Archive for the ‘মতাদর্শ’ Category


লিখেছেন: আহ্‌নাফ আতিফ অনিক

শ্রদ্ধেয় বদরুদ্দীন উমর তার পুরো জীবনটাই ব্যয় করেছেন জনগণের পক্ষের রাজনীতিতে। তাত্ত্বিক ভ্রান্তি থাকলেও তিনি জীবনভর দৃঢ়ভাবে সাম্রাজ্যবাদবিরোধী হিসেবে নিজেকে ধরে রাখতে পেরেছেন। দেশের বুদ্ধিজীবীদের একটা বড় অংশ যখন গড্ডালিকা প্রবাহে গা ভাসিয়েছেন, তখন তিনি স্রোতের বিপরীতেই থেকেছেন। মার্কিন সাম্রাজ্যবাদসোভিয়েত সামাজিক সাম্রাজ্যবাদ ও ভারতীয় সম্প্রসারণবাদ বিরোধী লড়াইয়ে উমর ভাই যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তাই তার বক্তব্যকে সমালোচনা করতে গিয়ে কখনোই তাকে ব্যক্তিগতভাবে সমালোচনা করা কোনো মার্ক্সবাদী ব্যক্তির কাজ নয়। উমর ভাই কয়েকদিন আগে প্রথম আলোতে একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছেন। তাতে তিনি সিপিবিকে বাকশালের গর্ভে জন্ম নেয়া পার্টি বলে উল্লেখ করেছেন। দেখা যাচ্ছে, তার এই বক্তব্যকে খণ্ডন না করে সিপিবিপন্থীরা উমর ভাইকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করছেন। তারা বলছেন, উমর ভাই কি করেছেন? হ্যাঁ, এটা একটা প্রশ্ন বটে! কেউ নিজে কিছু না করলে কী জনগণের দায়িত্ব কাঁধে নেওয়া পার্টির সমালোচনা করা যাবে না? উল্লেখ্য, সিপিবির নেতারা তো দাবি করেন, তারা জনগণের অধিকার আদায়ে রাজনীতি করেন। দলটির দলিলেও এমনটা দাবি করা হয়। তবে তাদের সমালোচনা করলেই কাউকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করাটা কিভাবে যৌক্তিক হতে পারে? সিপিবি নিয়ে উমর ভাইয়ের সমালোচনার মীমাংসা করতে হবে লাইনগত সংগ্রামের মধ্য দিয়ে। এভাবে উমর ভাইকে আক্রমণ করা সিপিবিপন্থীদের আওয়ামী বামপন্থার শিক্ষা! (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: সব্যসাচী গোস্বামী

The philosophers have always interpreted the world in various ways; the point, however, is to change it. (Marx, Theses On Feuerbach: Thesis 11, 1845) 

এক.

যে কোনো মতাদর্শ কিংবা দার্শনিক তত্ত্বেরই একটা বস্তুগত ভিত্তি থাকে। যে কোনো নির্দিষ্ট দেশকালের নিরিখে, নির্দিষ্ট আর্থসামাজিক ব্যবস্থার মধ্য থেকেই একেকটা মতাদর্শ জন্ম নেয়। সমাজে নতুন বস্তুগত পরিস্থিতি নতুন ধারণা এবং তত্ত্বের জন্ম দেয়। এটাই মার্ক্সবাদের শিক্ষা। মার্ক্সবাদের নিজের ক্ষেত্রেও একথা প্রযোজ্য। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: সৌম্য মন্ডল

নকশালবাড়ির রাজনীতি নিয়ে কিছু বিভ্রান্তি সম্পর্কে আলোচনা করার জন্য এই লেখা। যারা সব জানেন, এটা তাদের জন্য লেখা নয়, বরং যারা জানতে চান এ লেখা তাদের জন্য।

) নকশালবাড়ি থেকে অনেক বড় বড় সশস্ত্র কৃষক আন্দোলন বাংলায় বা ভারতে ঘটে গেছে। ঘটে গেছে এবং ঘটে চলেছে অনেক প্রতিরোধ। কিন্তু তবুও সেই আন্দোলনগুলো থেকে নকশালবাড়ির নাম স্বতন্ত্র। কিন্তু কেন? কারণ নকশালবাড়ি আন্দোলন শুধু ১৯৬৭ সালের একটি গ্রাম, বা একটি কৃষক আন্দোলনের নাম নয়। যদি তাই হতো, তাহলে অন্যান্য আন্দোলনগুলোর থেকে আলাদাভাবে নকশালবাড়ির গুরুত্ব থাকতো না। নকশালবাড়ি একটা বিশেষ রাজনৈতিক লাইন বা আন্ডারস্ট্যান্ডিংএর নাম। (বিস্তারিত…)


বস্তার – রাষ্ট্রকর্পোরেটহিন্দুত্ববাদের যৌথ সন্ত্রাস’ বইটি প্রকাশিত হয়েছে। মধ্যভারতে রাষ্ট্রীয় শোষণনিপীড়নের বিপরীতে আদিবাসীদের সংগ্রামের চিত্র উঠে এসেছে এ গ্রন্থে।

বইটি পাওয়া যাচ্ছে শাহবাগ, আজিজ মার্কেটের ‘প্রথমা’, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার ‘দেবদারু’তে।

অনলাইনে rokomari.com থেকেও সংগ্রহ করা যাবে।

এছাড়া ০১৯৮০১৩৭৯৫৬ (উৎস পাবলিশার্স) নম্বরে যোগাযোগ করেও বইটি সংগ্রহ করা যাবে।

কলকাতার পরিবশক সেতু প্রকাশনীতে আগামী মাসে বইটি পাওয়া যাবে।

(বিস্তারিত…)


লিখেছেন: নীলিম বসু

ambedkar-marxএই উপমহাদেশের হাজার বছরের ইতিহাসে বর্ণব্যবস্থার বিরুদ্ধে সংগ্রামের ইতিহাসটাও অনেক পুরনো। চার্বাকদের ধ্বংস করেছিল ব্রাহ্মণ্যবাদীরা, চৈতণ্যের আন্দোলন, গৌতম বুদ্ধের ভাবধারাকে অঙ্গীভূত করে নেয় এই ব্রাহ্মণ্যবাদী ব্যবস্থা। ফুলে দম্পতি ও পেরিয়ারের সংগ্রাম এই ব্রাহ্মণ্যবাদী ব্যবস্থার বিরুদ্ধে সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা রাখে। মূলত পেরিয়ারের আন্দোলন দক্ষিণ ভারতে এক গভীর ও সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলে যায় ও ব্রাহ্মণ্যবাদী ব্যবস্থার বিরুদ্ধে দ্রাবিড় আত্মমর্যাদার আত্মপ্রকাশে পেরিয়ারের সংগ্রাম ও ভাবধারার গুরুত্ব অস্বীকার করা কারো পক্ষেই সম্ভব নয়। তবে ব্রাহ্মণ্যবাদী ব্যবস্থার বিরুদ্ধে ড. বাবাসাহেব আম্বেদকরের ভাবধারায় গড়ে ওঠা সংগ্রাম এই সমস্ত সংগ্রামগুলির মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং দলিত আন্দোলনের পরিসরে একটি মোড়। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: শাহ্জাহান সরকার

1004863_10206878705819702_2597906129812456238_n২ জানুয়ারি, ২০১৭ সাল মাওবাদী নেতা সিরাজ সিকদারের ৪২তম মৃত্যু দিবস। ১৯৭৫ সালের এ দিনে তিনি তৎকালীন ক্ষমতাসীন সরকারের হাতে বন্দি অবস্থায় শহীদ হন। তখন তাঁর বয়স হয়েছিল মাত্র ৩১ বছর। এই স্বল্প বয়সে সম্ভাবনাময় এ নেতার মৃত্যুতে দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক কলঙ্কিত অধ্যায়ের সূচনা হয়। সিরাজ সিকদারের মৃত্যু দেশে এবং আন্তর্জাতিক কমিউনিস্ট আন্দোলনে এক মহান নেতার অকাল তিরোধান, যা আমাদের দেশে এবং বিশ্ববিপ্লবে অপূরণীয় ক্ষতি ডেকে এনেছে। তাঁর মহান আত্মত্যাগ কোনোভাবেই ভুলবার নয়। (বিস্তারিত…)


gpcr-1966-2

লিখেছেন: অজয় রায়

গত ১৬ই মে মহান সর্বহারা সাংস্কৃতিক বিপ্লবের ৫০ বর্ষপূর্তী হয়েছে। সোভিয়েত ইউনিয়নে ১৯৫৬ সালে পুঁজিবাদের পুন:প্রতিষ্ঠার অভিজ্ঞতা ও চীনের প্রারম্ভিক নেতিবাচক অভিজ্ঞতার নিরিখে সাংস্কৃতিক বিপ্লবের (১৯৬৬১৯৭৬) সূচনা করা হয়েছিল মাও সেতুঙএর নেতৃত্বে।[] চীনের কমিউনিস্ট পার্টির মধ্যেকার যে শক্তিগুলি পুঁজিবাদ পুন:প্রতিষ্ঠা করার পক্ষপাতি ছিল, তাদের বিরুদ্ধে সংগ্রামে লক্ষ লক্ষ জনসাধারণকে সংগঠিত করা হয়েছিল। পার্টি ও রাষ্ট্রের মধ্যেকার বিশেষ সুবিধাভোগী আমলাতন্ত্রের বিরুদ্ধে জনগণকে বিদ্রোহ করার অধিকার দেওয়া হয়। যখন স্লোগান ওঠে, সদর দপ্তরে কামান দাগো। স্পষ্টতই সর্বহারা সাংস্কৃতিক বিপ্লবের অর্থ হচ্ছে কমিউনিস্ট পার্টিকে জনগণের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গী ভাবে যুক্ত হতে হবে। এটাই মাও সেতুঙএর সূত্রায়িত গণলাইন। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: সৌম্য মন্ডল

প্রসঙ্গ রাষ্ট্রদ্রোহীস্লোগান

Kanhaiya_Kumarএটা অনেক আগেই প্রমাণিত হয়ে গেছে যে, ৯ ফেব্রুয়ারি জওহরলাল নেহেরু ইউনিভার্সিটিতে পাকিস্তান জিন্দাবাদ বা ঐ জাতীয় স্লোগান দেওয়া হয়েছিল হিন্দু ফ্যাসিস্ট আরএসএস ঘনিষ্ঠ ছাত্র সংগঠন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের (এবিভিপি) সদস্যদের তরফ থেকে। এরপর মূলধারার কিছু সংবাদ মাধ্যমই ফাঁস করে দিয়েছে হাফিজ সাদের মিথ্যে টুইটার পোস্টসহ একাধিক ভুয়ো ছবি ও ভুয়ো ভিডিওর কথা, যা দেখিয়ে আরএসএস, এবিভিপি এবং সংঘ পরিবার অনুগত সংবাদ মাধ্যম জেএনইউএর ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি কমরেড কানহাইয়া, ৯ ফেব্রুয়ারির সাংস্কৃতিক প্রতিবাদ সভার উদ্যোক্তা কমরেড উমর খালিদসহ বাকিদের দেশদ্রোহী প্রমাণ করতে চেয়েছে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: স্টেফানি ম্যাকমিলান

imperialism-with-related-tags-and-termsপুঁজিবাদের ঐতিহাসিক সম্প্রসারণ অপ্রতিরোধ্যভাবে (সমরূপে নয় যদিও) পুঁজির কেন্দ্রীভবনের দিকেই ধাবিত হচ্ছে। উৎপাদনের মাত্রা বৃদ্ধি, একচেটিয়া বাজার দখল ও প্রযুক্তির বিকাশ এই সস্প্রসারণকে করেছে আরও ত্বরান্বিত। পুঁজির কেন্দ্রীভবন তৈরি করেছে একচেটিয়া আধিপত্যের; যা তাদের শাসনকৃত অধীনস্থ সমাজ কাঠামোর অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থার উপর সমানুপাতে (নিয়ন্ত্রণ করে) ক্ষমতার প্রয়োগ ঘটাতে সাহায্য করছে।

যখন পুঁজির নিয়ম অনুযায়ী অপরিহার্য বিকাশের পরিণতি স্বরূপ, প্রত্যাশিতভাবেই তার নিয়ন্ত্রিত এলাকায় (জনগোষ্ঠী বা সামাজিক কাঠামোতে) পুঞ্জীভূত উদ্বৃত্তমূল্য সর্বোচ্চ সীমায় পৌঁছে, তখন পুঁজি বাধ্য হয়েই নিজ বিকাশের স্বার্থে ঐ এলাকার গণ্ডি পেড়িয়ে অন্য এলাকার দিকে আগ্রাসী হয়। রাষ্ট্র/রাষ্ট্রসমূহকে ব্যবহার করে সে তার মূল ভিত্তি হিসেবে, অন্যান্য সামাজিক কাঠামোর ওপর রাজনৈতিক কূটকৌশল প্রয়োগ করে (যুদ্ধ, যে রাজনীতির চরমতম রূপ) একে একে ওগুলোকে পুঁজির অধীনে নেয়ার জন্যে। পাশাপাশি প্রতিযোগিতা চলে, অন্যান্য পুঁজির ওপর দিয়ে ছড়িয়ে পড়ে কীভাবে বিশ্বকে বিভক্ত করা যায়, তা নিয়ে। (বিস্তারিত…)


mongoldhonyপ্রকাশিত হলো মঙ্গলধ্বনিসাম্রাজ্যবাদবিরোধী সংখ্যা। সাম্রাজ্যবাদকে বিভিন্নজন বিভিন্ন আঙ্গিকে ব্যাখ্যাবিশ্লেষণ করেছেন এবারের সংখ্যায়। প্রচ্ছদ করেছেন হেলাল সম্রাট। সহযোগিতায় ছিলেন আবিদুল ইসলাম, আনোয়ার হোসেন, অনুপ কুণ্ডু, আব্দুল্লাহ আলশামছ্‌ বিল্লাহ, তৌফিক খান, সুস্মিতা তাশফিন, কৌস্তভ অপু প্রমুখ। ২১ ফর্মার এই সংখ্যাটির বিনিময় মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২৫০টাকা। নিম্নে এবারের সংখ্যার সম্পাদকীয়, সূচিপত্র এবং প্রাপ্তিস্থান তুলে দেওয়া হলো।

—————————————

সম্পাদকীয়

সাম্রাজ্যবাদ পূর্বের ন্যায় কেবলমাত্র অস্ত্রহাতেই কি তার উপস্থিতি, নাকি এখন সে ভিন্ন কৌশলে অভিন্ন উদ্দেশ্যে ঘরের দোরগোড়ায় উপস্থিত ফুলেল মুখোশে? আর সেই মুখোশ চিনে নিতে আমরা নিজেরাই বা কতোটা প্রস্তুত? (বিস্তারিত…)