জোনাহ রাস্কিন

অনুবাদ: মেহেদী হাসান

qiu_xiaolongকিউ জিয়ালং অতিপ্রজ এই চীনা উপন্যাসিক ১৯৫৩ সালে সাংহাইতে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৮৮ সাল হতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করে আসছেন তিনি লাল শব্দটির এবং লাল রঙটির প্রতি বিশেষ রকম মোহ সৃষ্টি করেছেন, তবে তা হঠাৎ করে নয়, যখন থেকে তিনি লাল চীন সমন্ধে লেখা শুরু করেছেন। শিরোনামে লাল অন্তর্ভূক্ত তার নব্য ধারার তিনটি উপন্যাসঃ ডেথ অফ এ রেড হিরোইন (২০০০), হোয়েন রেড ইজ ব্ল্যাক (২০০৪), এবং রেড মান্দারীন ড্রেস (২০০৭)। এই তিনটি বইয়ের সবকটাতেই, মূল চরিত্রটি হচ্ছে একজন সংবেদনশীল, কবিতা প্রেমিক, তৎসত্ত্বেও কঠিন মানসিকতার পুলিশ ইনস্পেক্টর যে সাংহাই পুলিশ ব্যুরোতে কাজ করে; মাসিক বেতনভোগী হিসেবে এবং ফ্রীল্যান্স ব্যক্তিগত গোয়েন্দা হিসেবে ভাড়ায় নয়।

এই একই ইনস্পেক্টর, কোনটাতেই একটুও ক্লান্ত নয়, আবির্ভূত হয় অন্য তিনটি রহস্যোপন্যাসে যেগুলোর শিরোনামে লাল শব্দটি অন্তর্ভূক্ত নয়ঃ এ লয়্যাল ক্যারেক্টার ড্যান্সার (২০০২), এ কেস অফ টু সিটিজ(২০০৬) – এই শিরোনামটি ডিকেন্সের ফরাসী বিপ্লবের উপর ১৮৫৯ সালে লেখা এ টেল অব টু সিটিজএর শিরোনামকে পরিহাস করে রাখা এবং দ্যা মাও কেজ (২০০৯)। এই ছয়টি বই পরিচিতি পেয়েছে “ইনস্পেক্টর চেন সিরিজ” নামে এবং এগুলো খুব তাড়াতাড়ি অনুরক্ত পাঠকদেরকে আকৃষ্ট করতে সক্ষম হয়েছে। জিয়ালং এর অন্য আরেকটি বই, ইয়ারস অফ দ্যা রেড ডাস্ট (২০১০) শিরোনামের ছোট গল্প সংকলন, এখানেও লাল শব্দটি শিরোনামে অন্তর্ভূক্ত হয়েছে, এবং সে এখানে হয়তো লাল সূত্র অথবা বিষয়বস্তুর একটি অনুরণিত উপসংহার টেনেছে যা সে এক দশক ধরে অনুসরণ করে আসছিল।

ইনস্পেক্টর চেন সিরিজের বইগুলোর অধিকাংশ জুড়ে আছে ১৯৯০ এর দশকের সাংহাই, এটা এমন একটি সময় যখন চীনা সমাজ তার জোড়মুখগুলোতে আলাদা আলাদা হয়ে যাচ্ছিল এবং পুরাতন কমিউনিস্ট বিন্যাসের নানা অংশে বিভক্ত হতে থাকা প্রতিষ্ঠানসমূহ এবং নতুন করে উদ্ভূত হতে থাকা পুঁজিবাদী কাঠামোর ভেতর প্রশস্ত হতে থাকা ফাটলের মধ্যে অপরাধী কার্যক্রম ধীরে ধীরে নিজেকে প্রবেশ করিয়ে নিচ্ছিল। যদি আমাকে এক মুহূর্তের জন্য সমাজবিদ্যক আবরণ দেওয়ার সুযোগ দেয়া হত তাহলে আমি বলতাম যে জিয়ালং এর উপন্যাসের জগত এমন একটা কিছু যা মুক্ত বাজার উদ্যোগকে দুই পায়ের উপর এবং ভোগবাদী মানসিকতাকে এক হাতের উপর এবং রাষ্ট্রচালিত শিল্পকারখানা ও অনুগামীদেরকে যৌথভাবে অন্য হাতের উপর দাঁড় করিয়ে দেয়। এই উন্মত্ত জগতে নাগরিকরা মাথা গোঁজার ঠাই হারায় এবং বাড়ি খুঁজে পেতে ব্ল্যাকমেইল ও খুন পর্যন্ত সংগঠিত করে।

এটা হচ্ছে একটি সদা পরিবর্তনশীল, হিংস্র একটি এলাকা যেখানে পুলিশ এবং অপরাধী, সহজসরল এবং দোষী ব্যাক্তিরা তাদের সন্মানঅথবা অসন্মানের নিজস্ব ব্যাক্তিগত সংকেত অনুসারে পরিচালিত হয়, ঘটনা যাই হোক না কেন। তাদের মোচড়ামুচড়ি, ষড়যন্ত্র এবং মিথ্যা বলা দেখাটা একটা আনন্দদায়ক ব্যাপার, এবং জিয়ালং এর মনোযোগ হচ্ছে বিস্তৃতির দিকেউদাহরণ স্বরূপ একটা গাড়ি তৈরী এবং তাতে রঙ করা, অথবা রান্নার স্টোভের উপর একটি পাত্রের মধ্যে কাঁকড়াক্রান্তিলগ্নে পুরো সমাজটির একটি সমৃদ্ধ এবং জটিল প্রতিকৃতি চিত্রিত করা যা স্মরণ করিয়ে দেয় উনবিংশ শতাব্দীর ফরাসী সাহিত্যের কিছু ক্লাসিকের কথা, যেমন স্তাদালের দ্যা রেড এন্ড দ্যা ব্ল্যাক (১৮৩০)

জিয়ালং এর সাংহাই থেকে, রাশিয়ান কমিশাররা* অনেক আগেই তাদের তল্পিতল্পা গুটিয়ে মস্কোতে ফিরে গেছে, যখন লালসাদাএবংনীল আমেরিকানরা, পর্যটকরা সহ, বলবৎ হয়েছে, সাথে করে নিয়ে এসেছে আমেরিকান ব্যাবসা পদ্ধতি, শব্দ, বাক্যাংশ এবং প্রথাযেমন ঘুমাতে যাবার আগে রাতের টুপি মাথায় পড়া। “সমাজতন্ত্র এবং পুঁজিবাদ, পাশাপাশি,” লেখক তার প্রথম এবং সবচেয়ে উচ্চাকাঙ্ক্ষী বই ডেথ অফ এ রেড হিরোইন এ লাগসই ভাবে বলেছিল, “একটি শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান।” এই একই বইয়ে, একজন অবসরপ্রাপ্ত সাহিত্যের অধ্যাপক চেনকে আইরিশ কবি উইলিয়াম বাটলার ইয়েটস থেকে উদ্ধৃতি করেছিল, চীনা সমাজের সংকটকে ব্যাখ্যা করতে। “সবকিছু ভেঙ্গে পড়ে; মধ্যিখান না পারে ফেরাতে,” সে বলে। “এটা আধুনিক যুগ”।

বাস্তবিক পক্ষে, জিয়ালং এর উপন্যাসে, বিষয়বস্তু এবং মানুষজন নাটকীয়ভাবে ভেঙ্গে পড়ে; মাও সেতুঙ এর পুরাতন কমিউনিস্ট পার্টি এখন আর সমাজের ভরকেন্দ্র নয়, এবং মাওর রাজনৈতিক উত্তরসূরীরা সবকিছু এবং সকলকে একত্রে ধরে রাখতে ব্যর্থ হচ্ছে। সত্যি বলতে, পুরাতন পার্টি সভ্যের সন্তানেরা ধনী এবং প্রসিদ্ধদের জীবনযাত্রার দিকে ধাবিত হচ্ছে; এমনকি পশ্চিমা পুঁজিবাদী আদর্শ দ্বারা তাদের জীবন যাত্রা সত্যিকার অর্থেই ক্ষয়িষ্ণু, এবং তারা অপরাধীও বটে। এখন যদিও সমাজের নিজস্ব কোন ভরকেন্দ্র নেই, তবে জিয়ালং এর উপন্যাসে আছে, এবং সেই কেন্দ্র, যা নৈতিক এবং নান্দনিক, তা হচ্ছে চেন, একজন কমিউনিস্ট পুলিশ যে সত্যিকার অর্থে একটি মৌলিক চরিত্র।

সাহিত্যে গোয়েন্দা এবং পুলিশ চরিত্রে চেন হচ্ছে অভ্যর্থিত একটি সংযোজন, চরিত্রগুলোর মধ্যে আছে র‍্যামন্ড চ্যাদলারের ফিলিপ মারলো যে লস এঞ্জেলসের বাজে এলাকা দিয়ে ঘুরে বেড়ায়, এবং ডাসিয়েল হাম্মেটস এর স্যাম স্পেড যে সান ফ্রান্সিসকোর অলিগলিতে ঘুর ঘুর করে। চেন কোন অনুকরণ নয়। সে আগাপাশতলা চীনা, সম্পূর্ণতর ভাবে সাংহাই সমাজের সৃষ্টি, এবং চীনা ইতিহাসের একটি উৎপাদন। যখন আমরা প্রথম তার সাক্ষাৎ পাই, সে ত্রিশোর্ধ বয়সের একজন স্নাতকতার সামনে পড়ে আছে একটি সম্ভাবনাময় জীবনের বিকাশ ধারা এবং প্রবাদপ্রতিম উজ্জ্বল ভবিষ্যত, যদি শুধুমাত্র সে কমিউনিস্ট পার্টি কর্তৃপক্ষের কোপানলে না পড়ত, অথবা পার্টির নিয়ন্ত্রিত ব্যাপারে ঝামেলা তৈরী না করত।

মারলো এবং স্পেডের মত, শহরের নিম্ন এলাকায় তার নিজস্ব কোন কার্যালয় নেই। এবং আর্থার কোনান ডয়েলের ব্রিটিশ গোয়েন্দা শারলক হোমসের মত, যার ফয়েল* হিসেবে ছিল ডাঃ ওয়াটসন, তার সাথে থাকতে এবং তার চিন্তাকে অনুসরণ করতে চেনের কোন অনুগত সহকারী নেই, যদিও তার বন্ধুবান্ধব এবং কমরেড আছে যাদের কাছে সে তার মনের কথা এবং ধারনাগুলো বিশ্বাস করে বলতে পারত। তবে অবশ্য তার ব্রিটিশ এবং আমেরিকান সাহিত্যিক পূর্বসূরীদের মত সে নয়, অপরাধকে সমাধানকল্পে সে যাবতীয় সর্বাধুনিক প্রযুক্তিকে নিজের প্রয়োজনে ব্যাবহার করে।

আঙ্গুলের ছাপ খুঁজে পেতে তার জন্য কোন ম্যাগনিফায়িং গ্লাস নেই। সে ব্যাবহার করে ফ্যাক্স, কম্পিউটার, ডাটা বেজ, সেল ফোন, এবং পাবলিক ফোন(যখন সে চায় না তার তারবার্তা কেউ রেকর্ড করুক), ক্যামেরা, আলোকচিত্র, সরকারী দলিলপত্র, এবং লাইব্রেরীর সকল নতুন ছোটখাট যন্ত্রপাতি; যদিও তা হল মানবিক উপাদান, সর্বাধুনিক প্রযুক্তি নয়, যা তার কাজের রেখায় গুরুত্বপূর্ণ ভিন্নতা তৈরী করে। সে জানে কখন হতে হবে কঠোর পুলিশ এবং কখন হতে হবে ভদ্র পুলিশ; কখন জিজ্ঞেস করতে হবে নির্দেশক প্রশ্ন এবং কখন সরে আসতে হবে।

নিশ্চিতভাবেই চেনের মধ্যে দ্বন্দ্ব আছে, মাও সেতুং তার “দন্দ্ব প্রসঙ্গে” প্রবন্ধে যে অর্থে শব্দটি ব্যাবহার করেছে সেই অর্থে, যদিও চেন মাও কে অনুসরণ করে না অথবা সে কমিউনিস্ট মতাদর্শের অনুগামী নয়। ডেথ অফ এ রেড হিরোইন উপন্যাসের প্রথম দিকে লেখক চেন এর সাদামাটা থাকার জায়গা সমন্ধে বলে, “এই এপার্টমেন্টে চেয়ারম্যান মাও সেতুং এর কোন ছবি ছিল না”। অবধারিতভাবে, সে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য, তবে তা অংশত এই কারনে যে পার্টির সদস্যপদ তাকে আগলিয়ে রাখে এবং তাকে জীবনযাপন এবং কাজ করতে সামর্থ্যবান করে তোলে। সফলতা পেতে, তাকে রাজনৈতিক খেলায় নামতে এবং সে এই খেলাটা খেলে একজন পাকা খেলোয়ারের মত।

সে মোটেই একজন সুবিধাবাদী নয়, যা হোক, তবে সন্মান পাওয়ার অধিকারী একজন মানুষ। সে আস্থাশীল এবং ন্যায়বান, বিশ্বাস করে সামাজিক সমতায় এবং কাজ করে চলে প্রকৃত ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার আশায়। স্পেড, মার্লো এবং অন্যান্য আমেরিকান গোয়েন্দাদের মতযারা তাদের চারপাশের পরিবেশের কদর্য্যতার অংশ হয়ে উঠেছিলচেন সাংহাইর নতুন পুঁজিবাদী ব্যাক্তিস্বাতন্ত্রবাদীর লোলুপ গুনাবলীকে নিজের মধ্যে গ্রহণ করেনি। এক অর্থে, চেন কমিউনিস্ট পার্টির অনুগত সভ্যদের চেয়ে অনেক বেশী আপাদমস্তক কমিউনিস্ট। যদিও সে কোন ধরনের “বাদ” এ বিশ্বাস করে না, তবুও সে মার্ক্সবাদী বৈশিষ্ট্য নিজের মধ্যে ধারণ করে আছে, এবং সে চীনা সমাজকে মার্ক্সীয় দৃষ্টিতে শ্রেণি দ্বন্দ্ব এবং শ্রেণি অপরাধ সমন্বিত একটি শ্রেণি সমাজ হিসেবে না দেখে পারে না। অংশত সে একজন সন্দেহবাতিকগ্রস্ত এবং সমালোচনামূলক চিন্তক হিসেবে লেখকের নিজস্ব ব্যাক্তিত্বের প্রতিচ্ছবি। “আমি হয়ত কমবেশী চিফ ইনস্পেক্টর চেন এর মত”, জিয়ালং এ কথা বলেন অধ্যাপক জেমিসন স্পেন্সার এর সাথে এক সাক্ষাৎকারে, যে সেন্ট লুইস কম্যুনিটি কলেজে ইংরেজী সাহিত্যে অধ্যাপনা করেন। জিয়ালং আরো জানায় যে, চেন এর মত সে ছিল “সর্বক্ষণ জিজ্ঞাসা করা এবং জিজ্ঞাসিত হওয়া একজন আগ্রহী ব্যাক্তি”।

একজন অনমনীয় রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্ব সম্ভবত বলবে যে, চেনের মধ্যে একধরনের “বুর্জোয়া মানসিকতা” আছে এবং ডেথ অফ এ রেড হিরোইন উপন্যাসের আওতার মধ্যে তার বিরুদ্ধে এই অভিযোগগুলো উঠে। তার মধ্যে আছে “কনফুসিয়ান মন্ত্র” আওড়ানোর অভ্যাস যা সে শিখেছিল তার বাবার কাছ থেকে যে অধ্যাপনা করত এবং সাংস্কৃতিক বিপ্লবের সময় কারাগারে বন্দী হয়েছিল এবং সে প্রায়ই কবিতা লেখে, প্রাচীন চীনা এবং আধুনিক আমেরিকান কবিতা আবৃত্তি করে। তার অবসর সময়ে, সে ইংরেজী এবং আমেরিকান আধুনিকপন্থী লেখকদের চীনা ভাষায় অনুবাদ করে, এই কাজটাকে সে ভালবেসে করে, অবশ্য কিছু বাড়তি উপার্জনের আশাও থাকে। পুলিশ হিসেবে রূপকার্থে সে একজন অনুবাদক; তার কাজ দাবী করে অদৃশ্যকে দৃশমান করার এবং ছায়াচ্ছন্ন ও অভ্যন্তরস্থ জিনিসকে দিনের আলোতে ফুটিয়ে তোলার।

সর্বত্র সে ঝুঁকি গ্রহণ করে এবং সত্যকে খুড়ে বের করে আনে। যখন তাকে এগুলো করতে হয়, তখন সে তার ব্যাজ তুলে ধরে এবং এমন সব জায়গায় প্রবেশাধিকার লাভ করে অন্যথায় যেখানে প্রবেশ নিষিদ্ধ হত। আশ্চর্যের বিষয় হল এমন সব চৌহদ্দিতে যেখানে চীনা কর্তৃপক্ষবাস্তব জীবনে না হলেও অন্তত জিয়ালং এর উপন্যাসের মধ্যেনাগরিকদের গোপনীয়তা (privacy) সুরক্ষিত রাখে। (এই বইয়ে একটি আগ্রহোদ্দীপক অনুচ্ছেদ আছে, যেখানে চরিত্ররা ইংরেজী শব্দ প্রাইভেসী নিয়ে আলোচনা করে, এবং সম্মত হয় যে এটাকে চীনা ভাষায় অনুবাদ করা সহজ কাজ হবে না।)

চেন সাধারণত কোন একটি এপার্টমেন্টে ঝটিকা তল্লাসি চালায় না অথবা তথ্য প্রবাহে তাৎক্ষণিকভাবে প্রবেশাধিকার লাভ করতে পারেনাযেমন টেলিফোন নাম্বারের একটি তালিকাযেটাকে সে মনে করে তার পুলিশি কর্তব্যে তাকে সহযোগিতা করবে। সে আসল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে প্রথমে অনুমতি আদায় করে নেয়; সে খুব বিনীতভাবে জিজ্ঞেস করে, এবং সে কখনও তার আশেপাশের কাউকে থাপ্পর মারে না বা ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেয় না, হাম্মেটের স্যাম স্পেড যেমন করে থাকে। তার বিনীত আচরণ তাকে সাহায্য করে থাকে। তার চারপাশের সকলে, সাংহাইর নাগরিকরা তার তদন্ত কাজে সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দেয়, সুতরাং সে যদি এই উপন্যাসের নায়ক হয়, তাহলে সে এই বিশিষ্টতাকে বিনিময় করে চীন এবং চীনা জনগণের সাথে।।

(চলবে…)

Advertisements
মন্তব্য

মতামত জানান...

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s