Posts Tagged ‘আগ্রাসন’


লিখেছেন: অজয় রায়

২০১৫ সালের মার্চ থেকে ইয়েমেনের উপর সামরিক আগ্রাসন চালিয়ে যাচ্ছে সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন জোট। যাদেরকে মদত দিচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেন।[] ক্ষমতাচ্যুত রাষ্ট্রপতি আব্দরাব্বু মানসুর হাদিকে ইয়েমেনে পুনর্বহালের জন্য বিমান হামলা শুরু করেছিল সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট। তবে তারা সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়েও ইরান সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদেরকে উৎখাত করতে পারেনি। বরং সৌদি জোটেই বিভাজন স্পষ্ট হয়েছে। সম্প্রতি যেমন এডেন শহরে সৌদি সমর্থিত হাদির অনুগত সেনাদের সঙ্গে সংযুক্ত আরব আমির শাহীর ঘনিষ্ঠ দক্ষিণাঞ্চলীয় বিচ্ছিন্নতাবাদী বাহিনীর সংঘর্ষ হয়েছে। (বিস্তারিত…)

Advertisements

লিখেছেন: শাহেরীন আরাফাত

হামাসের রাজনৈতিকমতাদর্শিক উত্তরণ

free-palestine-2১৯৬৭ সালের আরবইজরায়েল যুদ্ধের ২০ বছর পর ১৯৮৭ সালে প্রথম ইন্তিফাদা, বা গণআন্দোলনের গর্ভে মিশরের মুসলিম ব্রাদারহুডের শাখা হিসেবে গাজায় জন্ম হামাসের। হামাসের উত্থানের প্রথম দিকে পশ্চিমা শক্তিসমূহ বিশেষ ভূমিকা রেখেছিল, তাদের অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিক কূটকৌশলে। কিন্তু তাতেও তারা নিজেদের মতো করে গড়ে তুলতে পারেনি হামাসকে। ফিলিস্তিনি নিপীড়িত জাতিসত্তার লড়াইসংগ্রামটা মুখ্য হয়ে ওঠায় হামাসকে আর তাদের ইচ্ছেমতো চালিত করাটা সম্ভব হয়নি। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: মতিন বৈরাগী

০১.

বাস্তবের নিত্য অভিঘাতে বাস্তবেরই রং বদলায়। নিত্য পরিবর্তনের এই পথে গড়ে ওঠে মানুষের সংস্কৃতি

culture-1জাতির সুদীর্ঘকাল ধরে ব্যাবহারিক জীবনের ভাবনা, চিন্তা, অভ্যেস, রুচির মধ্যদিয়ে গড়ে ওঠা মানস যা একই সমাজে রাষ্ট্রে বসবাসরত মানুষকে পরষ্পরের সাথে পরষ্পরকে যুক্ত করে এবং জাতির অস্তিত্বের ভিত্তিভূমিকে সুদৃঢ় করে। তাই একটি জাতিকে পদানত করতে হলে তার অহংকে বিনাশ করতে হ এবং তার জন্য তার সংস্কৃতির গঠনে ভেজাল দিতে হয়। সে কাজটি যত নিপুণতার সাথে আধিপত্যবাদী শক্তি করে উঠতে পারে ততোটাই গোটা জাতিকে পদানত করে তাদের সেবাদাসে পরিণত করতে পারে। (বিস্তারিত…)

কর্পোরেটোক্রেসি, সাম্রাজ্যবাদের নয়া চেহারা ও বাংলাদেশ (শেষ পর্ব)

Posted: অগাষ্ট 18, 2013 in মতাদর্শ
ট্যাগসমূহ:, , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,

লিখেছেন: জাহেদ সরওয়ার

প্রথম পর্বের পর

Corporatocracy-2কর্পোরেটোক্রেসির প্রতিটি কাজের পেছনে রয়েছে গোপনীয়তা। তাদের কর্মকাণ্ড সাধারণের আয়ত্তের বাইরে। ভিতরে কি হচ্ছে তা বাইরে থেকে বুঝার কোনো উপায় থাকে না। কারণ দুনিয়ার অধিকাংশ মিডিয়া কর্পোরেটোক্রেসির অংশ। ন্যাশনাল ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশনের (এনবিসি) মালিক হচ্ছে জেনারেল ইলেকট্রিক কোম্পানি। আমেরিকান ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশনের (এবিসি) মালিক হচ্ছে ডিজনি। ভায়াকম হচ্ছে কলম্বিয়া ব্রডকাস্টিং সার্ভিসের (সিবিএস) মালিক। ক্যাবল নিউজ নেটওয়ার্ক (সিএনএন) হচ্ছে আমেরিকা অন লাইন টাইম ওয়ার্নার গ্রপের অংশ। (বিস্তারিত…)

কর্পোরেটোক্রেসি, সাম্রাজ্যবাদের নয়া চেহারা ও বাংলাদেশ (পর্ব – ১)

Posted: অগাষ্ট 14, 2013 in মতাদর্শ
ট্যাগসমূহ:, , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,

লিখেছেন: জাহেদ সরওয়ার

Corporatocracy-2গোটা দুনিয়াকে নিয়ন্ত্রণ ও শোষণের আওতাভুক্ত করতে উন্নত দেশসমূহের বহুজাতিক বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, বিশ্বব্যাংক, বহুজাতিক দাতাসংস্থা, আইএমএফ ও উন্নত দেশগুলির সরকারসমূহ অলিখিতভাবে যে লুটেরা বাণিজ্যিক সংস্কৃতির চর্চ্চা করে থাকেন তাকে বলা হয় কর্পোরেটোক্রেসি। নিজেরা বুঝার জন্য আমরা যার অর্থ করতে পারি ‘সম্মিলিত শোষণাগার’। যা সাম্রাজ্যবাদেরই আরেকটি ধাপ, নয়া চেহারা। (বিস্তারিত…)


আপোষের জামায় দ্রোহ লুকিয়ে বিস্মৃত হলাম

সুতি কাপড়ে সাদা সুতায় সেলাই করা পরস্পরের অভিমান ও ভালবাসাগুলো

ছোপ ছোপ রক্তের দাগের কাছে কখনোই মাথা নত করেনি।

যে দরজা খুলে বেড়িয়ে গিয়েছিল

সেই কাঠ ঘুনের নিয়মিত কামড়ে ফোকলা হয়ে উঠলেও

খিলি লাগানোর আগে যে চোখ স্বাধীন প্রত্যয়ে জ্বল জ্বল করেছিল

সে স্বাধীনতার জন্য যে ভূখন্ড প্রয়োজন তা নির্মাণে ব্যর্থ হয়নি। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: সত্যজিত দত্ত পুরকায়স্থ

বাংলাদেশ, এই নামটির বিবর্তন সম্পর্কে সম্রাট আকবরের সভারত্ন আবুল ফজলের মতে “বঙ্গ” শব্দের সাথে “আল” যুক্ত হয়ে এই দেশের নাম হয়েছে বাঙ্গাল বা বাঙ্গালা, আজকের বাংলা বা বাংলাদেশ। কিন্তু এই আল শব্দের অর্থ কি? এদেশে আছে ক্ষেতের পর ক্ষেত, তাই এক ক্ষেত যাতে আরেক ক্ষেতের সাথে মিশে না যায় তার জন্য জমির চার পাশে থাকে আল। আল বলতে বাঁধ কেও বুঝায়। এদেশ বৃষ্টিবর্ষাবন্যার দেশ, তাই এখানে দরকার হতো অসংখ্য বাধের। এই অগনিত বাধের কারণেই এদেশের নাম হয়েছে বাঙ্গাল বা বাঙ্গালা। আর এখন সারা দেশে আলোচনার বিষয়ও কাকতালীয়ভাবে একটি বাঁধ, যা আমাদের জন্য একটা ক্ষতিকর ভবিষ্যত ডেকে আনতে যাচ্ছে। এই বাধের নাম টিপাইমুখ বাঁধ।

সংক্ষিপ্ত তথ্যাবলী এবং সাম্প্রতিক ঘটনা প্রবাহ

টিপাইমুখ বাঁধ

সিলেট জেলার জকিগঞ্জের অদূরে অমলশিদ সীমান্ত পয়েন্ট থেকে সরাসরি মাত্র ১০০ কিলোমিটার উজানে ভারতের মনিপুর রাজ্যের চোরাচাঁদপুর নামক স্থানে যেখানে বরাক ও টুইভাই নদী মিলিত হয়েছে সেখানে টিপাইমুখ বহুমুখী জল বিদ্যুৎ প্রকল্প নামে ৫০০ ফুট উঁচু, সাম্প্রতিক প্রাপ্ত তথ্যমতে ১৬২.৮০ ফুট উঁচু ও ১৫০০ ফুট দীর্ঘ, সমুদ্রপৃষ্ট হতে ১৮০ মিঃ উঁচু এক বিশাল পাথরের বাঁধের এক বিশাল পাথরের বাঁধের নকশা প্রণয়ন, চুক্তি স্বাক্ষর সহ প্রাথমিক সকল পরিকল্পনা ইতোমধ্যে ভারতের কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ সম্পন্ন করেছে, যার ফলে প্রায় ৩০০ বর্গ কিঃ মিঃ এলাকা ১৫ বিলিয়ন ঘন মিটারের এক বিশাল জলাধারে পরিণত হবে। এতে মোট ৬টা বিদ্যুত ইউনিট থাকবে, যা থেকে মোট ১৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুত তৈরী হবে (প্রত্যেকটা ২৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন)। এছাড়াও তারা এই বাধের ৯৫ কিঃমিঃ উজানে ফুলেরতলে একটা ব্যারেজ নির্মান করবে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: সত্যজিৎ দত্ত পুরকায়স্থ

বাংলাদেশ একটি নদীমাতৃক দেশ। নদী বিধৌত এই দেশে অসংখ্য নদনদী জালের মতো ছড়িয়ে আছে। এর মধ্যে ৫৭ টি আন্তর্জাতিক নদী বাংলাদেশে প্রবেশ করে ২৩০ টি নদীতে বিভক্ত হয়ে আবার বিভিন্ন জায়গায় একত্রিত হয়ে সাগরে পড়েছে, যার মধ্যে ৫৪ টি নদীর উৎপত্তিস্থল ভারত। এসব নদনদীর উপর এদেশের অগণিত মানুষের জীবন জীবিকা নির্ভরশীল। নদীর বয়ে আনা পলিমাটি এদেশের জমিকে উর্বর করে তুলে। তবে বিভিন্ন কারণে এসব নদনদীর স্বাভাবিক প্রবাহে বাঁধা সৃষ্টি হচ্ছে। যার প্রায় পুরোটাই মানব সৃষ্টি। এর মধ্যে নদী ভরাটড্রেজিং না করা, নাব্যতা হ্রাস, এমনকি পলিথিনের স্তরও নদীর স্বাভাবিক প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করেছে। উল্লেখ্য, সম্প্রতি পত্রিকার রিপোর্ট অনুযায়ী বুড়িগঙ্গানদীর তলদেশে ১০ ফুট পলিথিনের স্তরও রয়েছে।

টিপাইমুখ বাঁধ

এছাড়াও রয়েছে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত কর্তৃক বিভিন্ন নদীর উজানে বিভিন্ন উদ্দেশ্য বাঁধ নির্মাণ যার অন্যতম সুরমার উজানে টিপামুখ বাধ। যার মূল উদ্দেশ্য নদীর স্রোতকে ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা। জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য নদীর যে জায়গায় স্রোত বেশি, নাব্যতা বেশী সেসব জায়গায় আড়া আড়ি বাঁধ দেয়া হয়। এসব বাঁধ থেকে বিশাল এলাকা জলমগ্ন হয়, গ্রীন হাউজ গ্যাস উৎপত্তি হয়, উপকূলে ক্ষয় দেখা দেয় আর কোনো কারণে যদি বাঁধ ভেঙ্গে যায় তাহলে প্রাণহানীর ঘটনা ঘটা খুবই স্বাভাবিক; যেমন১৯৭৫ সালে চীনে এই রকম দুটি বাঁধ ভেঙ্গে মারা যায় ২ লাখ ৩০ হাজার মানুষ। বিশ্বব্যাপী প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের প্রভাব হ্রাসের কৌশল উদ্ভাবন বিষয়ক প্রতিবেদন, ২০০৯ থেকে জানা যায় যে, ২০০৯ সালে বিশ্বে প্রায় ৩০০ টি প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঘটেছে, এতে বাস্তুহারা হয়েছে প্রায় ২ লাখ ৩০ হাজার মানুষ, সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ২০ কোটি মানুষ, প্রায় ১৮ হাজার কোটি ডলারের সম্পদহানী ঘটেছে। এর প্রভাব বেশী এশিয়ায়। বিশ্বের ১০টি সর্বোচ্চ বিপর্যয় কবলিত দেশের মধ্যে ৯টি দেশ এশিয়ায় অবস্থিত। বিশ্বে বন্যায় যত মানুষ মারা যায় তার ৭৫% চীন, ভারত এবং বাংলাদেশে (তথ্যসুত্র : সারা বিশ্ব, দৈনিক প্রথম আলো, ১৮ মে, ২০০৯)। ইতোমধ্যে ভারত আন্তঃনদী সংযোগ প্রকল্পের মাধ্যমে বঙ্গোপসাগরগামী প্রায় সকল নদী থেকে জল প্রত্যাহার করছে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: তারিক মাহমুদ

বহু দ্বিপক্ষীয় সমস্যা অমীমাংসিত রেখে আলোচনার টেবিলে ‘ট্রানজিট’

ট্রানজিট, ট্রানশিপমেন্ট কিংবা করিডর যে সুবিধাই দেয়া হোক না কেন, তার ভিত্তি অবস্যই হতে হবে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা। ‘ট্রানজিট’রূপী সুবিধার বিনিময়ে বাংলাদেশও সমমানের কিছু বাণিজ্যিক সুবিধা পাবে এমনটিই প্রত্যাশিত। এক্ষেত্রে ভারতের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের বাড়তি প্রবেশের ব্যাপার যেমন আছে তেমনি আছে নেপাল, ভূটান, পাকিস্তান ইত্যাদি দেশে বাংলাদেশি পণ্য পরিবহনের সুবিধাপ্রাপ্তির প্রশ্ন। ভারতের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা অন্যান্য সমস্যা যেমন সমুদ্রসীমা নির্দিষ্টকরণ, স্থল সীমানা চিহ্নতকরণ, সীমান্তে বিএসএফ কর্তৃক নির্বিচারে বাংলাদেশীদের হত্যা, আন্তঃদেশীয় নদীগুলোর পানির ন্যায্য হিস্যা পাওয়া, ফারাক্কা ও টিপাইমুখ বাঁধের প্রতিক্রিয়াও বাংলাদেশের জন্য গুরুতর উদ্বেগের বিষয়।

এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশভারতের মধ্যকার বাণিজ্যিক ব্যবধানের বিষয়টি উল্লেখ করা অপ্রাসঙ্গিক হবে না। ২০০৭০৮ অর্থবছর থেকে ২০১০১১ অর্থবছরের জুলাইসেপ্টেম্বর পর্যন্ত ভারতবাংলাদেশ আমদানিরপ্তানি তালিকা বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০০৭০৮ অর্থবছরে বাংলাদেশ আমদানি করে ৩৩৮ কোটি ৩৮ লাখ ডলারের পণ্য যার বিপরীতে রপ্তানি করে ৩৫ কোটি ৮০ লাখ ডলারের পণ্য। এ সময় বাণিজ্য ঘটতি দাঁড়ায় ৩০২ কোটি ৫৭ লাখ ডলার। ২০০৮০৯ অর্থবছরে বাংলাদেশ আমদানি করে ২৮৬ কোটি ৩৬ লাখ ডলারের পণ্য যার বিপরীতে রপ্তানি করে ২৭ কোটি ৬৫ লাখ ডলারের পণ্য। বাণিজ্য ঘাটতি দাঁড়ায় ২৫৮ কোটি ৭০ লাখ ডলার। ২০০৯১০ অর্থবছরে বাংলাদেশ আমদানি করে ৩২১ কোটি ৪৬ লাখ ডলারের পণ্য, যার বিপরীতে রপ্তানি করে ৩০ কোটি ৪৬ লাখ ডলার সমমূল্যের পণ্য। বাণিজ্য ঘাটতি দাঁড়ায় ২৯০ কোটি ৯৯ লাখ ডলার। সর্বশেষ প্রাপ্ত হিসাবে গত (২০১০১১) অর্থবছরের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশ ভারত থেকে আমদানি করেছে ৯৩ কোটি ৬৬ লাখ ডলারের পণ্য। বাংলাদেশ রপ্তানি করেছে ৯ কোটি ২০ লাখ ডলারের পণ্য। দুই দেশের মাঝে বাণিজ্য ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৮৪ কোটি ৪৫ লাখ ডলার। এই বিশাল বাণিজ্য ঘাটতি বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কোন্নয়নের পথে অন্যতম অন্তরায় হয়ে আছে। আনুষ্ঠানিক বাণিজ্যের সঙ্গে চোরাই পথে আসা পণ্যের হিসাব করলে ঘাটতির পরিমাণ আরও অনেক বেড়ে যাবে। কয়েক বছর আগে বিশ্বব্যাংকের দেয়া এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, বাংলাদেশে ভারত থেকে আসা ৮৩ শতাংশ পণ্য আসে চোরাই পথে। এর পরিমাণ ৬৩১ মিলিয়ন ডলার। মূলত ভারতে রক্ষণশীল বাণিজ্য নীতির কারণে ঘাটতির পরিমাণ বাড়ছে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: তারিক মাহমুদ

নিরাপত্তা সহযোগিতা ও আন্তরাষ্ট্রীয় সম্পর্কের সমীকরণ এবং বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি

ভারতীয় আগ্রাসনে বাংলাদেশের নতজানু সরকার

আন্তঃরাষ্ট্রিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে ‘নিরাপত্তা সহযোগিতা’ এমন এক অগ্রগণ্য বিষয়, যার উপর ভিত্তি করে মৈত্রী সম্পর্ক রচনার মাধ্যমে প্রভূত ছাড় এবং সুবিধা আদায় করে নিয়েছে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো, এমন ভুরি ভুরি উদহরণ আছে। নিরাপত্তা চাহিদার কাছে আয়তনে ছোটবড়, একে অপরকে পছন্দঅপছন্দের বিশেষ কোন মূল্য নাই; এটা আবেগের জায়গা নায়, ফলে সময়ে স্বার্থহানি কিংবা অসংগত আচরণও প্রয়োজনীয় ঐক্যের ক্ষেত্রে বাঁধা হয়ে থাকে না। সবাই চাইবে সর্বোচ্চটা আদায় করে নিতে, তাই বলে সবটাই দিয়ে দেয় না কেউ। সবটা না দিয়েও, খুব অল্পতেই অনেক জোরালো সম্পর্ক স্থাপনের উদাহরণও ইতিহাসে আছে। ‘নিক্সনে’র সাথে ‘মাও জে দং’ খুব বেশি কিছুর বিনিময় করেননি, তথাপি তারা যুগান্তকারী সম্পর্ক স্থাপন করেছিলেন। ইদানিং বাংলাদেশ ইনডিয়ার সম্পর্ক ‘এক ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণে পৌঁছেছে’, ‘এক নতুনতর উচ্চতায়’ নিয়ে যাবার জন্য কাজ চলছে – এমন প্রচার গণমাধ্যমগুলোতে দেখা যাচ্ছে। এবং এটি যে অতিরঞ্জন নয় তার আভাসও পাওয়া যাবে ‘আনন্দবাজারে’র ০৬০৭২০১১ সংখ্যায়, পত্রিকাটি বলছে, “দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক কৌশলগত ভারসাম্য রক্ষায় ঢাকাকে দিল্লির প্রয়োজন ষোলো আনার উপর আঠারো আনা।ইঙ্গিতটি গুরুত্বপূর্ণ। (বিস্তারিত…)