শিশু-নারী-ব্লগার হত্যা বিচ্ছিন্ন কিছু নয় – রাষ্ট্রীয় হত্যাকাণ্ডের ধারাবাহিকতা, দায়মুক্তির প্রেরণা

Posted: সেপ্টেম্বর 6, 2015 in দেশ
ট্যাগসমূহ:, , , , , , , , , , ,

লিখেছেন: অনুপ কুণ্ডু

censorshipসাম্প্রতিক সময়ে শিশুকিশোর হত্যা, কিশোরীনারী নির্যাতন ও ধর্ষণ, ডাকাত বা ছিনতাইকারী সন্দেহে গণপিটুনীতে মানুষ হত্যা ব্যাপকভাবে বেড়েছে। অতীতের যেকোন সময়ের চেয়ে এই হত্যানির্যাতনের সংখ্যা এবং মাত্রা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পেয়ে চলেছে। এই বিভৎসতা, নৃশংসতা ভাষায় বর্ণনা করার নয়। যা দেখে কোন সুস্থ মানুষের স্বাভাবিক থাকা সম্ভব নয়। কেন ঘটছে এই ধরনের হত্যানির্যাতনবিভৎসতা? এর প্রতিকার কি সম্ভব নয়? নাকি এসব ঘটতেই থাকবে আর সাধারণ মানুষ নির্বিকারভাবে দেখে যাবে, সামান্য আহাউহু তারপর যথারীতি দৈনন্দিন জীবনযাপন। সাধারণের মধ্যে, সংঘবদ্ধ বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়তে দেখা যাচ্ছে না কেন?

সম্প্রতি সিলেটে রাজন, খুলনায় রাকিব, বরগুনার রবিউল এই তিন শিশুকিশোরকে নির্মম নির্যাতনে হত্যার পর দেশবাসী যেন একটু নড়েচড়ে উঠেছে। বিশেষ করে শিশু রাজনকে পিটিয়ে হত্যার ভিডিও দেশবাসীকে ব্যাপকভাবে নাড়া দেয়। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমের মধ্যদিয়ে যে ক্ষুব্ধতা দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে তাতে খুনীরা শেষরক্ষা করতে পারেনি। এলাকাবাসী তাদেরকে ধরে পুলিশে দিয়েছে, পুলিশের সহযোগিতায় প্রধান আসামী মধ্যপ্রাচ্যে পালিয়ে গিয়েও গ্রেফতার হয়েছে সেখানেই। এরপর রাকিবকে পায়ুপথে গ্যাস পাম্প করে হত্যার ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে, গণধোলাই দেয় হত্যাকারীদের। রবিউলের হত্যার ঘটনায় প্রতিক্রিয়া বা ক্ষুব্ধতার মাত্রা কমই দেখা গেছে। এ ঘটনা তিনটির আগে ও পরে অসংখ্য শিশু, কিশোরনারী, পুরুষের উপর অবর্ণনীয় নৃশংসতা ঘটেছে, হত্যা করা হয়েছে। এক জরিপে জানা যায়, গত দেড় মাসে ৩৫০ জন শিশুকিশোর হত্যার শিকার হয়েছে। এর সাথে আছে ব্লগার হত্যাকাণ্ড। ২০১৫ সালে এ পর্যন্ত ৪ জন অনলাইন লেখককে হত্যা করা হয়েছে। হুমকির মুখে আছে অসংখ্য ব্লগার। রাষ্ট্রীয় খুনী বাহিনী র‌্যাব, পুলিশের গুম, খুন, ক্রসফায়ারের নামে হত্যার ভয়াবহতা মাঝেমধ্যে বাড়ে কমে, শেয়ারবাজারে দাম উঠানামার মতো। ২০১২ সালে নোয়াখালীর নিরীহ কিশোর মিলনকে পুলিশ উন্মত্ত জনতার হাতে তুলে দিয়ে গণপিটুনীতে হত্যার ঘটনা মানুষকে কিছুটা নাড়া দিয়েছিল। সম্প্রতি রাজবাড়ীসহ কয়েকটি স্থানে ডাকাত সন্দেহে নির্দোষ মানুষকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। রাজনৈতিক গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে প্রতিপক্ষকে নির্মমভাবে হত্যা করতে দেখা যাচ্ছে। এ ছাড়া যৌতুক বা সাংসারিক কোন্দল কিংবা সম্পত্তি কেন্দ্রিক দ্বন্দ্বে প্রায়শই মানুষ হত্যার নিষ্ঠুর ঘটনা ঘটছে। উচ্চপদস্ত কর্মকর্তা, উচ্চবিত্ত, উচ্চ মধ্যবিত্ত পরিবারের কাজের লোক বা গৃহপরিচারিকার উপর নির্যাতনহত্যার ঘটনাও ঘটছে অহরহ।

এসব জঘণ্য হত্যানির্যাতনের খবর দেশবাসী জানতে পারে সামান্যই। বেশীরভাগ ঘটনাই ধামাচাপা দেয়া হয় নানান কৌশলে। মাঝে মধ্যে চাঁদপুরের একজন রসু খাঁ কিংবা খুলনার একজন এরশাদ শিকদারের বিকৃতিবিভৎসতার খবর প্রচার করে মিডিয়া তার মহাত্ম জাহির করে। প্রশাসন এ রকম দুএকজনকে গ্রেফতার ও বিচারের মুখোমুখি করে কৃতিত্বের ফুলঝুরি ছড়ায়। কিন্তু এরকম অগণিত রসু খাঁ বা এরশাদ শিকদারে দেশ ভরে উঠেছে। এসব বর্বরহিংস্র পশুদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে গোটা দেশ।

নানামাত্রিক এই হত্যা, নির্যাতনবিভৎসতা সম্ভব হচ্ছে আর্থসামাজিকরাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়নের কারণে। লুটপাট কেন্দ্রিক জনবিচ্ছিন্ন দুর্বৃত্তায়িত রাজনৈতিক সংস্কৃতির মুলোৎপাটন না করা গেলে এই নিষ্ঠুরতা থেকে পরিত্রাণ নেই। সংখ্যা ও মাত্রাগত দিক বিবেচনায় নিলে এই জঘন্য হত্যা, নির্যাতন এখন অনেক বেশী দেখা যায়। কিন্তু এ নিষ্ঠুরনির্মম ঘটনাগুলো সমাজে হঠাৎ করে আবির্ভূত হয়নি। এসবের একটা ধারাবাহিকতা এবং যোগসূত্রতা আছে। স্বাধীনতার পর থেকেই এর যাত্রা শুরু, আজ তা মহীরূহ আকার ধারন করেছে। এর ধারাবাহিকতা বের করতে একটু পেছনে যেতে হবে।

স্বাধীনতার পর ৭১ সালে প্রথম সরকার শুরু থেকেই তার কর্মকাণ্ড দ্বারা দ্রুত জনবিচ্ছিন্ন হতে থাকে। মানুষের চাওয়াপাওয়ার অসংগতি যেমন বাড়তে থাকে তেমনি সরকারের বিরুদ্ধে বিরুদ্ধতা, বিদ্রোহও দৃশ্যমান হতে থাকে। কিন্তু সরকার বা শাসকেরা মানুষের না পাওয়ার বেদনাকে আমলে না নিয়ে বিরুদ্ধতাকে দমন করতে উদ্যত হয়। সরকারের অগণতান্ত্রিক সিদ্ধান্ত এবং দেশব্যাপী ব্যাপক লুটপাটের বিরুদ্ধে প্রতিবাদকে চরম নিষ্ঠুরতার সাথে দমন করা হয়েছে। নির্যাতননিপীড়নের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় প্রথম খুনী বাহিনী রক্ষীবাহিনী দ্বারা বিরোধীতাকারীদের খুন করা হয়। সেই সমস্ত খুনের কোন বিচার হয়নি। রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতার কারণেই বিচারের কোন উদ্যোগ নেয়া হয়নি। চোরের খনি পাওয়ার সস্তা জনপ্রিয় বক্তৃতা দিলেও চোরদের বিচারের মুখোমুখি করা হয়নি। বরং তখনকার সরকার প্রধানের স্বজনপ্রীতি এবং রাষ্ট্রীয় আনুকূল্যে দেশটা পরিণত হয়েছিল চোর, ডাকাত, খুনীদের স্বর্গরাজ্যে। যাদেরকে নির্যাতন করা হয়েছে, হত্যা করা হয়েছে তারা প্রায় সকলেই ছিল স্বাধীনতাযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী, দেশপ্রেমিক নাগরিক। তাদের এই হত্যা, নির্যাতন সমাজে চাপা বিক্ষোভবিদ্রোহ তৈরি করেছিল। ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনে মানুষ একদিকে ছিল ভীতসন্ত্রস্ত অন্যদিকে অপ্রকাশিত ক্ষোভবিক্ষোভে মানুষ সরকার বিরোধী হয়ে উঠেছিল। আর সেই সুযোগে দেশীবিদেশী ষড়যন্ত্রকারীরা তৎকালীন সরকার প্রধানকে স্বপরিবারে হত্যা করে। সংঘঠিত হয় জেলহত্যা। ৭২-’৭৫এর রাষ্ট্রীয় খুনীদের অঘোষিত দায়মুক্তির ধারাবাহিকতা পরবর্তী শাসকেরা ৭৫এর খুনীদের দায়মুক্তি দিয়েছিল ঘোষণা দিয়েই।

এভাবে খুননির্যাতনকে স্বাভাবিক ঘটনা হিসেবে সমাজে প্রতিষ্ঠিত করে পরবর্তী সামরিক সরকার, তথাকথিত গণতান্ত্রিক সরকার। সেই ধারাবাহিকতা আজও বিদ্যমান। এরশাদ সরকারের নির্যাতননীপিড়নের বিরুদ্ধে মানুষ ফুঁসে উঠেছিল। ব্যাপক আন্দোলনের মাধ্যমে এরশাদকে গদিচ্যূত করেছিল। তার আগে জেনারেল থেকে শাসক হয়ে ওঠা জিয়াউর রহমান হত্যাখুনের ধারাবাহিকতা থেকে নিজেকেও বাঁচাতে পারেননি।

সামরিক শাসনের নিষ্পেষণ মুক্ত হয়ে গণতান্ত্রিক সরকার আমলে মানুষ এই নির্বিচার হত্যাখুননিপীড়ন থেকে মুক্তি চেয়েছিল, কিন্তু তা সম্ভব হয়নি। বরং ধারাবাহিকতায় যাতে ছেদ না ঘটে সেই দিকে অখণ্ড মনোযোগী ছিল শাসকগোষ্ঠী। একবিংশ শতাব্দীতে এসে এই নিপীড়নের নির্মমতা ভিন্নমাত্রায় নেমে আসে। রাষ্ট্রীয় মদতে ধর্মীয় ফ্যাসিবাদীদের একটা অংশকে জঙ্গীরূপে দাঁড় করিয়ে মানুষ হত্যানির্যাতন শুরু হয়। সামরিকঅসামরিক বাহিনীর সমন্বয়ে যৌথবাহিনীর বিভীষিকাময় নির্যাতনহত্যার প্রকল্প হাতে নেয়া হয়। এরপর গঠন করা হয় দ্বিতীয় রাষ্ট্রীয় খুনী বাহিনী র‌্যাব। নির্বিচারে ঘটতে থাকে ক্রসফায়ার, মারতে থাকে মানুষ। কোন জবাবদিহিতা নেই।

২০০৯ সালে মহাজোট সরকার ক্ষমতাসীন হয়ে গুমখুনক্রসফায়ার রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন আরো বাড়িয়ে দেয়। এ যেন গণতন্ত্রের খোলসে অগণতান্ত্রিক উপায়ে চলতে থাকে রাজ্য শাসন! বিরুদ্ধমতকে একেবারে টুঁটি চেপে রাখা হয়। স্বাধীন মতামত প্রকাশ মানেই নিপীড়ন। বিরোধী রাজনৈতিক শক্তিসমূহকে পিষতে পিষতে যীশুখ্রিষ্টের মতো পেরেকবন্দী করে ফেলা হয় ।

২০১৪ সালে ভোটারবিহীন প্রহসনের নির্বাচনের মাধ্যমে দ্বিতীয়দফা ক্ষমতাসীন হয়ে তারা সংবিধানগণতন্ত্রমুক্তিযুদ্ধ ইত্যাদির একমাত্র রক্ষাকর্তা হিসেবে নিজেদের জাহির করতে থাকে!

গণতন্ত্রের নামে এক ব্যক্তির স্বৈরতান্ত্রিক ফ্যাসিবাদী শাসনকে চরম সীমায় নিয়ে গেছে বর্তমান সরকার। উন্নয়নের কথা বলে গণতন্ত্রকে কখনো কখনো হিমাগারে রাখা হচ্ছে। কোটি কোটি টাকা গচ্চা দিয়ে রেন্টালকুইক রেন্টাল প্রকল্প বহাল রাখা হচ্ছে। অবৈধ সুবিধা নিচ্ছে ক্ষমতা সংশ্লিষ্ট গুটিকয়েক ব্যবসায়ী। সেখানেও দায়মুক্তি। ব্যাংক ডাকাতি, শেয়ার বাজারের লুটপাট, আবাসন ব্যবসায়ীদের ভূমিদস্যুতা, গার্মেন্টস মালিকদের শ্রমিক শোষণ, আল কায়েদা ও আইএস জঙ্গীর জুজুর ভয় দেখিয়ে তরুণদের আন্দোলন দমন, ব্লগার হত্যা, নতুবা দেশ থেকে তাড়িয়ে দেয়া, সংখ্যালঘু ও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের বাড়িঘর জ্বালিয়েপুড়িয়ে দেয়া, হত্যা করা, তাদের ভূমি দখল করা, পুলিশ প্রশাসনকে রাষ্ট্রীয় সকল অপকর্মের রক্ষক বানিয়ে পুলিশী রাষ্ট্র তৈরি ইত্যাদি কতশত উপায়ে চলছে নির্যাতননীপিড়নহত্যাকাণ্ড। বিচারবিভাগও সরকারি নির্দেশনায় বিচারকে অবিচারে পরিণত করে ফেলে প্রায়শই। দমবন্ধ এক জতুগৃহের বাসিন্দা আমরা সবাই! এর মধ্যে সমাজের কিছু মানুষ রাষ্ট্রীয় খুননির্যাতনদায়মুক্তি, বিচারহীনতার সংস্কৃতির দ্বারা উদ্বুদ্ধ হয়ে নানান ধরণের পাশবিক কাজ করছে। এরা প্রায় সকলেই ক্ষমতাসীন বা ক্ষমতাসীনদের পৃষ্টপোষকতা পেয়ে বেপরোয়া কর্মকাণ্ড করে বেড়াচ্ছে। বর্তমানের শিশু, কিশোর বা নারী নির্যাতনকে বিচ্ছন্নভাবে দেখার সুযোগ নেই বরং রাষ্ট্রীয় এ সকল অপকর্মের ধারাবাহিকতা। দুএকটি ঘটনায় লোক দেখানো বিচার হয়, তামাশাপূর্ণ শাস্তির ব্যবস্থা করে সরকাররাষ্ট্র মুখরক্ষা করে থাকে। এরকম দুএকটি বিচারের উদাহরণকে তারা সবক্ষেত্রে ঢোল পিটিয়ে হাজির করে।

শিশুকিশোরনারী নির্যাতন মূলত রাষ্ট্রীয় নির্যাতনের অনুসঙ্গ। এসব বর্বরতার বিচার আমাদের প্রচলিত আইনে সম্ভব নয়। এমনকি আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হলেও সম্ভব নয়। কারণ আমাদের বিদ্যমান আইনে পাকিস্তান এবং ব্রিটিশ আমলের বিভিন্ন কলাকানুন সন্নিবেশিত আছে। ঔপনিবেশিক এই কলাকানুন সম্পূর্ণ বাদ দিয়েস্বাধীন দেশের উপযোগী করে আইন তৈরি করা দরকার। যে আইন শাসকগোষ্ঠীর বিশেষ উদ্দেশ্যে প্রণীত হবে না। দেশের শাসকগোষ্ঠী নিশ্চয়ই স্বপ্রণোদিত হয়ে এই আইন প্রণয়ন করবে না। করার প্রশ্নও অবান্তর। তা করতে পারে প্রকৃত জনগণের পক্ষের রাজনৈতিক শক্তির সমন্বয়ে গঠিত সরকার।

শাসকগোষ্ঠী ঔপনিবেশিক শক্তিসমূহের উত্তরাধিকার হতে চেয়েছে, তাই হয়েছে। স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের মর্যাদাবান শাসনকর্তা, সত্যিকারের মানুষের প্রতিনিধি হতে চায়নি কখনোই। আর জনমানুষের পক্ষের শক্তি হওয়ার কথা ছিল যাদের সেই গণতান্ত্রিক ও বামকমিউনিস্ট শক্তিসমূহকে শাসকগোষ্ঠী সবসময়ই নিজেদের অপকর্মের সহযোগী হিসেবে নির্জীব করে রেখেছে।৭২-’৭৫ সালে ন্যাপসিপিবি, জিয়াএরশাদের আমলে পিকিংপন্থী বামদের একাংশ, জাসদ, আর বর্তমান আমলে, সাম্যবাদী দল, ওয়ার্কাস পার্টি, জাসদ (ইনু) প্রকৃতই এদের সহযোগী।

যে কোন ধরণের হত্যা, খুন, নিপীড়ন, নির্যাতনকে রাষ্ট্র বিচ্ছিন্নভাবে দেখানোর চেষ্টা করে। তাই রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনার অর্থাৎ সরকারের বদলেও শ্রমিক শ্রেণীর লুটপাট বা হত্যানির্যাতন চলে আগের ধারাবাহিকতায়।

এর পরিবর্তন সম্ভব একমাত্র রাষ্ট্র বিপ্লব দ্বারা বিদ্যমান রাষ্ট্রীয় কাঠামো আমূল উচ্ছেদের মাধ্যমে। এই ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্রব্যবস্থা উচ্ছেদ করে মানুষের জন্য বাসযোগ্য গণতান্ত্রিক একটি রাষ্ট্রসমাজ গঠনের মধ্যদিয়েই সেটা সম্ভব। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে প্রতিবাদপ্রতিরোধ গড়ে তোলার পাশাপাশি জনগণের পক্ষের শক্তিকে সংগঠিত করতে হবে।

Advertisements

মতামত জানান...

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s