Archive for the ‘আন্তর্জাতিক’ Category


লিখেছেন: অজয় রায়

বায়ুর গুণগতমান উন্নয়ন, জীববৈচিত্র্য রক্ষা ও গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমানোর মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে অক্ষমতার জন্য গ্লোবাল এনভায়রনমেন্ট পারফরমেন্স ইন্ডেক্স ২০১৮এর সূচকে ১৮০টি দেশের মধ্যে ভারতের স্থান (১৭৭) তলানিতে এসে ঠেকেছে।[] গত জুনে সেন্টার ফর সায়েন্স অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টএর সহায়তায় ডাউন টু আর্থ ম্যাগাজিন কর্তৃক প্রকাশিত পরিসংখ্যানে ভারতের পরিবেশের অবস্থা (এসওই) ২০১৮ শীর্ষক বার্ষিক সারসংক্ষেপে তেমনটাই দেখা গেছে। এদিকে, দেশের কেন্দ্রীয় সরকার ২০১৭ সালে গড়ে প্রতিদিন বনাঞ্চলে প্রায় ৬টি উন্নয়নমূলক প্রকল্পের ছাড়পত্র দিয়েছে। আর গত এক বছরে বনসংক্রান্ত না এমন ক্রিয়াকলাপের জন্য অরণ্যভূমির চরিত্র পরিবর্তনের ক্ষেত্র বৃদ্ধি ঘটেছে ১৪৬ শতাংশ।[] (বিস্তারিত…)

Advertisements

লিখেছেন: সব্যসাচী গোস্বামী

যে স্বপ্ন দেখে না এবং অন্যকে স্বপ্ন দেখাতে পারে না সে বিপ্লবী হতে পারে না।”

সে অনেক বছর আগের কথা। কমিউনিস্ট আন্দোলনের একজন মহান শিক্ষক আমাদের বোকাবুড়োর গল্প শুনিয়েছিলেন। সে গল্প শুনে এদেশে এক বোকাবুড়ো শুরু করেছিলেন পাহাড় সরানোর কাজ। তাঁর ডাকে হাজার হাজার দেবদূত এসেছিলেন এ কাজে অংশ নিতে। তাঁরা প্রাণ দিয়েছিলেন কখনো পুলিশের গুলিতে; কখনো জেলের অন্ধুকুঠুরিতে; কখনো শাসক দলের গুন্ডা বাহিনীর হাতে। কেউ কেউ জীবনের দীর্ঘদিন কাটিয়েছিলেন কারান্তরালে। তাদের মধ্যে আজ কেউ কেউ পাহাড় সরানোর স্বপ্ন নিয়ে বেঁচে আছেন। আজ তাঁরা গাইতিকোদাল নিয়ে ‘হেই সামালো’ হেঁকে চালিয়ে যাচ্ছেন পাহাড় সরানোর কাজ।

ভারতবর্ষের কমিউনিস্ট আন্দোলনের বয়স নয় নয় করেও বিরানব্বইচুরানব্বই বছর হয়ে গেলো। কিন্তু আজ থেকে পঞ্চাশ বছর আগে ঘটে যাওয়া নকশালবাড়ির ঘটনা দেশজুড়ে ব্যাপক ছাত্রযুবদের মধ্যে যে আলোড়ন তুলেছিল, তা এক কথায় বললেঅভূতপূর্ব। আত্মত্যাগের এ যেন এক আলোকোজ্জ্বল অধ্যায়। এই আন্দোলনের প্রাণপুরুষ ছিলেন সেই বোকাবুড়ো। কি ছিল তাঁর আবেদনে, যা শুনে হাজার হাজার ছাত্রযুব ক্যারিয়ারের মোহ ত্যাগ করে, ঘরবাড়ি, পরিবারপরিজন ছেড়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন এই পাহাড় সরানোর মহাযজ্ঞে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: আব্দুল্লাহ আল শামছ্ বিল্লাহ

উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ

রাফায়েল ল্যামকিন। এই ভদ্রলোকের বাড়ি ছিল পোল্যান্ডে। পেশায় ছিলেন আইনজীবী। এই ভদ্রলোক প্রথম genocide বা গণহত্যা শব্দটির প্রবর্তন করেন। সময়টা ছিল ১৯৪৪ সাল। উল্লেখ্য তখন পর্যন্ত গণহত্যা অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয় নি। তিনি দুটি শব্দ থেকে এই শব্দটি তৈরি করেন। একটি হলো গ্রিক শব্দ genos যার অর্থ পরিবার বা গোত্র বা দল। আরেকটি শব্দ হলো ল্যাটিন শব্দ cide যার অর্থ মেরে ফেলা। এই শব্দটি তিনি তার লেখা বই Axis Rule in Occupied Europe: Laws of Occupation – Analysis of Government – Proposals for Redress অন্তর্ভুক্ত করেন। এই শব্দটি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন যে, সাধারণত গণহত্যা বলতে কোনো জাতিকে পুরোপুরি মেরে ফেলা বা ধ্বংস করা নয় বরং সেই জাতির কোনো অংশকে মেরে ফেলা বা মেরে ফেলতে চাওয়াকেই বোঝায়। এটার উদ্দেশ্য হতে হবে বিভিন্ন জাতির নিজস্বতা, জীবনধারা ধ্বংস করার বা ঐ নির্দিষ্ট জাতিকে মুছে ফেলার একটা সুনির্দিষ্ট কর্মপদ্ধতি। এটা হতে পারে কোনো জাতির নিজস্ব সংস্কৃতি, ভাষা, জাতীয়তাবোধ, ধর্ম ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে; রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে পার্থক্য সৃষ্টি করা বা ঐ জাতির কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত নিরাপত্তা, স্বাধীনতা, স্বাস্থ্য, আত্মমর্যাদা, এমনকি ঐ নির্দিষ্ট ব্যক্তির নিজস্ব জীবনধারা পর্যন্ত ধ্বংস করা। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: অজয় রায়

উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রপতি কিম জংউন এবং দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রপতি মুন জায় ইনএর মধ্যে শীর্ষ বৈঠক হয়েছে গত ২৭ এপ্রিল।[] বৈঠকের পর যৌথ ঘোষণায় বলা হয়েছে, কোরীয় উপদ্বীপকে সম্পূর্ণ পরমাণু অস্ত্রমুক্ত করা তাদের সাধারণ লক্ষ্য। তবে এই শান্তির উদ্যোগ ব্যাহত করতে তৎপরতা চালাচ্ছে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ ও তার দোসররা। এর মধ্যেই সিঙ্গাপুরে জুনের ১২ তারিখে মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে রাষ্ট্রপতি কিমের বৈঠক হবার কথা রয়েছে। ট্রাম্প অবশ্য বলেছেন, কিমের সঙ্গে তাঁর বৈঠক থেকে তিনি বেরিয়ে আসতে পারেন। আর মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টন সম্প্রতি এক বিবৃতিতে উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক অস্ত্র ধ্বংস করে ফেলার বিষয়টির সঙ্গে লিবিয়া বা ইরাকের যেভাবে তুলনা টেনেছেন, তাতে কিম জংউন জানিয়েছেন, ১২ জুন সিঙ্গাপুরে শীর্ষ বৈঠকে যোগদানের বিষযয়টি তাঁদের ‘পুর্নবিবেচনা করতে হবে’।[] (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: নীলিম বসু

মহারাষ্ট্রের গড়চিরোলিতে ৩৯ জন মাওবাদী বিপ্লবীকে হত্যা করেছে ভারতের রাষ্ট্রীয় বাহিনী। এ ঘটনাকে ‘এনকাউন্টার’ হিসেবে উল্লেখ করা হলেও প্রকৃতপক্ষে এটি একটি পরিকল্পিত গণহত্যা। গণহত্যাকে এখানে একটি অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। এ আক্রমণটা হয়েছে লাল ঝাণ্ডার ওপর। লেনিন মূর্তি ভাঙা যেমন ছিলো, তারই হিংস্র এক রূপ। ওই সময় যেভাবে লাল ঝাণ্ডা আঁকড়ে ধরা প্রত্যেকে রাস্তায় নেমে আক্রমণের জবাব দিয়েছিলো, এবার তার চেয়েও জোরদার প্রতিরোধ গড়ে তোলা দরকার। এই প্রয়োজনীয়তা অনেকেই বুঝতে পারছেন। যারা নকশালপন্থী/মাওবাদী রাজনীতির সাথে মতপার্থক্য রাখেন, এমন অনেকেও এই গণহত্যার প্রতিবাদ হিসেবে ‘নকশালবাড়ী লাল সেলাম’ স্লোগান তুলছেন। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: শাহেরীন আরাফাত

অরুন্ধতী রায়প্রতিরোধ, সংগ্রামের এক জীবন্ত প্রতিছবি। তাঁর সংগ্রাম একমুখী ছিল না। তাঁর রাজনৈতিক চেতনার বিকাশও সরলরৈখিক বা এক ঝটকায় আসেনি। অরুন্ধতীর সাহিত্য চর্চাও এই রাজনৈতিকতার বাইরে থাকেনি। চেতনাগত বিকাশের পর্যায়ে উপন্যাসের কথিত ছক ভেঙে সেখানে তিনি তাঁর রাজনৈতিক অবস্থানকে মেলে ধরেছেন। সামাজিক অব্যবস্থা ও রাষ্ট্রের কথিত সর্ববৃহৎ গণতন্ত্রের নামে অগণতান্ত্রিকতার বিরুদ্ধে সংগ্রামঅরুন্ধতী রায়কে রাজনৈতিক অ্যাক্টিভিস্টে পরিণত করে।

অরুন্ধতী রায় কালির অক্ষরে চালিয়ে যাচ্ছেন এক বন্ধুর সংগ্রাম। যেখানে জাতিগত, সম্প্রদায়গত, বা গণতান্ত্রিক অধিকার এবং ন্যায়বিচারের দাবি করাটা তার রাজনৈতিক চিন্তাচেতনারই অংশ। তিনি ভারতের বিচারব্যবস্থা থেকে শুরু করে শাসন কাঠামোবিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। আর এজন্য তার নিন্দুকেরও অভাব পড়েনি কখনও। তার বিরুদ্ধে আনা হয় রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: অজয় রায়

২০১৫ সালের মার্চ থেকে ইয়েমেনের উপর সামরিক আগ্রাসন চালিয়ে যাচ্ছে সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন জোট। যাদেরকে মদত দিচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেন।[] ক্ষমতাচ্যুত রাষ্ট্রপতি আব্দরাব্বু মানসুর হাদিকে ইয়েমেনে পুনর্বহালের জন্য বিমান হামলা শুরু করেছিল সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট। তবে তারা সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়েও ইরান সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদেরকে উৎখাত করতে পারেনি। বরং সৌদি জোটেই বিভাজন স্পষ্ট হয়েছে। সম্প্রতি যেমন এডেন শহরে সৌদি সমর্থিত হাদির অনুগত সেনাদের সঙ্গে সংযুক্ত আরব আমির শাহীর ঘনিষ্ঠ দক্ষিণাঞ্চলীয় বিচ্ছিন্নতাবাদী বাহিনীর সংঘর্ষ হয়েছে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: অজয় রায়

১৮৬৭ সালের সেপ্টেম্বরে বার্লিনে প্রকাশিত হয় কার্ল মার্ক্সের পুঁজি: রাজনৈতিক অর্থনীতির এক সমালোচনা (ক্যাপিটাল)-এর প্রথম খণ্ড।[] যেখানে পুঁজিবাদী সমাজের গতিশীলতার বিধি উদ্ঘাটন করা হয়। এই বইয়ের প্রকাশনা রাজনৈতিক অর্থনীতি ও সমাজ বিজ্ঞানের ইতিহাসে এক উল্লেখযোগ্য রূপান্তরের সন্ধিক্ষণ হিসাবে চিহ্নিত। কারণ, বিশ্ব পুঁজিবাদী ব্যবস্থার একটি শোষণকারী দেশে পুঁজিবাদী বিকাশের প্রণালী বোঝার জন্য বস্তুবাদী দ্বান্দ্বিক পদ্ধতির এটাই ছিল প্রথম সফল প্রয়োগ। মার্ক্সের মৃত্যুর পরে তাঁর আজীবনের সহকর্মী ফ্রেডরিখ এঙ্গেলসের সম্পাদনায় ক্যাপিটালএর দ্বিতীয় এবং তৃতীয় খণ্ডও প্রকাশিত হয় যথাক্রমে ১৮৮৫ ও ১৮৯৪ সালে। আর এই বই বিভিন্ন ভাষায় অনুদিত হয়। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: শাহেরীন আরাফাত

গুজরাট বিধানসভার একটি আসনে তরুণ দলিত নেতা জিগনেশ মেভানি জয় লাভের পর বেশকিছু বিক্ষিপ্ত বক্তব্য চোখে পড়ছে। এ নিয়ে কোনো কোনো কমরেডের সঙ্গে আলোচনাও হয়েছে, তারই প্রেক্ষিতে সংক্ষিপ্তাকারে নিজের অবস্থান ব্যক্ত করাটা জরুরি মনে করছি।

প্রথম কথা হলোজিগনেশ মেভানি কী কমিউনিস্ট?

যদি তিনি কমিউনিস্ট না হয়ে থাকেন, তবে বিপ্লবী কমিউনিস্টদের তাকে মিত্রশক্তি হিসেবে মূল্যায়ন করতে হবে। এখন পর্যন্ত জিগনেশ তার কথা অনুযায়ী কাজ করেছেন, সমঝোতা করেননি। সামনের দিনগুলোই বলে দেবে জিগনেশ কোনদিকে যাচ্ছেন। এখনও সে সময় আসেনি।

জিগনেশ যে প্রশ্নগুলো একজন দলিত হিসেবে উত্থাপন করছেন, তা বিপ্লবীরা আগেই করেছেন। কিন্তু এখনকার বাস্তবতা ভিন্ন। সেই বাস্তবতা থেকেই পরিস্তিতির বিশ্লেষণ করাটা জরুরি। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: নীলিম বসু

মননের দিক দিয়ে আমি হতাশাগ্রস্ত,

আর ইচ্ছার জোরে আশাবাদী।আন্তোনি গ্রামসি

আকস্মিক ধাক্কা অনেকটা প্রশমিত এখন। রাগ আর যন্ত্রণা কমা উচিত নয়, কমেওনি আশা করি। প্রাথমিক ধাক্কায় অনেকেই আমরা রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘকে (আরএসএস) সরাসরি আক্রমণ করা দরকার বলে গলা ফাটিয়েছি। যথেষ্ট যৌক্তিকতা আছে তার। কিন্তু যারা মাঠে নেমে কাজ করার চেষ্টা করেন, তারা জানেন যে, বিষয়টা কতোটা কঠিন। আরএসএস রণবীর সেনা নয়, যে তাকে প্রত্যক্ষ আক্রমণ জনসমর্থন পাবে।

একটা উদাহরণ নেওয়া যাক। কোনো এক মফস্বল অঞ্চলে যে মানুষটি সবার প্রতিদিনের প্রয়োজনে এগিয়ে আসেন, সৎ মানুষ হিসেবে সবার কাছে প্রিয়। তার সাথে একটু গভীরভাবে মেলামেশায় জানা গেলো তিনি আরএসএস কর্মী! সমস্যাটা এই জায়গায়। আরএসএসএর সামাজিক ভিত্তি এক সময়ের কমিউনিস্ট কর্মীদের মতো! আরো সমস্যা হলো বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে এবং ভারতজুড়ে বেশিরভাগ জায়গাতেই কমিউনিস্ট কর্মীদের সামাজিক ভিত্তি খুব কমে গেছে, বা নেই; যার ওপর দাঁড়িয়ে আরএসএসকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেওয়া সম্ভব। সেটা না থাকলে আরএসএসকে প্রত্যক্ষ আক্রমণ করতে গেলে বিষয়টা ব্যাকফায়ার করার সম্ভাবনা থাকছে বিশালভাবে। কিছু তথ্য দেওয়া যাক, আরএসএসএর সামাজিক ভিত্তি নির্মাণের কাজগুলো নিয়ে। এইবার বন্যার সময় আরএসএসএর ছাত্র সংগঠন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (এবিভিপি) রিলিফ ক্যাম্পের জোয়ারে ভাসিয়েছে বিস্তীর্ণ এলাকা, বিভিন্ন নামে আরএসএস রক্তদান শিবির থেকে ফ্রি হেলথ ক্যাম্প চালিয়ে চলেছে প্রতি মাসেই, সান্ধ্য স্কুল, স্পোর্টসও রয়েছে নিয়মিত কাজের মধ্যে। আর এসবের সাথেই মিশে রয়েছে সোস্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং। এই সমস্ত সামাজিক কাজকর্মের মধ্য দিয়েই প্রচার করা হচ্ছে প্রধানত কয়েকটি বিষয়, ) রামের পুরুষোত্তমত্ত্ব; ) ব্রাক্ষণ্যবাদী চতুর্বর্ণ ব্যবস্থা; ) অহিন্দু, মূলত ইসলাম বিদ্বেষ; ) মোদি হিস্টিরিয়া। আর এই প্রচার বাঁধা থাকছে আদর্শ ভারতীয়ত্বের ন্যারেটিভে।
(বিস্তারিত…)