লিখেছেন: শাহেরীন আরাফাত

toba-garments-2বাংলাদেশের তৈরী পোশাক ক্ষেত্রে শ্রমিকরা প্রতিনিয়ত কোন না কোনভাবে প্রতারিত হচ্ছেন। বহুবিধ সমস্যা, অমানুষিক পরিশ্রম, কাজের অনিশ্চয়তা, অনিরাপদ কর্মক্ষেত্র, অসহনীয় দুর্ব্যবহার, এসবই তারা সহ্য করে চলেছেন প্রতিনিয়ত। দেশের অর্থনীতির চাকাও টেনে চলেছেন পৃথিবীর নিম্নতম মজুরীতে। কিন্তু এসত্ত্বেও যখন তারা তাদের ন্যূনতম প্রাপ্য চাওয়ার অজুহাতে নিগৃহীত হন, আর এই প্রাপ্য চাওয়াটাকেই দেখা হয় “বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি” হিসেবে, তখন রাষ্ট্রযন্ত্রের অবস্থানটিও আরও সুস্পষ্ট হয়ে ওঠে।

উল্লেখ্য, গার্মেন্ট মালিকদের এই প্রতারণার আশ্রয়টুকুও কিন্তু এই রাষ্ট্রের আইনের মাঝেই নিহিত।

তোবা গ্রুপের ৫টি কারখানা তোবা ফ্যাশন, তোবা টেক্সটাইল, তোবা বুকশান, মিতা ডিজাইন ও টাইপ ডিজাইন। এই ৫টি কারাখানাই বাড্ডায় অবস্থিত। ৫ কারখানায় প্রায় ১৬’শ শ্রমিক কাজ করেন। গত প্রায় তিন মাস ধরে এই শ্রমিকরা কোন বেতনভাতা পাচ্ছেন না।

তোবা কারখানার শ্রমিকরা শান্তিপূর্ণ অবস্থান করেছেন, অহিংস উপায়ে প্রতিবাদ করেছেন, তাতেও পুলিশের লাঠিপেটা, রাবার বুলেট সহ্য করতে হয়েছে তাদের। পরে বিজিএমইএ ভবনে অনুরোধ জানিয়েছেন, ঘেরাও করে, রাস্তায় ঈদ করেছেন, আমরণ অনশন করেছেন। আর এসবই করেছেন নিজের পাওনা বেতনবোনাসওভারটাইমের সামান্য কিছু টাকার জন্য। কারণ এই সামান্য কিছু টাকা, শ্রমিকদের জন্য অসামান্য, তা তাদের রক্ত পানি করা উপার্জন, নিজেদের পাওনা।

কিন্তু এর এসবই তাদের কাছে নিরর্থক, যারা ফ্যাসিস্ট চেতনায় উদ্বুদ্ধ, যারা মনে করে শ্রমিকদের তারা মজুরী দেয় না, এ কেবল তাদের দানখয়রাত, যা তাদের ইচ্ছার ওপর নির্ভরশীল। বাংলাদেশ রাষ্ট্রের অন্যতম শক্তিশালী নির্ধারক শক্তি, গার্মেন্ট মালিকদের সমিতি বিজিএমইএ এবং তোবা গার্মেন্টের মালিক দেলোয়ার হোসেনের প্রতারণা সম্ভবত পূর্বের সকল প্রতারণার সীমানাকেও অতিক্রম করেছে ইতোমধ্যে।

গতকাল, ১৮ আগস্ট ২০১৪, তোবা গার্মেন্টে তারা নোটিশ ঝুলিয়ে দেয় যে, শ্রমিকদের “অবৈধ ধর্মঘটের জন্য” কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে, আর এজন্য পাওনা বেতনবোনাসওভারটাইমের টাকাও শ্রমিকদের দেওয়া হবে না। আর এখানে তারা আশ্রয় পেয়েছে এই রাষ্ট্রেরই আইনে। তাদের সঙ্গে রয়েছে রাষ্ট্রের আইন, রাষ্ট্রের বাহিনী। যে আইন বারবার সংশোধিত হয়েছে মালিকদের স্বার্থ রক্ষার্থে। নতুন নতুন পেটোয়া বাহিনীর জন্ম দেওয়া হয়েছে মালিকদের বাঁচাতে, শ্রমিকদের পেটাতে, গুম করতে।

.

নোটিশের কথাগুলো নিম্নে হুবুহু তুলে দেওয়া হলো

কারখানা বন্ধের নোটিশ”

toba-garments-3এতদ্বারা অত্র কারখানার সকল শ্রমিক কর্মচারীদের অবগতির জন্য জানানো জানানো যাচ্ছে যে, প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জেল হাজতে থাকায় শ্রমিক কর্মচারীগণের মে ২০১৪ মাসের বেতন যথাসময়ে দিতে না পারার কারণে শ্রমিক কর্মচারীগণ গত ১০ই জুন ২০১৪ তারিখে কারখানার কাজ বন্ধ করে দেয়। এভাবে অব্যহতভাবে শ্রমিকগণ কাজ বন্ধ রেখে তাদের মজুরী পরিশোধের জন্য বিভিন্নভাবে কর্তৃপক্ষকে চাপ দিতে থাকে।

কারখানা ব্যবস্থাপনা পরিচালকের অবর্তমানে কর্তৃপক্ষ শ্রমিক কর্মচারীগণের মজুরীর টাকা জোগার করার জন্য প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন স্থাবর, অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে টাকা সংগ্রহ করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়। এমন পরিস্থিতিতে কতিপয় শ্রমিক কিছু বহিরাগত লোকের সহযোগিতায় অবৈধভাবে কারখানায় অবস্থান, মালামাল লুটতরাজ ও মেশিনের পার্টস, গার্মেন্টেসের কাঁচামাল নষ্ট করে বিপুল অংকের আর্থিক ক্ষতিসাধণ করে এবং কারখানায় অনশন, অবস্থান ধর্মঘটের নামে চরম বিশৃঙ্খলা ও অরাজক অবস্থার সৃষ্টি করে। তারা পুরো কারখানা তাদের দখলে নিয়ে বেআইনি কার্যকলাপ শুরু করে জান মালের ক্ষতিকরার অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়। এছাড়াও উচ্ছৃঙ্খল শ্রমিকগণ ও বহিরাগতদের কারখানায় অবৈধ অবস্থান, মালামাল লুটতরাজ ও মেশিনের পার্টস, গার্মেন্টেসের কাচামাল নষ্ট করে বিপুল অংকের আর্থিক ক্ষতিসাধন করার কারণে কারখানায় উৎপাদন কার্যক্রম চালানোর কোন পরিস্থিতি নেই।শ্রমিকদের এরূপ আচরণ অবৈধ ধর্মঘটের শামিল।

এমতাবস্থায় কর্তৃপক্ষ বাধ্য হয়ে বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ এর ১৩() ধারা মোতাবেক অনির্দিষ্ট কালের জন্য কারখানা বন্ধ ঘোষণা করল। যা ১১ জুন ২০১৪ ইং তারিখ থেকে কার্যকর হবে।

পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে কারখানা খোলার তারিখ পরবর্তী ঘোষণার মাধ্যমে অবহিত করা হইবে।”

দেলোয়ার হোসেন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক।

.

এই নোটিশের মিথ্যাচার নিয়ে বলতে গেলে অনেক কথাই বলতে হবে, এখানে অল্প কথায় কিছু বলার চেষ্টা করছি, নোটিশে বলা হয়েছে কারখানা ১০ জুন থেকে বন্ধ ছিল। অথচ জুনজুলাই মাসে কারখানায় পুরোদমে কাজ চলেছে।

বিজিএমইএ ও মালিক পক্ষ বার বার বকেয়া বেতন ও বোনাস পরিশোধ করার লিখিত ও মৌখিক প্রতিশ্রুতি দিয়েছে শ্রমিকদের। সেই সাথে চলেছে কারখানার কাজ। গত ২৬ জুন ২০১৪ তারিখে তোবা গ্রুপের চেয়ারম্যান মাহমুদা আক্তার (মিতা) সহ কারখানার ব্যাবস্থাপক এবং বিজিএমইএএর প্রতিনিধি ফয়েজ আহমেদ, রফিকুল ইসলামের উপস্থিতিতে আব্দুল আহাদ আনসারী লিখিতভাবে শ্রমিক প্রতিনিধিদের কাছে অঙ্গীকার করে যে, মে মাসের মজুরী ৩ জুলাইয়ের মধ্যে, জুন মাসের মজুরি ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে এবং ঈদ বোনাস ও জুলাই মাসের ১৫ দিনের মজুরী ২৬ জুলাইয়ের মধ্যে প্রদান করা হবে। বেতন পাবে এই আশায় কাজ করে যাচ্ছিল শ্রমিকরা। কিন্তু বিজিএমইএ তার লিখিত প্রতিশ্রুতিও ভঙ্গ করেছে। অর্থাৎ এটা বোঝা যাচ্ছে যে, ১০ জুন কারখানা বন্ধের বিষয়টি নির্জলা মিথ্যা ছাড়া কিছু নয়। আর এই কারখানা বন্ধের নোটিশের সাথে যুক্ত রয়েছে বিজিএমইএ।

নোটিশে মালামাল নষ্টের কথা বলা হয়েছে। অথচ মালামাল যে কারখানা মালিক নিজেই বিক্রি করেছে, তা যেমন পত্রপত্রিকার খবরে এসেছে, তেমনি এর চালানপত্রও রয়েছে শ্রমিকদের হাতে।

যে আন্দোলনকে “অনশন, অবস্থান ধর্মঘটের নামে চরম বিশৃঙ্খলা ও অরাজক অবস্থা” বলে উল্লেখ করা হয়েছে এই নোটিশে, তা ছিল শান্তিপূর্ণ দাবী আদায়ের আন্দোলন। পুরো নোটিশটিই মিথ্যায় ঠাঁসা।

.

বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ এর ১৩() ধারায় বলা আছে, “কোন প্রতিষ্ঠানের কোন শাখা বা বিভাগে বেআইনী ধর্মঘটের কারণে মালিক উক্ত শাখা বা প্রতিষ্ঠান আংশিক বা সম্পূর্ণ বন্ধ করিয়া দিতে পারিবেন, এবং এরূপ বন্ধের ক্ষেত্রে ধর্মঘটে অংশগ্রহণকারী শ্রমিকগণ কোন মজুরী পাইবেন না।”

.

এই কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত দেলোয়ারের শ্রেণীগত অবস্থান। শ্রেণীগত অবস্থান থেকে শ্রমিকের কাছে যা দাবী আদায়ের অর্থনৈতিক আন্দোলন, বিজিএমইএ বা দেলোয়ারের কাছে আদতে তা অরাজকতা, বিশৃঙ্খলা।

না, তাজরীন গার্মেন্টের শতাধিক শ্রমিক পুড়িয়ে মারার “নায়ক”, দেলোয়ার হোসেন, বা তার সহযোগী, মালিকদের সমিতি, বিজিএমইএ কিন্তু কোন বেআইনী কাজ করেনি। ন্যায্য পাওনা চাওয়াটাই এখানে বেআইনী, যা শক্তহাতে দমনযোগ্য। কারণ এর পুনরাবৃত্তিটি যেন অন্য কোথাও না হতে পারে।

উল্লেখ্য, ২০১২ সালে তুবা গ্রুপের কারখানা তাজরীন ফ্যাশন্সে আগুনে পুড়ে শতাধিক শ্রমিক মারা যান। অব্যস্থাপনার মাধ্যমে শ্রমিকদের মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেয়ার অভিযোগে কারখানা মালিক দেলোয়ার হোসেন কারাগারে বন্দী ছিল। আন্দোলনরত শ্রমিকদের বেতনবোনাস দেয়ার অঙ্গীকার করে শতাধিক শ্রমিকের প্রাণহানির মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন পেয়েছে তোবা গ্রুপের মালিক দেলোয়ার হোসেন। তাজরীনের শ্রমিকদের গণহত্যার পরেও কিভাবে জামিন দিতে পারে হাইকোর্ট! সেই সাথে বেতনবোনাস দিতে টালবাহানার জন্য বিজিএমইএ, প্রশাসন ও মালিকপক্ষ এবং বিচার বিভাগের সমন্বিত যোগসাজসের বিষয়টিই প্রমাণিত হয়।

গত ২৪ জুলাই দেলোয়ারকে দুই মাসের জামিন দেয় হাই কোর্টের বিচারপতি সৈয়দ এবি মাহমুদুল হক ও বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদারের বেঞ্চ। এই জামিনের আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের এক আইনজীবী আপিল করবেন বলে জানালেও সেই প্রক্রিয়া সম্পন্নের আগেই কারাগার থেকে দ্রুততার সাথে মুক্ত করা হয় দেলোয়ারকে।

দেলোয়ারের জামিন আদেশের অনুলিপিতে বলা হয়, “বিজ্ঞ আইনজীবী শুনানিতে ‍বলেছেন, শ্রমিকদের বেতন পরিশোধ না করায় আন্দোলন হচ্ছে। জামিনে মুক্তি পেলে তিনি (দেলোয়ার) বিক্ষুব্ধ শ্রমিকদের বেতনভাতা পরিশোধ করবেন বলে আইনজীবী অঙ্গীকার করেছেন।”

কিন্তু আদালতের অঙ্গীকারও মানার কোন প্রয়োজনীয়তা মনে করেনি এই “খুনী” দেলোয়ার। তবে এ ক্ষেত্রে যে তার বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা হবে না, এ নিয়ে আপনারা নিশ্চিত থাকতে পারেন।

শ্রমিকরা আগে থেকেই অভিযোগ করে আসছিলেন, দেলোয়ারের জামিন ত্বরান্বিত করতেই তাদের তিন মাসের বেতনবোনাসওভারটাইমের টাকা আটকে রাখা হয়েছে।

বিজিএমইএ নেতারাও তখন বলেছিল, দেলোয়ার বাইরে থাকলে তোবা গ্রুপে বেতন নিয়ে এই জটিলতা হয়ত হত না। অর্থাৎ, বিজিএমইএ দেলোয়ারের মুক্তির জন্য শ্রমিকদের জিম্মি করতেও রাজী। এখানেই আসে শ্রেণীর প্রশ্ন।

দেলোয়ার যে দালাল বুর্জোয়া শ্রেণীর প্রতিনিধিত্ব করে, তার সেই শ্রেণী সংগঠন, সেই শ্রেণীর রাজনীতি, সেই শ্রেণীর রাষ্ট্র, তার পক্ষে দাঁড়িয়েছে। এর বিপরীতে বাংলাদেশে শ্রমিকদের শ্রেণী চেতনা গড়ে ওঠেনি, তাদের সংগঠনও গড়ে ওঠেনি, এমনকি ট্রেড ইউনিয়ন করার ক্ষমতাটুকুও তারা অর্জন করতে পারেননি, যা অর্জন করেছেন তাও কেড়ে নেওয়া হয়েছে, হচ্ছে প্রতিনিয়ত।

তাহলে তো এবার বুঝে যাওয়ার কথা আমাদের, সমস্যাটা রাষ্ট্রব্যবস্থার মাঝেই নিহিত। তার সংস্কারে আজ আর কাজ হবে না, হওয়ার কথাও নয়। এখন যতো দিন গড়াবে, আমরা কেবল ক্রমাগত এই ব্যবস্থার ফ্যাসিস্ট রূপটাই দেখবো।

এখানে উল্লেখ্য যে, বিএনপিজামায়াত জোট এতে মায়াকান্না জুড়তে পারে, ক্ষমতাসীন সরকারকে গালাগালিও দিতে পারে, কিন্তু তারা আদতে এই সরকারের মুদ্রার অপরদিক মাত্র। ২০০৬ সালের এই শ্রমিক বিরোধী, শ্রম বিরোধী আইনটি কিন্তু তাদের আমলেই হয়েছে। গার্মেন্ট মালিকদের মধ্যে বিএনপিজামায়াতের রাজনীতির পৃষ্ঠপোষকদের সংখ্যা অর্ধেকের কম নয়। এমন কিছু শ্রেণীগত অবস্থানে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জামায়াত, জাতীয় পার্টি গংদের মাঝে কোন মতবিরোধ নাই। এ ক্ষেত্রে তারা সকলেই দালাল বুর্জোয়া শ্রেণীর রাজনীতির দিকপাল।

অপরদিকে, এর পাল্টা প্রতিরোধের জন্য আমাদের বুঝতে হবে অর্থনৈতিক দাবী আদায়ের আন্দোলন আর অর্থনীতিবাদী আন্দোলনের পার্থক্যকে। অর্থনৈতিক দাবী আদায়ের আন্দোলনকে সংহত উপায়ে এগিয়ে নিতে হবে। আইনী, “বেআইনী”, উভয় পথেই। তেমনি এর সাথে সংযুক্ত করতে হবে রাজনৈতিক লড়াইকে। কেবল অর্থনৈতিক আন্দোলনে সীমিত থেকে যেতে থাকলে, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডকে এড়িয়ে গেলে, তা অর্থনীতিবাদী আন্দোলনে পর্যবসিত হতে থাকবে। তাই এখানে শ্রেণীর রাজনীতিকে ঊর্ধ্বে তুলে শ্রমিকদের শ্রেণী সচেতন শক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। শ্রমিক যেদিন শ্রমিকশ্রেণীতে পরিণত হবে, সেদিনই হবে চরমতর লড়াই।

তা একদিনের কাজ নয়, লড়াইটাও কিন্তু একদিনের নয়। এই লড়াই যেমন ঐতিহাসিক, তেমনি তার ভিত্তি বা বৈপ্লবিক পরিবর্তনের দিকটিও কিন্তু ঐতিহাসিক, যা পাল্টে দিতে পারে ইতিহাসের গতিপথ।।

Advertisements

মতামত জানান...

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s