লিখেছেন: সৌম্য মন্ডল

প্রসঙ্গ রাষ্ট্রদ্রোহীস্লোগান

Kanhaiya_Kumarএটা অনেক আগেই প্রমাণিত হয়ে গেছে যে, ৯ ফেব্রুয়ারি জওহরলাল নেহেরু ইউনিভার্সিটিতে পাকিস্তান জিন্দাবাদ বা ঐ জাতীয় স্লোগান দেওয়া হয়েছিল হিন্দু ফ্যাসিস্ট আরএসএস ঘনিষ্ঠ ছাত্র সংগঠন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের (এবিভিপি) সদস্যদের তরফ থেকে। এরপর মূলধারার কিছু সংবাদ মাধ্যমই ফাঁস করে দিয়েছে হাফিজ সাদের মিথ্যে টুইটার পোস্টসহ একাধিক ভুয়ো ছবি ও ভুয়ো ভিডিওর কথা, যা দেখিয়ে আরএসএস, এবিভিপি এবং সংঘ পরিবার অনুগত সংবাদ মাধ্যম জেএনইউএর ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি কমরেড কানহাইয়া, ৯ ফেব্রুয়ারির সাংস্কৃতিক প্রতিবাদ সভার উদ্যোক্তা কমরেড উমর খালিদসহ বাকিদের দেশদ্রোহী প্রমাণ করতে চেয়েছে।

এটা এখন স্পষ্ট যে, জেএনইউ ঘটনা ফ্যাসিবাদীদের একটি পরিকল্পিত চক্রান্তের অংশ ছাড়া কিছু নয়। ঠিক যেভাবে ১৯৩৩ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি ফ্যাসিবাদের গডফাদার অ্যাডলফ হিটলার জার্মানির সংসদ রাইখস্ট্যাগ আগুন ধরিয়ে দিয়ে, আগুন ধরাবার অভিযোগে জার্মান কমিউনিস্টদের পর দমন চালিয়েছিল, গণতন্ত্রের যাবতীয় মুখোশ ছিঁড়ে ফেলে উলঙ্গভাবে সামনে এসেছিল বুর্জোয়া একনায়কতন্ত্র। উগ্রজাত্যাভিমান, উগ্রজাতীয়তাবাদের জোয়ারে সেদিন কমিউনিস্টদের পক্ষে জনতাকে সত্যিটা বোঝানো, পাল্টা প্রচার নিয়ে যাওয়া অনেক বেশি কঠিন ছিল। বলা বাহুল্য আজকেও কঠিন, কারণ অবশ্যই শাসকের প্রচারযন্ত্র সবসময়েই শক্তিশালী অবস্থানে থাকবে। কিন্তু তবুও আজকের সময়ে ক্যামেরা, নেট, সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট প্রভৃতি যোগাযোগের মাধ্যমের উন্নতির ফলে ছাত্রছাত্রীরা দ্রুত তথ্য আদান প্রদান করতে পারছে। ছাত্রছাত্রী থেকে প্রগতিশীল সাংবাদিক, গণতন্ত্র প্রিয় মানুষরা ফাঁস করে দিয়েছেন সংঘ পরিবারের একের পর এক মিথ্যা ও অপপ্রচার।

কিন্তু ১৩ ফেব্রুয়ারি বামেদের পক্ষ থেকে সিপিআইএমএর সাধারণ সম্পাদক সিতারাম ইয়েচুরি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিংকে গিয়ে জানিয়ে আসেন যে, Delhi Police has released a list of 20 students in connection with the event, which also includes D Raja’s daughter, but we are asking are they seen in the video shouting slogans?,, They were present because they are members of students union or groups but that does not mean they were involved in it. We have demanded that Kanhaiya be released and the Home Minister has assured us that no action will be taken against any innocent student.” (The Hindu, 13 feb)

অর্থাৎ সিপিআইএম নেতা স্পষ্টতই ডি. রাজার কন্যা সহ আরো কয়েকজন ৯ তারিখের সেই বিতর্কিত অনুষ্ঠানের সাথে যুক্ত নয় বলে দাবি করেন। কিন্তু যারা ঐ প্রতিবাদ সভা আয়োজন করেছিল, সেই সব ছাত্রছাত্রীদের কি হবে? তাদের নিয়ে ইয়েচুরির বক্তব্য কি? স্পষ্টতই এরপর একাধিকবার সিপিআই (এম) নেতারা এবং সিপিআইএম ঘনিষ্ঠ স্টুভেন্টস ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়া (এসএফআই) জানিয়েছে, দেশদ্রোহী স্লোগানএর সাথে তারা কোনোভাবেই যুক্ত নয়, পুলিশ যেন নিরপরাধদের ছেড়ে আসল দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়!

JNU-00পরবর্তীতে, যাদবপুরে ১৫ ফেব্রুয়ারি মিছিলে কাশ্মির মাঙ্গে আজাদি এবং প্রফেসর গিলানির গেফতারির বিরুদ্ধে এবং আফজাল গুরুর ফাঁসির বিরুদ্ধে স্লোগান ধ্বনিত হলে সংবাদমাধ্যম আবারো দেশদ্রোহী বলে ঝাঁপিয়ে পড়ে। তখনো দেখা গেল সিপিআই (এম) বা এসএফআই তো বটেই, এমনকি স্বঘোষিত তৃতীয় ধারার বিপ্লবী ছাত্র সংগঠন এবং উত্তরাধুনিক বাক্য বাগীশরা সংবাদমাধ্যমের সামনে প্রায় কেঁদে ফেলে জানালেন, স্লোগানগুলো তারা দেনি। তারা স্লোগানগুলোর নিন্দা করলেন, উপাচার্যকে গিয়ে জানিয়ে এলেন, দেশদ্রোহী স্লোগান উঠেছিল ঠিকই, কিন্তু ভদ্রলোকেরা এসবের সঙ্গে জড়িত। যারা দুদিন আগে পর্যন্ত কাশ্মিরের আজাদি নিয়ে স্লোগান দিয়ে, আফজাল গুরুসহ সমস্ত ফাঁসির বিরোধিতা করে ফেসবুক থেকে শুরু করে ক্যান্টিন কাঁপালো, তারা পর্যন্ত দেশদ্রোহী স্লোগানগুলোর বিরোধিতা করে স্লোগানের দায় কিছু ছাত্রছাত্রীর কাঁধে চাপাতে ব্যস্ত। এমনকি স্লোগান দেওয়া বন্ধুদের চিনতে অস্বীকার করে বসলো। বিতর্কিত স্লোগান দেওয়া ছাত্রছাত্রীদের সংগঠন থেকে বিচ্ছিন্ন করলো। এই প্রগতিশীল বাম ছাত্র সংগঠনগুলোই সংঘ পরিবারের সুরে সুর মিলিয়ে বিতর্কিত স্লোগানগুলো এবং যারা সেই স্লোগান দিয়েছে তাদের ঘুরপথে দেশদ্রোহী তকমা লাগিয়ে দিল। যারা স্লোগান দিয়েছে তাদের জেল হোক, আমার পিঠটা বাঁচুক, আমি না বাঁচলে বিপ্লবের নতুন পথের দিশা দেখাবে কে!!

jadavpur-university-4মিছিলের যৌথ বোঝাপড়ার বাইরে গিয়ে স্লোগান দেওয়া ঠিক কিনা বা এই স্লোগানগুলো মিছিলে আদৌ অপ্রাসঙ্গিক ছিল কিনা, সেটা অবশ্যই বিতর্ক এবং আলোচনা সাপেক্ষ। কিন্তু যখন এই রকম স্লোগান উঠেছে এবং এই স্লোগানগুলোতে দেশদ্রোহী তকমা আঁটা হচ্ছে, এবং হুমকি দেওয়া হচ্ছে গ্রেপ্তারির, তখন ভূমিকা কি হওয়া উচিত ছাত্র সংগঠনগুলোর? কানহাইয়া কি করেছিলেন? কমরেড কানহাইয়ার মতাদর্শগত অবস্থান জেএনইউ বিতর্কিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তদের থেকে ভিন্ন। অবশ্যই কাশ্মিরসহ বহু বিষয়ে কমরেড উমর খালিদসহ অন্যান্য উদ্যোক্তাতদের সাথে তার মতপার্থক্য রয়েছে। কিন্তু ৯ তারিখ ঝামেলার পর কানহাইয়া দৃঢ়ভাবে উমর খালিদ বা ঐ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তাদের মত প্রকাশের স্বাধীনতার পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন এবং আক্রমণ শানিয়েছিলেন সংঘ পরিবার এবং এবিভিপি বিরুদ্ধে। তাই তাকে কারাগারে যেতে হলো

এটা স্পষ্ট যে কানহাইয়ার মতো রাজনৈতিক সৎ সাহস সিপিআই (এম) বা এসএফআই নেতাদের নেই। এখন দেখা যাচ্ছে তথাকথিত তৃতীয় ধারার স্বঘোষিত বিপ্লবী ছাত্র সংগঠনগুলোরও সেই সততাটুকুও নেই। যখন কিনা মানবধিকার সংগঠনগুলো অধ্যাপক গিলানির মুক্তির দাবি জানাচ্ছে, আফজাল গুরুর ফাঁসির বিরোধিতা করছে এবং মত প্রকাশের স্বাধীনতার পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নিচ্ছে, এমনকি সুজাত ভদ্রসহ একাধিক মানবধিকার কর্মী, আইন বিশারদরা বলছে যে জেএনইউ বা যাদবপুরে যা হয়েছে তাকে কোনোভাবেই দেশদ্রোহিতামূলক কর্মকাণ্ড হিসেবে বিবেচনা করা যায় না, তখন ওইসব ছাত্র সংগঠনগুলোর অবস্থান বড়ই করুণ।

umar-khalidযারা আসল দোষীদের শাস্তির দাবি করে জেএনইউতে উমর খালিদ, অনির্বা ভট্টাচার্যদের বা যাদবপুরে কিছু ছাত্রছাত্রীদের রাষ্ট্রের হাতে তুলে দিতে চাইছেন, তাদের কাছে আমার প্রশ্ন এই যে রোহিত ভেমুলা আত্মহত্যা করার পর আপনারা রোহিতকে নিয়ে অনেক মিটিং মিছিল বিক্ষোভ করেছেন। কিন্তু উমররা যেমন আফজাল গুরুর ফাঁসির বিরোধিতা করে দেশদ্রোহী তকমা পেয়েছে, তেমনি রোহিতকেও ইয়াকুব মেমন এর ফাঁসির বিরোধিতা করার জন্য দেশদ্রোহীতকমা দেওয়া হয়েছিল। রোহিত বেঁচে থাকলে এই বাম নেতারা কি রোহিতেরও শাস্তি দাবি জানাতো? যে সব বাম নেতারা আজকে উমরদের একা করে দিয়ে কারাগারে পাঠাতে চাইছেন, উমরের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের বিরোধিতা করছেন না, বরং সংঘ পরিবারের সুরে সুর মিলিয়ে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন, তাদের বলে রাখি, কাল যদি উমর আবার রোহিত ভেমুলার পথ বেছে নেয়, তবে তার জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিংএর সাথে আপনারাও নিশ্চিতভাবেই দায়ী থাকবেন।

২১ ফেব্রুয়ারি ভাষা দিবসে ১২টি বামপন্থী সংগঠন সাম্প্রদায়িকতা এবং একই সাথে বিচ্ছিন্নতাবাদের বিরুদ্ধে মিছিল করেছে কলকাতায়। আচমকা এই বিচ্ছিন্নতাবাদকে সাম্প্রদায়িকতার সাথে জুড়ে মিছিল করাটা বিজেপির বেঁধে দেওয়া দেশপ্রেমের মাপকাঠিতে নিজেকের দেশপ্রেমী হিসাবে দেখাতে চাওয়ার একটা খেলো পদ্ধতি ছাড়া আর কিছুই নয়। মজার বিষয় হলো, দিনটা ২১ ফেব্রুয়ারি। ভাষা আন্দোলও পাকিস্তান সরকারের দ্বারা বিচ্ছিন্নতাবাদের অভিযোগে অভিযুক্ত ছিল! বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে সমর্থন করবো, কিন্তু কাশ্মিরের মুক্তিযুদ্ধকে সমর্থন করবো না, এই ভণ্ডামিটা সবার পক্ষে চালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়, তাই অনেকেই প্রকাশ্যে কাশ্মিরের লড়াইকে সমর্থন দিয়ে যাবে, উগ্রজাতীয়তাবাদী প্রচারের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েই। আর উগ্র জাতীয়তাবাদী দক্ষিণপন্থী শক্তিগুলোর মতোই বামেদের একাংশ এদের দেশদ্রোহী বলছে, আবার তারাই বাংলাদেশ নিয়ে মরা কান্না কাঁদবে!

সংসদীয় বাম দলগুলোর মধ্যে বেশিরভাগই লেনিনের জাতিসত্ত্বার আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার সম্বন্ধীয় তত্ত্বের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন বহু আগেই। এবার দেখা গেলো, সংসদীয় বামেদের একাংশ এবং তৃতীয় ধারার স্বঘোষিত বিপ্লবী আর উত্তরাধুনিকরা মতাদর্শগতভাবে এমনই দেউলিয়া হয়ে পরেছে যে, সংঘ পরিবারের উগ্রজাতীয়তাবাদের কাছে আত্মসমর্পণ করে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পক্ষে দৃঢ়ভাবে দাঁড়াতে পারছেনা ব্রিটিশদের তৈরি গণতন্ত্রবিরোধী রাষ্ট্রদ্রোহিতার আইনের বিরোধিতা করে বলতে পারছে না যে, কোনো সভ্য গণতান্ত্রিক দেশে রাষ্ট্রদ্রোহিতার আইন থাকতে পারেনা। ঔপনিবেশিক আইন স্বাধীন দেশের মানুষের উপর প্রয়োগ করা যাবেনা। মজার কথা হলো, বর্তমানে এই বামেরা না পারলেও বহু আগে গান্ধী এবং নেহেরু কড়া ভাষায় এই আইনের বিরোধিতা করে গেছে। এই সব বাম, স্বঘোষিত বিপ্লবীদের থেকে সংবিধানের চৌহদ্দির মধ্যে থেকে কাজ করা বিপ্লবী মানবধিকার সংগঠনগুলোকেও দৃঢ় অবস্থান নিতে দেখা গেছে!

abvp-terroristsযদি ঐ বামেরা ভেবে থাকেন যে, আরএসএসএর কাছে মতাদর্শগত মুচলেকা দিয়ে পিঠ বাঁচাবেন, তবে সে গুঁড়ে বালি। দেখাই গেল যে, বার বার যারা আমরা স্লোগান দিইনি গো বলে প্রায় কেঁদে ফেললেন সংবাদমাধ্যমের সামনে, রাষ্ট্রদ্রোহিতার তকমা থেকে তারাও বাদ পলেন না। কারণ ফ্যাসিবাদ কোনো বিরোধীকে ছাড়বে না। দিল্লী পুলিশ, সংবাদমাধ্যম প্রথমে পাকিস্তান জিন্দাবাদ স্লোগান কে দেশ বিরোধী বললো (এই স্লোগান এবিভিপি দিয়েছিল), তারপর কাশ্মিরের আজাদি, আফজালের ফাঁসির বিরোধিতা কে দেশবিরোধী বললো, তারপর অসুর পুজা এবং গরুর মাংস খাওয়াকে দেশদ্রোহিতা বললো। এরপর হয়তো কোনোদিন দেখা যাবে, সকালে ঘুম থেকে ঠে গোমূত্র পান না করলে রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা দেওয়া হবে এবং বামেরা প্রকাশ্যে গোমূত্র পান করে মিডিয়ার সামনে বলবে, দেখেছেন, আমরা দেশদ্রোহী নই!”

jnu-1বামেদের এই করুণ দশা দেখে বোঝাই যাচ্ছে, প্রথম রাউন্ডে হিন্দু ফ্যাসিবাদীরা অনেকটাই সফল। তবে নেতারা হতাশ করলেও সাধারণ ছাত্রছাত্রী এবং শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষের ভূমিকা, সংঘ পরিবারের প্রতি তাদের ঘৃণা, গণতন্ত্রের প্রতি তাদের দায়বদ্ধতা অবশ্যই আশাবাঞ্জক। বিপ্লব তো অনেক দূরের কথা, এই বাম শক্তিগুলোর কাছ থেকে মানুষ তার আশা রাখে না, কেউ কেউ নিজে এখনও বিপ্লবের বুলি আওড়ালেও নিজেদের দৌড় তারা নিজেরাই জানেন। আর যারা জানেননা এই রাষ্ট্রদ্রোহী স্লোগান বিতর্ক তাদের জানিয়ে দিলো। জানিয়ে দিলো বাকিদেরও, কার দৌড় কতোটুকু, রাষ্ট্রের হুমকির মধ্যে পড়লে কার মুখ দিয়ে কি বচন বেরোয়। কিন্তু ন্যূনতম মত প্রকাশের স্বাধীনতার পক্ষে গণতন্ত্রবিরোধী রাষ্ট্রদ্রোহিতার আইনের বিরুদ্ধে যদি ব্যাপক ঐক্য না গড়া যায়, তাহলে ফ্যাসিবাদকে ঠেকানো ফেসবুকের স্ট্যাটাস হয়েই থেকে যাবে।

আমাদের খেয়াল রাখা দরকার, মতাদর্শগতভাবে আমাদের এক পা পেছানোর অর্থ সংঘ পরিবারকে এক পা এগোতে দেওয়া এবং ভবিষ্যতে আরো বহু কদম এগোনোর জন্য উসাহ দেওয়া।

আশা করব, গণতন্ত্রের পক্ষের বন্ধুশক্তিগুলো যাবতীয় দ্বিধা, ভয় ঝেড়ে ফেলে অন্তত মত প্রকাশের স্বাধীনতার প্রশ্নে দৃঢ়ভাবে অবস্থান নেবেন। কারণ ব্যাপক জনতার ঐক্যই পারে ফ্যাসিবাদকে রুখে দিতে। আর আমরা সেটা পারবো, পরতেই হবে।

লেখক: ছাত্র সংগঠন ইউএসডিএফএর সংগঠক (পশ্চিমবঙ্গ)

Advertisements

মতামত জানান...

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s