Archive for the ‘প্রকৃতি-পরিবেশ’ Category


লিখেছেন: বন্ধু বাংলা

CHT-9-আদিবাসীদের বিচ্ছিন্নতার কথা, আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের কথা আজকাল শুনতে পাওয়া যায়। তবে আদিবাসীদের কথায় যাবার আগে আমি একটু জাতীয়তাবাদ ও বিচ্ছিন্নতাবাদের সাথে পুঁজিবাদ ও সাম্রাজ্যবাদের সম্পর্কটা একটু দেখে নিতে চাই। সামন্তবাদ পুঁজিবাদের বিকাশের জন্য একটা বাধা স্বরূপ ছিল। তাই সামন্তবাদ বিলোপ করতে হয়েছে, এই বিলোপের সাথে বিভিন্ন দেশের বুর্জোয়া জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের একটা সম্পর্ক আছে। অর্থাৎ, বুর্জোয়া জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের ফলে যে রাষ্ট্র গঠিত হয়, তা পুঁজিবাদের বিকাশে ভূমিকা রাখে। (বিস্তারিত…)

Advertisements

রাজনীতি, সংস্কৃতি ও মতাদর্শ

Posted: জানুয়ারি 17, 2013 in অর্থনীতি, আন্তর্জাতিক, দেশ, প্রকৃতি-পরিবেশ, মতাদর্শ, সাহিত্য-সংস্কৃতি
ট্যাগসমূহ:, , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,

লিখেছেন: বন্ধু বাংলা

প্রথম ভাগ ভূমিকা:

আজকাল নতুন প্রজন্মের কাউকে রাজনৈতিক আদর্শের বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হলে; প্রচলিত অন্তঃসারশূন্য রাজনৈতিক অবস্থার উদহারণ টেনে গর্বের সঙ্গে বলে, ‘আমি কোন দল করি না। আমার কোন মতাদর্শ নাই’। ইন্টারনেটে সামাজিক যোগাযোগের সাইট, ফুসবুকে অনেকের প্রোফাইল স্ট্যাটাসে দেখা যায়; দেয়া থাকে No political view”। অনেকে আবার এ জাতীয় উত্তরকে আরও বেশি উচ্চ ডিগ্রীতে নিয়ে বলে, I hate politics। অনেকে উদাররূপে নিজেকে উদারনৈতিক জাহির করে, যা বস্তুত মতাদর্শহীন দেউলিয়াত্ব। এরূপ মতাদর্শহীন রাজনৈতিক অবস্থানের পক্ষে তারা যে সব ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ প্রদান করেন, সেটা অন্তঃসারশূন্য স্থূল চিন্তার পরিচায়ক। ব্যক্তির মতাদর্শহীন রাজনৈতিক অবস্থানকে রাজনৈতিক সচেতনতার অংশ ভাবা যায় না, অচেতন চিন্তাই তাকে মতাদর্শহীন বা রাজনৈতিকভাবে অসচেতনতার দিকে ধাবিত করে। এটা কোন রূপেই রাজনৈতিক সচেতনতার অংশ নয় বরং চূড়ান্ত বিচারে রাজনৈতিকভাবে অসচেতনতারই অংশ। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: জুয়েল থিওটোনিয়াস দ্রং

world-indigenous-day-1সংগ্রামী মানুষের সংগ্রাম নিরন্তর। বর্তমান প্রযুক্তির উৎকর্ষতা ও বিশ্বায়নের যুগে তার সংগ্রাম আরও গতিশীল ও ব্যাপক। মানুষ ও মনুষ্যত্ব হয়তো এই পৃথিবী নামক গ্রহটিকে একটি বিশ্বরূপে প্রতিষ্ঠিত করেছে কিন্তু বিশ্বায়নকে সঙ্গী করে প্রযুক্তির উৎকর্ষতা যতই বৃদ্ধি পাচ্ছে, মানুষ ততই হারাচ্ছে তার প্রকৃতস্থতা। এবং সেই সাথে পাল্লা দিয়ে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রতিক্রিয়া স্পষ্ট হচ্ছে দিন দিন। এর প্রভাব শুধুমাত্র প্রাকৃতিক পরিবেশেই নয়, বরং মানুষের জীবনেও পড়ছে, বিশেষ করে আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ওপর, যারা প্রকৃতির আদিম ও অকৃত্রিম সন্তান। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: তৃষা বড়ুয়া

rape protest-india-5--কেউ কি দুনিয়ার এমন কো্নো জায়গা/জনপদ/রাষ্ট্রের নাম বলতে পারবেন যেখানে নারী নিরাপদ সে শিশু, কিশোরী, তরুণী, মধ্যবয়স্কা, বৃদ্ধা যাই হোন না কেন? যেখানে নারীকে মানুষের মর্যাদা দেয়া হয়? যেখানে জীবনের প্রথম ভাগে পিতার, দ্বিতীয় ভাগে পতির এবং শেষ ভাগে পুত্রের নাম অভিভাবক হিসেবে চর্চা কিংবা ব্যবহারের প্রয়োজন পড়ে না? যেখানে প্রতিটি নারী নিজেই নিজের অভিভাবক?

জন্মগ্রহণের পর থেকে একটি শিশুকে প্রতি পদে পদে directly/indirectly শেখানো হয় টিভিফ্রিজওয়াশিং মেশিনের মতো তুমিও একটা প্রফিটেবল প্রোডাক্ট! (বিস্তারিত…)

বিবিধ প্যাঁচাল :: মুড়ির ঠোঙা অথবা দ্রোহের মন্ত্রণা

Posted: ডিসেম্বর 3, 2012 in দেশ, প্রকৃতি-পরিবেশ, মন্তব্য প্রতিবেদন, সাহিত্য-সংস্কৃতি
ট্যাগসমূহ:, , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,

লিখেছেন: পাইচিংমং মারমা

(সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরনঃএই লেখাটা খুবই বোরিং এবং লম্বা একটা লেখা। লেখাটা সুশীল, আঁতেল, সমালোচক এবং কচুক্ষেতের বুদ্ধিজীবীদের জন্য নয়। লেখাটা আপনার নিরুদ্বিগ্ন সুশীল বোধের জন্য এলার্জিজনক। গোটা লেখাটা বেশ লম্বাতবে যারা সত্যের মুখোমুখি হতে চান তারা বিষয়বস্তু ধরে ধরে পড়তে পারেন। নীচে ক্রমিক নং এবং বিষয় অনুযায়ী লেখাটা সাজানো আছে। যেকোন বিষয় ধরে আপনি আগাতে পারেন।)

.

১। সানি লেওনের তপ্ত কড়াই এবং ভাজা পোড়া তারুণ্য

Consumerism-1Sunny Leoneকে চিনতাম না। চেনার কথাও না। অনেকদিন ধরে ফেবু খুললে সাইডবারে স্বল্পবসনা এই রুপসীকে দেখি। গতকাল দেখলাম আমার ফ্রেন্ডলিস্টের ১৪ জন তাকে পছন্দ (Like) করে। তার মধ্যে কলেজ পড়ুয়া আর বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ম, ২য় বর্ষের ছাত্রীও আছে। তারা কেন পছন্দ করে জানতে আমি এই রুপসির বিষয়ে তালাশ করলাম। Wikipedia-তেও ঢুঁ মারলাম। দেখে তো আমি থ!

যার এতো জনপ্রিয়তা সে আসলে একজন Porn Star,ভদ্রভাষায় সেলিব্রেটি, প্রচলিত ভাষায় সে একজন “বেশ্যা, রেন্ডিমাগী””। Wikipediaথেকে তার নিজস্ব ওয়েবসাইটে ঢুকে দেখি সেটা একটা পর্নো সাইট, যেখানে তার পর্নো ভিডিও আপলোড করা আছে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: আবিদুল ইসলাম

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব উপকূলের কয়েকটি অঞ্চলে যে প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় স্যান্ডি আঘাত হেনেছে তাতে সেদেশের একটা বিপুল অংশের মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন। তারা বাস্তুচ্যুত হয়ে, জীবিকার সংস্থান থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে বর্তমানে অসহায় জীবন যাপন করছেন, ইতোমধ্যে সেখানে মৃতের সংখ্যা প্রায় অর্ধশতে পৌঁছেছে। স্যাটেলাইটের কল্যাণে পাওয়া ছবি থেকে দেখা যাচ্ছে যে, এই মুহূর্তে বহু অঞ্চল পানির নিচে তলিয়ে আছে। বিদ্যুৎসংযোগ বিচ্ছিন্ন, নিউ ইয়র্কের স্টক এক্সচেঞ্জের সূচকসমূহ ধসে পড়া অবস্থায় উপনীত, জনজীবন বিপর্যস্ত। (বিস্তারিত…)

ক্ষুদ্র জাতিসত্তার প্রশ্নে রাষ্ট্রের ভূমিকা ও আধিপত্যের ভাষা

Posted: অক্টোবর 6, 2012 in অর্থনীতি, দেশ, প্রকৃতি-পরিবেশ, মন্তব্য প্রতিবেদন, সাহিত্য-সংস্কৃতি
ট্যাগসমূহ:, , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,

লিখেছেন: আহমদ জসিম

সেনা শাসনে পর্যুদস্ত পাহাড়ের মাটি ও জনগণ...আমরা বিষয়টা শুরু করতে পারি গত ২০১০এর ১৯ ফেব্রুয়ারি রাঙামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলায় ঘটে যাওয়া সংঘাত থেকে। সেই ঘটনায় হত্যাযজ্ঞ, লুটপাট অগ্নিসংযোগসহ মানবতার চরম লঙ্ঘন হয়েছিল এটা পাহাড়ি জনগণের উপর চলমান রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের ছোট্ট একটা অধ্যায় মাত্র। মোটামুটিভাবে আমরা বিষয়টাকে এভাবে দেখতে পারি; রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে নিপীড়নের শুরু ১৯৫৬ থেকে আর সেই নিপীড়নের নতুন মাত্রা যুক্ত হয়েছে ’৮০ দশক থেকে। তবে ১৯ ফেব্রুয়ারির এই ঘটনা বিশেষ রাজনৈতিক তাৎপর্য বহন করে, এই কারণেই যে ক্ষমতাসীন আ’লীগ সরকার শান্তি চুক্তির মধ্যদিয়ে জনগণের কাছে অঙ্গীকার করেছে পাহাড়ে একটা স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে, আবার ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে শাসক আ’লীগ এর দায়িত্বশীল কর্তাব্যক্তিদের মন্তব্যগুলোতেও রাষ্ট্রের রাজনীতি সচেতন সকল নাগরিকেরই উদ্বিগ্ন হবার যথেষ্ট কারণ আছে। ঘটনার তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া হিসেবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, পাহাড়ে সেনা বৃদ্ধির কথা (অথচ পাহাড় থেকে সেনা প্রত্যাহার হচ্ছে শান্তি চুক্তির অন্যতম এজেন্ডা), ঘটনায় দাতাদের উদ্বেগ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সংসদ উপনেতা বলেছেন, ‘তারা শুধু পাহাড় নিয়ে ভাবে বাংলাদেশ নিয়ে ভাবে না’ (!) স্বাভাবিক নিয়মেই প্রশ্ন জাগে শাসকশ্রেণী কি তবে পাহাড় কিংবা পাহাড়ি জনগণকে বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি দিতে রাজি না! শাসক দলের দুই দায়িত্বশীল ব্যক্তির মন্তব্য থেকেই স্পষ্ট হয়ে যায় শান্তিচুক্তি নামক কাগজটা আসলে পাহাড়ি জনগণের সাথে আরেকটা প্রতারণা। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: আবিদুল ইসলাম

 

সাম্প্রদায়িক হামলায় বিধ্বস্ত বৌদ্ধ বিহারএকটা বিষয় লক্ষণীয়, যারা মাত্র কিছুদিন আগে মিয়ানমারের আরাকান জনগোষ্ঠী কর্তৃক রোহিঙ্গা মুসলিমদের ওপর নির্যাতনের বিরুদ্ধে অনেক কথাবার্তা বলেছিলেন, সামাজিক যোগাযোগ সাইটগুলোতে ছবি ও সংবাদ শেয়ার করে বিভিন্ন প্রচারণা চালিয়েছিলেন, কান্নাকাটি এবং প্রতিবাদমূলক বাক্যের বন্যা বইয়ে দিয়েছিলেন, তারা এখন বাংলাদেশে মুসলিম সাম্প্রদায়িক জনগণ এবং তাদের নিরব পৃষ্ঠপোষক কর্তৃক কক্সবাজারের রামু উপজেলায় বৌদ্ধ জনগোষ্ঠীর মানুষজনের জীবন, উপাসনালয় এবং সম্পদের ওপর ফ্যাসিবাদী আক্রমণের বিষয়ে নিশ্চুপ রয়েছেন। আবার সেদিন যারা জামায়াতের ভোটব্যাংক বৃদ্ধি পাওয়া সহ আরো কিছু অজুহাতে মানবেতর পরিস্থিতিতে বাস করা রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে আশ্রয়দানের বিরোধিতা করেছিলেন তারা এখন কোমর বেঁধে নেমে পড়েছেন আজকের ঘটনার প্রতিবাদ জানাতে। এ বিষয়ে অনেক ক্ষেত্রে তাদের মধ্যে রীতিমতো প্রতিযোগিতা চলছে। এর কোনো আচরণই সমর্থন অথবা প্রশংসাযোগ্য নয়। এ থেকে বোঝা যায় যে কোনো মানবিক অথবা অসাম্প্রদায়িক চিন্তার দ্বারা তাড়িত হয়ে তারা এসব কাজ করেন না। একটা নির্দিষ্ট স্বার্থচালিত আইডিওলজি তাদের ভেতর কংক্রিটের শীতলতায় গাঁথা থাকেতারা কোন ঘটনায় কী ধরনের প্রতিক্রিয়া জানাবেন সেটা নির্ভর করে ঘটনাটা তাদের পক্ষে অথবা বিপক্ষে কীভাবে যায়। সুতরাং কক্সবাজারের রামুতে উদ্ভূত সাম্প্রদায়িক পরিস্থিতি নিয়ে তাদের ভূমিকাও অনেকটা সেই রকম। (বিস্তারিত…)


 সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

১৩/০৯/২০১২

আজ পরিবেশ বীক্ষণ, কুড়িগ্রামএর আয়োজনে কুড়িগ্রাম পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে সকাল ১০ টায় জলবায়ু বিপর্যয় বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। সেমিনারে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন কুড়িগ্রাম জেলা সংসদের সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছাত্রনেতা মোকলেছুর রহমান, ছাত্রনেতা মারুফ, ছাত্রনেতা নয়ন সরখেল প্রমুখ। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন শাহ ফরিদ, প্রবন্ধটি পাঠ করেন নিরঞ্জন চন্দ্র রায়। মূল প্রবন্ধে বলা হয়, ‌“অতীতের শিল্পোন্নত দেশগুলির বাজার কাড়াকাড়ি, যুদ্ধ, প্রকৃতি বিনষ্ট এইগুলির ফলাফল আজকের জলবায়ু বিপর্যয়। যে বিজ্ঞান রপ্ত করে মানুষ কাজে লাগিয়েছে প্রকৃতির বিরুদ্ধে, সেই প্রকৃতি বিচারের রায় লিখিত হইতেছে বিজ্ঞানীদের হাতেই। তারা বলতেছে, অপরাধী মানুষ ও তাদের সভ্যতা। এইটুকু বলেই খালাস! কোন মানুষ? কাদের সভ্যতা?” প্রবন্ধে আরো বলা হয়, “১৯৯২ খিস্টাব্দে জাতিসংঘ ব্রাজিলে আয়োজন করলো ধরিত্রী সম্মেলন। সেখানে শিল্পোন্নত দেশগুলি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলির জন্য ফান্ড গঠনের অঙ্গীকার করলো। অধিক মাত্রায় গ্রীণ হাউজ গ্যাস নির্গমণকারী শিল্পগুলি বর্জন না করে তারা ফান্ড গঠন করবে এতে করে তারা ঐ শিল্পগুলির মাধ্যমে নিয়মিত দূষণের অধিকার পাবে।” প্রবন্ধের শেষে বলা হয়, “পরিবেশ অপরাধীরা সভাসমিতি করে ফান্ড গঠন করতেই থাকিবে আর ক্ষতিগ্রস্ত দেশের সরকারগুলি মেরুদন্ডহীন ভিক্ষুকের মতো দাঁড়িয়ে নজর দিবে ঝুলির দিকেই। এদিকে জলবায়ু বিপর্যয়রোধ দীর্ঘায়িত হতেই থাকিবে। চাই ব্যবস্থার পরিবর্তন। ব্যবস্থার পরিবর্তন ছাড়া জলবায়ু বিপর্যয় রোধ সম্ভব নয়। এজন্য প্রয়োজন ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলির জনগণের গণঐক্য ও গণপ্রতিরোধ।”

উল্লেখ্য সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন পরীবেশ বীক্ষণ, কুড়িগ্রামএর সাধারণ সম্পাদক সাম্য রাইয়ান।

 

 

বার্তাপ্রেরক,

সাম্য রাইয়ান

০১১৯০২৯৫৬২১

নেপাল :: বিপ্লবের বীজ ধ্বংসে এনজিও’র ভূমিকা

Posted: অগাষ্ট 21, 2012 in অর্থনীতি, আন্তর্জাতিক, দেশ, প্রকৃতি-পরিবেশ, মতাদর্শ, মন্তব্য প্রতিবেদন
ট্যাগসমূহ:, , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,

 

নেপাল বিপ্লবের দুর্বলতা :: এনজিও সৃষ্ট ফল

লিখেছেন: সাবা নাভালান

অনুবাদ: বন্ধুবাংলা

সাম্রাজ্যবাদের শান্তির ডাক...আজকাল বৈশ্বিক পরিপেক্ষিতে যা সহজে দৃশ্যমান তা হলোদেশে দেশে নিবদ্ধ থাকা বহুজাতিক কোম্পানির লোভী দৃষ্টি; সেই সব দেশের মধ্যে অন্যতম, প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর, তেমনি এক দেশনেপাল। ভারতের পশ্চাতে অবস্থিত নেপাল যুগ যুগ ধরে ভারতের দাসরাজ্য রূপে বিবেচিত হয়ে আসছে। নেপালের গরীব কৃষক ও শ্রমিক শ্রেণী এখানে বিশ্বের ‘নয়া দাস’ রূপে চিন্হিত। অধিকাংশ গ্রামে রাষ্ট্রের কোন কর্তৃত্ব ও প্রশাসনের উপস্থিতি নেই। এসব গ্রাম্য মানুষেরা কখনোই সরকারী চিকিৎসা পরিষেবা পায় না। বিগত শতাব্দীর সামন্ততান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার ভয়াবহ দাসত্বের ফাঁদ বর্তমানের মোড়কে এখনো ভয়ঙ্কর রূপে বর্তমান।

দীর্ঘকাল যাবৎ ভারতের উপনিবেশিকতার মাঝে থাকার ফলে নেপালে দাসত্ব ও পরাধীনতার পরিব্যাপ্তি ঘটেছে। মাওবাদী আন্দোলনের আগে বিকল্প রাজনীতি তথা ভারতের সম্প্রসারনবাদী উপনিবেশিক নীতি ও সামন্ততান্ত্রিক দাস পদ্ধতির বিরুদ্ধে বিপ্লবী পথের প্রস্তাবনা কেহই প্রবর্তন করতে পারেনি। এই পারিপার্শ্বিক অবস্থায় ইউনিফাইড কম্যুনিস্ট পার্টি, যা মাওবাদী চিন্তা ও চেতনা দ্বারা চালিত, জনগণকে বিপ্লবের জন্য প্রস্তুত করেছিল। (বিস্তারিত…)