কৃষি ও কৃষকের সঙ্গে রঙ্গ-তামাশা

Posted: মে 4, 2020 in দেশ
ট্যাগসমূহ:, , , , , ,

লিখেছেন : লাবণী মণ্ডল

করোনাভাইরাস। সারাবিশ্বে নেমে এসেছে দুর্যোগ। বাংলাদেশেও অঘোষিত লকডাউন চলছে প্রায় দেড়মাসের কাছাকাছি। এর মধ্যে গার্মেন্টসগুলো খুলে দিয়েছে সরকার ও মালিকপক্ষ। পরিবহন শ্রমিকরা আন্দোলন করছেন। কৃষকরা তাদের ফসলের ন্যায্যমূল্য পাচ্ছেন না। শ্রমিকরা তাদের শ্রমের মূল্যের দাবিতে অবরোধঅবস্থান করেই যাচ্ছেনকিন্তু সরকার গণবিরোধী, ফ্যাসিবাদী চেতনায় নির্বিকার।

কৃষকের প্রসঙ্গে দু’চার কথা

হাওরের ধান। আগাম বন্যা। ধান কাটা শ্রমিক সংকট। আধা পাকা ধান কেটে ফেলার নির্দেশ। শসা, কাঁচামরিচ, করলাসহ অন্যান্য সবজির মূল্য না পাওয়া। বাজার ঠিকমতো বসতে না দেওয়া। নির্দিষ্ট সময়ের কারণে বাজার থেকে পণ্য ফেরত নেওয়া। একবারে অনেক সবজি কিনে রাখাসবকিছু মিলিয়ে কৃষি ও কৃষক রয়েছেন মহাবিপদে। তাদের পাশে থাকার কথা বলে, ধান কেটে দেওয়ার কথা বলে সরকার সাজিয়েছে এক মহানাটক।

মাঝারি বৃষ্টিপাত হবে। দুপুর গড়ালে প্রায় প্রতিদিনই ঘন কালো অন্ধকারে ঢেকে যাচ্ছে চারপাশ। দেশের কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টি হচ্ছে। বৈশাখের এই গরমে এই বৃষ্টি জনমনে কিছুটা স্বস্তি দিলেও ভীষণ শত্রু হয়ে দেখা দিয়েছে মাঠের পাকা বোরো ধান ও গাছে থাকা আমের জন্য।

নদী পাড়ে লাগানো ধানগুলো কাটার জন্য ব্যস্ত কৃষকরা। নির্দিষ্ট সময়ের আগেই অনেকে আধাপাকা ধান কাটছেন। দেশে চলমান অঘোষিত লকডাউনের কারণে ধান কাটার শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না। বোরো ধান। বৈশাখী খরতাপ। জলাবদ্ধতার ভয়। হাওরসহ নিচু এলাকাগুলোতে এই আশঙ্কা এখন সবচেয়ে বেশি। এ অবস্থায় ধান গোলায় উঠবে নাকি মাঠেই নষ্ট হবে এই চিন্তায় ঘুম হারাম হয়ে গেছে কৃষকের। সব চাপ একসঙ্গে পড়েছে কৃষিকৃষকের উপর। আরও রয়েছে পঙ্গপালের ভয়। কৃষকের কপালে চিন্তার ভাঁজ। শুকনো মুখ। ফসলের মূল্য না পাওয়ার হাহাকার। কৃষাণীদের উপর চাপ বেড়েছে। ঘরেবাইরে সমানতালে কাজের পরিমাণ বেড়েছে।

অপরদিকে, সরকার ক্ষমতার সিংহাসনে বসে বারবার হুঁশিয়ারি দিয়ে বলছে, ‘এক ইঞ্চি জমি যেন অনাবাদী না থাকে।’ অথচ কৃষকের উপর ঋণের বোঝা চাপিয়ে, কৃষকের ফসলের ন্যায্যমূল্য না দিয়ে, আবার শ্রমিকমধ্যবিত্তের কাছ থেকে এ ফসলের দ্বিগুণ মূ্ল্য কেড়ে নিয়েমধ্যস্বত্বভোগীদের ফায়দা লোটার সুযোগ করে দেওয়া হয়।

আবার প্রধানমন্ত্রীর বাধ্যতা প্রমাণ করতে ভেড়ার পালের মতো এমপিমন্ত্রীরা ধান কাটার নামে কৃষকের সঙ্গে এক রঙ্গতামাশা করল। শত শত ফটোগ্রাফার নিয়ে মাঠে নেমে কৃষকের কাঁচা ধান কেটে ফটোসেশন করে বিদায় নিল। কৃষকের ভাষ্যমতে, ‘উনারা ধান কাটতে আইছে শত শত মানুষ নিয়া। ধান কয়েক আঁটি কাইটা না গুছাইয়া, উল্টাপাল্টা কইরা রাইখা গেছে। আমগোর তেশমাইরা গেছে গা!’ এত এত তামাশা এমন অগণতান্ত্রিক সরকারব্যবস্থায়ই একমাত্র করা সম্ভব।

তারা কি জানে কৃষিকৃষকের সম্পর্ক? এক গোছা ধানের আঁটি নিয়ে ফটোসেশন করা, আর শত শত আঁটি কেটে বোঝা বেঁধে মাইলের পর মাইল হেঁটে বাড়ি নিয়ে পৌঁছানো কৃষকদের সম্পর্কে তাদের কোনো ধারণা আছে কী? না, তারা জানে না ধানকাটার পরও একজন কৃষকের কত কাজ থাকে। ‘মনুষ্যত্ববোধ’ বলতে অবশিষ্ট তাদের মধ্যে কিছু নেই। আছে যা তা হলোক্ষমতার অপব্যবহার, লুটপাট, ধর্ষণ, চুরি, রাহাজানি ও গণনিপীড়নের যোগ্যতা!

দুই.

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলায় কৃষকদের ধান কেটে দিয়েছে জামালপুরশেরপুর সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য ও কৃষক লীগের সাবেক সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক সম্পাদক হোসনে আরা। যে ছবি অনলাইনে বেশ কয়েকদিন ধরে ভেসে বেড়ালো। নানা মুণির নানান মত। কেউ কেউ বলছেন, যাই হোক নেমেছেন তো কৃষকের পক্ষেযা খুবই ‘হাইস্যকর’! আসলে কি তারা কৃষকের পক্ষে নেমেছে; নাকি, নিজেদেরকে ‘শোঅফ’ করার জন্য নেমেছে? তার ফ্যাসিবাদী নেতা বলেছে, তাই নেমেছিল। যাতে কৃষকের উপকারের বদলে ক্ষতি হয়েছে।

সেদিন পাশের বাড়ির দাদী বলছিলেন, ‘এমপির ধান কাটা দেইখা মনে হইছে কাচি কাইড়া নিয়া গলা কাটি! নাটক। স্টার জলসার চেয়েও বেশি নাটক করে। মানষের পেটে খাওন নাই, আর উনাদের খালি নাটক।’ দাদী ইউনিভার্সিটি পাস দেওয়া বুদ্ধিজীবী নন; কিন্তু তার কথায় ফুটে উঠেছে শতভাগ বাস্তবতা। সেদিন এক কৃষক নারী বলছিলেন, ‘পুলিশ বলেছে মাস্ক কই, আমি বলেছি পেটে ভাত নাই, মাস্ক মারাইছে। হাসিনা কি ভাত দেয়? যা দেয় তা তো নেতাদের পেটেই যায়।’ শহুরে বুদ্ধিজীবীদের অনেকেই ভাবেন, গ্রামের মানুষ কিছু বুঝে না! অথচ তারা তত্ত্বতথ্য দিয়ে নয়, নিজের জীবনসংগ্রাম থেকে শেখেন। তাদের মধ্যে মধ্যবিত্তসুলভ সুবিধাবাদিতা নেই। সংকোচ নেই। অকপটে যা বলার বলে দেন। জীবন থেকে নেওয়া শিক্ষা বলেই এমন সত্য উপস্থাপন করতে পারেন কৃষককৃষাণীরা।

টাঙ্গাইল(গোপালপুরভূঞাপুর) আসনের সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনির কাঁচা ধান কেটে ফটোশ্যূট করেছে। যা দেখে কৃষকসহ অন্যরাও হতভম্ব। গোপালপুর উপজেলার পৌরসভার সুন্দর এলাকার কৃষক লতিফ মিয়া ও তার ছেলে সুজন মিয়ার ১৫ শতাংশ জমিতে ব্রি২৮ ধান লাগান। জমিটি বৈরান নদীর তীরবর্তী। জমিতে পানি ওঠার সম্ভাবনা দেখা দেয়। এমন পরিস্থিতিতে সেই ধান কাটছিলেন সুজন ও তার ছেলে। এ সময় স্থানীয় সংসদ সদস্য নেমে কৃষককে একা ধান কাটতে দেখে কিছু ধান কেটে দেওয়ার নামে নাটক মঞ্চস্থ করে। যা সবার মধ্যে হাস্যরসের খোরাক জোগায়।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম অবশ্য কাঁচা ধান পাকিয়ে এ কাজের সাফাই গেয়েছেন, ‘মানুষকে উদ্বুদ্ধ করার জন্য এমপি সাহেব ধান কেটেছেন। স্থানীয় এমপি মহোদয় যে ধান কেটেছেন সেটি ব্রি২৮ জাতের ধান। এই ক্ষেতটি নদীর তীরবর্তী একদম নিচু এলাকায়। এখানে ক্ষেতের ধান ৮০ থেকে ৯০ ভাগ পাকা। তাই এই ক্ষেতটি অবশ্যই ধান কাটার যোগ্য!’

তিন.

এদিকে, শহুরে জনগণের একটি বড় অংশ এখন গ্রামে বসবাস করছেন। যাদের অনেকের চাকরি হারানোর সম্ভাবনাও রয়েছে। বেতন না পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পরিবারের বোঝা হয়ে দেড়মাস ধরে দিনাতিপাত করছেন তারা।

এদিকে, কৃষকের অভাব আরও চরম মাত্রায় পৌঁছেছে। অনেক কৃষকই রয়েছেন যাদের ছেলেমেয়েরা শহর থেকে টাকা পাঠালেই একমাত্র সবজি উৎপাদন করতে পারে। তাদের সে সম্ভাবনাও হারাচ্ছে আপাত। অপরদিকে, এবার গ্রীষ্মকালীন সবজির ব্যাপক ফলন হয়েছে; কিন্তু সবজির দাম একেবারেই নেই।

করোনা ঝুঁকির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়ে চলেছে পণ্যবাহী ট্রাক ভাড়া। এজন্য গ্রাম থেকে শহরে সবজি ও অন্যান্য কৃষিপণ্য আসার পরিমাণ কমে গেছে অনেক। এতে সবজি উৎপাদনকারী অঞ্চলগুলোতে মাথায় হাত পড়েছে কৃষকের। দাম না থাকায় সবজি তোলায় আগ্রহ পাচ্ছেন না তারা। ফলে বহু কষ্টে ফলানো সবজি ক্ষেতেই নষ্ট হচ্ছে। অথনীতিবিদরা মনে করছেন, এ পরিস্থিতির পরিণাম হবে ভয়াবহ। দেশের খাদ্য ঘাটতি ভয়ংকর আকার ধারণ করবে।

করোনা ভাইরাসের ভয়াল থাবার কারণে দীর্ঘ হচ্ছে অঘোষিত লকডাউন। রাজধানীর বাজারগুলোতে বেচাকেনায় নেমেছে স্থবিরতা। সবজির ভ্যানগুলো গলিতে গলিতে ঘুরছে, তেমন চাহিদা নেই। শহর ফাঁকা। কৃষকদের স্বপ্নের ফসল রাজধানীমুখী হতে পেরোতে হচ্ছে হাজারো বাধা। পণ্যবাহী ট্রাকের রয়েছে দ্বিগুণ ডিমান্ড। কারওয়ান বাজার ও যাত্রাবাড়ী আড়তে আগে যেখানে দৈনিক ৪০০৫০০টি ট্রাক আসত এখন তা নেমে এসেছে ৫০টিতে। বিভিন্ন জায়গায় কৃষকরা বিনামূল্যে সবজি দিয়ে দিচ্ছে। যা অনেক মানবাধিকার সংগঠন জোগাড় করে ‘ত্রাণ’ হিসেবে হতদরিদ্রদের মাঝে দিচ্ছেন। রাজধানীর বাজারগুলোতে বিক্রি কমে যাওয়ার কারণে পাইকাররা যাচ্ছেন না আড়তে।

যশোর লকডাউন। জেলাজুড়ে হাটবাজারগুলো প্রায় বন্ধ। পুলিশ সাধারণ মানুষকে হাটবাজারে আসতে নিষেধ করছে। এর ফলে বাজারে আগের মতো পণ্য আসছে না। যশোরের প্রধান প্রধান কৃষিপণ্য বাজার রুপদিয়া, বারবাজার, শার্শার হাটে কেনাবেচা তলানিতে নেমেছে। কৃষকদের দুর্গতি দেখার কেউ নেই। আছে হাসিতামাশা করার উপাদান জোগানোর মতো কিছু অমানুষ।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গতবার ধানের ভালো দাম পাননি কৃষকরা। সারা দেশের কৃষক এসব নিয়ে হাহুতাশ করেছেন। আর এবার বছরের শুরু থেকে করোনাভাইরাসের আঘাত। মার্চ থেকে সারা দেশে চলছে অঘোষিত লকডাউন। এর মধ্যে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কৃষক মাঠে নামছেন। শুধু তার নিজের জন্য নয়, দেশের সব মানুষের মুখে অন্ন তুলে দেওয়ার জন্যই। গত সপ্তাহ থেকে দেশে বোরো ধান কাটা শুরু হয়েছে। কমপক্ষে আরও ১৫ দিন লাগবে এই ধান ঘরে তুলতে। এর মধ্যে ঝড় বৃষ্টি হলে ধান তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আর শিলাবৃষ্টি হলে নষ্ট হবে ধানের ছড়া।

সিলেট বিভাগের হাওরগুলোতে এরইমধ্যে জমতে শুরু করেছে পানি। নিচু হাওরগুলোতে বৃষ্টির পানির কারণে এরইমধ্যে তলিয়ে যেতে শুরু করেছে ধান ভরা মাঠ। হাওরের উঁচু এলাকা থেকে নিচের দিকে পানি প্রবাহিত হওয়ায় এবং কয়েক দিনের বৃষ্টিতে তাদের জমির আধাপাকা ধান পানিতে ডুবে গেছে। এজন্য সুনামগঞ্জের হাওরে কৃষক কোমর পানিতে নেমে জমির আধাপাকা ধান কাটছেন।

চার.

কৃষি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কৃষকের পাশে এ সময় দাঁড়াতে না পারলে সেই বিপদ শুধু কৃষকের নয়, ভবিষ্যতে দেশের ওপরে চাপ বাড়াবে। করোনার কারণে বিদেশ থেকে খাদ্য আমদানি কঠিন হয়ে দাঁড়াবে। আসলেই সত্য কথাকৃষকের ক্ষতি মানে শুধু কৃষকের নয়; এ ক্ষতি শ্রমিককৃষকমধ্যবিত্ত সবার। শ্রমিক ও নিম্ন আয়ের মানুষগুলোর জন্য এটি ক্ষতির বার্তা, কারণ তাদের এবার অভাব হবে। আগে বাড়ি থেকে দু’এক বস্তা চাল আনতে পারলেও এবার তা পারবে না বলে চিন্তায় পড়ে যান। সুতরাং কৃষির ক্ষতি মানে হলোব্যাপক সধারণ জনগণের ক্ষতি। তবে চলমান লুটপাটকেন্দ্রিক আমলতান্ত্রিক ব্যবস্থাপনা এ কথা মুখে বললেও কাজেকর্মে তা করতে সক্ষম নয়, আগ্রহীও নয়। যদি তাই হতো, তাহলে কৃষি ও কৃষকের সঙ্গে এমন তামাশা করতে পারত না! বুক কেঁপে উঠত। হাত থেমে যেত। চেতনা স্তম্ভিত হয়ে যেত। কিন্তু তারা দিব্যি নাটক করে কৃষকের ক্ষতি করে মাঠ থেকে বের হলো!

আমলাতান্ত্রিক জটিল ব্যবস্থাপনায় এগুলো ঘটতেই থাকবে। কৃষি ধ্বংস হবে। কৃষক কাঁদবে। আবারও ফসল উৎপাদন করবে। বেঁচে থাকার লড়াইয়ে নিজেকে পুরোপুরি সামিল করবে। পুরো সপ্তাহে কোনো পুষ্টিকর খাবার না খেয়ে একদিন বাজার থেকে একটা মাছ কিনে ঝুলিয়ে ঝুলিয়ে বাড়ি ফিরবে। সবাই মিলে সামান্য ভাগ করে খাবেন। কৃষাণীর মুখে হয়ত মাছের কোনো অংশই পড়বে না। ছেলেস্বামীর মুখের দিকে তাকিয়ে নিজের ভাগেরটাও দিয়ে দিবেন। এটাই কৃষকের জীবন! যে জীবনে বসন্ত আসে না। শীততাপের আলাদা কোনো অনুভূতি থাকে না। শীতেও ভোর পাঁচটায় উঠে মাঠে যেতে হয়। গরমেও তাই। আরামআয়েশ বলতে সন্ধ্যার পর চায়ের দোকানে বসে একটা আকিজ বিড়ি ফুঁকা। কার কত মণ ধান হলো তার হিসাব করা। এবার ভোটে কে জিতবে তা নিয়ে হালকা আমেজ তৈরি করা। এরপর একটা খিলি পান কিনে বাড়ির দিকে ফেরা। ঘুমে মগ্ন হয়ে যাওয়া। আবার ভোর পাঁচটায় মাঠের উদ্দেশ্যে যাত্রা করা। ওখানেই খাবার। ক্লান্তির অবসর। সূর্য ডোবার পর বাড়ি ফেরা। এভাবেই দিন কাটছে যুগের পর যুগ। আমলামুৎসুদ্দিপুঁজিবাদী ব্যবস্থায় এ চিত্রটাই স্বাভাবিক ধরে নেওয়া হয়।

ফ্যাসিবাদী সরকার ও রাষ্ট্র কৃষকের ওপর দায়িত্ব বর্তিয়ে নিশ্চুপ হয়ে বসে থাকলো। ক্ষুদে কৃষকদের নিয়ে তাদের কোনো কোনো মন্তব্যই নেই। তাদের বেঁচে থাকার কোনো গুরুত্ব শাসকশ্রেণী ও ক্ষমতাসীন ফ্যাসিবাদের কাছে নেই। কারণ ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা কৃষিকৃষকবান্ধব হয় না, হতে পারে না। আর এজন্যই এ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন দরকার। শ্রমিককৃষক রাজ কায়েম করতে সংগঠিত হতে হবে, সংগঠিত করতে হবে। আর এ লক্ষ্যে শ্রমিককৃষকরা বিপ্লবী সংগঠনের পতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সংগ্রামে ভূমিকা রাখবেন, এটাই প্রত্যাশা।।

১ মে ২০২০

মতামত জানান...

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

Connecting to %s

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.