে ড. বাবাসাহেব আম্বেদকরের ভাবধারায় গড়ে ওঠা সংগ্রাম এই সমস্ত সংগ্রামগুলির মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং দলিত আন্দোলনের পরিসরে একটি মোড়। (বিস্তারিত…)

Advertisements

লিখেছেন: সব্যসাচী গোস্বামী

blind-gun-leglerদেশ মানে কি মানচিত্র? তেরঙা ফ্ল্যাগ? অশোকস্তম্ভ?

দেশ মানে কি সংখ্যাগুরুর আস্ফালন আর উগ্র দম্ভ?

.

দেশ মানে কি দলিত নিধন বস্তার কি বাথানিটোলায়?

সংখ্যালঘুর বিপন্নতায় শরণার্থীর শিবির খোলা?

.

দেশ মানে কি ভোট উৎসব, সংসদ বা বিধানসভার?

দেশ মানে কি সেনসেক্সের ওঠবস্‌, আর মিডিয়া কভার? (বিস্তারিত…)


সংঘ পরিবারের শিক্ষানীতি

লিখেছেন: নীলিম বোস

non-net-fellowship-protest-1ইতিহাস, শিল্পসংস্কৃতি, আমাদের সমগ্র সত্তাকেই নিজের ভাবনায় রাঙ্গিয়ে নেওয়াটা ফ্যাসিবাদের পুরনো কৌশল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগেকার অভিজ্ঞতা থেকেই আমরা এটা জেনে এসেছি। দেখে এসেছি। দেশের বেশির ভাগ মানুষকে মিথ্যা অহংকার ও অলীক গৌরবের ভক্তিরসে ভাসিয়ে না দিলে ফ্যাসিবাদের পক্ষে তার অভিষ্ঠে পৌঁছানো কোনোদিনই সম্ভব নয়। আর সেটা যদি হয় ভারতের মতো দেশ তবে আরো প্রয়োজন হয়ে পড়ে এই কাজটা। কারণ এই দেশে আজো কমবেশি ৮০ শতাংশ মানুষ দিনে ২০ টাকার ওপর বেঁচে থাকেন, পুষ্টি সূচকক্ষুদা সূচকের মতো রাষ্ট্রপুঞ্জের মানব উন্নয়ন সূচকগুলিতে ভারত পূর্ব আফ্রিকার দেশগুলির সমতূল্য অবস্থানে রয়েছে(কোনো কোনো ক্ষেত্রে বাংলাদেশ, পাকিস্থানের পরে)। এরকম একটি দেশের মানুষদের সামনে রাতারাতি ‘আচ্ছে দিন’ নিয়ে আসার বা দেশটাকে ‘সুপার পাওয়ার’এ পরিনত করার খুড়োর কলটি দিয়ে আকৃষ্ট করতে গেলে ফ্যাসিষ্ট শাসকের কাল্পনিক ও অবাস্তব উজ্বলতার অতিতের রঙে আমাদের চারপাসকে ঢেকে দেওয়াটা খুবই দরকার। ফ্যাসিষ্ট সংঘ পরিবারের কাছে গৈরিকীকরণ হলো সেই দরকারকেই পূরণ করার একটি অন্যতম মাধ্যম। তাই বিজ্ঞান কংগ্রেস থেকে ইতিহাস সংসদ, গৈরিকীকরণের সুনামী আছড়ে পড়ছে বারবার। তবে গৈরিকীকরণের সবচেয়ে বড় ক্ষেত্রটি অবশ্যই শিক্ষাক্ষেত্র। হিটলার একসময় বলেছিলেন Let me control the school text books, 3rd reich will rule for the next 20 years without any internal threat.” ঠিক এই কারণেই শিক্ষাক্ষেত্রটি সবচেয়ে বড় ক্ষেত্র গৈরিকীকরণের। এই গৈরিকীকরণ আমাদের ফিরিয়ে নিয়ে যায় এক মধ্যযুগীয় উল্লাসের মধ্যে। যার থেকে ফুটে বেরোয় সামন্ততান্ত্রিকতা। আর ঐ মধ্যযুগীয় উল্লাসের পেছেনেই থাকে শিক্ষার বেসরকারিকরণের চাল। কারণ ফ্যাসিবাদ মানেই রাষ্ট্রের সাথে কর্পোরেশনের ‘গোল্ডেন হ্যান্ডশেক’। আর বেসরকারিকরণ ছাড়া বহুজাতিক কর্পোরেশনগুলির মুনাফা বৃদ্ধির রাস্তা বন্ধ। তাই শিক্ষার বেসরকারিকরণ চলে গৈরিকীকরণের সাথে হাতে হাত ধরে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: আলবিরুনী প্রমিথ

peasants-1কৃষি হচ্ছে জীবনজীবিকা, জীবনাচরণ, সংস্কৃতি, কৃষ্টি মোদ্দাকথা সামগ্রিক জীবনযাপনরীতি। কৃষির সাথে আমাদের সমাজের উৎপাদন, ভোগ, বিতরণ ও বিনিময়ের সম্পর্ক আছে যার ধরনের উপর আমাদের সমাজের বিদ্যমান রাষ্ট্রকাঠামো গড়ে উঠেছে। ঐতিহাসিকভাবেই আমাদের কৃষকদের উপরে নানাবিধ নিষ্পেষণ, নির্যাতন ও অত্যাচার চলেছে। কৃষকেরাও মাথা নত হবার নয়। তারা বারবার শত্রুর মোকাবেলা করেছে। বিদ্রোহ করেছে, জীবন দিয়েছে তবু রণে ক্ষান্ত দেয়নি। কৃষকের চিরন্তন জীবনজীবিকার লড়াইয়ের পালা চলতেই থাকে। তাদের নিয়ে আমাদের দেশের শাসকশ্রেণীর পদলেহন করা বুদ্ধিজীবী থেকে শুরু করে আমরাও ইনিয়েবিনিয়ে জয়গাঁথা রচনা করি। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে কৃষক পীড়নে আমরাও কোন না কোনভাবে তাদের কোলাবরেটর। তাই এই জনপদে কৃষক নিপীড়নের ইতিহাস দীর্ঘ তেমনি দ্বান্দ্বিকভাবে তাদের প্রতিরোধবিদ্রোহের ইতিহাসও প্রাচীন।
(বিস্তারিত…)


লিখেছেন: স্বপন মাঝি

14 february-5প্রতিটি বিস্ফোরণের, অবিস্ফোরিত অতীত থাকে। ১৪ই ফেব্রুয়ারির অতীত ছিল। সেই অতীত, আমরা জানতে চাইনি বা আমাদেরকে জানানো হয়নি। অতীত নিয়ে কথা বলতে গেলে, দায় অনেক বেড়ে যায়। চাওয়াপাওয়ার তালিকা আড়ালে আবডালে রাখাটা নিরাপদ, শাসকগোষ্ঠির জন্য যেমন, ব্যর্থ দল, যারা জনগণের মুক্তির কথা বলে, তাদের জন্যও। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: আবিদুল ইসলাম

democracy-1-আমাদের দেশে ইতিহাস পাঠ এবং ইতিহাসবিষয়ক জ্ঞানের অবস্থা বড়ই করুণ। তরুণ সমাজের অধিকাংশ সদস্যের ইতিহাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার বিষয়ে পর্যাপ্ত তো দূরের কথা সামান্যতম ধারণাও নেই। বাংলাদেশের একের পর এক ক্ষমতায় আসা সরকারগুলোও জনগণের মধ্যে ইতিহাসবিষয়ক সচেতনতা সৃষ্টির কোনো চেষ্টা চালায় না। উপরন্তু সে চেতনা যাতে কোনোভাবেই না আসে সে প্রচেষ্টাই তাদের অব্যাহত থাকে। সত্যিকার ইতিহাসবিষয়ক জ্ঞানের অভাবে এখানে একটা বিষয় খুব হাস্যকর এবং একই সাথে করুণভাবে বর্তমানে দেখা যাচ্ছে। সেটা হলো নিজেদের যথেষ্ট ইতিহাস জ্ঞান আছে এরকম একটা প্রচ্ছন্ন দাবি তুলে অপরাপর যাদের একেবারেই সে জ্ঞান নেই তাদের প্রতি বিভিন্নভাবে কটাক্ষইঙ্গিত করা, তাদের দেশপ্রেম নিয়ে হাহুতাশ করা। (বিস্তারিত…)

বর্তমান তত্ত্বাবধায়ক সরকার-সঙ্কট :: শাসক শ্রেণীর রাজনৈতিক দৈন্যের অনিবার্য প্রতিফলন

Posted: ডিসেম্বর 15, 2012 in দেশ, মন্তব্য প্রতিবেদন
ট্যাগসমূহ:, , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,

লিখেছেন: আবিদুল ইসলাম

office of prime ministerপ্রথমে প্রেক্ষাপট ১৯৯৬ সালের দিকে তাকানো যাক। ১৯৯১ সালে সামরিক এরশাদ সরকারের পতনের পর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্বদানকারী দলগুলো নিজস্ব প্রতিনিধির সমন্বয়ে একটি সর্বদলীয় সরকার গঠন করার বিষয়ে সমঝোতায় পৌঁছাতে ব্যর্থ হলে তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদের নেতৃত্বে একটি অন্তবর্তী সরকারের অধীনে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ঐ নির্বাচনে বিএনপি জয়লাভ করে ও আওয়ামী লীগ তাদের চরিত্র অনুযায়ী ফলাফল মেনে নেয়ার ব্যাপারে সামান্য গড়িমসি করার পর শেষাবধি নির্বাচনী রায় মেনে নেয়। মূলত ঐ অন্তবর্তীকালীন সরকারের গর্ভেই জন্ম লাভ করেছিল পরবর্তীকালের বহুল আলোচিত ও বিতর্কিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার ভ্রুণ। (বিস্তারিত…)

বিবিধ প্যাঁচাল :: মুড়ির ঠোঙা অথবা দ্রোহের মন্ত্রণা

Posted: ডিসেম্বর 3, 2012 in দেশ, প্রকৃতি-পরিবেশ, মন্তব্য প্রতিবেদন, সাহিত্য-সংস্কৃতি
ট্যাগসমূহ:, , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,

লিখেছেন: পাইচিংমং মারমা

(সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরনঃএই লেখাটা খুবই বোরিং এবং লম্বা একটা লেখা। লেখাটা সুশীল, আঁতেল, সমালোচক এবং কচুক্ষেতের বুদ্ধিজীবীদের জন্য নয়। লেখাটা আপনার নিরুদ্বিগ্ন সুশীল বোধের জন্য এলার্জিজনক। গোটা লেখাটা বেশ লম্বাতবে যারা সত্যের মুখোমুখি হতে চান তারা বিষয়বস্তু ধরে ধরে পড়তে পারেন। নীচে ক্রমিক নং এবং বিষয় অনুযায়ী লেখাটা সাজানো আছে। যেকোন বিষয় ধরে আপনি আগাতে পারেন।)

.

১। সানি লেওনের তপ্ত কড়াই এবং ভাজা পোড়া তারুণ্য

Consumerism-1Sunny Leoneকে চিনতাম না। চেনার কথাও না। অনেকদিন ধরে ফেবু খুললে সাইডবারে স্বল্পবসনা এই রুপসীকে দেখি। গতকাল দেখলাম আমার ফ্রেন্ডলিস্টের ১৪ জন তাকে পছন্দ (Like) করে। তার মধ্যে কলেজ পড়ুয়া আর বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ম, ২য় বর্ষের ছাত্রীও আছে। তারা কেন পছন্দ করে জানতে আমি এই রুপসির বিষয়ে তালাশ করলাম। Wikipedia-তেও ঢুঁ মারলাম। দেখে তো আমি থ!

যার এতো জনপ্রিয়তা সে আসলে একজন Porn Star,ভদ্রভাষায় সেলিব্রেটি, প্রচলিত ভাষায় সে একজন “বেশ্যা, রেন্ডিমাগী””। Wikipediaথেকে তার নিজস্ব ওয়েবসাইটে ঢুকে দেখি সেটা একটা পর্নো সাইট, যেখানে তার পর্নো ভিডিও আপলোড করা আছে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: আহমদ জসিম

ক্রাচের কর্নেলইতিহাসকে উপজীব্য করে উপন্যাস নির্মাণ বাংলাসাহিত্যে নতুন কিছু নয়। আমরা বরং বলতে পারি বঙ্কিমীয় কালপর্বের ধারাবাহিকতায় ক্রাচের কর্নেলএর পর্বে আসলাম মাত্র। তবে ইতিহাসনির্ভর উপন্যাস পাঠ করতে গিয়ে পাঠক হিসেবে আমাদের সামনে কিছু দাবি থাকে, যেমনইতিহাসের দায়ের সাথে শিল্পের দায় ষোলআনা পূরণ হওয়া চাই। ক্রাচের কর্নেল পাঠপূর্বে উল্টেপাল্টে দেখতে গিয়ে আমাদের দৃষ্টি আটকে পড়ে দীর্ঘ রেফারেন্সএর তালিকায়। ছোট্ট ভূমিকাটা দেখি: ‘নানা সূত্র থেকে পাওয়া তথ্য এবং ভাবনাকে সৃজনশীল সংশ্লেষের মাধ্যমে উপন্যাসে উপস্থিত করেছি মাত্র।’ যদি তাই হয়, তবে ইতিহাসের দায়টা কোথায়, কোথায় রইলো শিল্পের দায়। প্রাপ্তসূত্র দিয়ে তো রিপোটিং হয়, সাহিত্য নয়। আবার শোনাকে ইতিহাসে রূপান্তর করারও নানা পদ্ধতি আছে, ক্রাচের কর্নেলে কোন পদ্ধতি প্রয়োগ হয়েছে। লেখক এইসব প্রশ্নে নির্বিকার হলেও পাঠের মধ্য দিয়ে আমরা এই প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজে নেবার চেষ্টা করবো।

উপন্যাসে আমরা প্রবেশ করলাম মিশুকের হাত ধরে, মিশুক এক আত্মহত্যাপ্রবণ তরুণ। যার কবিতার পঙ্ক্তিতে স্পষ্ট আত্মহত্যার ইঙ্গিত। এই মিশুক আর কেউ নয়, কর্নেল তাহেরে কনিষ্টপুত্র। এই মিশুক যার কাছে পিতার স্মৃতি মানেই ধূসর অন্ধকার। মিশুক ও তার প্রজন্মের আমরা এই উপন্যাসের ভিতর দিয়ে মিশুক তার পিতাকে আর পাঠক এক বিপ্লবের স্বপ্নচারি সৎ আর্মি অফিসারে জীবন চরিত্র উন্মোচন করতে যাচ্ছে। এই উন্মোচনের সূচনা হয় ইডেন কলেজের ছাত্রী লুতফার সাথে কর্নেল তাহেরের বিয়ের মধ্য দিয়ে। তাহের সদ্যবিবাহিত স্ত্রী নিয়ে ট্রেনে করে ঢাকা ফিরছে, পথে কাকতালিয়ভাবে দেখা মোজাফফর আহমদ আর মতিয়া চৌধুরীর সাথে। এই সাক্ষাতের মধ্যদিয়ে আমরা জানতে পারি লুতফাও একদা রাজনীতির সাথে যুক্ত ছিলেন। মোজাফফর মতিয়ার সাথে আলাপচারিতার ভিতর দিয়ে তাহেরের রাজনৈতিক চিন্তার সাথে পাঠকের কিছুটা পরিচয় ঘটলো। কিন্তু এই ট্রেনের কামরা থেকে আমাদের এক উল্লম্ফন দিতে হলো, ইতিহাসের নাতিদীর্ঘ বর্ণনা। ৪৭ থেকে ৬৯। লেখক যেন তার পাঠকের সামনে বাল্যশিক্ষাধারাপাত নিয়ে বসেছেন ইতিহাসের অখ শিখানোর জন্য। (বিস্তারিত…)


নকশাল দ্রোহে নারী

পুরো বইটি পড়ুন এখান থেকে

https://mongoldhoni.files.wordpress.com/2012/06/intro.pdf

https://mongoldhoni.files.wordpress.com/2012/06/nokshal-nari-01.pdf

https://mongoldhoni.files.wordpress.com/2012/06/nokshal-nari-02.pdf

https://mongoldhoni.files.wordpress.com/2012/06/nokshal-nari-03.pdf

(বিস্তারিত…)