Posts Tagged ‘অর্থনীতি’


লিখেছেন: ফারুক আহমেদ

Budget-2014-15বাজেট ঘোষনার আগে এবং পরে কিছু মানুষের মুখে কতকগুলো শব্দ উচ্চারিত হয়ে বাতাসে ভেসে বেড়ায়। প্রবৃদ্ধি, জিডিপি, উচ্চাভিলাষী, বরাদ্দ, উন্নয়ন ইত্যাদি শব্দগুলোর সাথে সাধারণ মানুষের এক অর্থহীন পরিচয় ঘটে। এসব নিয়ে অর্থনীতিবীদ, বুদ্ধিজীবী, ব্যবসায়ী, দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক নীতি নিধারকগণ বিচার বিশ্লষণ করেন, কাগজের পর কাগজ খরচ করেন, কথার পর কথা বলেন। খুবই প্রয়োজনীয় কাজ, সন্দেহ নেই। দেশ, রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য এসব অপরিহার্য্য বটে। যে কোন কিছু করতে গেলেই হিসাবের প্রয়োজন আছে। যারা এই বাজেটের কেন্দ্রে তাদের নিজেদের মধ্যে ভাগবাটোয়ারার জন্য হলেও একটা হিসাব আবশ্যই থাকতে হয়। সেদিক দিয়ে তাঁদের দিক থেকে বিচার করলে বাজেট নিয়ে এসব তৎপরতা কোন গুরুত্বহীন ব্যাপার নয়। (বিস্তারিত…)

স্মারক বক্তৃতা – লাল পতাকার নিচে সাংস্কৃতিক আন্দোলন

Posted: জুন 18, 2013 in মতাদর্শ, সাহিত্য-সংস্কৃতি
ট্যাগসমূহ:, , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,

world-to-win[নিম্নোক্ত বক্তৃতাটি বিশিষ্ট লেখক ও সাংস্কৃতিক আন্দোলন সংগঠক মহসিন শস্ত্রপাণি কর্তৃক প্রগতিশীল বুদ্ধিজীবী, আজীবন প্রতিবাদী ড. আহমদ শরীফএর চতুর্দশ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ‘স্বদেশ চিন্তা সংঘ’ আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রদত্ত ‘ড. আহমদ শরীফ স্মারক বক্তৃতা, ২০১৩’। সম্পাদনা পর্ষদ, মঙ্গলধ্বনি]

 

মাননীয় সভাপতি, স্বদেশ চিন্তা সংঘ’র সদস্যবৃন্দ ও সমাগত সুধীমণ্ডলীআপনাদের আন্তরিক শ্রদ্ধা ও শভেচ্ছা জানাই।

দেশের একজন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও চিন্তাবিদ, প্রথাবিরোধী, প্রতিবাদী ও দ্রোহী মানবপ্রেমী ড. আহমদ শরীফএর জীবনাবসানের আজ চতুর্দশ বার্ষিকী। তাঁর জীবন ও কীর্তি সম্পর্কে দুচার কথায় কিছুই বলা সম্ভব নয়, সে চেষ্টাও আমি করবো না। স্বদেশ চিন্তা সংঘ’র সদস্যবৃন্দ ‘ড. আহমদ শরীফ স্মারক বক্তৃতা’ দেবার আমন্ত্রণ জানিয়ে আমাকে কৃতার্থ করেছেন। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: আবিদুল ইসলাম

savar-disaster-15গত ২৪ এপ্রিল, বুধবার বাংলাদেশের শ্রমজীবী মানুষ, বিশেষত গার্মেন্টস সেক্টরে কর্মরত শ্রমিকদের জন্য এক ঘোরতর বিপর্যয়ের দিন। সাভারের বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় ‘রানা প্লাজা’ নামে এক বহুতল ভবন দৃশ্যমান কোনো কারণ ছাড়াই হঠাৎ ধসে পড়ে। এই ভবনে থাকা পাঁচটি গার্মেন্টসের কয়েক হাজার শ্রমিক এর ধ্বংসস্তুপের মধ্যে চাপা পড়েন। সেখান থেকে এখন পর্যন্ত আড়াই হাজারের অধিক শ্রমিককে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। (বিস্তারিত…)

বিবিধ প্যাঁচাল :: মুড়ির ঠোঙা অথবা দ্রোহের মন্ত্রণা

Posted: ডিসেম্বর 3, 2012 in দেশ, প্রকৃতি-পরিবেশ, মন্তব্য প্রতিবেদন, সাহিত্য-সংস্কৃতি
ট্যাগসমূহ:, , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,

লিখেছেন: পাইচিংমং মারমা

(সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরনঃএই লেখাটা খুবই বোরিং এবং লম্বা একটা লেখা। লেখাটা সুশীল, আঁতেল, সমালোচক এবং কচুক্ষেতের বুদ্ধিজীবীদের জন্য নয়। লেখাটা আপনার নিরুদ্বিগ্ন সুশীল বোধের জন্য এলার্জিজনক। গোটা লেখাটা বেশ লম্বাতবে যারা সত্যের মুখোমুখি হতে চান তারা বিষয়বস্তু ধরে ধরে পড়তে পারেন। নীচে ক্রমিক নং এবং বিষয় অনুযায়ী লেখাটা সাজানো আছে। যেকোন বিষয় ধরে আপনি আগাতে পারেন।)

.

১। সানি লেওনের তপ্ত কড়াই এবং ভাজা পোড়া তারুণ্য

Consumerism-1Sunny Leoneকে চিনতাম না। চেনার কথাও না। অনেকদিন ধরে ফেবু খুললে সাইডবারে স্বল্পবসনা এই রুপসীকে দেখি। গতকাল দেখলাম আমার ফ্রেন্ডলিস্টের ১৪ জন তাকে পছন্দ (Like) করে। তার মধ্যে কলেজ পড়ুয়া আর বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ম, ২য় বর্ষের ছাত্রীও আছে। তারা কেন পছন্দ করে জানতে আমি এই রুপসির বিষয়ে তালাশ করলাম। Wikipedia-তেও ঢুঁ মারলাম। দেখে তো আমি থ!

যার এতো জনপ্রিয়তা সে আসলে একজন Porn Star,ভদ্রভাষায় সেলিব্রেটি, প্রচলিত ভাষায় সে একজন “বেশ্যা, রেন্ডিমাগী””। Wikipediaথেকে তার নিজস্ব ওয়েবসাইটে ঢুকে দেখি সেটা একটা পর্নো সাইট, যেখানে তার পর্নো ভিডিও আপলোড করা আছে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: ব্লগার দিনমজুর

চোরের বড় গলা। গতকাল ইনডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের টক শো তে এক দর্শকের প্রশ্নের জবাবে গার্মেন্টস মালিক কাম রেন্টাল বিদ্যুৎ ব্যাবসায়ী আনিসুল হক গলা উঁচু করে বলেছেন তার বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে নাকি নিয়মিত ৯৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়, গতকালও (২৫জুন ২০১২) নাকি ৯৬ মেগাওয়াট উৎপাদিত হয়েছে। আজকে পিডিবি’র ওয়েবসাইটে দেশ এনার্জির বিদ্যুৎ উৎপাদনের হিসাব দেখে তো টাস্কি খেলাম, গত ২৫জুন দেশ এনার্জির Siddirgonj (Desh) 96 MW(HSD) নামের রেন্টাল পাওয়ার প্ল্যান্ট থেকে শূন্য () মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়েছে! শুধু ২৫শে জুনই না, গোটা জুন মাসের বেশির ভাগ দিনেই শূন্য () মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়েছে!! শুধু জুন মাসই না, এর আগের এপ্রিলমে মাসেও বেশির ভাগ দিন শুণ্য মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়েছে। এখানে ২৫জুন ও ১ জুন এর স্ক্রীন শট এবং গোটা জুন মাসে আনিসুল হকের দেশ রেন্টাল থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের চিত্র তুলে দেয়া হলো। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: ব্লগার দিনমজুর

সম্প্রতি গার্মেন্টস মালিক কাম কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎ ব্যাবসায়ী,”দেশ এনার্জি”র মালিক আনিসুল হক দাবী করেছেন কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপিত না হলে “দেশে প্রতিদিন ১০ রিখটার স্কেলে অর্থনৈতিক ভূমিকম্প হতো”।কুইক রেন্টালের মাধ্যমে বর্তমান সরকারের আমলে ৩১০০ মেগাওয়াট (!) বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রীডে যুক্ত হয়েছে দাবী করে তিনি বলেছেন ভাড়া ভিত্তিক বিদ্যুৎ স্থাপন না করলে আমাদের জিডিপির আকার “১৪১৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার কম হতো।” আমরা এখানে কুইক রেন্টালের অপরিহার্যতার সম্পর্কে জনাব আনিসুল হকের বক্তব্যের যথার্থতা বিচার করবো। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: ব্লগার দিনমজুর

বর্তমান মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসে ২০০৯ সালের জানুয়ারি মাসে। পিডিবি’র জেনারেশন রিপোর্ট অনুসারে সে সময় গ্রীষ্মকালে পিক আওয়ারে বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছিল ৩,৬০০ থেকে ৩,৮০০ মেগাওয়াট এবং সরকারি হিসেবে সর্বোচ্চ চাহিদা ছিল ৪,৫০০ মেগাওয়াট। উদাহরণস্বরুপ, ২০০৯ সালের জুন মাসের ১৪ তারিখের জেনারেশান রিপোর্ট থেকে দেখা যায়, এই দিন ৩৮০১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের বিপরীতে সর্বোচ্চ চাহিদা ছিল ৪ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট। অর্থাৎ, সরকারি হিসেবে ঘাটতি প্রায় ৭০০ মেগাওয়াটের মতো। একই রিপোর্ট থেকে দেখা যায়, ঐ দিন গ্যাসের সংকটের কারণে বিদ্যুৎ কম উৎপাদিত হয় ৩৪২ মেগাওয়াট এবং বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিভিন্ন ধরণের ত্রুটি ও মেরামত কর্মের কারণে কম উৎপাদিত হয় ৭০৭ মেগাওয়াট। দেখা যাচ্ছে, ত্রুটিপূর্ণ বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর সমস্যা স্থায়ীভাবে সমাধান করা হলে সেসময়ই আরো ৭০৭ মেগাওয়াটি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যেত, ফলে কোন বিদ্যুৎ ঘাটতি বা লোডশেডিং থাকার কথা না। কিন্তু ত্রুটিপূর্ণ সরকারি বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর কথা আমাদেরকে জানতে দেয়া হলো না, আমরা বারবার শুনতে থাকলাম কেবল গ্যাস সংকটের কথা।

আমাদেরকে বলা হলো, গ্যাস সংকট সমাধান করা সম্ভব নয়, ফলে দ্রুত বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানোর জন্য তেলভিত্তিক কুইকরেন্টাল পাওয়ার প্ল্যান্ট বসানো ছাড়া কোন উপায় নেই। বলা হলো, কুইকরেন্টাল প্ল্যান্ট যেহেতু ৩ থেকে ৬ মাসের মধ্যে চালু করা যাবে তাই বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধানও কুইক হবে। ৩ থেকে ৬ মাসের কথা বলা হলেও কোন কুইক রেন্টালই সময় মতো চালু হয়নি এবং পরে যাও চালু হয়েছে, নষ্ট ও পুরাতন যন্ত্রপাতি ব্যবহার করার কারণে ঘোষিত উৎপাদন ক্ষমতার চেয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন সবসময়ই কম হয়েছে। এভাবে বেশি দামে কুইক রেন্টাল থেকে যে পরিমাণ বিদ্যুৎ অনিয়মিতভাবে পাওয়া যাচ্ছে তার চেয়ে বেশি বিদ্যুৎ নষ্ট ও পুরাতন বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো মেরামত করলেই পাওয়া সম্ভব হতো। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: সত্যজিত দত্ত পুরকায়স্থ

বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর এবং ঋণগ্রস্ত রাষ্ট্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মহামান্য (!) পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারী ক্লিনটন বাংলাদেশে ২৪ ঘন্টার একটি সংক্ষিপ্ত সফর করে গেলেন। আমাদের মত তথাকথিত ৩য় বিশ্বের দেশের কাছে, বিশেষত এর শাসকগোষ্টির (ক্ষমতার ভিতরবাহির উভয় পক্ষ) কাছে তার এই ২৪ ঘন্টার ছোট সফর গ্রীষ্মের প্রচন্ড দাবদাহের মধ্যে এ এক পরম শান্তির সুবাতাস। তার এই সংক্ষিপ্ত অথচ গুরুত্বপূর্ণ সফরকে ঘিরে নানা আলোচনাআশাবাদশঙ্কা তৈরী হচ্ছে। পক্ষেবিপক্ষে আলোচনা চলছেই। হিলারী ক্লিনটনের এই সফরে এ ভুখন্ডে মার্কিন স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো যে আলোচনায় গুরুত্ব পেয়েছিল, তা স্পষ্টতই স্পষ্ট।

যতটুক বুঝা যাচ্ছে হিলারী ক্লিনটনের বাংলাদেশ সফরের সময় আলোচনায় উভয় দেশের মধ্যকার বিদ্যমান বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও প্রতিরক্ষার বিষয়, এমন কি যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশী পণ্যের শুল্কমুক্ত প্রবেশের বিষয়টিও আলোচনায় প্রাধান্য পায়। স্নায়ুযুদ্ধ শেষ হবার পর থেকেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সারাবিশ্বে বন্ধু (!) সংখ্যা বাড়াতে সবসময়য়ই সচেষ্ট এবং এই ক্ষেত্রে তারা সামরিক, বিশ্বায়নের নামে ফিন্যান্স পুঁজির অবাধ প্রবাহ এবং নিরাপত্তা ইস্যুকেই সর্বোচ্চ প্রাধান্য দেয়। একসময়ের তলাবিহীন ঝুড়ি বাংলাদেশ যে তাদের নয়াউপনিবেশবাদের ক্রীড়াক্ষেত্রে পরিণত হয়ে উঠছে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: আহমদ জসিম

সম্প্রতি মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন বাংলাদেশ সফর করে গেল। সরকারের ভাষ্যমতে এই সফর দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক জোরদার করার জন্য। অথচ আমরা সাধারণ জনগণ আমাদের সাধারণ অভিজ্ঞতা দিয়ে বুঝি বর্তমান বিশ্বে ডাকাতের ভূমিকায় অবতীর্ণ হওয়া মার্কিন মুল্লুকের কর্তাব্যক্তিদের সফর আদপে তাদের অনুগত শাসকের কাছ থেকে লুটের স্বীকারোক্তি আদায় করার আয়োজন মাত্র। আর ক্ষমতার মসনদে বসার জন্য আমাদের দেশের শাসকশ্রেণীর সকল অংশের হিলারির আর্শিবাদ পাওয়ার প্রতিযোগিতা আমরা দেখেছি রীতিমতো হতবিহ্বল হয়ে।

দেশে চলমান রাজনৈতিক সংকট তত্ত্বধায়ক সরকার প্রসঙ্গ নিয়ে। যে সংকট মহাবিপদ সংকেত হিসেবে আমাদের সামনে ঝুলে আছে। ঠিক এই রকম এক পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে সাম্রাজ্যবাদের মদদপুষ্ট ফখরুদ্দিনমঈনুদ্দিন সরকার ক্ষমতায় এসেছিল। আমরা কী আবারও সেই পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে যাচ্ছি। অতি নাটকীয় কিছু না ঘটলে আদতে সেই সম্ভাবনা ১০০ভাগ। সেই সম্ভাবনা শতভাগ মনে করার কারণ, শেখ মুজিব বাকশাল গঠন করে রাষ্ট্রের প্রধানমন্ত্রী থেকে শেখ হতে চেয়েছিল। আর খালেদা জিয়া তার সর্বশেষ শাসনকালে আকণ্ঠ দুর্নীতিতে নিমজ্জিত হয়ে গদি চিরস্থায়ী করতে ছেয়েছিল। এখন সেই ভূত চেপেছে হাসিনার মাথায়। তাদের প্রভু রাষ্ট্রের প্রতিনিধি এসে সবক দিয়ে গেছে, চলমান সংকট নিয়ে দুই নেত্রীর সংলাপে বসতে হবে। তার সাথে সুর মিলিয়েছে সাম্রাজ্যবাদের অনুগত সুশীল সমাজ আর কর্পোরেট মিড়িয়াগুলো। ক্ষমতার মোহে হাসিনা এতটাই মশগুল আজ সে প্রভুর আদেশ মানতেও নারাজ। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন:বন্ধুবাংলা

চুকচুক পদলেহনের শব্দ শোনার কথা, কিন্তু শুনছি কই? এমএলএমকোম্পানির মত রাজনীতিবিদরা প্রতারণার ফাঁদ পেতে বছরের পর বছর জোঁকের ন্যায় জাতির রক্ত নিঃশব্দে চুষে খাচ্ছে তাও দেখছি না। কানে তুলা নয়, তালা দেয়া আছে! দুর্বল দৃষ্টিশক্তি ভাল দেখে না! তথাপি একটা ছবি দেখে চমকে উঠলাম!! তবে ছবির কথায় পরে আসি। আগে কিছু প্যাঁচাল পারি!

আমার পূর্বের লেখায় কৃষকের সাথে সরকারের প্রতারণার কথা উল্লেখ করেছিলাম। সেই সূত্র ধরেই আগামী কৃষি বাজেটের উপর সরকারের ভাবনা কি জানার আগ্রহ ছিল। পত্রিকার মারফতে পেয়েও গেলাম মন্ত্রী মতিয়াকে ও মন্ত্রী মুহিত মাল সাহেবকে; অর্থাৎ, তাদের মন্ত্রণালয়ের হাড়ির খবর। অর্থ ও কৃষি মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, কৃষির সাফল্যের ধরে রাখতে আগামী অর্থবছরের বাজেটেও সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে কৃষি খাতকে। কৃষকদের স্বার্থ সংরক্ষণে আসন্ন ২০১২১৩ অর্থবছরে কৃষি খাতে ৫ হাজার ৬০০ কোটি টাকা ভর্তুকির প্রস্তাব করা হয়েছে।

কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী বলেন, কৃষকের স্বার্থ সংরক্ষণ করাই আমাদের উদ্দেশ্য। তিনি আরও বয়ান করেছেন “প্রধানমন্ত্রী কৃষি ও কৃষকদের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিতে বলেছেন। তার নির্দেশ পালন করেছি। কৃষকদের সঙ্গে চলতে চলতে তাদের সম্পর্কে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি। তা কাজে লাগানোর চেষ্টা করছি।”( হঠাৎ যেন মুখে তেঁতো স্বাদ পেলাম )। সুত্র:

http://www.samakal.com.bd/details.php?news=14&action=main&option=single&news_id=257301&pub_no=1045

যাই হোক, আবার তেঁতো স্বাদ পেলাম অন্য একটি খবরে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অন্দর মহলের কথায়।

অন্য একটি জাতীয় দৈনিকে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল বলেছেন, আগামী ২০১২১৩ অর্থবছরের বাজেটের আকার তত বাড়ছে না। অর্থসংকটে সরকারকে এমন সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে। তিনি আরো বলেছেন, অনুন্নয়নউন্নয়ন মিলিয়ে বাজেটের মোট আকার হবে এক লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকার মতো। এর মধ্যে বার্ষিক ()উন্নয়ন কর্মসূচীর (এডিপি) বাজেট হবে ৫৪ হাজার কোটি টাকার। (বিস্তারিত…)