Posts Tagged ‘অনুবাদ’


Noam Chomsky In Conversation At British Library(এই অনুবাদকর্মটি নোম চমস্কির The Chomsky Reader বইটির অংশবিশেষ। এই অংশটি নেওয়া হয়েছে alternet.org-এ প্রকাশিত Noam Chomsky: Why Americans Know Much About Sports But So Little About World Affairs লেখাটি থেকে। এই অনুবাদকর্মটির কোনো কপিরাইট নাই। প্রয়োজনে যে কেউ এটাকে যেকোনো স্থানে ছাপাতে পারেন। অনুবাদক)

অনুবাদ: ইস্ক্রা এবং পার্থ প্রতীম দাশ

প্রশ্ন: আপনি লিখেছেন পেশাদার বুদ্ধিজীবি এবং আমলারা কেমন করে বাস্তবতাকে ধোঁয়াশাপূর্ণ করে ফেলে। এবং কোথাও কোথাও আপনি মানুষের কাণ্ডজ্ঞানকে “কার্তেসীয় কাণ্ডজ্ঞান” নামেও অভিহিত করেছেন। বিশেষত, সমসাময়িক সমাজবিজ্ঞানের ক্ষেত্রে যুক্তির অবস্থান নির্ণয় করতে গিয়ে মূলত, আপনি কাণ্ডজ্ঞানের উপরেই অধিক আলোকপাত করেছেন। কাণ্ডজ্ঞান বলতে আপনি কি বোঝাতে চান? আমাদের সমাজের প্রেক্ষিতে এর অর্থই বা কী? উদাহরণস্বরূপ, সাংঘাতিক প্রতিযোগিতাপূর্ণ এবং বিচ্ছিন্ন সমাজে থেকে মানুষের পক্ষে তার সত্যিকার আগ্রহ খুঁজে পাওয়াই কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। কেউ যদি রাজনৈতিক কার্যকলাপে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণই না করতে পারে, নেহাত সাক্ষী গোপাল সেজেই থাকতে হয়, তাহলে তার পক্ষে কি অর্জন করা সম্ভব? এক্ষেত্রে কাণ্ডজ্ঞানই বা কিভাবে গড়ে উঠতে পারে? (বিস্তারিত…)

Advertisements

জন এম. কোয়েইটজি

অনুবাদ: বখতিয়ার আহমেদ

m-j-coetzeeনাথানিয়েল হ্যাথর্ন তার ‘স্কারলেট লেটার’এ লিখেছিলেন, “একটি উপনিবেশ যখন কোথাও শেকড় গাড়ে, নিতান্তই বাস্তব প্রয়োজনে, একেবারে শুরুতেই যে পদক্ষেপটি নেয় তা হল অধিকৃত ভূমির একটি অংশে গোরস্থান এবং আরেকটি অংশে কারাগার স্থাপন”। উপনিবেশ হিসেবে দক্ষিণ আফ্রিকাও এর ব্যতিক্রম নয়, দেশটির সারা মুখ জুড়ে গুটি বসন্তের দাগের মত ছড়িয়ে আছে অসংখ্য কারাগার, হ্যাথর্ন যাদের নাম দিয়েছিলেন “সভ্য সমাজের কালো ফুল”। (বিস্তারিত…)


অনুবাদ: মিঠুন চাকমা

প্রারম্ভিকা:

zhou-enlai-1(চৌ এন লাইএর এই লেখাটির মূল শিরোনামটি ছিলো Outline of a Talk on Leadership and Review of Work। অর্থাৎ, নেতৃত্ব বিষয়ে আলোচনার সংক্ষিপ্তসার এবং কাজের পর্যালোচনা। তিনি চীনের কমিউনিস্ট পার্টির সেন্ট্রাল কমিটির দক্ষিণাঞ্চল ব্যুরোএর কর্মীদের সাথে এক আলোচনায় এই কথাগুলো বলেন। লেখার তারিখ ১৯৪৩ সালের ২২ এপ্রিল। মার্কসিস্টস ডট ওআরজি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ইংরেজী সংস্করণ থেকে আমি তা বাংলায় অনুবাদ করার চেষ্টা করেছি। নেতৃত্ব নিয়ে এই লেখাটিকে আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়েছে। তাই আমি তা অনুবাদ করার চেষ্টা করেছি।

আজকাল সাম্রাজ্যবাদের ক্ষয়কালীন পুঁজিবাদী এই যুগে নেতৃত্ব বা নেতা বলতে যে কী বোঝায় তাই যেন নৈরাজ্যিক হয়ে উঠেছে! নেতা মানে অনেকের কাছে বোঝায় বাহাদুরী দেখানোই, কারো কাছে জনতার দিকে ছরি ঘোরানোই যেন নেতা বনে যাওয়া! কারো চোখে নেতা মানে তার অগাধ অর্থসম্পদ! তার অগাধ ক্ষমতা! তার কথায় সবাই উঠবে আর বসবে! কেউ নিজেকে নেতাই মনে করে! কেউ নেতাগিরি করে!

কারো কাছে নেতা মানে তার কয়েকজন সাগরেদ থাকবে, যারা তাই ফাই ফরমাশ খাটবে! কেউ নেতা মানে বোঝে শুধু নির্দেশ দাও, নির্দেশ দিতে জানলেই যে নেতা! এই সব বৈশিষ্ট্যই যেন অনেকের কাছে নেতা বনে যাওয়া!

কিন্তু যারা সমাজের সত্যিকার কিছু চান, যারা সমাজকে এগিয়ে নিতে চান, সমাজে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন চান, তাদের কাছে নেতা মানে কী বোঝায় বা কী বোঝাতে পারে এ নিয়েই চৌ এন লাইয়ের লেখায় আলোচনা করা হয়েছে।

অনুবাদে নানা দুর্বলতা থাকাটাই স্বাভাবিক। আমাকে বলতে হচ্ছে, ওয়ার্ড টু ওয়ার্ড অনুবাদ করার চেষ্টা না করে অন্তর্বস্তু ঠিক রেখে লেখাটির অনুবাদ করার চেষ্টা আমি করেছি। আমার কাছে মনে হয়েছে ভাবটি ফুটিয়ে না তুলতে পারলে শুধু অনুবাদ করে এই লেখার বিষয়বস্তু তেমন পাঠযোগ্য নাও হতে পারে।

সবাই আন্তরিকতার সাথে লেখাটি পড়বেন এই আশা করছি। এটি পড়ে নেতৃত্ব বিষয়ে যদি কেউ সচেতন হয়ে ওঠে তাতেই অনুবাদকের সার্থকতা! অনুবাদ করতে রীনা দেওয়ান বরাবরের মতো সহায়তা করেছেন। অনুবাদক) (বিস্তারিত…)