Archive for the ‘সাক্ষাৎকার’ Category


mongoldhonyপ্রকাশিত হলো মঙ্গলধ্বনিসাম্রাজ্যবাদবিরোধী সংখ্যা। সাম্রাজ্যবাদকে বিভিন্নজন বিভিন্ন আঙ্গিকে ব্যাখ্যাবিশ্লেষণ করেছেন এবারের সংখ্যায়। প্রচ্ছদ করেছেন হেলাল সম্রাট। সহযোগিতায় ছিলেন আবিদুল ইসলাম, আনোয়ার হোসেন, অনুপ কুণ্ডু, আব্দুল্লাহ আলশামছ্‌ বিল্লাহ, তৌফিক খান, সুস্মিতা তাশফিন, কৌস্তভ অপু প্রমুখ। ২১ ফর্মার এই সংখ্যাটির বিনিময় মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২৫০টাকা। নিম্নে এবারের সংখ্যার সম্পাদকীয়, সূচিপত্র এবং প্রাপ্তিস্থান তুলে দেওয়া হলো।

—————————————

সম্পাদকীয়

সাম্রাজ্যবাদ পূর্বের ন্যায় কেবলমাত্র অস্ত্রহাতেই কি তার উপস্থিতি, নাকি এখন সে ভিন্ন কৌশলে অভিন্ন উদ্দেশ্যে ঘরের দোরগোড়ায় উপস্থিত ফুলেল মুখোশে? আর সেই মুখোশ চিনে নিতে আমরা নিজেরাই বা কতোটা প্রস্তুত? (বিস্তারিত…)


Mofakhaffer Ul Chowdhury-1

মোফাখ্খার চৌধুরী

(আমরা সাধারণত “ক্রসফায়ার”এর একমুখী প্রচারপ্রচারণাটাই শুনে থাকি, এমনকি একেই সত্য বলে ধরে নিই, কিন্তু তার অপরদিকের সত্যটা আমাদের সামনে উন্মোচিত হয় না, বা হতে দেওয়া হয় না। এই “ক্রসফায়ার”এর অন্তর্নিহিত কারণ এবং এর সাথে রাষ্ট্রের রাজনৈতিকতার সম্পর্কটাও তুলে ধরা হয়েছে নেসার আহমেদ সম্পাদিত ক্রসফায়ার’ রাষ্ট্রের রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড বইটিতে। বইটি হয়তো অনেকেই পড়েছেন, আবার অনেকেরই হয়তো তা এখনো পড়া হয়নি। আর এ জন্যই এই বইয়ের প্রতিবেদনসমূহ এখানে পর্যায়ক্রমিকভাবে তুলে দেওয়া হচ্ছে। সম্পাদক)

প্রতিনিধি পূর্ববাংলার কমিউনিস্ট পার্টি (এমএল)

নেসার: আপনার নাম, দলের নাম এবং পার্টিতে আপনার সাংগঠনিক অবস্থান উল্লেখ করে আলোচনা শুরু করা যেতে পারে।

তুষার: আমার নাম তুষার। আমি পূর্ববাংলার কমিউনিস্ট পার্টি (এমএল) এর একজন প্রতিনিধি। (বিস্তারিত…)


bonduk(আমরা সাধারণত “ক্রসফায়ার”এর একমুখী প্রচারপ্রচারণাটাই শুনে থাকি, এমনকি একেই সত্য বলে ধরে নিই, কিন্তু তার অপরদিকের সত্যটা আমাদের সামনে উন্মোচিত হয় না, বা হতে দেওয়া হয় না। এই “ক্রসফায়ার”এর অন্তর্নিহিত কারণ এবং এর সাথে রাষ্ট্রের রাজনৈতিকতার সম্পর্কটাও তুলে ধরা হয়েছে নেসার আহমেদ সম্পাদিত ক্রসফায়ার’ রাষ্ট্রের রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড বইটিতে। বইটি হয়তো অনেকেই পড়েছেন, আবার অনেকেরই হয়তো তা এখনো পড়া হয়নি। আর এ জন্যই এই বইয়ের প্রতিবেদনসমূহ এখানে পর্যায়ক্রমিকভাবে তুলে দেওয়া হচ্ছে। সম্পাদক) (বিস্তারিত…)


Noam Chomsky In Conversation At British Library(এই অনুবাদকর্মটি নোম চমস্কির The Chomsky Reader বইটির অংশবিশেষ। এই অংশটি নেওয়া হয়েছে alternet.org-এ প্রকাশিত Noam Chomsky: Why Americans Know Much About Sports But So Little About World Affairs লেখাটি থেকে। এই অনুবাদকর্মটির কোনো কপিরাইট নাই। প্রয়োজনে যে কেউ এটাকে যেকোনো স্থানে ছাপাতে পারেন। অনুবাদক)

অনুবাদ: ইস্ক্রা এবং পার্থ প্রতীম দাশ

প্রশ্ন: আপনি লিখেছেন পেশাদার বুদ্ধিজীবি এবং আমলারা কেমন করে বাস্তবতাকে ধোঁয়াশাপূর্ণ করে ফেলে। এবং কোথাও কোথাও আপনি মানুষের কাণ্ডজ্ঞানকে “কার্তেসীয় কাণ্ডজ্ঞান” নামেও অভিহিত করেছেন। বিশেষত, সমসাময়িক সমাজবিজ্ঞানের ক্ষেত্রে যুক্তির অবস্থান নির্ণয় করতে গিয়ে মূলত, আপনি কাণ্ডজ্ঞানের উপরেই অধিক আলোকপাত করেছেন। কাণ্ডজ্ঞান বলতে আপনি কি বোঝাতে চান? আমাদের সমাজের প্রেক্ষিতে এর অর্থই বা কী? উদাহরণস্বরূপ, সাংঘাতিক প্রতিযোগিতাপূর্ণ এবং বিচ্ছিন্ন সমাজে থেকে মানুষের পক্ষে তার সত্যিকার আগ্রহ খুঁজে পাওয়াই কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। কেউ যদি রাজনৈতিক কার্যকলাপে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণই না করতে পারে, নেহাত সাক্ষী গোপাল সেজেই থাকতে হয়, তাহলে তার পক্ষে কি অর্জন করা সম্ভব? এক্ষেত্রে কাণ্ডজ্ঞানই বা কিভাবে গড়ে উঠতে পারে? (বিস্তারিত…)


bonduk(আমরা সাধারণত “ক্রসফায়ার”এর একমুখী প্রচারপ্রচারণাটাই শুনে থাকি, এমনকি একেই সত্য বলে ধরে নিই, কিন্তু তার অপরদিকের সত্যটা আমাদের সামনে উন্মোচিত হয় না, বা হতে দেওয়া হয় না। এই “ক্রসফায়ার”এর অন্তর্নিহিত কারণ এবং এর সাথে রাষ্ট্রের রাজনৈতিকতার সম্পর্কটাও তুলে ধরা হয়েছে নেসার আহমেদ সম্পাদিত ক্রসফায়ার’ রাষ্ট্রের রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড বইটিতে। বইটি হয়তো অনেকেই পড়েছেন, আবার অনেকেরই হয়তো তা এখনো পড়া হয়নি। আর এ জন্যই এই বইয়ের প্রতিবেদনসমূহ এখানে পর্যায়ক্রমিকভাবে তুলে দেওয়া হচ্ছে। সম্পাদক) (বিস্তারিত…)


সাক্ষাৎকারটি গ্রহণ করেছেন আভিভা শেন

২০১২ সালের এপ্রিলে স্মিথসনিয়ান ম্যাগাজিনে সাক্ষাৎকারটি প্রকাশিত হয়।

অনুবাদ: মেহেদী হাসান

Pete-Seeger-concert১৯৬০ সালের মার্চ মাসে ম্যাইনে প্রদেশের ব্রুনসিক শহরের বওডিয়ন কলেজে, একটি ক্যাম্পাস বেতার কেন্দ্র পিট সিগারের একটি কনসার্ট রেকর্ড করে। আটটি রীল থেকে রীল (reel-to-reel) ফিতা সেই রাতকে ধারণ করে আছে যা এখন একটি টুসিডি সেট এ প্রতিস্থাপিত হয়ে, এপ্রিলের ১৭ তারিখে স্মিথসোনিয়ান ফোকওয়েস রেকর্ডিংস থেকে বের হয়েছে। ১৯৬০ সালের বওডিয়ন কলেজ কনসার্টে, তার আঞ্চলিক কনসার্টগুলোর মধ্যে অন্যতম, সিগার পরিবেশন করেন সেই গানগুলোর প্রাথমিক ভার্সন যেগুলো এই কয়েক বছরের মধ্যে পুরো মানব জাতিকে সম্মোহিত করে ফেলেছে, যুদ্ধবিরোধী সেই গানটিও অন্তর্ভূক্ত “ফুলগুলো সব কোথায় গেল?” স্মিথসোনিয়ান ম্যাগাজিনের আভিভা শেনের সাথে আলোচনায় এই ব্যাপারগুলোর উপর আলোকপাত করেন প্রয়াত লোকসঙ্গীত শিল্পী পিট সিগার। (বিস্তারিত…)


অনুবাদ: মেহেদী হাসান

patricio-guzman-1প্যাট্রেসিয়া গাজমেন ১৯৪১ সালের ১১ আগষ্ট চিলির সান্তিয়াগোতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি একই সাথে তথ্যচিত্র নির্মাতা, চিত্রনাট্যকার, চিত্রগ্রাহক এবং একজন অভিনেতা। তিনি মাদ্রিদের সরকারী চলচ্চিত্র বিজ্ঞান স্কুলে তথ্যচিত্রের উপর অধ্যয়ন করেন। তার নির্মিত তথ্যচিত্রগুলো আন্তর্জাতিক ফেস্টিভ্যালে নিয়মিতভাবে নির্বাচিত ও পুরস্কৃত হয়ে আসছে। আলেন্দে সরকারের পতনের উপর ভিত্তি করে ১৯৭৩ সালে তিনি নির্মাণ করেন পাঁচ ঘন্টা দীর্ঘ “ব্যাটল অফ চিলি”। সিনেস্টে ম্যাগাজিন এই তথ্যচিত্রটিকে “বিশ্বের শ্রেষ্ঠ দশটি রাজনৈতিক চলচ্চিত্রের একটি” হিসেবে মনোনীত করে। সামরিক অভ্যুত্থানের পর গাজমেনকে নির্বাসনে পাঠানোর হুমকি প্রদান করা হয় এবং তিনি গ্রেফতার হয়ে জাতীয় স্টেডিয়ামের অভ্যন্তরে দুই সপ্তাহ কাটান, সেসময় কাউকে তার অবস্থান সম্বন্ধে জানাতে পারেন নি। তিনি দেশ ত্যাগ করেন ১৯৭৩ সালের নভেম্বর মাসে। কিউবা, স্পেনে থাকার পর শেষে চলে যান ফ্রান্সে, যেখানে তিনি নির্মান করেন “ইন দ্যা নেম অফ গড” (গ্রান্ড প্রাইজ, ফেস্টিভ্যাল অফ পপলি, ১৯৮৭), “দ্যা সাউদার্ন ক্রস” (গ্রান্ড প্রাইজ, ফেস্টিভ্যাল ভু সুর লেস ডকস, মারসিলি, ১৯৯২) “চিলি, অবস্টিনেট মেমরি” (গ্রান্ড প্রাইজ, ফেস্টিভ্যাল অফ তেল আবিব, ১৯৯৯), “দ্যা পিনোশে কেস” (ইন্টারন্যাশনাল ক্রিটিকস উইক, ক্যানাস, ২০০২), এবং “সালভাদর আলেন্দে” (অফিসিয়াল সিলেকশন, ক্যানাস, ২০০৪)। ২০০৫ সালে তিনি নির্মাণ করেন “মাই জুলভার্ন”। ইউরোপ এবং ল্যাটিন আমেরিকাতে তিনি তথ্যচিত্রের উপর অধ্যাপনা করেন। তিনি “ইন্টারন্যাশনাল ডকুমেন্টারী ফেস্টিভ্যাল অফ সান্তিয়াগো” প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক। তিনি এখন ফ্রান্সে বসবাস করছেন।

চিলির নির্মাতা প্যাট্রেসিয়া গাজমেনের সাথে তার সাম্প্রতিক তথ্যচিত্র, নস্টালজিয়া ফর দ্যা লাইট, সমন্ধে কথা বলেছেন রব হোয়াইট। (বিস্তারিত…)


সাক্ষাৎকার গ্রহণ: মহুয়া চ্যাটার্জি

অনুবাদ: শাহেরীন আরাফাত

naxal-3(সম্প্রতি সিপিআই (মাওবাদী)-এর দণ্ডকারণ্য বিশেষ আঞ্চলিক কমিটির সেক্রেটারি রমণ্য, সাংবাদিক মহুয়া চ্যাটার্জি’র কাছে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তাদের দলের নির্বাচন বর্জনের আন্দোলন ও অন্যান্য বিষয়ে কথা বলেন। সাক্ষাৎকারটি ২১ অক্টোবর ২০১৩ তারিখে “দি টাইমস অফ ইন্ডিয়া” পত্রিকার ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়। নিম্নে সাক্ষাৎকারটির প্রকাশিত অংশের অনুবাদ তুলে দেওয়া হলো অনুবাদক)

প্রশ্ন:আপনারা নির্বাচন বর্জনের আহ্বান জানাচ্ছেন কেন?

উত্তর:যথারীতি আমরা জনগণের নিকট নির্বাচন বর্জনের আহ্বান জানিয়েছি, কারণ তা প্রহসন ভিন্ন কিছু নয়। (বিস্তারিত…)


manipur-rape-protest-3মনিপুরের শান্তস্নিগ্ধ এক গ্রাম। বাড়ির দরজায় এক নারী বসে আছেন তার চারটি সন্তান আর এক ছোট নাতিকে নিয়ে। তাকে বা তার পেছনের লড়াইয়ের ইতিহাস না বলে দিলে জানা যাবে না যে এই নম্র, সুখী শান্ত মহিলাটিই মনিপুর রাজ্যে সরকারবিরোধী সবথেকে শক্তিশালী এক লড়াইয়ে শামিল হয়েছিলেন।

৬২ বছর বয়সের এই নারীর নাম ইমা নুঙবি বা নাঙঅবা। তিনি মনিপুরের এক সাহসী নারীর প্রতিরূপ। ২০০৪ সালে মনিপুরে আসাম রাইফেলস্ থাঙজাম মনোরমাকে ধর্ষণ ও হত্যা করে। তার বিরুদ্ধে নারীরা বিবস্ত্র হয়ে যে অভিনব প্রতিবাদ করেছিলো তিনি তাতে সম্মুখসারিতে অংশ নিয়েছিলেন।

শুধু এই জন্যই তার ইতিহাস গুরুত্বপূর্ণ নয়। তিনি মাত্র ৪০ টাকা/রূপী আয় করেও তার ৪ সন্তানের ভরনপোষনের দায়িত্ব নিয়েছিলেন। এবং যা আয় করতেন তার এক অংশ তিনি সংগঠনের কাজে ব্যয় করেছিলেন। তার বান্ধবীরা তাকে মদ বিক্রি করে সংসার চালাতে বললে তিনি বলেছিলেন, তিনি বরং না খেয়ে মরবেন তবু্ও তিনি মদ চোলাই করবেন না।

টেহেলকা ডট কম ওয়েবসাইটের রেবতি রাউল (Revati Laul) তার একটি ইন্টারভিউ নিয়েছিলেন যা ইংরেজী ভাষায় প্রকাশ করা হয়। উক্ত ইন্টারভিউয়ের বাংলা অনুবাদ এখানে তুলে দেয়া হলো।। (বিস্তারিত…)


অনুবাদ: আরিফ ইসলাম

অরুন্ধতি রায় - ছবি: নরেন্দ্র বিশৎঅরুন্ধতি রায়ের মত একক ভাবে ভারতের সমালোচনা এ যাবৎ কাল পর্যন্ত এতটা হয়নি। বলতে গেলে তিনি এমন একটা যুদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন যার শুরু হয় পোখরান’দের সাথে, যেটা পরবর্তিতে নর্মদা’র দিকে সরে যায় এবং অন্যান্য বিদ্রোহ থেকে শুরু করে গণসংগ্রাম ও মাওবাদীদের জনযুদ্ধ পর্যন্ত প্রসার লাভ করে। তিনি তার লেখার মাধ্যমে ভারতের সরকার ও সরকারের পোষ্য অভিজাতশ্রেণী, কর্পোরেট নামক দৈত্যদের এবং সাম্প্রতিক সময়ের আন্তর্জাতিক অর্থসংস্থান ও পুঁজিবাদের সম্পূর্ণ গঠনকে চ্যালেঞ্জ করেছেন। আদালত অবমাননার দায়ে তাকে ২০০২ সালে একদিনের জন্যে জেলে যেতে হয় এবং ২০১০ সালের নভেম্বর মাসে নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত কাশ্মির বিষয়ক ‘আজাদি’ই একমাত্র পথ’ (Azadi—the only way) শিরোনামে একটি সেমিনারে অন্যদের সাথে মিলে ভারত বিরোধী বক্তৃতা দেয়ার অভিযোগে অরুন্ধুতি রায়’কে অভিযুক্ত করে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা করা হয়।

পাণিনি আনন্দ’র কাছে দেয়া অরুন্ধুতি রায় এর সাক্ষাতকারের চুম্বক অংশ নিচে তুলে ধরা হলো: (বিস্তারিত…)