Posts Tagged ‘আধিপত্যবাদ’


লিখেছেন: স্টেফানি ম্যাকমিলান

imperialism-with-related-tags-and-termsপুঁজিবাদের ঐতিহাসিক সম্প্রসারণ অপ্রতিরোধ্যভাবে (সমরূপে নয় যদিও) পুঁজির কেন্দ্রীভবনের দিকেই ধাবিত হচ্ছে। উৎপাদনের মাত্রা বৃদ্ধি, একচেটিয়া বাজার দখল ও প্রযুক্তির বিকাশ এই সস্প্রসারণকে করেছে আরও ত্বরান্বিত। পুঁজির কেন্দ্রীভবন তৈরি করেছে একচেটিয়া আধিপত্যের; যা তাদের শাসনকৃত অধীনস্থ সমাজ কাঠামোর অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থার উপর সমানুপাতে (নিয়ন্ত্রণ করে) ক্ষমতার প্রয়োগ ঘটাতে সাহায্য করছে।

যখন পুঁজির নিয়ম অনুযায়ী অপরিহার্য বিকাশের পরিণতি স্বরূপ, প্রত্যাশিতভাবেই তার নিয়ন্ত্রিত এলাকায় (জনগোষ্ঠী বা সামাজিক কাঠামোতে) পুঞ্জীভূত উদ্বৃত্তমূল্য সর্বোচ্চ সীমায় পৌঁছে, তখন পুঁজি বাধ্য হয়েই নিজ বিকাশের স্বার্থে ঐ এলাকার গণ্ডি পেড়িয়ে অন্য এলাকার দিকে আগ্রাসী হয়। রাষ্ট্র/রাষ্ট্রসমূহকে ব্যবহার করে সে তার মূল ভিত্তি হিসেবে, অন্যান্য সামাজিক কাঠামোর ওপর রাজনৈতিক কূটকৌশল প্রয়োগ করে (যুদ্ধ, যে রাজনীতির চরমতম রূপ) একে একে ওগুলোকে পুঁজির অধীনে নেয়ার জন্যে। পাশাপাশি প্রতিযোগিতা চলে, অন্যান্য পুঁজির ওপর দিয়ে ছড়িয়ে পড়ে কীভাবে বিশ্বকে বিভক্ত করা যায়, তা নিয়ে। (বিস্তারিত…)

Advertisements

লিখেছেন: আবিদুল ইসলাম

cultural-aggressionদৈনিক প্রথম আলোতে প্রকাশিত গতকালকের (২০ ফেব্রুয়ারি) এক নিবন্ধে শিশির ভট্টাচার্য্য লিখেছেন: শৈশব আর বাল্যকাল হচ্ছে ভাষা শেখার আসল বয়স। …. জনসংখ্যার অতিবৃদ্ধির কারণে বাঙালি জাতি ধীরে ধীরে সারা উপমহাদেশে ছড়িয়ে পড়েছে। হিন্দিউর্দু জানলে উপমহাদেশের অন্য দুটি দেশে কাজ পেতে, সেখানে গিয়ে সেখানকার জনগণের সাথে মিশে যেতে সুবিধা হবে। হিন্দি শিখে নিলে আখেরে বাঙালির লাভ ছাড়া ক্ষতির আশঙ্কা নেই। বলিউডের কল্যাণে বাঙালিসহ উপমহাদেশের প্রায় সব জাতির বিনোদনের ভাষায় পরিণত হয়েছে হিন্দি। যাঁরা হিন্দি বুঝবেন না, তারা বিনোদনের একটি সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবেন। কর্তৃপক্ষ হিন্দিতে ডাব করা জাপানি ডোরেমন বাদ দিতে পারে, কিন্তু বিনিময়ে কোন বিনোদন দেবে শিশুদের? [বাংলা ভাষার প্রকৃত সমস্যা ও এর প্রকৃত সমাধান, ২০/০২/২০১৫] (বিস্তারিত…)


mongoldhonyপ্রকাশিত হলো মঙ্গলধ্বনিসাম্রাজ্যবাদবিরোধী সংখ্যা। সাম্রাজ্যবাদকে বিভিন্নজন বিভিন্ন আঙ্গিকে ব্যাখ্যাবিশ্লেষণ করেছেন এবারের সংখ্যায়। প্রচ্ছদ করেছেন হেলাল সম্রাট। সহযোগিতায় ছিলেন আবিদুল ইসলাম, আনোয়ার হোসেন, অনুপ কুণ্ডু, আব্দুল্লাহ আলশামছ্‌ বিল্লাহ, তৌফিক খান, সুস্মিতা তাশফিন, কৌস্তভ অপু প্রমুখ। ২১ ফর্মার এই সংখ্যাটির বিনিময় মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২৫০টাকা। নিম্নে এবারের সংখ্যার সম্পাদকীয়, সূচিপত্র এবং প্রাপ্তিস্থান তুলে দেওয়া হলো।

—————————————

সম্পাদকীয়

সাম্রাজ্যবাদ পূর্বের ন্যায় কেবলমাত্র অস্ত্রহাতেই কি তার উপস্থিতি, নাকি এখন সে ভিন্ন কৌশলে অভিন্ন উদ্দেশ্যে ঘরের দোরগোড়ায় উপস্থিত ফুলেল মুখোশে? আর সেই মুখোশ চিনে নিতে আমরা নিজেরাই বা কতোটা প্রস্তুত? (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: জাহেদ সরওয়ার

felani-1ফেলানি হত্যা দুনিয়াজুড়ে সাড়া জাগানো সীমান্ত হত্যাকাণ্ড। তারও কারণ আছে। বাংলাদেশের বিভিন্ন সীমান্তে আড়ালে আবড়ালে নিয়ত হত্যা, গুম, ধর্ষণ এখন মামুলি বিষয়। বিশেষ করে এর শিকার হচ্ছে বাংলাদেশি গরীব জনগণ। ফেলানির বিষয়টা এতটা চাউর হবার কারণ হচ্ছে সে গুলি খেয়ে বিশ্বমিডিয়ার নজরে পড়ার মতো ভয়াবহভাবে ঝুলে ছিল কাঁটাতারে। এরকম আরেকটা দৃশ্য আমাদের মনে পড়ে যাবে, সার্বিয়রা যখন বসনিয়দের পাইকারিহারে হত্যা ধর্ষণ গুম করছিল। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: ইরতিশাদ আহমদ

us-aggressionদেখে যেন মনে হয় চিনি উহারে’

পেশাগত কাজে গত মাসে (নভেম্বর, ২০১২) আমাকে বেশ কয়েকবার যেতে হলো ডমিনিকান রিপাব্লিকের রাজধানী সান্তো ডমিঙ্গোতে। মায়ামি থেকে আকাশ পথে মাত্র দুইঘন্টার ফ্লাইট। দেশটা সম্পর্কে আগ্রহ জাগলো মনে। টুকটাক জেনে নিলাম ইন্টারনেট ঘেটে। যতই ঘাটি ততই মনে হয় ‘চিনি উহারে’।

দেশটা সম্পর্কে যতই নতুন নতুন তথ্য জানতে পারি, ততই মন খারাপ হয়। মন খারাপ হলেও অবাক হই না। ডমিনিকান রিপাব্লিকের ইতিহাসে যা ঘটেছে আমার জানা এই অঞ্চলের এবং ঔপনিবেশিক শাসনের যাঁতাকলে পিষ্ট বিশ্বের অন্যান্য দেশের ইতিহাসের সাথে তার তেমন কোন অমিল নেই। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: বন্ধু বাংলা

revolt now-1৫২ সালে যে ভাষা আন্দোলন হয় সেটা মূলত আমাদের জাতীয়তাবাদী চেতনার একটি আকাঙ্ক্ষা ছিল। এর একটি সাংস্কৃতিক রূপ ছিল, কিন্তু কোন গুপ্ত আধিপত্যবাদী রাজনৈতিক ইচ্ছা কি লুকিয়ে ছিল?

১৯৪৮ থেকে ৫২’র যে ভাষা আন্দোলন, তা ছিল বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্র ভাষার দাবী, একমাত্র রাষ্ট্র ভাষা নয়। এটা ছিল ঐ আন্দোলনের একটা ইতিবাচক মাত্রা। এই মাত্রার অন্য দিকে ছিল ভিন্ন একটি নেতিবাচক মাত্রা ও প্রতিক্রিয়াশীল উপাদান। কিংবা বলা যেতে পারে ৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের মাঝে ও পরবর্তীতে এইসব নেতিবাচক মাত্রা ও প্রতিক্রিয়াশীল উপাদান ঢুকিয়ে দেয়া হয় বা এসব উপাদান সুপ্ত অবস্থায় ছিল যা পরবর্তীতে আস্তে আস্তে ধীরে ধীরে প্রকাশিত হয়ে পড়ে।দাবীটি হওয়া উচিত ছিল পূর্ব বাংলার সরকারী ভাষা হবে বাংলা এবং অপরাপর যে সব ভাষাভাষী আছে, তাদের জন্যও মাতৃভাষা রূপে নিজ নিজ ভাষা লিখন ও পঠনে ব্যবহৃত হবে। (বিস্তারিত…)