Posts Tagged ‘অনুপ কুণ্ডু’


লিখেছেন: অনুপ কুণ্ডু

পূর্ণ হলো না তাঁর ‘সেঞ্চুরি’, অর্থাৎ শতবর্ষ পদার্পণের তীব্র আকাঙ্ক্ষা। শোষণবৈষম্যহীন সমাজ ব্যবস্থা, শ্রমিকশ্রেণীর রাষ্ট্র কায়েমের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে অপূর্ণতার মতো। ৯৬ পার করে ৯৭ বছর বয়সে পদার্পণ করেই জীবনের দীপটি ধপ করে নিভে গেল। অবসান হলো এক জীবন্ত ইতিহাসের। বর্ণাঢ্য এক সংগ্রামী, আপোষহীন বিপ্লবী চরিত্র রণাঙ্গনের মঞ্চ থেকে প্রস্থান করলেন। ৮ এপ্রিল ২০১৮, রাত সাড়ে ১০টায় প্রস্থান করেন ত্রিকালদর্শী বিপ্লবী কমরেড সত্য মৈত্র। পরিবার প্রদত্ত এটা তাঁর পরিচিতির স্মারক হলেও রাজনীতির ময়দানে তিনি ‘মোমিন ভাই’ নামেই সমধিক পরিচিত। (বিস্তারিত…)

Advertisements

লিখেছেন: অনুপ কুণ্ডু

censorshipসাম্প্রতিক সময়ে শিশুকিশোর হত্যা, কিশোরীনারী নির্যাতন ও ধর্ষণ, ডাকাত বা ছিনতাইকারী সন্দেহে গণপিটুনীতে মানুষ হত্যা ব্যাপকভাবে বেড়েছে। অতীতের যেকোন সময়ের চেয়ে এই হত্যানির্যাতনের সংখ্যা এবং মাত্রা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পেয়ে চলেছে। এই বিভৎসতা, নৃশংসতা ভাষায় বর্ণনা করার নয়। যা দেখে কোন সুস্থ মানুষের স্বাভাবিক থাকা সম্ভব নয়। কেন ঘটছে এই ধরনের হত্যানির্যাতনবিভৎসতা? এর প্রতিকার কি সম্ভব নয়? নাকি এসব ঘটতেই থাকবে আর সাধারণ মানুষ নির্বিকারভাবে দেখে যাবে, সামান্য আহাউহু তারপর যথারীতি দৈনন্দিন জীবনযাপন। সাধারণের মধ্যে, সংঘবদ্ধ বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়তে দেখা যাচ্ছে না কেন? (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: অনুপ কুণ্ডু

human-trafficking-2015-1মানব পাচার সাম্প্রতিক সময়ের এক জটিল সমস্যা। ১২ মে ২০১৫ পর্যন্ত থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ার উপকূল থেকে ২০০০ বাংলাদেশী এবং রোহিঙ্গা অভিবাসীকে উদ্ধার করা হয়েছে। থাইল্যান্ডে আবিষ্কৃত হয়েছে ৩০টির মতো গণকবর। পাচার হওয়া শত শত অভিবাসীর শেষ ঠাঁই হয়েছে এই কবরে। মানব পাচার রোধে বর্তমানে বাংলাদেশ সরকারের তৎপরতা বৃদ্ধি পেলেও কার্যকর কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারেনি। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: অনুপ কুণ্ডু

মুজাহিদুল ইসলাম সেলিমএর লেখার প্রতিক্রিয়া

mujahidul-islam-selim-cpbআগষ্ট২০১৪ এর শুরু দিকে দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় “জনতার মৃত্যু নেই, তাই মৃত্যু নেই বঙ্গবন্ধুরও” এবং “দেশকালজনতা ও বঙ্গবন্ধু” দুটি লেখা প্রকাশিত হয়। লেখক বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি ও স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ের প্রখ্যাত ছাত্রনেতা মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম। লেখা দুটি পড়ে আমার মনে কিছু প্রশ্ন জেগেছে। কমিউনিস্ট আন্দোলনের একজন নগন্য কর্মী হিসেবে প্রশ্নসমূহ উত্থাপন ও তার ব্যাখ্যা জানা জরুরী হয়ে দেখা দিয়েছে। প্রথমেই আমার জিজ্ঞাসা একজন কমিউনিস্ট পার্টির নেতা কিভাবে ‘জাতির জনক’ অভিধার প্রতি আকৃষ্ট হতে পারেন? তাও আবার “বঙ্গবন্ধু” আর এই বঙ্গবন্ধু” উপাধি ঘোষণা করেছিলেন কারা? নিশ্চয়ই সেলিম ভাই তা জানেন। ছাত্রলীগের একটি সমাবেশ থেকে তারা তাদের নেতাকে যে কোন ভূষণে ভূষিত করতে পারে। কোন মাপকাঠিতে এই অভীধা সমগ্র জনগোষ্ঠীর অলঙ্কার হিসেবে সম্পৃক্ত হয়? (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: অনুপ কুণ্ডু

toba-group-workersতৈরি পোষাক বা গার্মেন্টস খাত বাংলাদেশে সব সময় আলোচনার বিষয়। চরম অব্যবস্থাপনার এই খাতের সুবিধাভোগী মালিকপক্ষরাষ্ট্র, সরকার কিংবা প্রশাসনের কাছ থেকে ‘চাহিবা মাত্র’ যাবতীয় সুযোগ সুবিধা ভোগ করে আসছে। সেক্ষেত্রে দেশের বা আন্তর্জাতিক কোন আইনকানুন তাদের কাছে তেমন কোন বাধা হতে পারেনি। উপরন্তু সমস্ত আইন কানুন স্বয়ং তাদের সেবাদানকারীর ভূমিকা পালন করছে। জবাবদিহিহীন এবং বিচারহীন এক উদ্ভট সংস্কৃতির মধ্যে বেড়ে উঠেছে লুটপাট নির্ভর শাসকগোষ্ঠীর আস্কারায় প্রতিপালিত গার্মেন্টস ক্ষেত্রের মালিকেরা।। আর এই খাতের ভিত্তি যাদের শ্রমের উপর নির্ভর করে সেই লক্ষ লক্ষ শ্রমিক যারা শোষন, নীপিড়ন, অসম্মান এবং অন্যায্য আচরণের মূর্তিমান ভূক্তভোগী। সামন্তযুগের দাসদের আধুনিক সংস্করণ আজকের বাংলাদেশের গার্মেন্টস শ্রমিকেরা। (বিস্তারিত…)