লিখেছেন: বেনামি সমাদ্দার

human-trafficking-121প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন যারা সমুদ্রে ভাসছে সমুদ্র পথে বিদেশে যেতে গিয়ে থাইল্যান্ডে বা মালয়েশিয়ার সমুদ্রপোকূলে কেঁদে বুক ভাসাচ্ছে; তারা দেশের বদনাম বয়ে আনছে। মানব পাচারকারীদের মতো তারাও অপরাধী। অর্থাৎ দেশে যত অনাচারই হোক, যত নিরাপত্তাহীনতাই থাকুক, না খেয়ে কাজ না পেয়ে মরে গেলেও কোনো প্রকারে দেশ ছেড়ে যাওয়া যাবে না। কেবল যাওয়া যাবে সরকার যখন দাস পাচার করবে তখন। সেটাও এখন বন্ধ। দেশে জনসংখ্যা এখন আঠার কোটির ঘরে। বেশিরভাগই দরিদ্র্যসীমার নিচে বাস করে। বিদ্যালয়ে পড়তে পারে না। হাসপাতালে চিকিৎসা পায় না। খাবারদাবার সংগ্রহের মত কাজ নাই। অর্থাৎ শিক্ষা এখন একশ্রেণীর ব্যবসা। এই শিক্ষা ব্যবসার ছাড়পত্র কিন্তু সরকারই দিয়েছে। অমর্ত্য সেন তার গ্রন্থ ‘ভারত: উন্নয়ন ও বঞ্চনা’তে লিখেছেন, জাতীয়ভাবে তথা সরকারীভাবে বন্টন না হলে কখনোই শিক্ষার বা চিকিৎসার সমবন্টন সম্ভব না। সমবন্টন শুধু মুখের কথা যেমন মুখের কথা অনেক কিছুই। চিকিৎসাও একধরনের ব্যবসা। এ এমন এক ব্যবসা। মনে হতে পারে জীবনের চেয়ে মৃত্যুই শ্রেয়। একটা আধুনিক সরঞ্জামাদি থাকা হাসপাতালে ঢুকলে বেরিয়ে আসার আর কোনো উপায় থাকে না। সবই পরীক্ষানিরীক্ষা করা যায়; কিন্তু এরপর নিজের বাসস্থানও বিক্রি করে তার দাম পরিশোধ করতে হয়। এমনও ঘটছে যে রোগীটি মারা গেল। আকাশ পরিমাণ বিল পরিশোধ না করা পর্যন্ত মৃতদেহটিও ফেরত দেয়া হচ্ছে না। ঠিক তেমনি অন্যান্য সকল বিষয়েই প্রযুক্তিটা উন্নত হচ্ছে; কিন্তু তাতে পকেট কাটা যাচ্ছে জনগণের।

আর আইন আরও বড় ব্যবসা এখন। সাধারণ জনগণ বিপদে পড়ে থানায় একবার গেলে বাদী ও বিবাদী উভয়েই পরিণত হন থানার কাস্টমারে। উভয়ের কাছ থেকেই ওপেন ঘুষ নেওয়া যেন এখন রীতি। অন্যায় থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য নাকি এসব আইনশৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠান। কিন্তু এসব প্রতিষ্ঠান থেকে রক্ষা পেতে কোথায় যাবে মানুষ? কোনো নারী যদি কারো দ্বারা লাঞ্চিত অথবা ধর্ষিত হয়; সে ভয়ে থানায় অভিযোগ করতে যায় না। কারণ থানায় গেলে তাকে আরেকবার ধর্ষণের শিকার হওয়া লাগতে পারে। যা লিখছি, এই সবেরই কোনো ডকুমেন্টস নাই। প্রমাণ করা যাবে না আইনানুগভাবে; ফলে বলে কি লাভ এই সব মিথ্যা কথা। কিন্তু যখন নারায়ণগঞ্জের সাত মার্ডারের সঙ্গে দেশের সবচেয়ে এলিট ফোর্সের সদস্যরা জড়িত থাকে? আইনের বন্দুক নিয়ে যখন তারা প্রফেশনাল খুনী হয়ে উঠে তখনও সেটা প্রমাণ করা যাবে না; কারণ যারা এইসব ঘটাচ্ছে তারাইতো এইসব মামলা তদারকি করবে। শিশু থেকে শুরু করে নারী নির্যাতন বা নারী ধর্ষণ যখন প্রতিদিন সংবাদপত্রের শিরোনাম তখন চ্যানেলে আইনের সেবকদের সাক্ষাৎকার শুনলে মনে হয় তিনি এসব বিষয়ে কিছুই জানেন না। তিনি এসব খবর এখনো পান নি। তিনি এইমাত্র জন্ম নিয়েছেন। অথবা তিনি অন্যগ্রহ থেকে এসেছেন। তাদের বক্তব্য জনগণের সঙ্গে সুস্পষ্ট প্রতারণা ছাড়া আর কিছু নয়।

এরাই হরেদরে খেয়ে ফেলছে জনগণের নিরাপত্তা। নিরাপত্তা যেখানে জনগণের সাংবিধানিক অধিকার সেখানে নিরাপত্তাও এখন অনেক বড় পণ্য। যার টাকা বেশি সেই কিনতে পারে।

শত শত বুলেটপ্রুফ গাড়ি ও বডিগার্ড পরিবেষ্টিত হয়ে যারা সরকার পরিচালনা করে; তারা ছাড়া বাকি জাতি জানে নিরাপত্তা একটা প্রহসন ছাড়া আর কিছু না। শিক্ষা সেবা স্বাস্থ্য সেবা ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করে ক্ষমতা। ক্ষমতাবানদের চেলাচামুণ্ডারা হয়তো শিক্ষা ও চিকিৎসা সেবা পাচ্ছে; কিন্তু সঠিক অর্থে যারা সাধারণ মানুষ, রাষ্ট্র যাদের সেবা দেয় বলে ছদ্মবেশ ধারণ করে থাকে, তাদের অবস্থা করুণ থেকে করুণতর। কোনো সরকার যখন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে তাদের নিজেদের ক্ষমতারক্ষার জন্য আধিপত্য বিস্তারের জন্য ব্যক্তিগত বাহিনীর মতো ব্যবহার করবে; তখন এমনই পরিস্থিতির উদ্ভব হয় রাষ্ট্রে। ছাত্র সংগঠনের সন্ত্রাসীরাও পরিণত হয়েছে উৎপীড়ক পুলিশে। দেশে এমন কোনো ব্যবসা নাই; যেখান থেকে ছাত্রলীগের ছেলেরা চাঁদা খায় না। কিন্তু কোনো প্রমাণ নাই, প্রমাণ করা যাবে না। তো এই অবস্থায় সাধারণ মানুষ যে কোনো উপায়ে দেশ নামের জেলখানাটা ছেড়ে পালিয়ে যেতে চায়। এরা আসলে সেই নিষ্পেষিত জনগণ যাদের সামনে সমুদ্র। পিছনে রাষ্ট্র নামের কারাগার। মাথার উপর সরকার নামের লিভিয়াথান দানব। বাঙালি জাতীয়তাবাদ, স্বাধীনতার পক্ষশক্তি, জাতির পিতা, চটকদার মিথ্যায় ভরা ভাষণ ইত্যাদি মিথ্যা প্রলোভন দিয়ে দিনের পর দিন জনগণকে নাঙ্গা ভূখা করে রাখার যেই চক্রান্ত ওখান থেকে হয় মুক্তি নয় মৃত্যু বলে তারা পাড়ি দিচ্ছে সমুদ্রপথ। হয় তারা মরে যাচ্ছে, নয় তারা অন্য কোনো দেশে যেখানে তাদের আর এইসব গালভরা মিথ্যা শুনতে হবে না, সেরকম কোনো দেশে তারা পাড়ি দিতে চায়।

শেখ হাসিনা তাদেরকেই বলছেন অপরাধী। তারা চলে যাচ্ছে তাই তার বদনাম হচ্ছে। বাংলাদেশ নামক এই কারাগারে কি ঘটছে তা বিশ্ব জানছে; এই হলো তার ভয়। বাংলাদেশ এখন হাসিনা সরকার ও তার স্বজনদের টাকা বানানোর মেশিন। স্বেচ্ছাচারিতার মহোৎসব। কিন্তু এইসবই প্রমাণ করা যাবে না। মিথ্যাচারে ভরা এই দুর্নীতিময় রাষ্ট্রে সব নিয়মই অনিয়ম আর অনিয়মই নিয়ম। প্রমাণ করা যাবেনা; কারণ দেশের অধিকাংশ মিডিয়া সরকার নিয়ন্ত্রণ করে। যারা শেখ হাসিনা বা তার সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলছে, সমালোচনা করছে; স্তব্ধ করে দেয়া হচ্ছে তাদের মুখ ও কলম। বাংলাদেশ ক্রমেই পরিণত হচ্ছে একটা মাফিয়া রাষ্ট্রে। ছলেবলে ক্ষমতায় টিকে থাকার মেকিয়াভেলিয়ান গেম। বাংলাদেশের মিডিয়াগুলো দিনের পর দিন ধর্ষণ করছে জনগণের কান। তাদের করে তোলা হচ্ছে মিথ্যার পুতুল। এক কথায় স্বজনপ্রীতির দলপ্রীতির সমুদ্রে ভাসছে গোটা জাতি। শুধু ভূখানাঙ্গা অভিবাসী প্রত্যাশীরাই কিছুটা সাহসী। তারা ভাসছে সত্যিকার অর্থেই সমুদ্রে। যেখানে দেশের গুমোট পরিস্থিতি তাদের ঠেলে দিয়েছে। সরকারের আইনহীনতা, নিরাপত্তাহীনতা, কাজের অপ্রতুলতা, শিক্ষা ও চিকিৎসা ব্যবসার কষাঘাতে অতীষ্ট মানুষ। যার জন্য দায়ী সরকার। বাংলাদেশে এখন আওয়ামীলীগ ও তার অঙ্গসংগঠন ছাড়া, শেখ হাসিনা ও তার আত্মীয়স্বজন ছাড়া আঠারো কোটি মানুষের মধ্যে এমন খুববেশি মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবে না; যারা দেশটা ছেড়ে বিদেশ পাড়ি দিতে চায় না। ফরাসি দার্শনিক ভলতেয়ার তার কাদিদ গ্রন্থে বলেছিলেন, সরকার ও তার সুবিধা পাওয়া লোকজনরা খুবই আশাবাদী হয়। কারণ সরকার মানেই রাষ্ট্র তাদের ভাগভাটোয়ারা করে খাওয়ার মওসুম। তাই তারা খুবই আশাবাদী হয়। বাকী জনগণেরা পড়ে থাকে সেই হতাশায়।

যে সব মানুষ সমুদ্রে ভাসছে তাদের আরেকটা উপায় ছিল। সরকারিভাবে দাস হয়ে বিদেশে চলে যাওয়া। যাদের রেমিটেন্সের বড়াই করে সরকার। কিউবা বিদেশে পাঠায় ডাক্তারইঞ্জিনিয়ার। চীন দেশের বাইরে পাঠায় প্রযুক্তি। ভারত দেশের বাইরে পাঠায় অফিসার। বাংলাদেশ দেশের বাইরে পাঠায় লক্ষলক্ষ শ্রমিক। সেভাবে দেখলে হাসিনা সরকার আসলে প্রকৃত দাসব্যবসায়ী। তাও ঘরবাড়ী বিক্রি করে সেসব মানুষের বিদেশ যাওয়াও এখন অনিশ্চিত। প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় বলে যে মন্ত্রণালয়ে ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশারফ হোসেনকে (শেখ হাসিনার বেয়াই) বসিয়ে রাখা হয়েছে; তিনি আসলে কি করেন ওখানে, সেটাও একটা বিরাট প্রশ্ন। তিনি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে বিদেশে লিগ্যালি যেতে পারছে না কোনো মানুষ। তিনি শুধু হাজার হাজার নারী গৃহকর্মীর নামে মধ্যেপ্রাচ্যে নারী পাচারের স্বপ্ন দেখেন। মানুষ যেনতেনভাবে বিদেশ পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করছে লিগ্যালি যেতে না পেরে। তিনি বিদেশ পাঠানোর নাম করে শ্রমিকদের বিদেশ গমনে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছেন। এতসব প্রতিবন্ধকতার ভেতর এই কারাগার ছেড়ে যারা পৃথিবীতে অন্য কোনো বেঁচে থাকার স্থান আছে কিনা সন্ধান করছে, তারাই নাকি দোষী! অত্যাচারেঅনাচারে সামাজিক বৈষম্যে যারা দেশ নামের কারাগারটা ছেড়ে যেতে চায়। জ্যান পি স্যাসন নামের এক ডাক্তার; যিনি সৌদি আরবে দশ বছর ছিলেন। সৌদি আরবে তার অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি কয়েক খণ্ড বই লিখেন। প্রিন্সেস, ডেজার্ট রয়েল, সোলতানাস ডটার ইত্যাদি বইয়ে তিনি সৌদি আরবে যে সমস্ত বিদেশি নারী কাজ করে তাদেরকে আসলে কেন ওখানে নিয়ে যাওয়া হয় গৃহকর্মী নেয়ার নাম করে সেসব তুলে ধরেছেন। ফিলিপিন, ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, সুদান থেকে যেসব নারীকে সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়, তাদের ওপর বর্বর সৌদি শেখদের যে যৌন অত্যাচার নেমে আসে; তা থেকে শিক্ষা নিয়ে ফিলিপিন ইতিমধ্যে সেখানে নারী পাচার বন্ধ করেছে।

দেশে এখন দেয়ালেদেয়ালে পোস্টার সাটা হচ্ছে সৌদি আরবে ১০,০০০ গৃহকর্মী পাঠাবে সরকার। এত কিছু হবার পরও সরকার কেন এদেশের নিরীহ নির্যাতিত মেয়েদের সৌদিতে শেখদের লালসার শিকার হতে পাঠাতে চাচ্ছে; তা সরকার প্রধানই জানেন। অথচ আমাদের যে রিসোর্স, যে জনশক্তি; এদেরকে অনায়াসেই বিভিন্ন উৎপাদনমুখী কাজে লাগানো যেত। তাতে কড়কড়ে নোট হয়তো আসতো না সরকারের হাতে; কিন্তু মানুষতো বাঁচতো, সম্মানতো বাঁচতো। মানুষগুলো স্বাবলম্বী হতে শিখতো। যাইহোক, যে মুহূর্তে সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীন হয়ে, চিকিৎসাহীন হয়ে ভাল বাঁচার আশায় সমুদ্রের বুকে ঝাঁপ দিচ্ছে, তাদের জন্য কোনো ব্যবস্থা না করে শেখ হাসিনা সরকার একচক্ষু দানবের মতো সংসদে আইন পাশ করছে জাতির পিতার পরিবারের সদস্যদের জন্য অর্থাৎ শেখ হাসিনা ও তার আত্মীয়স্বজনের জন্য। পত্রিকাসূত্রে জানা যায়,

জাতির পিতার পরিবারসদস্যদের ১৯টি বিশেষ সুবিধা দেওয়ার ঘোষণা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। গতকাল সোমবার রাষ্ট্রপতির আদেশে জ্যেষ্ঠ সচিব মো. মোজাম্মেল হক খান স্বাক্ষরিত এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

২০০৯ (২০০৯ সনের ৬৩ নং আইন) এর ধারা ৪ এর উপধারা ()-এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার জাতির পিতার পরিবারসদস্যদের জন্য এসব সুবিধাদি প্রদানের ঘোষণা দিল।

জাতির পিতার পরিবারসদস্যগণের নিরাপত্তা আইন, ২০০৯ অনুযায়ী, জাতির পিতার জীবিত দুই কন্যা এবং তাঁদের সন্তানেরা এই সুবিধা পাবেন।

এ প্রজ্ঞাপনের প্রথম অংশে জাতির পিতার পরিবারসদস্যদের নিরাপত্তায় যেসব ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে, সেগুলোর মধ্য অন্যতম হলো, তাঁদের আবাসস্থলে সুরক্ষিত ও নিরাপদ বেষ্টনীর ব্যবস্থা করা, আবাসস্থলের কাছে কোনো ভবন বা স্থাপনা হুমকি সৃষ্টির মতো অবস্থায় থাকলে সেগুলো পরিবর্তন কিংবা অপসারণ করা, আবাসস্থলের পাশে উঁচু ভবনে বসবাসকারীদের ওপর গোয়েন্দা নজরদারি করা।

এ ছাড়া তাঁদের আবাসস্থলের কাছে নিরাপত্তাকর্মীদের কৌশলগত অবস্থান নেওয়ার ব্যবস্থা করার কথা বলা হয়েছে প্রজ্ঞাপনে। পাশাপাশি নিরাপত্তার জন্য আরও কিছু ব্যবস্থার নেওয়ার কথা বলা হয়।

দ্বিতীয় অংশে জাতির পিতার পরিবারসদস্যদের জন্য বেশ কিছু সুবিধা দেওয়ার কথা বলা হয়। সেগুলোর মধ্য উল্লেখযোগ্য হলো, তাঁদের জন্য বরাদ্দ কিংবা মালিকানাধীন বাড়ির প্রয়োজনীয় মেরামত, সম্প্রসারণ ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য গণপূর্ত অধিদপ্তর কর্তৃক ব্যবস্থা গ্রহণ, পরিবারসদস্যদের জন্য একজন করে ড্রাইভার ও পেট্রলসহ গাড়ি প্রদান।

এ ছাড়া সরকারি খরচে টেলিফোন, গ্যাস, বিদ্যুৎ, উচ্চগতিসম্পন্ন ইন্টারনেট সুবিধা প্রদান, দেশে এবং প্রয়োজনবোধে বিদেশে সরকারি খরচে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা। পাশাপাশি সরকারি খরচে একজন ব্যক্তিগত সহকারী, দুজন বেয়ারা, একজন করে বাবুর্চি, মালি ও ঠিকাদার প্রদানের ব্যবস্থা করা।

শেখ মুজিবুর রহমান যদি জাতির পিতা হয়, তাহলে সারা জাতিই এই সুযোগ পাওয়ার যোগ্য। কিন্তু কথায় কথায় শেখ হাসিনা শেখ মুজিবকে বলছেন জাতির পিতা। আর সুবিধাদি নিচ্ছেন শুধু নিজেরা। সাংবিধানিকভাবে যেখানে প্রত্যেক মানুষের সমানাধিকারের কথা বলা হয়েছে; সেখানে এই ধরনের প্রজ্ঞাপন সামন্তীয় নি:সন্দেহে। তার মানে দাঁড়ায় শেখ হাসিনা স্বপরিবারে ভাল থাকবেন, বাকিরা যে নরকে আছে সে নরকেই থাকুক। এইভাবে হয়তো কোনো জমিদারি টিকিয়ে রাখা যায়; কিন্তু একটা রাষ্ট্র এভাবে কতদিন চলে? সেই প্রশ্নই জাগে মনে।।

Advertisements

মতামত জানান...

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s