বিশ্বমানের ছায়া

Posted: অগাষ্ট 8, 2015 in সাহিত্য-সংস্কৃতি
ট্যাগসমূহ:, , , ,

লিখেছেন: মতিন বৈরাগী

০১.

abstract-art-432দীর্ঘ সময় ধরে চলমান সামাজিক রাজনৈতিক আবদ্ধতা মানুষের মনজগতে নানা প্রতিক্রিয়ার প্রভাব ফেলে। মানুষ সামগ্রিকভাবেই চিন্তা চেতনার ক্ষেত্রে কমবেশি পঙ্গুত্বকে বহন করতে শুরু করে। নতুন চিন্তা যা কিছু তারা বলে তা পুরানো চিন্তারই নামান্তর, অর্থাৎ দাস মনোবৃত্তিই তাদের মনোজগতে প্রবল হয়ে ওঠে ও প্রভুর সকল ছলচাতুরীকে তারা গোষ্ঠী জাতি বা বৃহত্তর মানুষ গোষ্ঠীরা প্রায় একই রূপ বহন করতে থাকে তারা মনে করে যে তারা নতুন জীবন দেখছে নতুন সুযোগ পাচ্ছে এবং নতুনের দিকে যাচ্ছে। আসলে এই ভাবনা তার মনোবৈকল্যের ফলাফল। আমরাও আমাদের চারপাশে এরকম অবস্থাই দেখছি। দেখা স্বাভাবিক। বিশ্বপরিস্থিতির ভেতরই আমাদের বসবাস এবং বিশ্ব মোড়লদের একই ছকের ভেতর আমাদের দিনরাত্রি। হিসেব নিকেশও প্রায় একই রকম। সামান্য কিছু হেরফের থাকলেও উন্নত বিশ্ব বা গরীব বিশ্বের মানুষেদের মনোজগতের ক্রিয়া কর্মে খুব বেশি দূরত্ব থাকেনা।।

রাজনকে যখন পিটিয়ে মারা হয় তখন নিশ্চয়ই তা জনমানবহীন জঙ্গলে বা মরুভূমির নিষ্করুণ বালুকা প্রান্তরে সংঘটিত হয়নি। হয়েছে লোকালয়ে। এমন কেউ কি ছিল না যে এর প্রতিকারে এগিয়ে আসে বা দলবদ্ধ হয়ে তা প্রতিরোধ করে? ছিল না। কারণ মানুষ সিংহরূপে কখন জাগরিত হয় যখন তার চেতনা রাজনৈতিক ক্রিয়াকর্ম্ দ্বারা জাগরিত হয়। যখন চারিদিকে আশা থাকে এবং আশা নির্মাণে প্রচুর উদ্দীপণা থাকে। নইলে ঘুমন্ত সিংহ ইঁদুর সম। এমনও হয় যে কেউ উপযুক্ত কোন উদ্যোগ নিয়েছে, কিন্তু যে অঙ্গগুলো সক্রিয় হয়ে দ্রুত নিবারণ প্রকৃয়ায় যাবে সেগুলোও একই প্রকৃয়ায় এমন নিস্তেজ নিস্পন্দ অবস্থায় আছে যে কোন কাজই করে নি। কিম্বা এরকম অভিজ্ঞতা সমাজে আছে বলেই কেউ তেমন উদ্যোগ নিতেও যায় নি। তারপর যখন তা স্ফুলিঙ্গ হয়ে দাবানল হলো [আসলে কি হয়েছে?] তখন যে ক্রিয়া আমরা দেখলাম তা থেকে বিশ্বাস করা যায় না যে এটা সত্যিকারের দাবানল হয়েছে এবং তা কার্যকরণ প্রাপ্ত হয়ে সামনের দিকে এগুচ্ছে। এরকম অনেক ঘটনা রয়েছে এবং ধীরে ধীরে একসময় সময়ের গর্ভে হারিয়েও গেছে। চেতনা নির্ভর করে সামাজিক অবস্থানের উপর যা নিয়ন্ত্রণ করে উৎপাদন সম্পর্ক এবং রাজনীতি।

.

০২.

রাজনীতির আধিপত্যবাদিতা মানুষের মনোজগতে যে বিপুল প্রভাব ফেলে তা আমরা প্রতিদিন প্রত্যক্ষ করলে এর সরল দিকটির পরিবর্তে এক ভয়ানক চিত্র দেখতে পারি। অভ্যেস গড়ে ওঠে কোন কিছু তলিয়ে না দেখার এবং একটা সরল বিশ্বাসে নির্ভর করে জীবন কাটিয়ে দেয়ার। যে জীবন কখনও তার নয়, অথচ সে জানতেও পারে না কে বা কারা তাকে প্রতিমুহূর্তে তাই শেখাচ্ছে। সে কখনও এই কথাটা ভাবতে পারে না যারা সমাজপতি এবং সে উভয়ের প্রারম্ভিক আগমনের রূপ একই এবং যাত্রা শেষ একই প্রান্তে একই আবহে মেজাজে দৃ্শ্যে তা হলে মধ্য সময়ের ব্যবধানটি কে নির্ধারণ করে? সে যে সমাজ এবং তার নিয়ন্ত্রা রাজনীতি তা সে উপলব্ধি করতে পারে না। কারণ সে রাজনীতির কঠিন শৃংখলে আবদ্ধ থাকতে থাকতে ভুলে যায় তার নিজত্বকে এবং নিজস্বতা হারিয়ে ফেলে। যে সব দেশ উন্নত বিশ্ব বলে দাবী করে তার নাগরিকদের জন্যও রয়েছে নানারূপ চমকপ্রদ বিষয় আশয়, ঝলমলে পরিপার্শ্ব দেখে এমনি মানসিক বিভ্রান্তিতে চেতনা হারায় সে দেশের নাগরিকগণ, সে নিজস্ব বিবেচনা নিজত্বের মধ্যে নিয়ে কিছুই ভাবতে পারে না। পুঁজি এমনই মারমুখি সে সব কিছু আগ্রাসী ক্ষুধার নিয়ন্ত্রনে নিয়ে নেয়। মানুষ হয়ে পড়ে পোকামাকড়ের মতো এক জীবন বাহি প্রাণী তার মনস্তত্বও গড়ে ওঠে সেই ভাবে। এটা কেবল আজকের নয় গতকালেরও এবং আগামীরও।

এরকম ব্যবস্থায় কবি সাহিত্যিক বুদ্ধিজীবী বলে যাদের বেশ নাম ডাক বেশ আদর যত্ন তারাও একই রূপ মনবৃত্তির দাস। যদিও আমরা বলি তারা সমাজের আলোকপ্রাপ্তজন কিন্তু কতটুকু? সেই টুকুই যা ওই সমাজের নানা নিয়ন্ত্রণ ক্রিয়ার মধ্যে অবস্থানের নানা দ্বান্দ্বিকতায় মনোবৃত্তি গড়ে দেয়। সেটা মুক্ত নয় বরং অধিকজনের মুক্তির জন্য চূড়ান্ত বিবেচনায় বিপদজ্জনকও। এদেরও এই বিবেচনা বা উপলব্ধি কত কিছু হচ্ছে আর নতুন করে কি চাই?সভ্যতা কি এগুচ্ছে না? ১০০ বছর আগে আমরা কোথায় ছিলাম আর আজ বিশ্ব কোথায় দাঁড়িয়েছে। বেশ সত্য কথা। কিন্তু তারা তাকিয়ে দেখে না যারা মোট বয়, যারা কলের চাকা ঘুরায়, যারা ঠেলা টানে, যারা ক্ষেত মজুর, যারা প্রান্তিক, যারা মৎস্যজীবী তারা বদলাতে পেরেছে কীনা না পরম্পরাকে, না কী আরো বিপর্য্স্ত অবস্থায় তলিয়ে থাকছে। কারণ সেরকম ভাবনার কোন পরিস্থিতি এই সামাজিক রাজনৈতিক অবস্থান থেকে শিখবার কোন পথ নেই। এখানে শিখতে হয় তাই যা অশিষ্ট, অন্যায়, অমানবিক তাই পেয়ে যায় মানবিক বিবেচনা। কারণ তারও নানা প্রতিষ্ঠান গড়ে রাখা হয় মানুষকেই বিভ্রান্ত করবার জন্যই এবং তার সকল চিন্তার মুক্তদ্বারগুলো বন্ধ করে দিয়ে রাজনীতির গতিধারাকে বেগবান করার জন্য। এইরকম একটা মনস্তত্ত্বের মধ্যে মানুষকে ঢুকিয়ে দেয়া হয় আর তখন মানুষ তার ‘সেলফ’ কে হারিয়ে হয়ে যায় আজ্ঞাবহ ক্রিতদাস।

রাজা নির্দেশ দিল হাতিমতাইকে রহস্যময় স্নানাগারের তদন্ত শুরু করতে কারণ ওই স্নানাগারে গিয়ে কেউ ফেরেনা আর হাতেমতাই তা শুরু করতে গিয়ে অভ্যর্থ্ণা পেল এক নাপিতের কাছ থেকে যে তাকে স্নানাগারের ভেতরে নিয়ে গেলো। হাতিমতাই জলে নামল এবং এক ভীষণ শব্দে চারদিক অন্ধার হয়ে গেলে নাপিত অদৃশ্য হলো। জল বাড়তে থাকলো। হাতিম মরীয়া হয়ে চারদিকে সাঁতার কাটতে কাটতে একটা গম্বুজের কাছে পৌঁছাল এবং গম্বুজ আঁকড়ে ধরতে বজ্রপাতের শব্দে সব কিছু পাল্টে গেলো। হাতিম দেখল সে একা একটা মরুভূমির মধ্যে দাঁড়িয়ে। নানা দুঃখকষ্ট ভোগের পর সে পৌঁছাল এক সুন্দর বাগানে যার মাঝখানে কয়েকটি পাথরের মুর্তি তার কেন্দ্রে খাঁচায় একটি তোতো। তখন সে একটা শব্দ শুনল হে বীর আপনি এই স্নানাগার থেকে জ্যান্ত বেরুতে পারবেন না। হাতিম অবশেষে বের হয়েছিল এবং এর রহস্য উদ্ঘাটন করেছিল কিন্তু আমরা কী বের হতে পারবো এই রহস্যময় রাজনীতির স্নানাগার থেকে না কি রাজপুত্রদের মত পাথরবৎ হয়ে থাকবো কবে হাতিম আসবে?

.

০৩.

হাতিম আর কেউ নয় হাতিম ‘সেলফ’ যার অস্তিত্ব নিজের মধ্যেই, এবং জাগ্রত হাতিম মনোবৈকল্যের বেড়া ডিঙিয়ে যাদুকরা মনকে যা প্রস্তরবৎ হয়ে আছে তাকে মুক্ত করতে পারে। [তার জন্য প্রয়োজন কল্যাণকর রাজনীতির] এই যাদুকর আর কেউ নয় সমাজ রাষ্ট্র এবং তার নিয়ন্ত্রক শক্তি। তারা নানা ভাবে নানা অবস্থানের মধ্যদিযে পুরো পৃথিবীর মানুষকে এক কারাগারে আটকে রেখেছে যে খানে মানুষের বিশ্বাস নানা প্রকৃয়ায় একটা প্যাটার্ন্ লাভ করেছে। আর একদল মানুষকে ওই শ্রেনির বিশেষ সেবাদাসে পরিনত করেছে কিঞ্চিত বেশি সুবিধা অবারিত করে। এরা পুতুলের অভিনয়টা ঠিকঠাক করে কিন্তু রশিটা থাকে নাচনে ওলার হাতে। সাধারণ পুতুল আর বিশেষ পুতুলের ফাঁরাকটা এখানে যে বিশেষ পুতুল গুলো কিছু কিছু সুবিধা পেয়ে যায় এবং সাধারণ পুতুলগুলোর নিয়ন্ত্রন তারাই করে সৃজনদ্বারা নির্মাণ দ্বারা। এ ক্ষেত্রে বিভাজিত ভূখন্ডের মানুষরা যারা এখন যুগ্মসংস্কৃতিতে বিশ্বাসী তারা পুঁজির উচ্চতরপর্য্যায়ের বিকশিত সমাজের সবকিছুকে সুন্দর বলে ভাবতে শুরু করে এবং তাদের জিনিসপত্র ফেরী করে। তারা মনে করে উইলিয়াম যা লিখেছে তাই বিশ্বমান এবং উইলিয়াম যে ন্যাংটা হয়ে দৌঁড়াচ্ছে তাও বিশ্বমান। তারা আরো মনে করে যে ওই সমাজে যা কিছু ঘটে তাও বিশ্বমানের। এমন কি সমকামীতা! তাও। এরা বিভিন্ন দেশ থেকে রপ্তানী আর ওই সব দেশের আমদানী হয়েই তেলপানি পায় এবং নিজের দেশের দূরাবস্থা দেখে হাস্য করে আর জ্ঞানগরিমায় ফুলে থাকে। এটা একটা মনস্তাত্ত্বিক সমস্যা যা সাম্রাজ্যবাদী ব্যবস্থাপনার সৃষ্টি। হাতিমের কাহিনীটি পূরনাঙ্গ বিশ্লেষণ করলে এবং সামাজের অস্তিত্বের সংগে মিলিয়ে দেখলে সম্ভবত অনেক প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যাবে।

.

০৪.

কোন কোন ঘটনার মধ্যদিয়ে একটা মানবগোষ্ঠী নতুন করে আলোড়িত হতে পারে। আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধ এবং বিজয় জনতাকে একটি মনস্তত্ত্বের ভেতর দিয়ে নিয়ে গেছে। মোজেজের ইহুদি জাতি গড়ে তোলার মতোই। মোজেজ কে খুন করেছিল? তার নির্মিত জাতির লোকেরা। মোজেজ ইহুদিদের ঈশ্বরের নির্বাচিত জাতি বলে ভাবতে শিখিয়েছিল এবং এই মনস্তত্ত্ব ওই জাতির নানা পতন উত্থানের মধ্যদিয়ে একত্রিত হয়ে উঠতে সাহস যুগিয়েছে।

হাতিম দীর্ঘদিন দুঃখকষ্ট ভোগ করে একটা সুন্দর বাগানে পৌঁছেছিল এবং দেখল বৃত্তাকারে সাজান কয়েকটি পাথর মুর্তি। মূর্তিগুলির কেন্দ্রে খাঁচার মধ্যে একটি তোতা। এবার সে একটা কন্ঠস্বর শুনল, হে বীর আপনি বোধহয় এই স্নানাগার থেকে জ্যান্ত বেরুতে পারবেনা। যে তোতা আপনি দেখছেন তা আসল নয় সে হচ্ছে যাদুর মায়া। তোতার পায়ের কাছে একটি সোনার তীরধনুক আছে আপনি যদি ওই তীর ধনুক দিয়ে তোতাকে বিদ্ধ করতে পারেন তবে মুক্তি। আর না পারলে আপনিও পাথরের মূর্তি হয়ে রইবেন। হাতিম প্রথম তীর ছুড়ল কিন্তু তোতা বিদ্ধ হলো না, তার পা পাথর হয়ে গেলো। হাতিমের দ্বিতীয় তীর ব্যর্থ হলে তার বুক পর্যন্ত পাথর হয়ে গেলো, শেষটায় হাতিম ঈশ্বর সর্ব্ শক্তিমান বলে তীর ছুড়তে বিদ্ধ হলো সেই তীর। [ঈশ্বর মানে আপন] ফুৎকারে মিলিয়ে গেলো সব মুক্ত হলো রাজকুমারগণ এবং হাতিম দেখল একটা মস্ত হীরে। এই হীরে গোয়ামর্ত প্রথম মানব লুকিয়েছিল। এখানে এই প্রতীকগুলোর ভিন্ন ভিন্ন অর্থ রয়েছে। যেটুকু আমাদের প্রয়োজন তাই উল্লেখ করছি, তোতা হচ্ছে জাদুকর আজকের পুঁজিবাদ যে বিভ্রান্ত করে দেয় লক্ষ এবং মানুষের চিন্তাকে বিভ্রান্ত করে পাথর বানিয়ে রাখে। মানুষ তোতাপাখির মতো বুলি আওরায় এবং কতককে গুরু মান্য করে তাদের অনুকরণ করতে চায়, আসলে এই মানসিকতা প্রস্তরবৎ স্থবিরতা। আর যে নাপিত অদৃশ্য হয়ে গেছে সে হলো আমি, আমি হারিয়ে আমরা হাতিমতাই হারিয়ে বসে আছি। ঔপনিবেশিক মনবৃত্তি বিশেষ করে আমাদের মতো পশ্চদপদ দেশগুলোর মানুষের মধ্যে কড়ায়গন্ডায় বিরাজমান, দীর্ঘ্সময়ের নিষ্পেশন, পশ্চাদপতা থেকে অনেকেই এখন পশ্চিমমুখি আর পশ্চিম নতুন উপনিবেশ ফরমুলায় এই সব দেশের মানুষকে তার সমাজে অত্মিকরণ করছে তারই স্বার্থে। তারপর নানা ঘটনার পরম্পরায় তাদের মগজ ধোলাইটা ঠিকঠাক হয়ে যাচ্ছে চলমান প্রক্রিয়ায়। তারা হয়ে উঠছে তাদেরই একজন। আর এই তারা আমাদের মতো দেশগুলোর শাসক, অর্থনৈতির নিয়ন্ত্রা। উৎপাদন ব্যবস্থা করায়ত্বকারী। ফলে বিকাশমান ধনতন্ত্রের প্রয়োজনে এরা খুব ভালভাবে সেবাটা দিতে পারছে। [তথাকথিত সমাজতন্ত্র নির্মাণেও এরকম মনস্তত্ত্ব গড়ে দেয়ার চেষ্টা চলছিল বা চলে। রাষ্ট্রের জোরাজুরি মানুষের মন কে সংকুচিত করে ফেলে, আকাঙ্ক্ষাটাই যায় নিভে] আর জনগণ তারা বেড়ে উঠছে বিশৃংখলায়, তাদের শিক্ষা, জীবন উপলব্ধি সবই নিয়ন্ত্রণ করছে বিশঙ্খল রাজনীতি। তারা দাস হয়ে মধ্যপ্রাচ্যে বা অন্যকোথাও তাদের শ্রম বিক্রি করছে। এ বিষয়টিও যে বিশ্বপুঁজি ব্যবস্থার কৌশল তা উপলব্ধি করবে এমন অবস্থায় তো আমরা নেই। আমরা এখন আমরা শূন্য। এখন আমাদের কাছে আমাদের কোন কিছুই ভাল লাগে না। ভাল লাগে তাই যা উইলিয়াম করে। আর আমরা বর্তে যাই।।

——————

২২/০৫/২০১৫

Advertisements

মতামত জানান...

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s