রোজা এবং কার্ল হত্যার শততম বার্ষিকী ও তার প্রাসঙ্গিকতা

Posted: মার্চ 11, 2020 in মতাদর্শ
ট্যাগসমূহ:, , , , , ,

লিখেছেন : অজয় রায়

রোজা লুক্সেমবার্গ এবং কার্ল লিবনেখটের শহীদ হওয়ার শততম বার্ষিকী পালিত হচ্ছে শুধু জার্মানিতে নয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে১৯১৯ সালের ১৫ জানুয়ারি বার্লিনে দক্ষিণপন্থী ঘাতক বাহিনীর হাতে শহীদ হন তাঁরা[] তবে মেহনতি মানুষের আন্দোলনসংগ্রামে এই দুই বিপ্লবী কমিউনিস্ট আজও পথ দেখান

রোজা লুক্সেমবার্গের জন্ম ১৮৭১ সালে পোল্যান্ডে[] তিনি ১৫ বছর বয়সেই বিপ্লবী ক্রিয়াকলাপে জড়িয়ে পড়েনগ্রেফতার এড়াতে তাঁকে সুইজারল্যান্ডে চলে যেতে হয়। ১৯৯৮ সালে তিনি অবশ্য জার্মানিতে বসবাস শুরু করেন জার্মানির সোশ্যাল ডেমোক্রাটিক পার্টিতে (জার্মান এসপিডি) যোগ দেন। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ১৯১৪ সালের আগে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সমাজতান্ত্রিক আন্দোলন সোশ্যাল ডেমোক্র্যাসি নামেই পরিচিত ছিল

রোজা ছিলেন একাধারে মার্ক্সবাদী তাত্ত্বিক ও সংগঠক। একজন পেশাদার বিপ্লবী। তিনি সুবক্তা ছিলেন। সাংবাদিকতা ও সম্পাদনার কাজও করেছেনজার্মানি ও পোল্যান্ড, উভয় দেশের শ্রমিকশ্রেণীর সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনেই রোজা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি ও ক্লারা জেটকিনের মতো নেতারা মেহনতি জনতার মুক্তি আন্দোলনের পাশাপাশি নারী আন্দোলনকেও জোরদার করেছেনআর লেনিনের সঙ্গে মিলে রোজা দ্বিতীয় আন্তর্জাতিকের বিপ্লবী অংশের নেতৃত্ব দেন। আন্দোলনসংগ্রাম করতে গিয়ে বিভিন্ন সময়ে তাঁকে কারাবরণও করতে হয়।

কার্ল লিয়েবনেখটের জন্ম জার্মানিতে। তিনি ছিলেন রোজা লুক্সেমবার্গের সমবয়সী এবং জার্মান এসপিডির একজন দক্ষ সংগঠকপ্রচারক ও সাংসদতাত্ত্বিক, লেখক; এবং পেশায় আইনজীবী।

লক্ষণীয় বিষয় হলোজার্মান এসপিডি ১৮৮০’র দশকের দমনপীড়নের মোকাবেলা করে ক্রমে ইউরোপের বৃহত্তম শ্রমিকশ্রেণীর পার্টিতে পরিণত হয়েছিলতারা দ্বিতীয় আন্তর্জাতিকেরও সবচেয়ে প্রভাবশালী পার্টি হয়ে ওঠে। কিন্তু পরবর্তীকালে ওই পার্টির মধ্যে দক্ষিণপন্থী সংস্কারবাদী বিচ্যুতি দেখা দেয়। সে সময়ে ধনতন্ত্রের আপাত সাফল্যে জার্মান এসপিডি নেতৃত্বের একটা বড় অংশ বিভ্রান্ত হনতাদের পাতিবুর্জোয়া ঝোঁক বাড়তে থাকে। তারা মেহনতি মানুষের কাছ থেকে ক্রমে দূরে সরে যান। এই প্রেক্ষিতেই জার্মান এসপিডি’র নেতা এডওয়ার্ড বার্নস্টেইন বিবর্তনমূলক সমাজতন্ত্রের সংশোধনবাদী তত্ত্ব হাজির করেন। মার্ক্সবাদের সংশোধনের নামে তার মূল নীতিগুলো নস্যাৎ করার চেষ্টা চালান। তারা বিপ্লবের পথে সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পরিবর্তে পুঁজিবাদের সংস্কার কার্যক্রম গ্রহণ করেন। বার্নস্টেইন যেমন বলেছিলেন, “লক্ষ্য যেটাই হোক না কেন তাতে আমার কিছু যায় আসে না, আন্দোলনটাই আসল কথা।” জার্মান এসপিডি’র অপর এক শীর্ষনেতা কার্ল কাউটস্কিও দক্ষিণপন্থী সুবিধাবাদের পথ ধরেন। জার্মান এসপিডি বুর্জোয়া দলগুলোর সঙ্গে আপস করে। তাদের মধ্যে আমলাতান্ত্রিক রক্ষণশীলতা ক্রমশ বাড়তে থাকেআর সংসদসর্বস্বতা দেখা দেয়

রোজা ও কার্ল জার্মান এসপিডির মধ্যে সংশোধনবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নেতৃত্ব দেন। মার্ক্সবাদকে রক্ষা করার পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নেন। আর ১৮৯৯ সালে রোজা ‘সংস্কার অথবা বিপ্লব’ নামক গ্রন্থ রচনা করেন[]

রোজা বিপ্লবী ক্রিয়াকলাপের সঙ্গে সমালোচনামূলক সমাজবিজ্ঞান ও মানবতাবাদী আদর্শবাদের সমন্বয়ে জোর দেন। তিনি সমাজতান্ত্রিক গণতন্ত্রের উপরও গুরুত্ব আরোপ করেন বিশ্বের জনগণ ও সংস্কৃতির সমৃদ্ধ বৈচিত্রের উপর পুঁজিবাদের সম্প্রসারণের প্রভাব সম্পর্কে তাঁর নৃতাত্ত্বিক সংবেদনশীলতা লক্ষণীয়। পরিবেশ সম্পর্কেও রোজা অত্যন্ত সচেতন ছিলেন। আর ‘পুঁজির সঞ্চয়ন’ (১৯১৩) গ্রন্থে তিনি সমরবাদের মার্ক্সবাদী বিশ্লেষণ করেন। শারীরিক প্রতিবন্ধকতা এতটুকু দমাতে পারেনি তাঁকে

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের (১৯১৪১৯১৮) সময় জার্মান এসপিডির মতো দ্বিতীয় আন্তর্জাতিকভুক্ত দলগুলোর নেতাদের একটা বড় অংশ নিজ নিজ দেশের সরকারের যুদ্ধ তৎপরতাকে সমর্থন করেন। উগ্র জাতীয়তাবাদের স্রোতে গা ভাসান তারাতবে দ্বিতীয় আন্তর্জাতিকের মধ্যে লেনিন ও রোজা লুক্সেমবার্গ এর বিরুদ্ধে সংগ্রামে নেতৃত্ব দেনস্পষ্টতই, তাঁরা সাম্রাজ্যবাদী যুদ্ধের বিরুদ্ধে সর্বহারার আন্তর্জাতিকতাবাদী অবস্থানকে ঊর্ধ্বে তুলে ধরেন। কার্ল লিবনেখটও অনুরূপ অবস্থান গ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন একমাত্র সাংসদ, যিনি রাইখস্ট্যাগে যুদ্ধঋণের (ওয়ারক্রেডিট) বিরুদ্ধে ভোট দেন।

যুদ্ধের বিরোধিতা করার জন্য রোজা এবং কার্লকে কারারুদ্ধ করা হয়তাঁরা জার্মান এসপিডি দল থেকেও বহিষ্কৃত হন। আর গোপন বিপ্লবী সংগঠন স্পার্টাকাস লিগ গড়ে তোলেনযার ভিত্তিতে ১৯১৮ সালের ডিসেম্বরের শেষে জার্মানির কমিউনিস্ট পার্টি তৈরি হয়[] এদিকে, যুদ্ধে জার্মানির পরাজয় হয়। যার প্রেক্ষিতে ১৯১৮ সালের নভেম্বরে সেদেশে নাবিক, সৈনিক ও শ্রমিকরা বিদ্রোহ করেন। শ্রমিক ও সৈনিকদের কাউন্সিলগুলো নির্বাচিত হয়। সেই নভেম্বর বিপ্লবের মধ্যেই কারামুক্ত হন রোজা এবং কার্ল। তাঁরা সংগ্রামের সামনের সারিতে ছিলেন। এ সময়ে জার্মান কাইজার দ্বিতীয় উইলহেম সিংহাসন ছাড়তে বাধ্য হন। আর ওইদিনই কাইজারের পরিত্যক্ত প্রাসাদ থেকে কার্ল এক নতুন জার্মান সমাজতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করেন। তবে অপরদিকে সে দেশের শাসকশ্রেণীর উদ্যোগে গঠিত হয় ওয়েমার প্রজাতন্ত্রযার প্রেসিডেন্ট হন জার্মান এসপিডির প্রধান ফ্রিডরিশ এবার্ট। তিনি সোশ্যাল ডেমোক্রাটিক সরকার সাবেক রাজতন্ত্রের রক্ষণশীল সেনাবাহিনীর জেনারেলদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে বিপ্লব নৃশংসভাবে দমন করেন। যখন স্পার্টাসিস্ট অভ্যুত্থান হয়, তখনও রাষ্ট্রীয় মদদপুষ্ট প্রতিক্রিয়াশীল ঘাতকবাহিনী হত্যাকাণ্ড চালায়। আত্মগোপন করে ছিলেন রোজা এবং কার্ল। তাঁদের আটক করে সেরাতেই হত্যা করা হয়।

যেটা লক্ষণীয় তা হলোপ্রথম বিশ্বযুদ্ধকালে জার্মানিতে প্রকাশ্যে পুঁজিবাদীসাম্রাজ্যবাদী শিবিরে চলে যায় সোশ্যাল ডেমোক্রাসি। যার সঙ্গে সেদেশের বিপ্লবী মার্ক্সবাদীরা স্পষ্টতই সম্পর্কোচ্ছেদ করেন অনেক দেরিতেফলে সেদেশের নবগঠিত কমিউনিস্ট পার্টি রাশিয়ার বলশেভিকদের মতো সংগ্রামে অভিজ্ঞ ও সংহত ছিল না। সে জন্যই জার্মানিতে সেসময় নিঃস্বার্থ ও বীরত্বপূর্ণ সংগ্রাম চালানো সত্ত্বেও বিপ্লবীরা ব্যর্থ হন।

রোজা এবং কার্লের হত্যাকাণ্ডের ফলে জার্মানির কমিউনিস্ট আন্দোলন গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ ক্ষেত্রে ইতাহাসের শিক্ষাসংশোধনবাদী সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটদের এই বিশ্বাসঘাতকতার ভূমিকা; যা পরবর্তীকালে জার্মানিতে নাৎসিদের উত্থানের পটভূমি রচনা করেছিল।

রোজা এবং কার্ল সমাজতন্ত্রের লক্ষ্যে সংগ্রামে জীবন উৎসর্গ করেন। রোজা যেমন ফ্রেদরিখ এঙ্গেলসকে উদ্ধৃত করে পুঁজিবাদ সম্পর্কে বিশ্বকে সতর্ক করেছিলেন, “বুর্জোয়া সমাজ বাঁকের মুখে এসে দাঁড়িয়েছে; হয় সমাজতন্ত্রে রূপান্তর হবে, নয়তো বর্বরতার দিকে পশ্চাদপসরণ ঘটবে।”[] আর কার্ল লিবনেখট তাঁর সর্বশেষ প্রবন্ধে লিখেছিলেন, “আজ যারা পরাজিত হয়েছেন, আগামীদিনে তাঁরা বিজয়ী হবেনসেই অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য আমরা জীবিত থাকি বা না থাকি, আমাদের কর্মসূচী প্রাণবন্ত থাকবে; আর সমস্ত কিছু সত্ত্বেওবিজয়ী হবে বিশ্ব মানবতার মুক্তিতে।”[]

স্পষ্টতই, রোজা এবং কার্লের সংগ্রামী জীবনের ও চিন্তাচেতনার উত্তরাধিকার বহন করছেন কমিউনিস্টরা। তবে লক্ষণীয় বিষয় হলোসংশোধনবাদী, প্রতিক্রিয়াশীল ও সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলো তাঁদের বক্তব্যের ক্রমাগত বিকৃতি ঘটানোর চেষ্টা চালাচ্ছে রোজাকে যেমন উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবেই লেনিনবিরোধী হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করছেএ প্রসঙ্গে বলা দরকার, রোজা কিছু ভুলও করেছিলেনযেমনতিনি জাতিসমূহের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার অর্থাৎ পূর্বতন রাষ্ট্র থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার অধিকারের বিরোধিতা করেন। তাঁর সর্বহারার বিপ্লবী পার্টি গড়ে তোলার গুরুত্ব উপলব্ধি করতেও বিলম্ব হয়েছিল। লেনিনের সঙ্গে এরকম কিছু বিষয় নিয়ে তাঁর মতপার্থক্য ছিল। তবে সেই সঙ্গে তাঁদের মধ্যে আন্তর্জাতিকতাবাদী সর্বহারার ঐক্য ক্রিয়াশীল ছিল। এ ব্যাপারে লেনিন যেমন বলেছেন, “পুরনো এক রুশ উপকথার দুলাইন উদ্ধৃত করে– “ঈগল কখনো কখনো মুরগির চেয়েও কম উচ্চতায় উড়তে পারে, কিন্তু মুরগি কখনো ঈগলের উচ্চতায় উড়তে পারে না। রোজা লুক্সেমবার্গের পোল্যান্ডের স্বাধীনতার প্রশ্নেও ভুল হয়েছিলতাঁর ১৯০৩ সালে মেনশেভিকবাদের মূল্যায়ন সঠিক ছিল না; তাঁর পুঁজির সঞ্চয়নের তত্ত্ব নিয়ে ভ্রান্তি ছিল; ১৯১৪ সালের জুলাইয়ে প্লেখানভ, ভ্যান্ডেরভেল্ডে, কাউটস্কি এবং অন্যান্যদের সঙ্গে মিলে যখন তিনি বলশেভিক ও মেনশেভিকদের মধ্যে ঐক্যের পক্ষে সওয়াল করেছিলেন, তাঁর ভুল হয়েছিল; ১৯১৮ সালে কারাগারে থাকাকালে তিনি যা লিখেছিলেন তার মধ্যেও ভুলভ্রান্তি ছিল (এই ভুলগুলোর অধিকাংশই তিনি সংশোধন করেন ১৯১৮ সালের শেষের দিকে এবং ১৯১৯ সালের গোড়ায় যখন কারামুক্ত হন তিনি)কিন্তু এসব ভুল সত্ত্বেও আমাদের কাছে তিনি ছিলেন এবং থাকবেন এক ঈগল হিসাবেসারা বিশ্বের কমিউনিস্টরা কেবল তাঁর স্মৃতিকে লালন করবেন না, তাঁর জীবনী এবং তাঁর সম্পূর্ণ রচনাবলীদুনিয়াজুড়ে কমিউনিস্টদের বহু প্রজন্মকে শিক্ষাদানের জন্য একটি কার্যকর ম্যানুয়াল হিসেবে কাজ করবে।” (ভি. আই. লেনিন, ‘নোটস অব এ পাবলিসিস্ট’, ফেব্রুয়ারি, ১৯২২)[]

বর্তমানেও সাম্রাজ্যবাদ বিশ্বব্যাপী আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে একদিকে বাণিজ্যযুদ্ধ হচ্ছে। অন্যদিকে অস্ত্র প্রতিযোগিতা চলছে পারমাণবিক যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। আর দেশে দেশে ফ্যাসিস্ট ঘাতক বাহিনীর প্রত্যাবর্তন ঘটছেদারিদ্রবৈষম্যও বাড়ছে যখন বিশ্ব পুঁজিবাদের ব্যবস্থাগত সংকট লক্ষণীয়। স্পষ্টতই নয়াউদারবাদী পুঁজিবাদ কাঠামোগত সংকটের মধ্যে পড়েছে। সেই সঙ্গে ঘনিয়ে আসছে পরিবেশ সংকট

এদিকে, সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটরা এবং বামপন্থী নামধারী বিভিন্ন দল এখনো মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। প্রকৃত কমিউনিস্টরা অবশ্য সংশোধনবাদ ও সঙ্কীর্ণতাবাদের বিরুদ্ধে লড়াই জারি রেখেছেন যখন বিশ্বের নানা প্রান্তে জনসাধারণের প্রতিবাদ আন্দোলনে সামিল হচ্ছেন তাঁরাসমাজতন্ত্রের লক্ষ্য সাধনের জন্য লড়াই করছেন। আর তাঁরা এখনো প্রেরণা পাচ্ছেন রোজা লুক্সেমবার্গ এবং কার্ল লিবনেখটের কাছ থেকে। যা বর্তমান সময়ে এই দুই বিপ্লবী কমিউনিস্টের প্রাসঙ্গিকতাই প্রমাণ করছে।

২৪/১২/২০১৯

তথ্যসূত্র

[] Helmut Dietmar Starke, “Rosa Luxemburg”, Encyclopædia Bitannica

[] Ibid

[] Ibid

[] David P. Conradt, “Social Democratic Party of Germany”, Encyclopædia Bitannica

[] Rosa Luxemburg, ‘‘The Junius Pamphlet’’, Chapter 1, 1915

[] Victor Grossman, “Karl and Rosa: 100th anniversary’’, Berlin Bulletin No. 157, January, 17, 2019

[] V. I. Lenin, “Notes of a Publicist”, February, 1922

মতামত জানান...

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

Connecting to %s

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.