Archive for the ‘মন্তব্য প্রতিবেদন’ Category


লিখেছেন: স্বপন মাঝি

সমাজতান্ত্রিক দল নামে কী কোনো দল হতে পারে? তাও আবার জাতীয়! ভাবা যায়? আমার মত অ আ ক খ পাঠকের কাছে এই প্রশ্নগুলো যখন গুরুত্বপূর্ণ, তখনও দেখছি, অনেক বড় বড় তাত্ত্বিক, বাকবাকুম করে, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের কীর্তন করে যাচ্ছেনদুঃখজনক হলেও সত্যি, ঐ জাতীয় দলগুলোতে অনেক আন্তরিক কর্মী রয়েছেনযেমন, একদা, এককালে আমিও ছিলাম (বিস্তারিত…)

Advertisements

লিখেছেন: হারুন উর রশীদ

%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%89%e0%a6%b0-%e0%a6%b0%e0%a6%b6%e0%a7%80%e0%a6%a6একটু গভীর রাতে অনলাইনের খবরগুলো দেখার বাতিক আছে আমার। আর তা দেখতে গিয়েই আমি গতরাতে (২০.০৯.১৬) ‘প্রথম আলোর’ অনলাইনের প্রথম পাতায় খবরটি দেখি। শিরোনামটাও বেশ ‘শয্যাসঙ্গী হওয়ার প্রস্তাব পেয়েছিলেন রাধিকা!’ রাধিকা মানে বলিউডের অভিনেত্রী রাধিকা আপ্তে।

খবরের মূল কথা হলো, অভিনয় করতে গিয়ে তিনি নানা ধরণের বিব্রতকর প্রস্তাব পেয়েছেন। তারমধ্যে প্রতিষ্ঠা দেয়ার বিনিময়ে তাকে শয্যাসঙ্গী হওয়ার প্রস্তাবও দেয়া হয়েছে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: আবিদুল ইসলাম

()

anti-vat-protest-2আওয়ামী মন্ত্রিসভা শিক্ষাব্যয়ের ওপর ৭.% ভ্যাট আরোপের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে। এই বিজয় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের, যারা সরকারের গুণ্ডাবাহিনীর হুমকি, পুলিশের চোখরাঙানি, মিডিয়ার অপপ্রচার উপেক্ষা করে এই আন্দোলনে দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ ছিলেন এবং নগণ্য কিছু ঘটনা ছাড়া মোটামুটি সুশৃঙ্খলভাবেই আন্দোলনকে পরিচালিত করেছেন। অভিনন্দন প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠনের কর্মীবৃন্দকে, যারা শিক্ষার্থীদের পাশে থেকে তাদের সাহস ও প্রেরণা যুগিয়ে গিয়েছেন। কিন্তু এই আন্দোলনে এক অর্থে বিজয় হলেও একে পরিপূর্ণ বিজয় মনে করার কারণ নেই। সরকার ভ্যাট প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাধ্য হয়ে। ভ্যাট আরোপে সরকারের পূর্ব সিদ্ধান্ত ছিল বাংলাদেশে শিক্ষা সঙ্কোচনের অপরাজনীতি, শিক্ষাক্ষেত্রে নয়াউদারতাবাদী নীতি বাস্তবায়ন এবং মধ্যবিত্ত জনগণের ঘাড় ভেঙে নিজেদের দুর্নীতির সুযোগ বৃদ্ধির প্রচেষ্টার অংশ। সেই অর্থে ভ্যাটের বিষয়টি হিমবাহের দৃশ্যমান শৃঙ্গ মাত্র। আরো অনেকভাবে ও বিচিত্র পথে এ দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংসের চক্রান্ত করা হয়েছে এবং এখনো হচ্ছে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: সৌম্য মণ্ডল

indian-media-and-army[মূল্যায়ন পত্রিকার তরফে ত্রয়ন দা আমাকে নেপালের ভূমিকম্প :: একটি রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা বিষয়ক প্রবন্ধ লিখতে বলেছে। দীর্ঘ দিন ঝুলিয়ে অবশেষে লিখতেই হল। রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা নিয়ে লিখতে গেলে সেটা অবধারিতভাবেই রাজনৈতিক মতামত হয়ে দাঁড়াবে। কিন্তু মুশকিল হল এই যে নেপাল সম্বন্ধে আমার যানা বোঝা হল কিছু বই পড়া ভাসা ভাসা জ্ঞ্যান আর গত ভূমি কম্পের সময় ইউএসডিএফ United Students’ Democratic Front (USDF)-এর তরফে নেপালে স্বেচ্ছাশ্রম দিতে গিয়ে যেটুকু নেপাল দেখা। মাও সেতুঙএর ভাষায় যাকে বলে ঘোড়ায় চড়ে ফুল দেখা। মাওএর মতে, কোন বিষয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খ অনুসন্ধান না করে সেই বিষয়ে মতামত দেওয়ার কোন অধিকার থাকে না। আর এই বিষয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খ স্টাডি আমার নেই। ফলে লেখাটি একটি অহেতুক অকারণ অগভীর প্রবন্ধে পর্যবসিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে। আজ কাল কথিত মূল ধারার অধিকাংশ রাজনৈতিক প্রবন্ধের ক্ষেত্রে যা হয় আরকিতবুও এইটুকু সময়ের মধ্যে যা দেখাজানাবোঝা (ভুল বা সঠিক) সেটা পাঠককে জানাবার সুযোগ পেলে মন্দ কি? বাকি বিচার পাঠকের উপরই ন্যস্ত থাকলো।।] (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: অশোক চট্টোপাধ্যায়

Modi_Hitlerএকবিংশ শতাব্দীর একটা দশক অতিক্রান্তির উত্তরপর্বে দাঁড়িয়েও বিগত শতাব্দীর নব্বইয়ের দশকটিকে বিস্মৃত হওয়া সম্ভব নয়। নব্বইয়ের দশকটি আমাদের দেশে উগ্র ধর্মীয় ফ্যাসিবাদের নগ্ন প্রকাশের দশক হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে। ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে পাঞ্জাবের নবগঠিত হিন্দুসভা পরবর্তী আট বছরের মাথায় ১৯১৫ খ্রিস্টাব্দে সারা ভারত হিন্দুমহাসভা নামে আত্মপ্রকাশ করেছিল। এই ঘটনার ঠিক দশ বছরের মাথায় ১৯২৫ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হয় জঙ্গি হিন্দুত্ববাদী সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ বা আরএসএস। ১৯৬৪ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হয় বিশ্বহিন্দু পরিষদ। এখন আর জনসঙ্ঘ নেই, সেখানে হয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি বা বিজেপি। সঙ্ঘপরিবারের মূল নিয়ন্তা শক্তি হলো আরএসএস। এর সহযোগী হিসেবে শিবসেনা সহ অন্যেরা তো আছেই। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: অশোক চট্টোপাধ্যায়

kabir-suman-3শব্দগুলো আসলে বোমা কিম্বা বুলেট নয়, তারা বরং ছোট ছোট পুরস্কার, আর সেই পুরস্কারের একটা অর্থ ও তাৎপর্য থাকে। কথাগুলো ফিলিপ রথএর। শাসক যখন কাউকে কোনও পুরস্কার দেন, তখন তা নিছক সম্মান জানানোর জন্যে নয়, এর বাইরেও তার আর একটা নিগূঢ় অর্থ থেকে যায়। উনিশ শতকে ঔপনিবেশিক বাংলায় যখন ব্রিটিশ সরকার কাউকে রায়বাহাদুর, সিআইই, কেসিআইই প্রভৃতি খেতাব দিতেন তখন তা কি নিছক সম্মানজ্ঞাপক ছিল? কোনওনাকোনোভাবে রাজস্বার্থের সেবাপরায়নতার পুরস্কার ছিল এগুলি। যার জন্যে দেখা যায় পুরস্কার বা সম্মাননা সকলেই পাননা, কেউ কেউ পান। অনেক লেখক সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন, অনেকে যথেষ্ট যোগ্যতাসম্পন্ন হওয়া সত্ত্বেও পাননি। এই কেন পাননি প্রশ্নের উত্তর নিহিত থাকে একটি নির্দিষ্ট রাজনীতির মধ্যে। (বিস্তারিত…)


ছত্রধর মাহাতোর প্রতি কমরেড সব্যসাচী গোস্বামীর খোলা চিঠি

লিখেছেন: সব্যসাচী গোস্বামী

chotrodhar-mahatoআপনার সঙ্গে আমার কোনদিন আলাপ হয়নি ছত্রধর। লালগড় আন্দোলনের উত্তঙ্গ সময়ে আমি রাজদ্রোহিতার অভিযোগে কারান্তরালে। মুক্ত আকাশের নীচে ফিরে আসার আগেই পুলিশ আপনাকে গ্রেপ্তার করেছে ইউএপিএ আইনে। আমরা দুজনে ছিলাম তখন দুই জেলে। আলাপের আর সুযোগ হলো কোথায়? তবু আজ যখন আপনার এবং আপনার বন্ধু, সহযোদ্ধাদের যাবজ্জীবন সাজার রায় শুনলাম, মনটা কেমন বিষন্ন হয়ে পড়ল। হৃদয়টা বিস্ফোরিত হয়ে উঠল। একেই কি বলে দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়া মানুষদের মধ্যেকার সৌভ্রাতৃত্ববোধ?? (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: বেনামি সমাদ্দার

human-trafficking-121প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন যারা সমুদ্রে ভাসছে সমুদ্র পথে বিদেশে যেতে গিয়ে থাইল্যান্ডে বা মালয়েশিয়ার সমুদ্রপোকূলে কেঁদে বুক ভাসাচ্ছে; তারা দেশের বদনাম বয়ে আনছে। মানব পাচারকারীদের মতো তারাও অপরাধী। অর্থাৎ দেশে যত অনাচারই হোক, যত নিরাপত্তাহীনতাই থাকুক, না খেয়ে কাজ না পেয়ে মরে গেলেও কোনো প্রকারে দেশ ছেড়ে যাওয়া যাবে না। কেবল যাওয়া যাবে সরকার যখন দাস পাচার করবে তখন। সেটাও এখন বন্ধ। দেশে জনসংখ্যা এখন আঠার কোটির ঘরে। বেশিরভাগই দরিদ্র্যসীমার নিচে বাস করে। বিদ্যালয়ে পড়তে পারে না। হাসপাতালে চিকিৎসা পায় না। খাবারদাবার সংগ্রহের মত কাজ নাই। অর্থাৎ শিক্ষা এখন একশ্রেণীর ব্যবসা। এই শিক্ষা ব্যবসার ছাড়পত্র কিন্তু সরকারই দিয়েছে। অমর্ত্য সেন তার গ্রন্থ ‘ভারত: উন্নয়ন ও বঞ্চনা’তে লিখেছেন, জাতীয়ভাবে তথা সরকারীভাবে বন্টন না হলে কখনোই শিক্ষার বা চিকিৎসার সমবন্টন সম্ভব না। সমবন্টন শুধু মুখের কথা যেমন মুখের কথা অনেক কিছুই। চিকিৎসাও একধরনের ব্যবসা। এ এমন এক ব্যবসা। মনে হতে পারে জীবনের চেয়ে মৃত্যুই শ্রেয়। একটা আধুনিক সরঞ্জামাদি থাকা হাসপাতালে ঢুকলে বেরিয়ে আসার আর কোনো উপায় থাকে না। সবই পরীক্ষানিরীক্ষা করা যায়; কিন্তু এরপর নিজের বাসস্থানও বিক্রি করে তার দাম পরিশোধ করতে হয়। এমনও ঘটছে যে রোগীটি মারা গেল। আকাশ পরিমাণ বিল পরিশোধ না করা পর্যন্ত মৃতদেহটিও ফেরত দেয়া হচ্ছে না। ঠিক তেমনি অন্যান্য সকল বিষয়েই প্রযুক্তিটা উন্নত হচ্ছে; কিন্তু তাতে পকেট কাটা যাচ্ছে জনগণের। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: অনুপ কুণ্ডু

human-trafficking-2015-1মানব পাচার সাম্প্রতিক সময়ের এক জটিল সমস্যা। ১২ মে ২০১৫ পর্যন্ত থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ার উপকূল থেকে ২০০০ বাংলাদেশী এবং রোহিঙ্গা অভিবাসীকে উদ্ধার করা হয়েছে। থাইল্যান্ডে আবিষ্কৃত হয়েছে ৩০টির মতো গণকবর। পাচার হওয়া শত শত অভিবাসীর শেষ ঠাঁই হয়েছে এই কবরে। মানব পাচার রোধে বর্তমানে বাংলাদেশ সরকারের তৎপরতা বৃদ্ধি পেলেও কার্যকর কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারেনি। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: আহমেদ মহিউদ্দিন

felani-21গত ৭ জানুয়ারী ২০১৫ ছিল বিশ্বব্যাপী আলোড়ন সৃষ্টিকারী ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী কর্তৃক বাংলাদেশের ১৫ বছর বয়সী কিশোরী ফেলানিকে নির্মমভাবে হত্যাকাণ্ডের চতুর্থবর্ষ। ফেলানি একটা নাম, যা ২০১১ সালের ৭জানুয়ারী বিশ্ববাসীর সামনে বাংলাদেশের মানুষের প্রতি প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারত কর্তৃক ঘৃণ্য মনোভাবের করুণতম চিত্র প্রকট করেছিল। সারা বিশ্ববাসীর সামনে এই ঘটনা উলঙ্গভাবে প্রকাশ পেলেও এর এখনও পর্যন্ত হতাশাজনক খবর হচ্ছে ভারতীয় আদালত কর্তৃক খুনি বিএসএফ সদস্যের বিরুদ্ধে কোন প্রমান না পাওয়ার অজুহাতে বেকসুর খালাস প্রদান। যদিও ফেলানির বাবার আপত্তির মুখে এই খুনের মামলার পূণরায় রিভিশন চলছে। (বিস্তারিত…)