Archive for the ‘দেশ’ Category


বিপ্লবী ছাত্রযুব আন্দোলনের বিবৃতি

.

সারাদেশে যখন অঘোষিত লকডাউন চলছিল, তখন দু’বার শ্রমিকদেরকে তাদের কর্মস্থলে আসতে বাধ্য করা হয়েছে। শত শত মাইল হেঁটে তাদের আমরা আসতে দেখেছি। উৎপাদন অব্যাহত রাখার অজুহাতে মালিকরা কোনো ধরনের স্বাস্থ্যবিধির তোয়াক্কা না করেই শ্রমিকদের কাজে যোগ দিতে বাধ্য করেছে।

প্রতিটা ঈদের আগেই নানান অজুহাতে মালিক পক্ষ বেতনভাতা নিয়ে প্রতারণা করে থাকে, আর শ্রমিক ভাইবোনরা প্রতিবাদ করলেই লেলিয়ে দেয় শিল্প পুলিশ নামের পেটোয়া বাহিনী। এবারও তার ব্যাতিক্রম নয়। ইতিমধ্যেই দেশের বিভিন্নস্থানে বেতনভাতা না দিয়ে কারখানা বন্ধ ঘোষণা করেছে মালিক পক্ষ। (বিস্তারিত…)


বিপ্লবী ছাত্রযুব আন্দোলনের বিবৃতি

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে ব্যর্থ সরকার জনগণের বাকস্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করছে। তারা চায় না তাদের ব্যর্থতা নিয়ে কেউ কথা বলুক। তাদের অন্যায়ের সমালোচনা হোক। আর তাই তো ধারণা করা যায়, তাদের অনুগত লোকজনই স্বতন্ত্র জোটের ফেসবুক পেজ হ্যাকড করেছে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন : লাবণী মণ্ডল

করোনাভাইরাস। সারাবিশ্বে নেমে এসেছে দুর্যোগ। বাংলাদেশেও অঘোষিত লকডাউন চলছে প্রায় দেড়মাসের কাছাকাছি। এর মধ্যে গার্মেন্টসগুলো খুলে দিয়েছে সরকার ও মালিকপক্ষ। পরিবহন শ্রমিকরা আন্দোলন করছেন। কৃষকরা তাদের ফসলের ন্যায্যমূল্য পাচ্ছেন না। শ্রমিকরা তাদের শ্রমের মূল্যের দাবিতে অবরোধঅবস্থান করেই যাচ্ছেনকিন্তু সরকার গণবিরোধী, ফ্যাসিবাদী চেতনায় নির্বিকার। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন : শাহেরীন আরাফাত

কোভিড১৯ মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়ার পর পুরো বিশ্বের অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় ধস নেমেছে। উৎপাদনসরবরাহভোগের পুঁজিবাদী চেইন অব কমান্ড’ ভেঙে পড়েছে। পুঁজিবাদী ব্যবস্থায় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বন্ধ থাকার মানেসবার উপার্জনই থমকে যাওয়া। তবে এতে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছেন সেই খেটে খাওয়া মানুষগুলো, যাদের শ্রমেঘামেরক্তে গড়ে ওঠে সম্পদের পাহাড়। ইতিমধ্যে সংকট মোকাবেলায় বিভিন্ন দেশ বিভিন্ন খাতকে প্রাধান্য দিয়ে আর্থিক প্রণোদনা ঘোষণা করেছে। গত ৫ এপ্রিল সকালে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীও ৭২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার আর্থিক প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছেন; যা জিডিপির .৫২ শতাংশ। এখন প্রশ্ন হলো প্রণোদনায় কত শতাংশ ব্যাপক নিপীড়িত জনগণের স্বার্থের প্রতিফলন দেখা যায়? (বিস্তারিত…)


১৫ নভেম্বর ২০১৯

আপনি/আপনারা নিশ্চয় অবগত রয়েছেন, মহান কমরেড লেনিনের নেতৃত্বে আজ থেকে ১০০ বছর আগে ১৯১৯ সালে বিশ্বের কমিউনিস্ট সংগঠনগুলোর ঐক্য সংগঠন ‘তৃতীয় কমিউনিস্ট আন্তর্জাতিক’ গড়ে উঠেছিল। ‘তৃতীয় আন্তর্জাতিক’এর নেতৃত্বে কমিউনিস্ট আদর্শ বিশ্বব্যাপী বিস্তার লাভ করে। চীনসহ বহু দেশে বিপ্লব হয়। আমাদের উপমহাদেশেও সমাজতন্ত্রকমিউনিজমের বার্তা বয়ে আনার ক্ষেত্রে ‘তৃতীয় কমিউনিস্ট আন্তর্জাতিক’এর ভূমিকাই প্রধান। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: শাহেরীন আরাফাত

বুয়েটে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ করাকে কেউ কেউ ‘প্রশংসনীয় উদ্যোগ’ বলে মূল্যায়ন টানছেন। সেটা কেউ বলতেই পারেন, এটা হতে পারে কারও ব্যক্তিগত বা সাংগঠনিক মূল্যায়ন। কিন্তু এর মধ্য দিয়ে ওই ব্যক্তি বা সংগঠনের শ্রেণী চরিত্রটাও প্রকাশ পায়।

প্রথমেই আসা যাক, মিডিয়ার দায়বদ্ধতার প্রশ্নেঅভিভাবকদের অনেকেই সন্তান বা আপনজনের জীবন ও ভবিষ্যত নিয়ে শঙ্কিত হয়ে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধের পক্ষে অবস্থান নিতে পারেন। কারণ তার সামনে যে রাজনীতিটা সামনে আসে, সেটা হলোফ্যাসিবাদের গণবিরোধী সন্ত্রাসের রাজনীতি। এর বিপরীতে শক্তিশালী গণমুখী রাজনীতির অনুপস্থিতিই এমন অবস্থানের কারণ। কিন্তু যখন কথিত মূলধারার কোনো প্রতিষ্ঠিত পত্রিকা এমন অবস্থান নেয়, তখন বুঝতে হবেএখানে তাদের রাজনৈতিক স্বার্থ লুকিয়ে আছে। এটাই ‘বিরাজনীতিকরণের রাজনীতি’। দেশের অন্যান্য পত্রিকাও বুয়েটে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধের খবরটি শিরোনাম করেছে। কিন্তু প্রথম আলো এ শিরোনামের নিচে একটি প্রতিক্রিয়া ‘ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ করা উচিত’ শিরোনামে ছেপেছে। সেখানে বিশেষজ্ঞ বলতে যাদের মন্তব্য দেওয়া হয়েছে, তাদের প্রত্যেকেই এনজিওবাদী শিক্ষক। তাদের কাছে প্রগতিশীল ছাত্র আন্দোলন একটা মাথাব্যাথার কারণ, যা বিশ্ব ব্যাংকের প্রেসক্রিপশনে শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ করতে বড় বাধা। আর ফ্যাসিবাদকে রাজনীতির একমাত্র ধরন হিসেবে উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে কর্পোরেট স্বার্থে প্রথম আলো পাঠকের সামনে ওই বিরাজনীতিকরণের সাফাই গাইতে উপস্থিত হয়। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: শাহেরীন আরাফাত

গত ১৪ জুন অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে সমাজতান্ত্রিক বুদ্ধিজীবী সংঘ পুনর্গঠিত হয়। অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীকে আহবায়ক করে ১২ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠিত হয়। এছাড়াও যারা কমিটি গঠনের সভায় উপস্থিত ছিলেন তাদেরকেও প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে বিবেচনা করা হবে বলে ঘোষণা করা হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই সংঘের বাইরের সমাজতন্ত্রে আস্থাশীল অন্যান্য প্রগতিশীল লেখকশিল্পীসাহিত্যিকবুদ্ধিজীবীগণ সমালোচনাপর্যালোচনা করে বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। কিন্তু এসব সমালোচনায় সাম্রাজ্যবাদবিরোধী বুদ্ধিজীবীদের একটি একক সংগঠনে সংগঠিত হওয়ার প্রক্রিয়াপদ্ধতি কি হওয়া উচিত, তার ব্যাখ্যা নেই। তাই সমাজতন্ত্রের একজন সমর্থক হিসেবে এ প্রশ্নে আমার অবস্থান ব্যক্ত করা দায়িত্ব মনে করছি। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: শাহেরীন আরাফাত

সম্প্রতি কামালউদ্দিন নীলুর নির্দেশনায় একটি নাটক শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালায় মঞ্চস্থ হয়। নামের কারণেই নাটকটি দেখতে সমাজতন্ত্রকমিউনিজমে আস্থাশীল অনেকে আগ্রহ বোধ করেন। কিন্তু ‘স্তালিন’ নামের এ নাটকে কমিউনিস্ট আন্দোলনের মহান শিক্ষক কমরেড যোসেফ স্তালিনকে বিতর্কিত ও বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা হয়। এ নিয়ে নাটকটি দেখতে আসা দর্শকরা মঞ্চস্থলেই প্রতিবাদ জানান। উপস্থিত একাধিক দর্শক জানান, তারা আগেই ভেবেছিলেন ‘স্তালিন’ নাটকটিতে হয়তো স্তালিনকে দ্বান্দ্বিকভাবে উপস্থাপন করা হবে। অর্থাৎ, এতে স্তালিনের সমালোচনাও থাকতে পারে, এটা তারা জানতেন। তবে যেভাবে ইতিহাস বিকৃতি ঘটানো হয়েছেস্তালিনের সমসাময়িক যে ঐতিহাসিক বাস্তবতা সাম্রাজ্যবাদীরাও প্রকাশ্য ও গোপন দলিলে মেনে নিতে বাধ্য হয়, সেটাকেও ওই নাটকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা হয়। আর এ নিয়েই দর্শকরা কামালউদ্দিন নীলুকে তাদের আপত্তির কথা জানান। এতে নীলু দর্শকদের সঙ্গে অসৌজন্য আচরণ করেন। ঘটনার পরদিন, ১২ জুন উপস্থিত দর্শক, বিভিন্ন বামপন্থী ও সাম্রাজ্যবাদবিরোধী সংগঠন বিক্ষোভ সমাবেশ করে শিল্পকলা একাডেমির সামনে। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংগঠনের বিভিন্ন মতামত ও অবস্থান দেখা যায়। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: শাহেরীন আরাফাত

প্রচলিত সাংবিধানিক নিয়মে পাঁচ বছর ঘুরে আবারও জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ডামাডোল শুরু হলো। চলছে নির্বাচনী প্রচারণা। সেই সঙ্গে জনমনে আবারও শঙ্কামৃত্যুর মিছিল এবং নির্বাচনী সহিংসতারও। সরকার, সরকারবিরোধী রাজনৈতিক দল, অথবা নির্বাচনপন্থী কথিত বাম দলগুলোর প্রচারণায় মনে হতে পারে, যেন নির্বাচন মানেই গণতন্ত্র! পাঁচ বছর পর পর ভোটগ্রহণ আর তাতে শাসক নির্ধারণের মানেই জনগণের গণতন্ত্র নয়। গণতন্ত্র শ্রেণীনিরপেক্ষও নয়। নির্বাচন প্রশ্নে কেন্দ্রীয় বিষয়টি হলোআমরা কোন ব্যবস্থায় নির্বাচনের কথা বলছি! (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: অভয়ারণ্য কবীর

১৮ আগস্ট খাগড়াছড়িতে নিহত হলেন সাত জন আদিবাসীএর আগে ১৪ আগস্ট চার জন আদিবাসীকে অপহরণেপর জনগণের প্রতিরোধের মুখে তাদের ছেড়ে দিতে বাধ্য হয় অপহরণকারীরা। অপহরণের প্রতিবাদে ১৮ আগস্ট ছিল ইউপিডিএফের (ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্র্যাটিক ফ্রন্ট) নেতৃত্বে সমাবেশ। ইউপিডিএফের নেতাকর্মীরা সকাল থেকেই স্বনির্ভর বাজারে অবস্থিত সংগঠনের অফিসে জড়ো হচ্ছিলেন। সকাল সাড়ে আটটার দিকে একদল বন্দুকধারী তাদের উপর এলোপাথাড়ি গুলি ছোড়ে। এতে নিহত হন ছয় জন। আরও কয়েকজন আহত হন। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন পিসিপির (পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ) নেতা তপন চাকমা। তিনি বেশ অগ্রসর চিন্তা ধার করতেন। বিপ্লবী রাজনৈতিক মহলেও আন্তরিক এ নেতা বেশ পরিচিত ছিলেন। (বিস্তারিত…)