Posts Tagged ‘আরএসএস’


লিখেছেন: অজয় রায়

ভারতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকারের তিন বছর পূর্ণ হয়েছে গত মে মাসে। যা খুব জাঁকজমক করে পালন করা হয়। তবে এ তিন বছরে দেশটির আমজনতার দুর্দশা আরও বেড়েছে। গত ২৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে ভারত সরকার নয়াউদারবাদী নীতি ধারণ করে চলেছে। তবে এক্ষেত্রে বিগত কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ জোট সরকার থেকেও বেশি জোর কদমে দেশ বেচার এই জনবিরোধী নীতিকে কাজে পরিণত করতে উঠে পড়ে লেগেছে বর্তমান বিজেপি সরকার। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: সব্যসাচী গোস্বামী

%e0%a6%a8%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a7%8b%e0%a6%a6%e0%a6%bfমোদিজী নিজেকে দলিতদের সবচেয়ে বড় বন্ধু বলে দাবী করছেন। শুধু তাই নয় মোদিজী ও তার দল বিজেপি থেকে সংঘ পরিবার দিকে দিকে আম্বেদকারের স্তুতিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। যদিও ভারতীয় সংবিধান তৈরির শুরুর সময় থেকে সংঘ পরিবার এই সংবিধানের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছিল। তাদের অভিমত ছিল যে, এই সংবিধান মনুস্মৃতিকে মর্যাদা দেয়নি। যা হোক, ন ক্ষমতায় আসার পর তাদের সেই সংবিধান মেনেই দেশ চালাতে হবে। অগত্যা আম্বেদকার নিয়ে আজ তারা মুখে অন্তত তাদের অবস্থানে ইউটার্ন করেছে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: সৌম্য মন্ডল

mohan-bhagwat-owaisiগত ৩ মার্চ আরএসএস (রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ) প্রধান মোহন ভাগবত বলেন যে, এবার এই দেশের যুবকদের ভারত মাতা কি জয় এই স্লোগান তোলার জন্য শিক্ষা দিতে হবে। এর আগেও জেএনইউ (জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়) বিতর্কের সময় বহুবার আমরা দেখেছি, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ, এমনকি সাংবাদিকদেরও দেশপ্রেমের প্রমাণ স্বরুপ ভারত মাতা কি জয় বলার জন্য চাপ দেওয়া হয়েছে আরএসএসএর পক্ষ থেকে। তার প্রেক্ষিতে মজলিসইত্তেহাদুল মুসলিমেন বা এমআইএম বিধায়ক আসাদুদ্দিন ওয়েসি গত ১৩ তারিখ লাতুরে একটি মিছিল সমাবেশে ভাষণ দেওয়ার সময় মোহন ভগবৎকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বলেন যে, তার গলায় ছুরি ধরা হলেও তিনি ভারত মাতা কি জয় বলেবেন না, কারণ ভারতের সংবিধান সেটা করতে বলে না। জাভেদ আখতার রাজ্যসভায় শেষ ভাষণে আসাদুদ্দিন ওয়েসিকে তুলোধোনা করে বলেন যে, সংবিধান তো শেরওয়ানি বা টুপি পরতেও বলেনি। ভারত মাতা কি জয় বলাটা হলো অধিকার। (বিস্তারিত…)


রোহিতের পরিবার ও বন্ধুদের প্রতি,

aniket rohithরোহিতের সুইসাইড নোট পড়ার পর থেকে আমার কেমন অস্বস্তি এবং দমবন্ধ লাগছে। শাস্তির নামে সাত মাসের ফেলোশিপ বাতিল করে দেওয়া, হোস্টেল থেকে বহিস্কার এসবই একজন গবেষক হিসাবে তাকে ভেতর থেকে ভেঙে দিয়েছিল। যদিও এটা খুবই দুঃখজনক যে, রোহিত তাঁর চিঠিতে কাউকে দোষারোপ করেনি। রোহিত এবং অনিকেতের মধ্যে চিন্তাভাবনার মিল আমার চোখে পড়েছে এবং আমি বোঝার চেষ্টা করছি যে, কী রকম যন্ত্রনার মধ্যদিয়ে তারা গেছে। অনিকেত কোনো চিঠি লিখে যায় নি, কিন্তু ওর ডাইরির আনাচে কানাচে, কবিতার টুকরো পড়ে আমি বুঝতে পারলাম যে, জীবনের শেষের দিকে তাদের মানসিকতা একই ছিল। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: সব্যসাচী গোস্বামী

আজাদি বনাম দেশপ্রেম

umar khalid-1দেশপ্রেমীদের হাতে পড়ে আজাদি শব্দটাকে লাঞ্ছিত হতে দেখা যাচ্ছে বেশ কিছুদিন ধরে। দিল্লির (জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়) জেএনইউ থেকে কলকাতার যাদবপুর, সর্বত্র এই লাঞ্ছনা লক্ষ্যনীয়। সাধারণভাবে ইতিহাস বইয়ে স্বাধীনতাগণতন্ত্র শব্দ দুটোকে আমরা পাশাপাশি শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে দেখতে অভ্যস্ত ছিলাম। কিন্তু এদেশের প্রধান শাসকদলের লম্ফঝম্ফ দেখে মনে হচ্ছে কেউ যদি স্বাধীনতা চায় তাহলে তার গণতন্ত্র হরণ করাটাই যেন আজ এদেশে নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে! সম্প্রতি জেএনইউএর ছাত্র সংসদের নির্বাচিত সভাপতি কানহাইয়া কুমারের গ্রেপ্তার; অপর তিন ছাত্র উমর খালিদ, অনির্বাণ ভট্টাচার্য ও অশ্বত্থীকে জঙ্গী বলে দেগে দিয়ে গ্রেপ্তারের ষড়যন্ত্র; একাধিক ছাত্রছাত্রীদের বিরুদ্ধে সিডিশান আইনে মামলা দায়ের করা, অধ্যাপক এস আর গিলানিকে গ্রেপ্তার, এসব তো আছেই। এমনকি ন্যায়ালয়ে আইনের রক্ষকদের সামনে অভিযুক্তকে মারধর করা এবং এ হেন বেআইনী কাজ করার পরেও প্রকাশ্যে বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেরানো, এক চরম ত্রাসের রাজত্বের ইঙ্গিত দিচ্ছে। ঘটনার ঘনঘটায় বেশ কিছু প্রশ্ন সামনে চলে আসছে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: সৌম্য মন্ডল

প্রসঙ্গ রাষ্ট্রদ্রোহীস্লোগান

Kanhaiya_Kumarএটা অনেক আগেই প্রমাণিত হয়ে গেছে যে, ৯ ফেব্রুয়ারি জওহরলাল নেহেরু ইউনিভার্সিটিতে পাকিস্তান জিন্দাবাদ বা ঐ জাতীয় স্লোগান দেওয়া হয়েছিল হিন্দু ফ্যাসিস্ট আরএসএস ঘনিষ্ঠ ছাত্র সংগঠন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের (এবিভিপি) সদস্যদের তরফ থেকে। এরপর মূলধারার কিছু সংবাদ মাধ্যমই ফাঁস করে দিয়েছে হাফিজ সাদের মিথ্যে টুইটার পোস্টসহ একাধিক ভুয়ো ছবি ও ভুয়ো ভিডিওর কথা, যা দেখিয়ে আরএসএস, এবিভিপি এবং সংঘ পরিবার অনুগত সংবাদ মাধ্যম জেএনইউএর ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি কমরেড কানহাইয়া, ৯ ফেব্রুয়ারির সাংস্কৃতিক প্রতিবাদ সভার উদ্যোক্তা কমরেড উমর খালিদসহ বাকিদের দেশদ্রোহী প্রমাণ করতে চেয়েছে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: অশোক চট্টোপাধ্যায়

Modi_Hitlerএকবিংশ শতাব্দীর একটা দশক অতিক্রান্তির উত্তরপর্বে দাঁড়িয়েও বিগত শতাব্দীর নব্বইয়ের দশকটিকে বিস্মৃত হওয়া সম্ভব নয়। নব্বইয়ের দশকটি আমাদের দেশে উগ্র ধর্মীয় ফ্যাসিবাদের নগ্ন প্রকাশের দশক হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে। ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে পাঞ্জাবের নবগঠিত হিন্দুসভা পরবর্তী আট বছরের মাথায় ১৯১৫ খ্রিস্টাব্দে সারা ভারত হিন্দুমহাসভা নামে আত্মপ্রকাশ করেছিল। এই ঘটনার ঠিক দশ বছরের মাথায় ১৯২৫ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হয় জঙ্গি হিন্দুত্ববাদী সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ বা আরএসএস। ১৯৬৪ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হয় বিশ্বহিন্দু পরিষদ। এখন আর জনসঙ্ঘ নেই, সেখানে হয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি বা বিজেপি। সঙ্ঘপরিবারের মূল নিয়ন্তা শক্তি হলো আরএসএস। এর সহযোগী হিসেবে শিবসেনা সহ অন্যেরা তো আছেই। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: অজয় রায়

narendra-modi-one-year-1কেন্দ্রে নরেন্দ্র মোদী সরকারের এক বছর পূর্ণ হতে চলেছে। এর মধ্যেই তারা সাম্রাজ্যবাদের স্বার্থবাহী অবস্থান নিয়েছে। আর দেশ বিক্রির বাজারমুখী সংস্কার নীতি গ্রহণের পাশাপাশি সাম্প্রদায়িক ফ্যাসিবাদের পথ প্রশস্থ করেছে। মোদীর নির্বাচনী প্রচারে বিপুল অর্থ ঢেলেছিল কর্পোরেট মহল। যাদের প্রতিদানে ব্যাপক সুযোগসুবিধা পাইয়ে দিতে উঠে পড়ে লেগেছে বিজেপি সরকার। বিগত ইউপিএ সরকারের থেকেও বেশি জোর কদমে বিশ্বায়নের নয়াউদারবাদী নীতি গ্রহণ করছে এরা। আর সেই সঙ্গে লুম্পেন উন্নয়নের পথে হাঁটছে। যাতে মুষ্টিমেয় ধনীদের স্বার্থ সিদ্ধি হচ্ছে। আর মেহনতি মানুষের রুটিরুজি ও অর্জিত অধিকারের উপর আঘাত নেমে আসছে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: সব্যসাচী গোস্বামী

narinder-modi-a-real-terroristপ্রধানমন্ত্রীর গদিতে বসার পর মোদি প্রত্যাশিতভাবেই সাংস্কৃতিক জগতেও তার ফ্যাসিবাদী কার্যকলাপ চালু করে দিয়েছে। সম্প্রতি মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণে প্রয়াত হয়েছেন সাংবাদিক এবং তথ্যচিত্র নির্মাতা শুভ্রদীপ চক্রবর্তী। মৃত্যুর কিছুদিন আগেই তিনি ‘ইন দিনো মুজাফরনগর’ নামে একটি তথ্যচিত্র নির্মাণ করেছিলেন। তথ্যচিত্রটিতে সাম্প্রতিক মুজাফরনগরে ঘটে যাওয়া দাঙ্গার পিছনের রাজনীতিটিকে উন্মোচিত করা হয়েছিল। স্বভাবতই এর ফলে আঙুল উঠছে সংঘ পরিবারের দিকে, তাই মোদি ক্ষমতায় আসার পরই দেখা গেল সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ফিল্ম সার্টিফিকেশানের পক্ষ থেকে ছবিটির ক্লিয়ারেনস আটকে গেল! শুধু তাই নয়, এর বিরুদ্ধে তিনি যখন ফিল্ম সার্টিফিকেশান এপিলেট ট্রাইবুনালে গেলেন, তখন সেখানেও তার জন্য দরজা বন্ধ হয়ে গেল। তথ্যচিত্র নির্মাতার অভিযোগ যে, তথ্যচিত্রটিকে বন্ধ করতে স্বয়ং মোদি তৎপর হয়েছিলেন। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: সৌম্য মণ্ডল

kisssssssচা এর দোকান থেকে সংবাদ মাধ্যম, বঙ্গরাজনীতি উত্তাল, হৈ হৈ এবং ছি ছিক্কারে, কারণ গত ৫ নভেম্বর রাস্তা অবরোধ করে প্রায় ৩০০ ছাত্র ছাত্রী চুমু খেয়েছে! তাও আবার যাদবপুর থানার সামনে দাড়িয়ে! ওয়াকি টকি হাতে পুলিশ ঘেঁটে লাট, “স্যার”কে কি ভাষায় রিপোর্টিং করবে বুঝতে পারছেনা! অন্য সময় হলে না হয় “হাতে নাতে” ধরা পরা “অপরাধী” মেয়েটির বুকে খানিক হাত বুলিয়ে নেওয়া যেত অথবা যুগলের কাছ থেকে ২০০ টাকা ফাইন, অন্তত পক্ষে ধমকির ফরম্যাটে একটু জ্ঞান তো দেওয়া যেত! মানে ওই পার্কে, বা অন্ধকার গলিতে আইনের রক্ষকরা যে বঙ্গ সংস্কৃতিটা অনুশীলন করেন আর কি! (বিস্তারিত…)