অপদার্থ শিক্ষামন্ত্রী এবং অসৎ পন্ডিত-বুদ্ধিজীবী মিলে শিক্ষার্থীদের নিয়ে ভয়ংকর খেলায় মেতে উঠেছে

Posted: ডিসেম্বর 4, 2014 in দেশ
ট্যাগসমূহ:, , , , , , ,

লিখেছেন: ফারুক আহমেদ

Education-654শিক্ষা হঠাৎ কোন পন্ডিত বা বুদ্ধিজীবীর মস্তিষ্ক থেকে উৎসারিত বিষয় নয়। শিক্ষা কোন পন্ডিতের পান্ডিত্য দ্বারা আবিষ্কারেরও বিষয় নয়। শিক্ষা হলো গোটা মানব সমাজ কর্তৃক অর্জিত জ্ঞান ভান্ডার। শিক্ষা কিভাবে অর্জন করতে হয় এবং পরবর্তী মানব শিশুর মধ্যে কিভাবে সঞ্চারিত করতে হয়, শিশু থেকে শুরু করে পরিণত বয়সের মানুষকে পর্যন্ত কিভাবে মানব সমাজের আর্জিত জ্ঞানের সাথে পরিচিত করতে হয় তাও মানব সমাজ কর্তৃক নির্ধারিত। শ্রেণী স্বার্থের রক্ষকের দায়ীত্বপ্রাপ্ত পন্ডিতরা নানা কৌশলে বরাবরই সেই পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। শ্রেণী স্বার্থেও এক ধরণের শিক্ষার প্রয়োজন পড়ে। শ্রেণী স্বার্থের রক্ষক পন্ডিতবুদ্ধিজীবীরা শ্রেণী সেবক তৈরীর জন্য যতটুকু প্রয়োজন ঠিক ততটুকু শিক্ষার ব্যবস্থা করারই তত্ত্ব নির্মাণকারী। এই নির্মাণেই তাদের পান্ডিত্য এবং বুদ্ধিজীবীতা। কোন সমাজে কতটুকু শিক্ষা থাকবে, তার বৈশিষ্ট্য কেমন হবে, শিক্ষার মান কেমন হবে তা নির্ধারিত হয় সেই সমাজের শাসক শ্রেণীর শ্রেণী চরিত্রের ওপর। বাংলাদেশে শিক্ষার যে দুরবস্থা চলছে, এখানে শিক্ষাকে যেভাবে আক্রান্ত করা হয়েছে, শিক্ষাকে আক্রান্ত করতে গিয়ে শিক্ষার্থীদের যেভাবে আক্রান্ত করা হচ্ছে, সকল শিক্ষার্থী বিশেষ করে শিশুদের যেভাবে মানসিক অসততার ভয়াবহতার মধ্যে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে তা এখানকার শাসক শ্রেণীর শ্রেণী চরিত্রেরই প্রতিফলন।

বাংলাদেশের মত একটি পশ্চাদপদ দেশে যেখানে অধিকাংশ মানুষকে এখনও শিক্ষিত হওয়ার সংগ্রাম করতে হচ্ছে, সেখানে শিক্ষা নিয়ে প্রতারণা খুবই সহজ ব্যাপার। স্বাধীনতার পর ড.কুদরাতখোদার শিক্ষানীতি থেকে শুরু হয়ে এ প্রতারণা অব্যাহত আছে। তবে আওয়ামীলীগের বিগত সরকারের সময়কালে জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০ ঘোষনার পর থেকে এ পর্যন্ত শিক্ষা নিয়ে যে প্রতারণা চলছে তাকে পৃথিবীর ইতিহাসে সর্বকালের নিকৃষ্ট প্রতারণা বললে কম বলা হয়। এই নিকৃষ্ট প্রতারণা সম্ভব হওয়ার প্রধান কারণ হলো নিকৃষ্ট শাসক শ্রেণীর অপদার্থ শিক্ষামন্ত্রী এবং সম্পূর্ণরূপে মানসিক অসৎ কিছু পন্ডিতবুদ্ধিজীবী। জনগণের সাথে শিক্ষা নিয়ে তারা যে প্রতারণা করেছে তার বহু রূপ। পাবলিক পরীক্ষা দিয়েই শুরু করা যেতে পারে। প্রাথমিক শিক্ষা হলো মৌলিক শিক্ষা। মৌলিক শিক্ষার বৈশিষ্ট্য হলো শিক্ষা দেওয়ার সময়ই তার মূল্যায়ন। সে কারণে এখানে শিক্ষা দাতার মূল্যায়ন শিক্ষার্থীর মূল্যায়নের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষাদাতা শিক্ষার্থীকে প্রতিনিয়ত মূল্যায়নের মধ্যদিয়ে কার্যত নিজের মূল্যায়ন করবেন এটাই মৌলিক শিক্ষার নীতি। এখানে মূল্যায়নের জন্য আনুষ্ঠানিক আয়োজনের কোন প্রয়োজন পড়ে না। যতটুকু আনুষ্ঠানিকতা থাকে তা একেবারেই প্রতিষ্ঠান কেন্দ্রীক এবং স্থানীয়। এই নিয়ে কোন বড় ধরণের আয়োজনের মধ্যে যে মাত্রায় প্রবেশ করা হবে মৌলিক শিক্ষা ঠিক সেই মাত্রায়ই বাধাগ্রস্থ হবে। এখানকার পন্ডিতরা এ বিষয়টি যে জানেন না তা নয়। তারা এও জানেন প্রাথমিক স্তরে পৃথিবীর কোথায়ও এমন পাবলিক পরীক্ষার আয়োজন নেই। সবকিছু জেনে বুঝেও তারা পঞ্চম এবং অষ্টম শ্রেণী শেষে পাবলিক পরীক্ষার আয়োজন করেছে। এ আয়োজন মাত্রার দিক থেকে সকল পাবলিক পরীক্ষার চেয়ে বড় আয়োজন। এস.এস.সি এবং এইচ.এস.সি পরীক্ষার অয়োজন হয় এক একটি বোর্ডের অধীনে অথচ পঞ্চম শ্রেণীর শিশুদের জন্য আয়োজন হয় সারা দেশব্যাপী!

শিক্ষার কোন ধারণা দিয়ে শিশুদের জন্য এই পাবলিক পরীক্ষা আয়োজনের ব্যাখ্যা করা সম্ভব নয়। অপদার্থ শিক্ষামন্ত্রী সার্টিফিকেটের লোভ দেখিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করেছেন। পন্ডিতবুদ্ধিজীবীরা যাদের সেবা করে সেই ভক্তঅনুরাগী(!)দের মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়েছে –‘শিক্ষকরা যাতে ভাল পড়ায় সেই চাপ সৃষ্টির প্রতিযোগীতা তৈরী করার জন্য এ আয়োজনের প্রয়োজন আছে’!যেখানে অসৎ পান্ডিত্যের অধিপত্য তৈরী হয় সেখানে কি ঘটতে পারে এ তার দৃষ্টান্ত। বৃটিশ ঐপনিবেশিকের সময়ও প্রাথমিক শিক্ষকদের অন্য অনেক আসুবিধার মধ্যেও তার ছাত্রদের মূল্যায়নের ক্ষমতা ছিল। অথচ স্বাধীন দেশে অসৎ পন্ডিতদের অসততা দ্বারা সর্বদিক এমনভাবে কলুষিত হয়েছে যে, একজন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকের পক্ষে তার নিজ শিক্ষার্থীকে মূল্যায়ন অসততার প্রশ্নে বিদ্ধ হচ্ছে!প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক তার নিজের ছাত্রের মূল্যায়ন করার যোগ্যতা এবং ক্ষমতা কবে হারালেন?এর জন্য দায়ী কারা?যাদের দ্বারা এই মহান সত্য আবিষ্কার হলো সেই পন্ডিতরা কি এর দায় এড়িয়ে যেতে পারবেন?একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন প্রধান শিক্ষক তাঁর একজন শিক্ষার্থীকে একটি সার্টিফিকেট দিতে পারেন –তাঁর এতটুকু ক্ষমতা থাকলে কি ক্ষতি হতো?

এখন কি হচ্ছে? সারা দেশব্যাপী শিশুদের জন্য এরেনা তৈরী করে তাদেরকে গ্লাডিয়েটর সম প্রতিযোগীতার মধ্যে নিক্ষেপ করা হয়েছে। এর জন্য শিশু এবং তার অভিভাবকের সামনে প্রতিযোগীতা, ভাল ফল জিপিএ৫ ছাড়া আর কি থাকবে?এর মধ্যদিয়ে শিশুর নির্মোহ মৌলিক শিক্ষার কি হবে? তার সরল জিজ্ঞাসার কি হবে? তার মানসিক বিকাশ এবং বিচার বোধ অর্জনের কি হবে?এ সব প্রশ্নের জবাব আমরা পাচ্ছি শিশুদের ভয়াবহ পরিণতির মধ্যদিয়ে। পঞ্চম শ্রেণীর পাবলিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের মধ্যদিয়ে আমরা এর জবাব পাচ্ছি!আমরা এর জবাব পাচ্ছি পঞ্চম শ্রেণীর শিশুদের নকল উৎসবের মধ্যদিয়ে!আমরা এর জবাব পাচ্ছি অভিভাবকদের জ্ঞানশূন্য হয়ে দিশাহীন হয়ে শিশুর জন্য এ কোচিং সেন্টার থেকে ও কোচিং সেন্টারে দৌড়ে বেড়ানোর কষ্ট থেকে!অভিবাবকরা অর্থ খরচ করে আবর্জনাতুল্য এক গাদা গাইড বই নোট বই শিশুর কাঁধের ওপর চাপিয়ে দিতে বাধ্য হচ্ছেন।

প্রাথমিক স্তরে পাবলিক পরীক্ষার অয়োজনকে যদি প্রতারণা বলা যায় তবে পাঠ্যক্রমকে শয়তানি বলতে হয়। জনগণের শিক্ষা উচ্ছ্বেদ করার জন্য এ পাঠ্যক্রম যথেষ্ট। এ শয়তানিকে দুইভাগে ভাগ করা যায়। এক. শিক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় বিষয়ের মধ্যে আবর্জনাতুল্য আলোচ্য বিষয়ে ঠাসা। বহু আলোচনা আছে নীতিগতভাবে ভুল। বহু আলোচনা আছে যা সংশ্লিষ্ট স্তরের জন্য রচনা নয়। যা’ উপরের স্তরের বিভিন্ন বইপুস্তক থেকে বিচ্ছিন্নভাবে কেটে নিয়ে বসিয়ে দেওয়া হয়েছে। পুর্বাপর কোন মিল না থাকায় তা শিক্ষার্থীদের জন্য দুর্বোধ্য। এর জন্য অসহায় শিক্ষার্থীদের ছুটতে হচ্ছে কোচিং সেন্টার এবং গাইড বইয়ের দিকে। এই সুযোগে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো পরীক্ষার নামে যা করছে তাকে ঠেকবাজি ছাড়া আর কিছুই বলা চলে না। পরীক্ষা, পরীক্ষায় পাশফেল সব কিছুর সাথে অর্থ জড়িত। দুই.বিষয়ই আবর্জনা। যেসব বিষয় শিক্ষার্থীর জন্য প্রয়োজন নেই সেই সব বিষয়ে পাঠ্যক্রমের কলেবর বৃদ্ধি করা হয়েছে। সপ্তম শ্রেণীতে চৌদ্দটি বিষয়। এর মধ্যে আটটিকে আবর্জনা ছাড়া আর কিছুই বলা যায় না। পরীক্ষায় নম্বর তোলার জন্য এসব আবর্জনা গলধঃকরণ করে একজন শিক্ষার্থীর অর্জন বলে যেটা হবে তা হলো বিচার বোধ হারানো। বাংলাদেশেই যারা ব্রিটিশ কারিকুলামে ইংলিশ মিডিয়ামে পড়ালেখা করে তাদেরতো এমনসব বিষয় নেই?তাহলে কেন জীবন ও কর্মমূখী শিক্ষার নাম করে শিক্ষার্থীদের কাঁধের ওপর আবর্জনার স্তুপ চাপিয়ে দিতে হবে?মূলধারায় বাংলা মিডিয়ামে যারা পড়ালেখা করে তারা গরীব বলে?বিশ্বব্যাংক সহ বিভিন্ন সাম্রাজ্যবাদী প্রতিষ্ঠানের প্রেসক্রিপশনে দীর্ঘদিন ধরেই একটা প্রক্রিয়া চালু আছে –নীতি নির্ধারক তৈরীর শিক্ষা এবং সেবক তৈরীর শিক্ষা। আমরা কি এখন এসবের মাধ্যমে তারই চূড়ান্ত রূপ দেখতে পাচ্ছি?অর্থনৈতিকভাবে লুন্ঠন এবং অধিকার বঞ্চিত করে মানুষকে একদিকে দরিদ্র বানিয়ে রাখা অপরদিকে সেই দারিদ্রের সুযোগ নিয়ে কর্মমূখী শিক্ষার নামে শিক্ষা থেকে মানুষকে বঞ্চিত করা মানুষের সাথে নির্লজ্জ শয়তানি এবং প্রতারণা।

প্রতারণা এবং শয়তানির সবচেয়ে ভয়ানক রূপটি হলো সৃজনশীল পদ্ধতি। মানুষের কাছে এই সৃজনশীল পদ্ধতি কোন রূপে এসে হাজির হয়েছে? মানুষের কাছে এর রূপ হলো লাগাতারভাবে প্রশ্নপত্র ফাঁস। শিক্ষকদের কাছে এখন আর শিক্ষার্থীর পরীক্ষায় অসদাচরণ বলে কিছু নেই। শিক্ষকগণ নিজেরাই এখন সেই আচরণে অংশ নিতে বাধ্য হচ্ছেন। নকল বলে এখন আর গোপন কোন কিছু নেই। মানসিকভাবে অসৎ পন্ডিতরা মুখস্ত বিদ্যার বিরূদ্ধে ‘জেহাদ’ ঘোষনার নামে এক অভিনব প্রশ্ন প্রণয়নের পদ্ধতিকে বলছেন ‘সৃজনশীল পদ্ধতি’। আবারও বাংলাদেশের মধ্যে অন্য শিক্ষা পদ্ধতির কথা বলতে হয়। যারা এখানে ইংরেজী মাধ্যমে পড়ে তাদেরতো এ ধরণের কোন প্রশ্ন প্রণয়ন পদ্ধতি নেই?এ্‌ই পদ্ধতির অন্তঃসারশূন্যতা এবং বিভিন্ন দিক নিয়ে অনেক আলোচনা করা হয়েছে। এখানে সে আলোচনার সুযোগ নেই। এখানে শুধু এ কথাটিই বলা প্রয়োজন মনে করছি, এ এমন এক পদ্ধতি যা পৃথিবীর কোথাও নেই। স্বাভাবিক কারণেই শিক্ষক এবং শিক্ষার্থী কারো কাছেই এ পদ্ধতি বোধগম্য নয়। কোন পন্ডিতের মস্তিষ্ক থেকে উৎসারিত এমন দুর্বুদ্ধি বোধগম্য হওয়ার কোন প্রয়োজনও নেই। কিন্তু এখন এই ফেরে পড়ে শিক্ষক এবং শিক্ষার্থী সবারই নাজেহাল অবস্থা। এরই মধ্যে শিক্ষক নামের অনেকেই এবং কোচিং সেন্টারগুলো এ দুর্বোধ্য বিষয় নিয়ে তুমুল ব্যবসা করে চলেছে। এখন এসব অসৎ পন্ডিতদের দাবি হলো – ‘এটা বুঝতে পারলে সহজ’। সহজ তবে ‘বুঝতে পারলে’!!একেই বলে পান্ডিত্য। অসততা এমন এক বিষয় যা যে কোন মানুষের বিচার বুদ্ধি লোপ করে। অসৎ পন্ডিতদের বিচার বোধ লোপ পেয়ে তা এখন বাস্তবতার জমীন থেকে বহুদুরে। তা না হলে এবং ন্যূনতম সততা তাদের মধ্যে থাকলে পাঠদানের পদ্ধতির সৃজনশীলতার পরিবর্তে প্রশ্ন প্রণয়নের এই অভিনব পদ্ধতিকে তারা ‘সৃজনশীল’ নাম দিয়ে জনগণের সাথে প্রতারণা করতে পারতেন না।

সাম্প্রতিককালে প্রাথমিক স্তর থেকে শুরু করে সকল পাবলিক পরীক্ষায় এমনকি ভর্তি পরীক্ষায় পর্যন্ত প্রশ্নপত্র ফাঁস এক নিয়মিত ঘটনা। এ এমনই এক ঘটনা যে, পড়ালেখা জানেন না এমন মানুষের কাছেও শিক্ষা এখন মস্তবড় চাতুরী এবং তামাশার বিষয়ে পরিণত হয়েছে। প্রশ্নফাঁস কোন ভৌতিক ব্যাপার নয়, কোন বিচ্ছিন্ন ব্যাপারও নয়। যেই করুক যারা শিক্ষার্থী তাদের শেষ পর্যন্ত এর সাথে সম্পর্কিত হতে হয়। শিক্ষার্থীদের মধ্যে এর কোন বাস্তব ভিত্তি না থাকলে এমনভাবে এ ঘটনা ঘটা সম্ভব নয়। অর্থাৎ যে শিক্ষা উপস্থিত থাকে সেই মাত্রায়ই প্রশ্নফাঁস অসম্ভব হয়ে পড়ে। বহু শিক্ষকের সাধারণ বিচারবোধ সম্পন্ন মানুষের ধারণা বর্তমানে সবকিছু মিলিয়ে বিশেষ করে সৃজনশীলতার নামে যা চলছে তাতে প্রশ্ন ফাঁস না হলে এসব পাবলিক পরীক্ষায় পাশের হারই ২০% এর ওপরে সম্ভব নয়। মানুষের এই ধারণা বাস্তব অবস্থার সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। মানুষের ধারণার এ বাস্তব ভিত্তিই বলে দেয় পরীক্ষা ছাড়া এখানে যাকে বলে শিক্ষা তার কোন কিছুই উপস্থিত নেই। পরীক্ষাই যেহেতু একমাত্র এবং শেষ কথা কাজেই এর জন্য যা করণীয় এবং এই করণীয় হিসেবে বাস্তব অবস্থা যে শর্ত তৈরী করছে তাই ঘটছে। এই অবস্থা এখানে শিক্ষা, তথাকথিত সৃজনশীলতা সবকিছুকেই নাকচ করে দিচ্ছে। এতসব পরিস্থিতির মধ্যেও অপদার্থ শিক্ষামন্ত্রী এবং অসত পন্ডিতবুদ্ধিজীবীরা নিজ নিজ পক্ষে কথা বলে মানুষের সাথে শিক্ষা নিয়ে এক ভয়ানক খেলায় মেতে উঠেছেন। জনগণকেই নিজেদের সন্তানের ভয়ানক পরণতি থেকে রক্ষা করার দায়ীত্ব নিতে হবে। ঐক্যবদ্ধভাবে এই সব পদ্ধতি এবং শিক্ষা উচ্ছ্বেদের সকল নীতি বাতিলের দাবিতে সোচ্চার হওয়া এখন সময়ের দাবি।।

/১২/১৪

Advertisements

মতামত জানান...

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s