Archive for the ‘প্রকৃতি-পরিবেশ’ Category


লিখেছেন: অজয় রায়

‘‘দাদা গো, আমরার জীবন বাঁচাইবার শেষ অবলম্বনটাও ভাইস্যা গেলো”, হাওরের এক কৃষক যেমন জানিয়েছেন সংবাদমাধ্যমকে। আগাম বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বাংলাদেশের হাওর অঞ্চলের সাতটি জেলা – কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোনা, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, সিলেট, মৌলভীবাজার ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া। এ অঞ্চলের প্রধান ফসল বোরো ধান নষ্ট হয়ে গেছে। বিষক্রিয়ায় বহু মাছ ও হাঁস মারা গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত অধিবাসীদের জন্য ত্রাণ সহায়তার অপ্রতুলতা নিয়েও অভিযোগ উঠছে। যখন বহু মানুষ একেবারে নিঃস্ব হয়ে গেছেন, তাদের অনেকে পরিবার নিয়ে বিভিন্ন শহরে চলে যাচ্ছেন কাজের সন্ধানে। (বিস্তারিত…)

Advertisements

mongoldhonyপ্রকাশিত হলো মঙ্গলধ্বনিসাম্রাজ্যবাদবিরোধী সংখ্যা। সাম্রাজ্যবাদকে বিভিন্নজন বিভিন্ন আঙ্গিকে ব্যাখ্যাবিশ্লেষণ করেছেন এবারের সংখ্যায়। প্রচ্ছদ করেছেন হেলাল সম্রাট। সহযোগিতায় ছিলেন আবিদুল ইসলাম, আনোয়ার হোসেন, অনুপ কুণ্ডু, আব্দুল্লাহ আলশামছ্‌ বিল্লাহ, তৌফিক খান, সুস্মিতা তাশফিন, কৌস্তভ অপু প্রমুখ। ২১ ফর্মার এই সংখ্যাটির বিনিময় মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২৫০টাকা। নিম্নে এবারের সংখ্যার সম্পাদকীয়, সূচিপত্র এবং প্রাপ্তিস্থান তুলে দেওয়া হলো।

—————————————

সম্পাদকীয়

সাম্রাজ্যবাদ পূর্বের ন্যায় কেবলমাত্র অস্ত্রহাতেই কি তার উপস্থিতি, নাকি এখন সে ভিন্ন কৌশলে অভিন্ন উদ্দেশ্যে ঘরের দোরগোড়ায় উপস্থিত ফুলেল মুখোশে? আর সেই মুখোশ চিনে নিতে আমরা নিজেরাই বা কতোটা প্রস্তুত? (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: আনোয়ার হোসাইন ফার্মার

জিন কি?

monsantoপৃথিবিতে ব্যাকটেরিয়া থেকে শুরু করে মানুষ পর্যন্ত যত জীবন আছে প্রত্যেকেরই দেহকোষে ডিএনএ নামক রাসায়নিক পদার্থ আছে। অন্যভাবে বললে, ডিএনএ ছাড়া কোন জীব বা জীবনের অস্তিত্ব নেই। যে কোন জীবের জন্মগত সকল বৈশিষ্ট্য এই ডিএনএ দ্বারাই নির্দিষ্ট হয়। যেমন ধরা যাক, একটি আম গাছ, তার সমস্ত দৈহিক বৈশিষ্ট্য, পাতার আকার, ফলের আকার, কাঠের ঘনত্ব, ফলের মিষ্টতা এর প্রত্যেকটি নির্দিষ্ট হয় এক বা একাধিক নির্দিষ্ট প্রোটিনের ওপর! এক্ষেত্রে একএকটি নির্দিষ্ট প্রোটিন উৎপন্ন হবে কিনা, হলে কতটা পরিমানে হবে তা নির্ভর করে সুত্রের আকারের ডিএনএ অনুর এক একটি অংশের ওপর। (বিস্তারিত…)

প্রকাশিত হলো মঙ্গলধ্বনির ৩য় সংখ্যা…

Posted: নভেম্বর 3, 2013 in অর্থনীতি, আন্তর্জাতিক, দেশ, প্রকৃতি-পরিবেশ, মতাদর্শ, মন্তব্য প্রতিবেদন, সাহিত্য-সংস্কৃতি
ট্যাগসমূহ:, , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,

 Mongoldhoni-logo-1

মেষ শাবককে খাবার জন্যে নেকড়ের কোনো যুক্তির প্রয়োজন হয় না। কিন্তু চিঁ চিঁ ধ্বনির প্রতিবাদ নেকড়েকে প্রতিহত করতে পারে না। নেকড়েকে রুখতে হলে আকাশ বির্দীণ করা চিৎকার করতে হবে। তেমন চিৎকার একক কন্ঠে সম্ভব নয় সম্মিলিত কন্ঠে প্রবল শক্তির নির্ঘোষে হতে হবে। সেই শক্তির আবাহনের কর্তব্যবোধে ‘মঙ্গলধ্বনি’র সকল আয়োজন। জগতে একা একা কিছুই হয় না একটা কুটোও নড়ানো যায় না। তবু একা চলার সাহস দেখাতেই হবে। যে প্রথম সামনে এগোয় সে অন্যকে উৎসাহিত করে, অনুপ্রাণিত করে। একা ব্যক্তির এই ভূমিকা প্রশংসার, শ্রদ্ধার। ‘মঙ্গলধ্বনি’ প্রশংসা ও শ্রদ্ধার চেয়ে অধিক প্রত্যাশা করে সহযোগিতা ও সহমর্মিতা। আর একত্রিত হয়ে আকাশ বিদীর্ণ করা চিৎকার দেবার শক্তি হয়ে ওঠার। সে শক্তি নেকড়েদের কেবল রুখবেই না চিরতরে মানব সমাজ থেকে নিশ্চিহ্ন করে দেবে। নেকড়ে ও মানুষ এক সমাজে বাস করতে পারে না। (বিস্তারিত…)


rampal-1গত ২৪ সেপ্টেম্বর সকালে ঢাকা প্রেসক্লাব থেকে রওনা হয়ে সাভার, রানা প্লাজা, জাহাঙ্গিরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, মানিকগঞ্জ, গোয়ালন্দ, মাগুরা, ঝিনাইদহ, কালিগঞ্জ, যশোর, নওয়াপাড়া, ফুলতলা, দৌলতপুর, খুলনা, বাগেরহাট, গৌরম্ভা বাজার, চুলকাঠি হয়ে পাঁচ দিনে চার শত কিলোমিটার অতিক্রম করে আমরা আজ ২৮ সেপ্টেম্বর বিকালে বৃহত্তর সুন্দরবনের দিগরাজে উপস্থিত হয়েছি। সুন্দরবন রক্ষাসহ সাত দফা আদায়ের এই লংমার্চের প্রস্তুতিকালে এবং লংমার্চের সময় কালে বহু লক্ষ মানুষ আমাদের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: জাহেদ সরওয়ার

sundarbansবাংলাদেশে সম্প্রতি দুইটা কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প হওয়ার জন্য সরকারি প্রতিষ্ঠান ‘বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড’ ও ভারতীয় প্রতিষ্ঠান ‘ন্যাশনাল থারমাল পাওয়ার করপোরেশন’ (এনটিপিসি), ও জাপানি বহুজাতিক জাইকা যৌথভাবে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। একটা বাঘেরহাট জেলা তথা সুন্দরবনের রামপাল এলাকায়। এটা করছে ভারতের এনটিপিসি কোম্পানি। অন্যটা করা হচ্ছে কক্সবাজার জেলার মহেশখালির মাতারবাড়ি ইউনিয়নে। এটা করছে জাপানি বহুজাতিক কোম্পানি জাইকা। আপাতচোখে দেশে কোনো একটা প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে মনে হয় দেশের উন্নতি হচ্ছে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: কল্লোল মোস্তফা

sundarbans-2ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যের ৩৬০০ মেগাওয়াটের কাড্ডালোর কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প থেকে পিচাভারম নামের ১১ বর্গ কিমি আয়তনের ছোট্ট একটি ম্যানগ্রোভ বনের দূরত্ব ৮ কিমি । ভারতের তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন সংক্রান্ত গাইডলাইন ১৯৮৭ অনুসারে এবং ইআএ গাইড লাইন, ২০১০ অনুসারে কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ২৫ কিমি সীমার মধ্যে কোন সংরক্ষিত বনভূমি, জাতীয় উদ্যান বা নগর থাকা চলবে না। ফলে তামিল নাড়ুর রাজ্য সরকার ২০১০ সালে কাড্ডালোর কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্পের পরিবেশ ছাড়পত্র দিলেও ২০১২ সালের ২৩ মে সেই ছাড়পত্র স্থগিত করে দিয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের গ্রীন ট্রাইবুনাল। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: ধ্রূব রহিম

hajaribag-tannery-1প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং পরিবেশ বিপর্যয়ের কবলে ক্ষতিগ্রস্থ আমাদের বাংলাদেশ দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার ভূরাজনৈতিক কৌশলগত অবস্থানে চিহ্নিত হয়ে আছে ষড়ঋতুর দেশ হিসেবে। বাংলাদেশ একদা এই অঞ্চলের দরিদ্র রাষ্ট্রগুলোর একটি যা উন্নয়নশীল দেশের বাজারে একটি মাধ্যম আয়ের রাষ্ট্রে পরিণত হওয়ার স্বপ্ন দেখছে। আর এখনও পর্যন্ত দারিদ্র যতটা না সম্পদে আর চেয়েও বেশী মননে।

এই দেশের অগ্রসরতার জন্য আমাদের রাজনৈতিক নেতৃত্ব যে ধরণের নীতিমালা তৈরী করেন তা প্রায়শ কাজে তো আসেই না বরং উল্টো বৈষম্য সৃষ্টি করছে পদেপদে। আর বৈষম্য সৃষ্টিতে ব্যাপক অবদান রাখছে মানব সম্পদ উন্নয়ন এবং প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা পদ্বতির অভাব। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: পাইচিংমং মারমা

() সোজা হিসাব

hill killing-1কে কে পাহাড়ের আদিবাসী সংস্কৃতির বিকাশ চান?

নিশ্চয় সবাই চান। এবার বলুন

কে কে পাহাড়ে পর্যটনের প্রসার চান?

অনেকেই চান। কেন চান?

আপনারা বলবেন, কর্মসংস্থানের সুযোগ হবে। মানুষের আয় রোজগার বাড়বে। এলাকার উন্নয়ন হবে। দূর্গম অঞ্চলে রাস্তাঘাট হবে। আমরা আধুনিক দুনিয়ার সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পারবো। আমরা নেংটি ছেড়ে জিন্সের প্যান্ট পরবো। আমরা উন্নত হবোইত্যাদি ইত্যাদি। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: আবু তাহের মোল্লা

tea-worker-1-লক্ষ্মী নুনিয়া একজন স্থায়ী চা শ্রমিক। সিলেট টি কোং লিমিটেডের নিয়ন্ত্রণাধীন মৌলভীবাজার জেলার রাজনগর চা বাগানে তিনি কর্মরত ছিলেন। ৭ বছরের শিশু সন্তানের মাতা স্বামী পরিত্যক্তা সহজ সরল যুবতী লক্ষ্মী নুনিয়া বেঁচে থাকার সংগ্রামে বাবার ঘরে আশ্রিত হয়ে শুরু করেন তার কর্মজীবন। প্রায় ৫ বছর পূর্বে তিনি স্থায়ী শ্রমিক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন। তার ভবিষ্যত তহবিল নং ১১৪৮। প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী স্থায়ী হওয়ার ১ বছরের মধ্যে তার বাসগৃহ পাওয়ার কথা। কিন্তু একে একে পাঁচটি বছর চলে গেলেও তার কপালে বাসগৃহ জোটেনি। ৭ বছরের শিশু সন্তানকে নিয়ে অনেক লাঞ্ছনা সহ্য করে তাকে পিতৃগৃহে থেকে কাজ চালিয়ে যেতে হয়েছে। কর্তৃপক্ষ বরাবর বাসগৃহ নির্মাণের জন্য লিখিতভাবে ও মৌখিকভাবে বহুবার আবেদন নিবেদন করেছেন কিন্তু কোন ফল পাননি। এ অবস্থায় গত ৩১ আগস্ট ’২০১২ইং তারিখে তিনি শিশু সন্তানকে সাথে নিয়ে বাগানের ম্যানেজারের কার্যালয়ে গিয়ে বাসগৃহ নির্মাণ করে দেবার জন্য অনুরোধ করেন। কিন্তু ম্যানেজার তাতে উত্তেজিত হয়ে বলেন বহুত শিয়ানা মহিলা এর পিছনে অন্য কেউ আছে।’ এরপর তাকে অফিস থেকে বের করে দেয়া হয়। পরদিন বাগান ম্যানেজার স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে তাকে চাকুরীচ্যুতি (Termination)করা হয়েছে মর্মে অবগত করা হয়। চাকুরীচ্যুতির আদেশ হাতে নিয়ে তিনি হতভম্ব হয়ে পড়েন। চাকুরীচ্যুতির আদেশপত্রে ম্যানেজার কোন কারণ উল্লেখ করেননি, শ্রমিক যাতে আইনের আশ্রয় নিতে না পারেন। (বিস্তারিত…)