Archive for the ‘অর্থনীতি’ Category


মার্কিনসহ সাম্রাজ্যবাদ, ভারত ও তাদের দালাল শাসকশ্রেণীর রাষ্ট্র উচ্ছেদ করে শ্রমিককৃষকজনগণের রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে

শ্রমিকশ্রেণী এক হও! শ্রমিক হত্যার বদলা নাও!

শ্রমিককৃষকের সাথে ছাত্রবুদ্ধিজীবীসংস্কৃতিকর্মী একাত্ম হও!

আশুলিয়ার তাজরিন ফ্যাশনে আগুনে পুড়িয়ে শ্রমিক হত্যা, নিহত ও আহতদের ক্ষতিপূরন, বকেয়া বেতন পরিশোধ, মালিককে গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, নিহত ও আহত শ্রমিকদের তালিকা ঠিকানাসহ প্রকাশের দাবীতে

::::::বিক্ষোভ সমাবেশ:::::::

৮ ডিসেম্বর, শনিবার, বিকাল ৪.০০ টা,

জাতীয় যাদুঘর প্রাঙ্গন, শাহবাগ।

উপস্থিত হোন! অন্যদের উপস্থিত হতে অনুপ্রেরণা দিন! শ্রমিক হত্যার বদলা নিতে শ্রমিকদের সাথে ঐক্যবদ্ধ হোন!

Somabesh-3

.

গত ২৪ নভেম্বর আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুরে তোবা গ্রুপের তাজরিন ফ্যাশনের কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে শত শত শ্রমিক নিহত হয়েছে। সরকার ও গণমাধ্যমগুলো ১৩০জন শ্রমিক নিহত হয়েছে জানালেও স্থানীয় শ্রমিকদের দাবি অন্তত দেড় হাজার শ্রমিক নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে, উক্ত কারখানার মালিক কর্ণফুলি ইন্সিওরেন্স থেকে ক্ষতিপূরণের চেক গ্রহণ করতে যাচ্ছেন। এই ঘটনার মাধ্যমে এটাই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে যে এসব কোন দুর্ঘটনা নয়। বরং, মালিক শ্রেণীর পরিকল্পিত নৃশংস শ্রমিক গণহত্যা। আর এতে ইন্ধন দিয়ে যাচ্ছে মালিক সমিতি বিজিএমইএসহ রাষ্ট্র ও সরকার। (বিস্তারিত…)


প্রেস বিজ্ঞপ্তি

প্রগতির পরিব্রাজক দল

কেন্দ্রীয় কার্যালয়: ডাকসু ভবন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা।

মোবাইল: ০১৯১৩৩০৫২১৪, ইমেইল: propod_ppd@yahoo.com

—————————————————————————–

২৮ নভেম্বর ২০১২

আশুলিয়ায় আগুনে পুড়িয়ে শ্রমিক হত্যার প্রতিবাদের ১১টি সাংস্কৃতিক ও ছাত্র সংগঠনের বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল

নিহতদের ২০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ ও মালিককে গ্রেপ্তারের দাবি

গত ২৪ নভেম্বর আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুরে তাজরিন ফ্যাশনে অগ্নিকান্ডে শ্রমিক হত্যার প্রতিবাদে ১১টি প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক ও ছাত্র সংগঠনের নেতৃত্বে ছাত্রবুদ্ধিজীবীসংস্কৃতিকর্মীরা আজ ২৮ নভেম্বর নিশ্চিন্তপুরে তাজরিন ফ্যাশনের পাশে বিক্ষোভ সমাবেশ আয়োজন করে।

জাতীয় গণতান্ত্রিক গণমঞ্চের যুগ্ম আহবায়ক এহতেশাম উদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং বিপ্লবী ছাত্রযুব আন্দোলনের আহবায়ক তৌহিদুল ইসলামের পরিচালনায় এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: মনজুরুল হক

বাংলাদেশে গার্মেন্ট ‘শিল্পে’র গোড়াপত্তন প্রায় বত্রিশ বছর আগে। এই বত্রিশ বছরে গার্মেন্ট কারখানার সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় পাঁচ হাজার। প্রায় কুড়ি থেকে ত্রিশ লাখ শ্রমিক এই বিশাল সেক্টরে শ্রম দিচ্ছে। সব সরকারই বেশ ফুলিয়েফাঁপিয়ে এই সেক্টরের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের খতিয়ান দিয়ে কৃতিত্ব জাহির করেছে এবং করছে। পরিসংখ্যান দিয়ে বিশ্বের অন্য কোনো দেশ চললেও বাংলাদেশ চলে না। এই পোশাক শিল্পের আয় দেশের জাতীয় বাজেটের ‘কত অংশ, দেশের কী কী উপকার করছে, দেশের অর্থনীতিতে কতো পার্সেন্ট অবদান রাখছে ব্যাপারগুলো অর্থহীন। ওটা বানরের পিঠা ভাগ করার মতো চালাকি বিশেষ। এতো বড়ো একটা সেক্টরে শ্রমিক অসন্তোষ থাকবে, মারামারিকাটাকাটি থাকবে, চুরিচামারি থাকবে, ধাপ্পাবাজিফেরেপবাজি থাকবে সেটাই স্বাভাবিক। এই গার্মেন্টস কারখানাগুলোতে কী হয়নি? শ্রমিকের রক্ত চুষে নেওয়া, নারী শ্রমিককে ভোগ করা, ধর্ষণ করা, খুন করা, পুড়িয়ে মারা, পায়ে দলে মারা, পিষে মারা, ছাঁটাই করে মারা, জেলে ভরা, হাতপা গুঁড়ো করে দেওয়া, এসিড দিয়ে ঝলসে দেওয়া, ধর্ষণ করতে করতে মেরে ফেলা কী হয়নি? এবং এসবই হয়েছে ওই তথাকথিত বৈদেশিক মুদ্রা আর তথাকথিত অর্থনীতির চাকা চরার ধাপ্পা দিয়ে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: আবিদুল ইসলাম

উন্নত অথবা অনুন্নত বুর্জোয়া রাষ্ট্রে, তথা যেখানে শ্রেণীবিভক্ত সমাজ বর্তমান সেখানে শ্রেণীসংগ্রামের ক্ষেত্রে একটা বিশেষ মাত্রা বজায় থাকে। অর্থাৎ শ্রেণীসংগ্রাম সেখানে একটি নির্ধারিত রূপ পরিগ্রহ করে। আমাদের মধ্যে অনেকেরই ধারণা যে উন্নত ও বিকশিত পুঁজিবাদী রাষ্ট্রে শ্রেণীসংগ্রামের উপস্থিতি নেই। এই ধারণা মূলত শ্রেণী সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা না থাকা লোকজনের মধ্যে বিরাজমান। অর্থাৎ তাদের চিন্তার জগতে বিষয়টা এভাবে থাকে যে ধনী রাষ্ট্রে প্রায় সব মানুষই সুখী জীবন যাপন করে এবং তাদের মধ্যে কোনো উল্লেখযোগ্য বৈষম্য নেই। ধনীদরিদ্র শ্রেণীর স্বার্থের মধ্যে সাধারণ দ্বন্দ্ব সেখানে অনুপস্থিত। এর একটি কারণ হলো এই যে, উন্নত ও বিকশিত পুঁজিবাদী রাষ্ট্রে শাসক গোষ্ঠী, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, বিচারালয়, অধিপতি মিডিয়া, সুশীল সমাজঅর্থাৎ রাষ্ট্রের কার্যকর অঙ্গপ্রতিষ্ঠানসমূহ এমন সুশৃঙ্খলভাবে এবং পারস্পরিক বোঝাপড়ার মধ্য দিয়ে নিজেদের শ্রেণীস্বার্থ উদ্ধারের কাজে রত থাকে, যার দরুন সমাজে সভ্যতার অভিঘাতে চাপাপড়া শ্রেণীর আর্তনাদ, মর্মন্তুদ চিৎকার, প্রতিবাদ, প্রতিরোধ এবং সংগ্রামের খবর এই বিস্তৃত শ্রেণীশাসনের পুরু দেয়াল ভেদ করে বাইরের দুনিয়ায় পৌঁছাতে পারে না। কখনো সেটা সম্ভব হলেও অধিপতি প্রচার মাধ্যমের কল্যাণে সেটা অচিরেই ভিন্নরূপ ধারণ করে আমাদের মতো দেশের জনসাধারণের দৃষ্টিতে ধরা দেয় এবং তারা নিজেরাও সেসব সঙ্কট খুব সহজেই সামাল দিয়ে উঠতে সক্ষম হয়। (বিস্তারিত…)

সাম্রাজ্যবাদী বাসনার অদৃশ্য কালিতে অঙ্কিত নাফিসের মুখাবয়ব :: একটি পর্যালোচনা

Posted: অক্টোবর 26, 2012 in অর্থনীতি, আন্তর্জাতিক, দেশ, মন্তব্য প্রতিবেদন
ট্যাগসমূহ:, , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,

লিখেছেন: আবিদুল ইসলাম

 

মার্কিন গোয়েন্দাবৃত্তির শিকার নাফিস

নিউ ইয়র্কের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকে হামলা পরিকল্পনার জন্য এফবিআই দ্বারা প্ররোচিত হওয়ার পর গত ১৭ অক্টোবর গ্রেপ্তারকৃত বাংলাদেশী নাগরিক রেজওয়ানুল আহসান নাফিসকে নিয়ে এদেশে আলোচনাজল্পনাকল্পনার অভাব নেই। বিভিন্ন মহল নিজস্ব অবস্থান অনুযায়ী ভিন্ন ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টিকে অবলোকন ও পর্যালোচনা করার প্রচেষ্টায় তৎপর রয়েছেন। যারা নিজেদেরকে সেকুলার মুক্তমনা বলে প্রকাশ করতে সর্বদা আগ্রহশীল থাকেন তারা এই মুহূর্তে মেতে উঠেছেন ইসলামী মৌলবাদ কতোটা খারাপ জিনিস, ধর্মীয় সন্ত্রাসবাদ সমাজসভ্যতাসংস্কৃতির জন্য কতোটা ভয়াবহ ও বিনাশী ব্যাপারএটা প্রমাণের জন্য। তাদের ভাষ্যমতে এই ধরনের মৌলবাদী কর্মকাণ্ড ও তৎপরতা হচ্ছে নিতান্তই স্বাধীন অভিব্যক্তি। অথবা সমাজের অভ্যন্তরে পশ্চাৎপদ চিন্তাভাবনা, ধর্মীয় গোঁড়ামি ইত্যাদি বিরাজমান থাকলে তার অনিবার্য প্রতিফল হিসেবে মৌলবাদী সন্ত্রাসবাদী কার্যক্রমের ভিত্তি সেখানে গড়ে ওঠে। কথাটা একেবারে মিথ্যে নয়; বরং এটা মোটামুটি সর্বাংশে সত্য ও স্বীকৃত বিষয়। কিন্তু মুক্তমনাদের বিশ্লেষণে সন্ত্রাসবাদী তৎপরতার ভিত্তি হিসেবে ধর্মীয় গোঁড়ামি, কুসংস্কার এবং সাংস্কৃতিক অন্ধত্বের উল্লেখ থাকলেও এর থেকে আরেকটু পেছনে গিয়ে বিষয়টিকে আরো বিস্তৃতভাবে দেখার সুযোগ কিংবা আগ্রহ কোনোটাই তাদের নেই।

(বিস্তারিত…)


লিখেছেন: যিশু মহমমদ

মার্কিন গোয়েন্দাবৃত্তির শিকার নাফিসষড়যন্ত্র তত্ত্বের নকশায় মালালা তালিবান বিরোধী হলেও নাফিস তালিবান পুষ্ট। সাম্রাজ্যবাদী শক্তির বাম হাতের পাঞ্জা মালালা হলে, ডান হাতের খেলায় নাফিস টেক্কা। এদিকে দুনিয়ার মানুষ হিসেব কষছে নাফিস ও মালালা দুয়ে দুয়ে যোগফল হলো পাঁচ। রাফ খাতায় কাটাকাটি হচ্ছে কম। অংক মিলে যাচ্ছে সহজে। এই অংক বলছে, নাফিস বিষয়ে এফবিআই সত্য। অন্যদিকে, যোগ বিয়োগ করে দেখানো হচ্ছে, মালালার আর যুক্তরাষ্ট্রের মতের মিল ষোলআনাই এক। ফলাফল পাকিস্তানি তরুনী এখন ‘সন্ত্রাস বিরোধী যুদ্ধ’র নায়িকা। খলনায়ক বাংলাদেশী যুবক নাফিস। (বিস্তারিত…)

ক্ষুদ্র জাতিসত্তার প্রশ্নে রাষ্ট্রের ভূমিকা ও আধিপত্যের ভাষা

Posted: অক্টোবর 6, 2012 in অর্থনীতি, দেশ, প্রকৃতি-পরিবেশ, মন্তব্য প্রতিবেদন, সাহিত্য-সংস্কৃতি
ট্যাগসমূহ:, , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,

লিখেছেন: আহমদ জসিম

সেনা শাসনে পর্যুদস্ত পাহাড়ের মাটি ও জনগণ...আমরা বিষয়টা শুরু করতে পারি গত ২০১০এর ১৯ ফেব্রুয়ারি রাঙামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলায় ঘটে যাওয়া সংঘাত থেকে। সেই ঘটনায় হত্যাযজ্ঞ, লুটপাট অগ্নিসংযোগসহ মানবতার চরম লঙ্ঘন হয়েছিল এটা পাহাড়ি জনগণের উপর চলমান রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের ছোট্ট একটা অধ্যায় মাত্র। মোটামুটিভাবে আমরা বিষয়টাকে এভাবে দেখতে পারি; রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে নিপীড়নের শুরু ১৯৫৬ থেকে আর সেই নিপীড়নের নতুন মাত্রা যুক্ত হয়েছে ’৮০ দশক থেকে। তবে ১৯ ফেব্রুয়ারির এই ঘটনা বিশেষ রাজনৈতিক তাৎপর্য বহন করে, এই কারণেই যে ক্ষমতাসীন আ’লীগ সরকার শান্তি চুক্তির মধ্যদিয়ে জনগণের কাছে অঙ্গীকার করেছে পাহাড়ে একটা স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে, আবার ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে শাসক আ’লীগ এর দায়িত্বশীল কর্তাব্যক্তিদের মন্তব্যগুলোতেও রাষ্ট্রের রাজনীতি সচেতন সকল নাগরিকেরই উদ্বিগ্ন হবার যথেষ্ট কারণ আছে। ঘটনার তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া হিসেবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, পাহাড়ে সেনা বৃদ্ধির কথা (অথচ পাহাড় থেকে সেনা প্রত্যাহার হচ্ছে শান্তি চুক্তির অন্যতম এজেন্ডা), ঘটনায় দাতাদের উদ্বেগ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সংসদ উপনেতা বলেছেন, ‘তারা শুধু পাহাড় নিয়ে ভাবে বাংলাদেশ নিয়ে ভাবে না’ (!) স্বাভাবিক নিয়মেই প্রশ্ন জাগে শাসকশ্রেণী কি তবে পাহাড় কিংবা পাহাড়ি জনগণকে বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি দিতে রাজি না! শাসক দলের দুই দায়িত্বশীল ব্যক্তির মন্তব্য থেকেই স্পষ্ট হয়ে যায় শান্তিচুক্তি নামক কাগজটা আসলে পাহাড়ি জনগণের সাথে আরেকটা প্রতারণা। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: রবীন আহসান

 

একাত্তর মঞ্চে টকশোজীবী অধ্যাপক পিয়াস করিম কি ড. ইউনূসের স্পকম্যান?আমি রাত করে বাড়ি ফিরি। আমি যখন বাড়ি ফিরি তখন বাংলাদেশের ৯৮ শতাংশ টেলিভিশনে একই মুখের কিছু টকশোজীবী দেশ রাজনীতি কথা বলেন। এক বিষয়ে পড়ান কিন্তু কথা বলেন দুনিয়ার যাবতীয় বিষয়আশায় নিয়ে। টেলিভিশন খুলে এসব বাচাল পণ্ডিতরা মনে করেন তাদের অনুষ্ঠানগুলো যারা দেখছেন, তারা এ জাতির বোকাচোদা জনগণ। বাংলাদেশি স্যাটেলাইট চ্যানেলের মালিকরা যদি দুনিয়ার তাবৎ চ্যানেল বন্ধ করে দিয়ে শুধু তাদেরটা চালু রাখে সে দিন কী হবে এই জাতির! ভেবে অন্ধকার দেখি।

আসল কথায় আসি। গতকাল রাত ২টায় একাত্তর টেলিভিশনের ‘একাত্তর মঞ্চ’ নামে একটি টকশোতে আলোচনার বিষয় ছিল গ্রামীণ বাংকের মালিকানা নিয়ে। তিনজন আলোচকদের মধ্যে ছিলেন এই সময়ের আলোচিত টকশোজীবী ফিলোচাপার অধ্যাপক পিয়াস করিম। গ্রামীণ ব্যাংকের একজন উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তা ও সুশীল সমাজের কাগজ প্রথম আলোর সাংবাদিক তোতাপাখি মিজানুর রহমান খান। স্টুডিওর বাইরে থেকে অংশ নেন বিশিষ্ট সাংবাদিক নাইমুল ইসলাম খান। (বিস্তারিত…)

নেপাল :: বিপ্লবের বীজ ধ্বংসে এনজিও’র ভূমিকা

Posted: অগাষ্ট 21, 2012 in অর্থনীতি, আন্তর্জাতিক, দেশ, প্রকৃতি-পরিবেশ, মতাদর্শ, মন্তব্য প্রতিবেদন
ট্যাগসমূহ:, , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,

 

নেপাল বিপ্লবের দুর্বলতা :: এনজিও সৃষ্ট ফল

লিখেছেন: সাবা নাভালান

অনুবাদ: বন্ধুবাংলা

সাম্রাজ্যবাদের শান্তির ডাক...আজকাল বৈশ্বিক পরিপেক্ষিতে যা সহজে দৃশ্যমান তা হলোদেশে দেশে নিবদ্ধ থাকা বহুজাতিক কোম্পানির লোভী দৃষ্টি; সেই সব দেশের মধ্যে অন্যতম, প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর, তেমনি এক দেশনেপাল। ভারতের পশ্চাতে অবস্থিত নেপাল যুগ যুগ ধরে ভারতের দাসরাজ্য রূপে বিবেচিত হয়ে আসছে। নেপালের গরীব কৃষক ও শ্রমিক শ্রেণী এখানে বিশ্বের ‘নয়া দাস’ রূপে চিন্হিত। অধিকাংশ গ্রামে রাষ্ট্রের কোন কর্তৃত্ব ও প্রশাসনের উপস্থিতি নেই। এসব গ্রাম্য মানুষেরা কখনোই সরকারী চিকিৎসা পরিষেবা পায় না। বিগত শতাব্দীর সামন্ততান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার ভয়াবহ দাসত্বের ফাঁদ বর্তমানের মোড়কে এখনো ভয়ঙ্কর রূপে বর্তমান।

দীর্ঘকাল যাবৎ ভারতের উপনিবেশিকতার মাঝে থাকার ফলে নেপালে দাসত্ব ও পরাধীনতার পরিব্যাপ্তি ঘটেছে। মাওবাদী আন্দোলনের আগে বিকল্প রাজনীতি তথা ভারতের সম্প্রসারনবাদী উপনিবেশিক নীতি ও সামন্ততান্ত্রিক দাস পদ্ধতির বিরুদ্ধে বিপ্লবী পথের প্রস্তাবনা কেহই প্রবর্তন করতে পারেনি। এই পারিপার্শ্বিক অবস্থায় ইউনিফাইড কম্যুনিস্ট পার্টি, যা মাওবাদী চিন্তা ও চেতনা দ্বারা চালিত, জনগণকে বিপ্লবের জন্য প্রস্তুত করেছিল। (বিস্তারিত…)

সিপিবি-বাসদের দাবিনামা এবং শেয়ালের কাছে মুরগী গচ্ছিত রাখার উপাখ্যান!

Posted: অগাষ্ট 9, 2012 in অর্থনীতি, আন্তর্জাতিক, দেশ, প্রকৃতি-পরিবেশ, মতাদর্শ, মন্তব্য প্রতিবেদন
ট্যাগসমূহ:, , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,

সর্বহারার প্রতীক...সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সিপিবি (বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি) ও বাসদ (বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল) ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন দলদুটির নীতিনির্ধারণী নেতারা, সেখানে তারা ১৫ দফা কর্মসূচী ঘোষণা করেন। এই ১৫ দফায় মূলতঃ তারা কী বলতে চেয়েছেন, আর বর্তমান সমাজ বাস্তবতায় তা কতোটুকু প্রাসঙ্গিক, এ বিষয়ে মঙ্গলধ্বনি’র মূল্যায়ণ নিম্নে তুলে ধরা হলোঃ

(সকলের বুঝার সুবিধার্থে ক্রমান্বয়ে সিপিবিবাসদ এর ১৫ দফা ও আমাদের মূল্যায়ণ তুলে ধরা হলো) (বিস্তারিত…)