Posts Tagged ‘আবেগ’


লিখেছেন: সব্যসাচী গোস্বামী

blind-gun-leglerদেশ মানে কি মানচিত্র? তেরঙা ফ্ল্যাগ? অশোকস্তম্ভ?

দেশ মানে কি সংখ্যাগুরুর আস্ফালন আর উগ্র দম্ভ?

.

দেশ মানে কি দলিত নিধন বস্তার কি বাথানিটোলায়?

সংখ্যালঘুর বিপন্নতায় শরণার্থীর শিবির খোলা?

.

দেশ মানে কি ভোট উৎসব, সংসদ বা বিধানসভার?

দেশ মানে কি সেনসেক্সের ওঠবস্‌, আর মিডিয়া কভার? (বিস্তারিত…)

Advertisements

লিখেছেন: দোলা আহমেদ

canvas-art-1চিত্রকর ছবিটি আঁকলেন

তার জীবনের

সব ভাললাগা আর গাঢ় ভালবাসার রং দিয়ে

মনের মাঝে যত আনন্দ ছিল

সেই তুলিতে আঁকলেন…. (বিস্তারিত…)


abstract-art-432

চলো এবার

.

নিঃসঙ্গতার এই সময়ে ঘরকে ছাড় বাইরে চলো

সড়ক দেখ পথকে দেখ মানুষ দেখ

মানুষ খোঁজ নতুন করে নতুন মুখে শব্দ শানাই

ঘুম ভাঙাতে মাতৃভূমির সুরটি যেনো বলছে কথা

উঠলে জেগে গণমানুষ আমিও জাগি তাকাই ফিরে

শত বছর ঘুমের পরে (বিস্তারিত…)


image-খণ্ডাংশ

বেদনার স্বভাবে ঈঙ্গিতের রসিকতা বলে কিছুই থাকে না বাকি

আগুনও শীতের ভূমিকায় এতো ভাল অভিনয় আর কখনো করেনি

শুধু যারা জন্ম গ্রহণ আর মৃত্যুর মধ্যে কোন পার্থক্য দেখে না

তাদের সন্তানেরা মাংসের দোকানে অতীব বিশুদ্ধ কবিতার গণিত আওড়ায়

মানিব্যাগের চোরা পকেট থেকে ভালবাসা আর শরীরের বাক্য বেরিয়ে আসে

যা দূরের ছিল তা কাছের সর্বগ্রাসী আমিষের দখলে চলে আসে অনায়াসে (বিস্তারিত…)


চেসুগন্ধী

 

মানুষের মাজা বাজারে ঘুরেচরে, চলেফিরে

দেখেছি অনেক পন্য; কতরকমে সাজানোসার বেঁধে মগ্ন

বাজার আজকে সয়লাব, খোলা মুদ্রানীতির বিশ্ব।

সাবান, শ্যাম্পু, ফেসওয়াস, রোলঅন ডিওডোরেন্টস্প্রেফূৎকারচুরুটের ধোঁয়া

হরেক রকম গেঞ্জী, সার্ট, ফতুয়া, টুপি, অন্তর্বাসকাচুলী, জাঙ্গিয়া, পাদুকা। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: দেবাশীষ ধর

ঘুমন্ত কঙ্কাল...ম্যানহোলের বিছানায়

শরীর ঘুমিয়ে

যেখানে বয়ে নর্দমার রং লাল

তরতাজা রক্ত।

জেগে থাকা প্রখর চোখসব

বহু তর্কের মুখেরা

বিবেকীটিবেকী মানবিক্লায়ুদল

আবেগী স্বপ্নরা

মধ্য সকালের জাগৃতির ছন্দরা

ডুবেছে বোবার পেয়ালায়। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: মাহবুব হাসান

জুলিয়াস ফুচিক

জুলিয়াস ফুচিক

প্রিয়তমা আমার, হাওয়ায় উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া নদীর ঢালু পাড়ের পর ঠেসে দেওয়া রোদ্দুরে দুটি ছোট্ট শিশুর মতো দু’জনে হাত ধরে আর কোন দিন যে আমরা বেড়াতে পারবো, তার আশা কম। আর কোনদিন যে আমরা সুখে শান্তিতে লিখতে বসবো, বন্ধুত্ব দিয়ে আমাদের ঘিরে রাখবে বই; আবার কোনদিন যে আমি লিখবো সেই সব কথা, দু’জনে আমরা যা দিনের পর দিন বসে আলোচনা করেছি, পঁচিশটা বছর ধরে যত কিছু আমার মধ্যে জমা হয়েছে, অঙ্কুরিত হয়েছে যত কিছুতার আশা কম। আমার বইগুলোকে কবর দিয়ে ওরা এরই মধ্যে আমার জীবনের একটি অঙ্গ খসিয়ে দিয়েছে। কিন্তু হাল আমি কিছুতেই ছাড়বো না; হার মেনে নিয়ে জীবনের অন্য অঙ্গটাকেও ২৬৭ নম্বরের এই সাদা একেবারে নিঃশেষে মিশিয়ে দিতে আমি রাজি নই। তাই মুত্যুর কাছ থেকে চুরি করে আনা এই সময়টুকুতে আমি চেক সাহিত্য নিয়ে লিখছি। সে লেখাগুলো যে তোমাদের হাতে পৌঁছে দেবে, তার কথা যেন কোন দিন একমুহূর্তের জন্যও ভুলে যেও না। সে ছিল বলেই মুত্যু আমাকে পুরোপুরি গ্রাস করতে পারেনি। তার দেওয়া কাগজপেন্সিল আমার মধ্যে যে আবেগ জাগায়, একমাত্র প্রথম প্রেমেই তা পারে। শব্দগুলোকে বাক্যের ছাঁচে ঢালতে গিয়ে চোখ আমার খোলে যায়; আমি অনুভব করি, স্বপ্ন দেখি। মৌলিক মালমশলা ছাড়া, গবেষণা ছাড়া লেখা শক্ত হবে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: প্রীতম অংকুশ

আর কতই বা সংকুচিত মননে অশ্রু বিসর্জন?

আর কতই বা নত মস্তকে আত্মসমর্পণ?

হ্যাঁ তাই, যা শুধু মুষ্ঠিবদ্ধ হাত আলগা করে,

ক্ষণিক নয়, বরং প্রতিমুহুর্তেই …..

মুহুর্তগুলোও এখন অনেক বড় ঠেকে,

নৈশব্দের প্রতিধ্বনিতে ক্ষতবিক্ষত হয় আপনমন্দির!

সশব্দের তীব্র আস্ফালনে বেদীতে মাথা ঠোঁকাই টিকে আছে আজ অবধি!

ঠিক সেই সময়েই,

যখন একে অপরের স্রষ্টা’র মহিমায় রক্তগঙ্গা বয়,

যখন ঘটা করে ‘শ্রমিক দিবস’ হয় উদযাপিত

যখন রামরহিমের গলা কাটা পড়লেও কিছু যায় আসে না,

যায় আসে শুধু উঁচু উঁচু পদ ও ক্ষমতার ধারালো তীক্ষ্ণ অপব্যবহার! (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: মেহেদী হাসান

এক

কতদিন নারী মাংশের স্বাদ পাই না, কতদিন যৌনপল্লীতে যাইনি; দীর্ঘ একমাস পূর্বে একবার গিয়ে শরীরের ক্ষুধা মিটিয়ে এসেছিলাম। মেয়েগুলো কত সস্তায় যে তাদের দেহ বিক্রি করে! পঞ্চাশ টাকা, একশ টাকা, দুইশ টাকা, তিনশ টাকাএত কম দামে এমন ভাল জিনিস পৃথিবীর আর কোথায় পাওয়া যায় কিনা সন্দেহ! আর আমি অভাগা এমন সুযোগ নাকের ডগায় পেয়েও সামান্য কটি টাকার অভাবে, দেহের লালসা নিয়মিত নিবৃত্ত করতে পারিনা।

মেয়েগুলো কত যে ভালো! কোন আবদার নেই, বিশেষ বাহানা নেই, চটুলতা নেই, ছেনালীপনার ছিটেফোটা নেই, কত সহজ,কেমন সুন্দর সরল! আর যা কিছু করে, সকল তাদের ব্যাবসার খাতিরে, খদ্দেরদের সামনে কাঁচা মাংশের পসরা সাজিয়ে বসে থাকে, বিভিন্ন ভঙ্গিমায় দেখায়, গুনাগুন বর্ণনা করে; মানিব্যাগ খুলে কয়েকটা কড়কড়ে নোট বের করে দিলেই, সুবোধ বালিকাদের মত; নিম্নাঙ্গ উন্মুক্ত করে বিছানায় শুয়ে পড়ে।

আর ভদ্র ঘরের সামাজিক মেয়েরা,যারা সমাজ সংসার থেকে লুকিয়ে লুকিয়ে ছেলেদের সাথে প্রেম প্রেম খেলে; তাদের কত যে তাল বাহানা, ছেবলামো, ছেনালীপনা, ধূর্ততা তা বলে শেষ করা যাবে না! ওদের মনের মধ্যে যেন গুবরে পোকা সবসময় কিলবিল করে; কুকুরের মত, জিহ্বা দিয়ে সবসময় লালা টপটপ করে পড়তে থাকে; থ্রিপিছ, শাড়ী, চুড়ি, কানের দুল, সাবান,শ্যাম্পু,সুগন্ধি তেল, পারফিউম কিনে দাও, ফোনে ব্যালান্স ভরে দাও, মিসড কল মারলে ফোনে ভালাবাসার চটুল কথাবার্তা বলতে বলতে; নাকি কান্না শুনতে শুনতে সমস্ত রাত্রি কাবার, মানি ব্যাগের সব টাকা শেষ। তার পরেও রেহাই নেই, টাকা ধার করে হলেও সপ্তাহে একদিন চাইনিজে; দুই দিন পার্লারে নিয়ে যাও। আগের দিনে দুই টাকার বাদাম কিনে পার্কে বসে ঘন্টার পর ঘন্টা প্রেম করা যেত, এখন সেই দিন শেষ; নতুন যুগ এসেছে, তার সাথে তাল মিলিয়ে চলতে হবে,নইলে আর প্রেমিকার মুখ দেখতে হবেনা। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: আফসানা তরী

হ্যাঁ চাই

আমি অনেক বেশিই চাই,

তোর তাতে কিচ্ছু আসে যায় না

সেও আমি জানি ।

তবুও আমি বলবোই

শুনে তোর রাগ হয়, হোক!

শুনবি আমার চাওয়াগুলো?

তবে, শোন

বোশেখী গরমে যখন শরীরে আগুন লাগে

তখন তোকে দেখে একটু ঠান্ডা হতে চাই,

এক চুমুক পানি খেতে চাই তোর পাশে বসে

পানিটুকু ঠান্ডা হতে হবে এমন না,

কফি তো আর চাইছি না!

তবে কেন দিবি না? (বিস্তারিত…)