পার্বত্য চট্টগ্রামের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি এবং আয়ারল্যান্ড ও আইরিশ প্রসঙ্গে মার্ক্স-এঙ্গেলেস-এর ভাবনা

Posted: অক্টোবর 21, 2014 in মতাদর্শ
ট্যাগসমূহ:, , , , , , , , ,

লিখেছেন: নেসার আহমেদ

cht-movementপার্বত্য চট্টগ্রামে এখন সামরিকায়নের মাত্রা বেড়েই চলেছে। প্রায় প্রতিদিনই কোনো না কোনো গ্রামের জনগোষ্টিকে উচ্ছেদ করে সামরিক ক্যাম্প বসানোর সংবাদ আসছে। আতঙ্কে ভুগছেন তারা। জনগোষ্টি হিসাবে তাদের পরিচয় হলো তারা পাহাড়ি জাতিসত্তার মানুষ। বেড়ে গেছে সেটেলার কতৃক পাহাড়ি জাতিসত্তার মানুষের ওপর নিপীড়ন। নারী নিপীড়নের হার। যার মধ্যে ধর্ষণ অন্যতম। পাহাড়ি জাতিসত্তার শিশুরাও রেহাই পাচ্ছেন না, সেই আগ্রসন থেকে। বাড়ছে সেটেলারদের সংখ্যা। রাষ্ট্রের প্রত্যক্ষ মদদে। আইন তার খোলস ছেড়ে বেরিয়েছি। যা নিপীড়িত পাহাড়ি জনগোষ্টি প্রশ্নে নির্বিকার। বরং ক্ষেত্র বিশেষ প্রতিবাদী পাহাড়ি নেতৃত্বকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে।

আমার এই লেখার উদ্দেশ্য মূলত পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে নয়। বর্তমান বিশ্বব্যবস্থায় উপনিবেশকরণ প্রক্রিয়া নিয়ে। যা একটা দেশের অভ্যন্তরেও ঘটতে পারে। আবার এক রাষ্ট্র কর্তৃক অপর রাষ্ট্রের ক্ষেত্রেও ঘটতে পারে। আধুনিক বিশ্বে গড়ে ওঠা জাতি রাষ্ট্রের ক্ষেত্রে তার ভুরি ভুরি উদাহরণ রয়েছে। তবে আমি এই প্রশ্নে অর্থাৎ, পার্বত্য চট্টগ্রামের সাথে আয়ারল্যান্ড ও আইরিশ প্রসঙ্গের একটা তুলনামূলক পর্যালোচনার চেষ্টা করব। বিশেষত মিলঅমিলের বিষয়গুলি বোঝার স্বার্থে। এবং উদাহরণ হিসাবে মার্ক্সএঙ্গেলসএর দেখা আয়ারল্যান্ড ও আইরিশ প্রসঙ্গটি গুরুত্ব পাবে। যা তারা তাদের জীবদ্দশায় প্রত্যক্ষ করেছিলেন।

আমরা ইতিহাস পাঠে জানি আয়ারল্যান্ডকে জয় করার জন্য বৃটিশরা তাদের ওপর একটা ধ্বংসাত্মক যুদ্ধ চাপিয়ে দিয়েছিল। আইরিশদের জাতীয় আন্দোলনকে নিষ্ঠুরভাবে দমন করেছিল। তাদের গোষ্টিতন্ত্রকে বলপূর্বক সমূলে উৎপাটিত করেছিল। তাদের সম্পদ আইন করে বাজেয়াপ্ত ও আত্মসাৎ করা হয়েছিল। আইরিশ ও আয়ারল্যান্ড প্রসঙ্গে মার্ক্সএঙ্গেলস তাদের লেখায় তার অসংখ্য উদাহরণ দিয়েছেন। এই যে উচ্ছেদকরণ প্রক্রিয়া, যাকে আমরা আধুনিককালে উন্নয়ন প্রক্রিয়া হিসাবে নামকরণ করে আসছি এ সম্পর্কে এঙ্গেলসের একটা গুরুত্বপুর্ণ মুল্যায়ন রয়েছে। ১৮৭০ সালের ১৯শে জানুয়ারি এঙ্গেলস মার্ক্সকে এক চিঠিতে জানাচ্ছেন, “ইংরেজদের আক্রমনের ফলে আয়ারল্যান্ডের উন্নতি ব্যাহত হয়েছে। তা পিছিয়ে গিয়েছে কয়েক শতাব্দী। এটার সুচনা হয় ১২ শতাব্দী থেকে।”

আমরা এটাও জানি যে, আয়ারল্যান্ডবাসীদেরকে ক্রীতদাস করে রাখা ও তাদেরকে চূড়ান্তভাবে দখলচ্যুত করা সহ তাদের জাতীয় সংস্কৃতি, প্রথা ও ঐতিহ্য থেকে ছিন্নমূল করার প্রক্রিয়া হিসাবে রাজনৈতিক এবং নাগরিক অধিকার থেকে তাদেরকে পুরোপুরি বঞ্চিত করা হয়েছিল। সেই লক্ষ্য নিয়ে ১৭ শতক থেকে আয়ারল্যান্ডবাসীদের জন্য নানাবিধ দণ্ডাদেশ তৈরি করা হয়। যার প্রয়োগকারী সংস্থা ছিল পুলিশ বাহিনী। তাদেরকে প্রতিনিয়ত স্বেচ্ছাচারী হয়ে ওঠার জন্য খোদ বৃটিশ সরকারের পক্ষ থেকে প্রায় প্রতিদিনই প্রলোভন দেখানো হত। প্ররোচিত করা হত। একই সাথে আইরিশ প্রতিবাদকারীদের ওপর নজরদারী করা হত। আদালত দেশপ্রমিক আয়ারল্যান্ডবাসীকে দণ্ডদান করত। আইরিশদের দমন করার জন্য নিয়মিত সরকারি সামরিক সংস্থার দমন নিপীড়নসহ ভাড়াটিয়া সৈনিক এবং সন্ত্রাসবাদী দলকে ব্যবহার করত বৃটিশরা। আবার সংকটময় মুহূর্তে পশ্চাদপসরনের জন্য সাময়িক সুবিধাদানের কথা ঘোষণা করত। মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিত। এসব তথ্য উল্লেখিত রয়েছে মার্ক্সএঙ্গেলেসএর নানা লেখার ছত্রে ছত্রে। প্রসঙ্গটি সামনে রেখে মার্ক্স তখন বলছেন, “প্রাচীন রোমক বিজয়ীদের অনূসৃত ‘বিভেদ ও শাসন’ নীতিকে কাজে লাগিয়ে ইংল্যান্ডের কূটনীতিবিদরা প্রটেস্ট্যান্ট এবং ক্যাথলিকদের মধ্যে বিরোধের বীজ বপন করে, ধর্মীয় অন্ধবিশ্বাসে ইন্ধন দেয়, ব্যাপক ঘুষ ব্যবহার করে এবং সামাজিক অসঙ্গতিকে কাজে লাগিয়ে আইরিশ জাতীয় শিবিরে মতভেদ সৃষ্টি করতে সফল হয়।” অর্থাৎ একদিকে সুদৃঢ় পুলিশী নিয়ন্ত্রণ এবং দমনমূলক আইনের ব্যবহার, অন্যদিকে সংস্কারের ফাঁদ পাতার প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে আইরিশ বুর্জোয়া সম্প্রদায়, সমাজের উপর তলার মানুষ, ধর্মীয় যাজক সম্প্রদায়কে নানা প্রকার সুযোগ সুবিধা প্রদান করে বৃটিশ শাসকরা। এর প্রধান লক্ষ্য ছিল জাতীয়বোধের ভাঙন ধরানো এবং সংগ্রামী চেতনাকে দূর্বল করে দেয়া। যা বৃটিশরা করতে সক্ষম হয়েছিল।

মার্ক্স আরো বলেন, “আয়ারল্যান্ডকে ধ্বংস করার জন্য ১১০০ সাল থেকে ১৮৫০ সাল পর্যন্ত বৃটিশরা যে ভঙ্কয়র নিপীড়ন চালায়, তা ওই দেশটাকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেয়। এখানকার অধিবাসীদের মধ্যে বিচিত্র চরিত্র গড়ে তোলে। আইরিশদের মধ্যে উগ্র দেশপ্রেমের জাতীয়তাবোধ থাকার পরেও তাদের অধিবাসীরা মনে করত তাদের কোনো স্বদেশ নাই, আয়ারল্যান্ড স্যাক্সনদের।”

মার্ক্স আরো বলছেন, “আইরিশরা যতবার মুক্তি পাবার চেষ্টা করেছে প্রতিবারেই তাদেরকে সামরিক ও আইনগতভাবে দমন করা হয়েছে। ক্রমাগত নিপীড়নের ফলে তারা কৃত্রিমভাবে সম্পূর্ণ দরিদ্র জাতিতে পরিণত হয়েছে, এবং এক পর্যায়ে আইরিশ নারীরা ইংল্যান্ড, আমেরিকা, অস্ট্রিয়া ইত্যাদি দেশগুলিতে বারবনিতায় পরিনত হয়। পুরুষরা হয় সাময়িক ও সস্তা শ্রমিক, পকেটমার, প্রতারক, ভিখারী ইত্যাদি। এমন কি অভিজাতদের মধ্যে দারিদ্রের রূপটা প্রকট হয়ে ওঠে।”

তিনি আরো বলছেন, “[বৃটিশ শাসন] সমাজ ব্যবস্থার অন্তরতম প্রদেশে পচনশীল এমন অবস্থার সৃষ্টি করে, যা আইরিশদের দুঃখকষ্ট না কমিয়ে, [বৃটিশদের জন্য] সম্পদ বাড়ায় এবং জনসংখ্যা বৃদ্ধির হারের চেয়ে অপরাধের হার বাড়ে আরো দ্রুত গতিতে।”

আয়ারল্যান্ডের কর্ষণযোগ্য ভুমিকে চারণভুমিতে পরিনত করতে গিয়ে যে ফলাফল ঘটে। সে সম্পর্কে মার্ক্স বলেন, “১৮৫৫৬৬ সালের মধ্যে ১০ লাখ ৩২ হাজার ৬৯৪ জন আয়ারল্যান্ডবাসীকে উচ্ছেদ করে ৯ লাখ ৯৬ হাজার ৮৭৭টি গবাদী পশুর জন্য চারণক্ষেত্রে তৈরি করা হয়। ১৮৪৬ সালে আয়ারল্যান্ডে যে দুভিক্ষ হয় সেখানে ১০ লাখ মানুষ মারা যায়। আয়ারল্যান্ডের জনসংখ্যা কমে যায় ২০ লাখ, তাদের অনেককে উপবাসে থাকতে হয়, বাকিরা আটলান্টিক মহাসাগর পার হয়ে পালিয়ে যায়। রক্তপাত, ধ্বংস, সমগ্র দেশের জনসংখ্যাকে হ্রাস করা, অধিবাসীদের অন্যত্র তাড়িয়ে দেয়া; ওয়েস্টইন্ডিজে দাস হিসাবে বহু আইরিশকে বিক্রি করে দেয়া হয়।” আর এসব প্রক্রিয়া অবলম্বন করে বৃটিশরা। মার্ক্সের ভাষায়, “১৬৬০১৬৯২ সালের মধ্যে স্থানীয় জনগণের চেয়ে আয়ারল্যান্ডে অনেকবেশি বৃটিশদের বসতি গড়ে ওঠে।” অর্থাৎ, জনসংখ্যার বিচারে আইরিশরা সংখ্যালঘুতে পরিণত হয়। তিনি আরো বলেন, “আইরিশদের মাটিতে আইরিশদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার পবিত্র অধিকার ছিল বৃটিশদের। কিন্তু বৃটিশদের বিরুদ্ধে যে কোনো ধরনের প্রতিবাদ ছিল আইন বিরোধী।”

মার্ক্সের কন্যা এলিনরের ভাষায়, “আয়ারল্যান্ড হয়ে ওঠেছে সান্তনাতীত সন্তান বিয়োগে বিধুর নারীর মত, যে দেশটি হারাচ্ছে তার সন্তানসন্ততিদের।”

খুবই সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো মার্ক্সএঙ্গেলসএর দৃষ্টিতে আয়ারল্যান্ডে বৃটিশ শাসনের কিছু তথ্য চিত্র। এখন প্রশ্ন হলো, এর সাথে পার্বত্য চট্টগ্রামের মিল অমিল কোথায়? সেটা বিশ্লেষণের দায়িত্ব পাঠকদের। আমি এক্ষেত্রে আরো কিছু বাড়তি তথ্য যোগ করতে আগ্রহী।

আমরা কমবেশি সবাই জানি, ১৮৮৫ সালে ইউরোপীয় বনিকদের একটা সম্মেলন বসেছিল জার্মানে। যা ইতিহাসে বার্লিন সম্মেলন হিসাবে খ্যাত। ওই সম্মেলনে ইউরোপীয় বনিকরা তাদের শিল্প বিপ্লবের স্বার্থে গোটা আফ্রিকা মহাদেশ দখল করে নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে ইউরোপীয় বনিকরা টেবিলে ওই মহাদেশের ম্যাপ বিছিয়ে অক্ষাংশদ্রাঘিমাংশ ধরে পেন্সিলের দাগ কেটে গোটা মহাদেশকে ভাগ করে ফেলে। কে কোন খণ্ডের মালিক হবে তাও ঠিক করে নেয়। এর পর বৃটেন, ফ্রান্স, জার্মান, ইতালি, বেলজিয়াম ও হল্যান্ডের মধ্যে মহাদেশটি ভাগ হয়ে যায়। তারা একযোগে আফ্রিকার উপরে হামলে পড়ে পুর্ব নির্ধারিত বন্টন অনুযায়ী গোটা আফ্রিকা মহাদেশকে দখল করে। পরবর্তিতে আধুনিক আফ্রিকা ওই কাটাছেড়া ম্যাপ অনুযায়ি সংগঠিত। ওই মহাদেশে রাষ্ট্রগুলির সীমানা অনেকটা সরল রেখায় বিভক্ত। যে কেউ ওই মানচিত্রের উপরে নজর রাখলে বিষয়টি স্পষ্ট হবে। এবং ওইসব রাষ্ট্রের সীমানা কোনো নদী, জঙ্গল, মরুভুমি, পাহাড়, সমুদ্র বা প্রাকৃতিকসাংস্কৃতিক নিয়ম মেনে তৈরি হয় নি। এমন কি ওই মহাদেশের জনগণের আকাঙ্খা বা চাহিদা থেকেও নয়। রাষ্ট্রগুলি গড়ে তোলা হয়েছে ইউরোপীয় বনিকদের স্বার্থ থেকে। এতে করে এক একটা রাষ্ট্রের মধ্যে ঢুকে পড়েছে একাধিক জনজাতি ও জনগোষ্টির অঞ্চল। আবার একই জনজাতি ভাগ হয়ে গিয়েছে দুইতিনটা রাষ্ট্রের মধ্য। আজ গোটা আফ্রিকা মহাদেশ জুড়ে যে জাতিগত সংঘাত তার প্রধান কারনই এই ঔপনিবেশিক সীমারেখা।

ভারত উপমহাদেশ নিজেও এক সময়ে বৃটিশ সাম্রাজ্যবাদের উপনিবেশ হিসাবে গড়ে ওঠেছে। ১৯৪৭ সালে বৃটিশদের শাসন ক্ষমতা হস্তানন্তর হয় তাদের ছত্রছায়ায় গড়ে ওঠা শাসকদের হাতে। ওই সময়ে যে দেশ বিভক্তি হয়েছিল, সেটা ভারত উপমহাদেশে সমস্ত জাতিসত্তার প্রয়োজনের দিকে তাকিয়ে হয় নি। ফলে ১৯৪৭ সালের যে রাজনৈতিক বাউন্ডারি মারফত ভারত বিভক্ত হয়ে পড়ে। তাতে কতো অসংখ্য জাতিসত্তা প্রথমে দুটি রাষ্ট্রের মধ্যে বিভক্ত হয়ে যায়। এবং ১৯৪৭ সালের সীমানার কারণে এক সময়ের বৃহৎ জাতিসত্তা আজ ক্ষুদ্র জাতিসত্তায় পরিনত হয়েছে। এবং উপমহাদেশব্যাপী রক্তাক্ত সশস্ত্র সংগ্রাম ছড়িয়ে পড়েছে। এটাই হলো ঔপনিবেশিক সীমারেখার ফলাফল। ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান কোনো রাষ্ট্রই এই জাতিগত সংঘাত থেকে মুক্ত নয়। ফলে এক্ষেত্রে আয়ারল্যান্ড প্রশ্নে মার্ক্সের একটা গুরুত্বপূর্ণ পর্যালোচনা ছিল। তিনি উনিশ শতকের চল্লিশ ও পঞ্চাশের দশকে মনে করেছিলেন আয়ারল্যান্ড তার স্বাধীনতা লাভ করবে ইংরেজ শ্রমিকশ্রেণীর রাজনৈতিক জয়ের মধ্য দিয়ে। কিন্তু ষাটের দশকে তিনি সেই মত বদলে ফেলেন। এবং বলেন, “আয়ারল্যান্ডবাসীর জয়ই ইংরেজ শ্রমিকশ্রেণীর মুক্তির সংগ্রাম ত্বরান্বিত করবে।” তিনি ইংরেজ জাতির উদ্দেশ্যে বলেছিলেন, “যে জাতি অন্য জাতির ওপর অত্যাচার করে, সে ভুলে যায় নিজের শৃঙ্খলের কথা।”

উপরের খুবই সংক্ষিপ্ত আলোচনায় একটা দেশ অপর দেশ কর্তৃক কোন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে উপনিবেশকরন হতে পারে, তার চিত্র যেমন আমরা উপলব্ধি করতে পারি। ঠিক তেমনি একটা বৃহৎ জাতির শাসকরা কিভাবে ক্ষুদ্র জাতিসত্তার সম্পদ ও মানুষের ওপর দখলদারিত্ব চাপিয়ে উপনিবেশকরন করতে পারে সেটাও আমরা অনুমান করে নিতে পারি। একই সাথে আমরা মার্ক্সীয় দৃষ্টিভঙ্গি থেকে এটাও বুঝতে সক্ষম হই যে, পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি জাতিসত্তার মানুষদের বিজয় অর্জন বৃহৎ জাতিসত্তার মুক্তিকে তরান্বিত করতে পারে।।

২১শে অক্টোবর, ২০১৪ সাল।

Advertisements

মতামত জানান...

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

Connecting to %s

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.