চট্টগ্রামে রেল-বাস মুখোমুখি সংঘর্ষ নয়, বরং মুনাফার ধাক্কায় দুমড়ে মুচড়ে গেছে নাগরিক অধিকার

Posted: মার্চ 12, 2014 in দেশ
ট্যাগসমূহ:, , , , ,

লিখেছেন: আনোয়ার হোসাইন ফার্মার

accident-Ctgবাস কোম্পানিগুলোর রমরমা ব্যবসার খবর এদেশে কারো অজানা নয়! হানিফ এন্টার প্রাইজ, শ্যামলি এন্টার প্রাইজ, সৌদিয়া এন্টার প্রাইজ, সোহাগ পরিবহণ নামধারী যাত্রীসেবা প্রধানকারী কোম্পানীগুলো বরাবরই এদেশে যাত্রী পরিবহণের জন্য প্রসিদ্ধ! এক্ষেত্রে কোম্পানিগুলো শুধুমাত্র ঢাকাচট্টগ্রাম রুটে প্রতিবছর মুনাফা করে থাকে অন্তত পনেরশো কোটি টাকা! হিসেব করলে দেখা যায়, ঢাকা টু চট্টগ্রাম রুটে কথিত বিজনেস ক্লাস ও এক্সিকিউটিভ ক্লাসের বাস চলাচল করে অন্তত দুই হাজার।

এতে বর্তমানে যাত্রী প্রতি ভাড়া আদায় করা হয় পাঁচশো থেকে পনেরশো টাকা পর্যন্ত। পাঁচশো টাকা জনপ্রতি ভাড়ার একটি গাড়ি প্রতি দফায় ভাড়া আদায় করে আঠারো হাজার টাকা। যেখানে খরচ হয় সর্বসাকুল্যে আট হাজার টাকা মাত্র। ফলে যে গাড়িটি মাসে চল্লিশবার ঢাকা চট্টগ্রাম যাতায়াত করে সে গাড়ি থেকে মুনাফা মেলে চার লাখ টাকা। এবং গড়ে আটশো টাকা ভাড়া আদায়কারী (এসি) গাড়িগুলোর ক্ষেত্রে মুনাফা মেলে পাঁচ লাখ টাকারও বেশি। যাতে সরল হিসেবে একটি গাড়ি থেকে প্রতি বছর মুনাফা হয় আটচল্লিশ লাখ থেকে ষাটসত্তরআশি লাখ টাকা পর্যন্ত। সামগ্রিক রক্ষনাবেক্ষন ব্যয় বাদ দিয়ে, এবং ট্রিপ প্রতি গড়ে ভাড়া আদায়ের তারতম্য বিবেচনায় নিলেও উল্লেখিত সংখ্যাক গাড়ি থেকে মুনাফা মেলে বছরে পনেরশো কোটি টাকারও বেশি।

উল্লেখ থাকে যে, সারাদেশে চলাচলের জন্য শুধুমাত্র উল্লেখিত কোম্পানীগুলোর বাস আছে তিন হাজার। এক্ষেত্রে হানিফ ও শ্যামলি এন্টারপ্রাইজ নামক কোম্পানি দুটির বাসের সংখ্যাই পনেরশো।
অপরাজনীতির দোরাত্বও এদেশে রমরমা থাকায় শুধুমাত্র নির্বাচনকে কেন্দ্র করেই রাজনৈতিক দলগুলোর দরকার হয় দশ হাজার কোটি টাকা। এক্ষেত্রে সরকার গঠন করলে রাষ্ট্রীয়ভাবে সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার চুক্তিতে দলগুলো উল্লেখিত অংকের টাকা প্রধাণত যোগাড় করে থাকে ব্যবসায়িদের বিভিন্ন সংগঠন ও বড় পুঁজিপতিদের কাছ থেকে। বা সুবিধা আদায় এবং নিজেদের ব্যবসায়িক স্বার্থরক্ষার জন্য কোম্পানীগুলোই পরোক্ষভাবে রাজনৈতিক দলগুলির সামগ্রিক ব্যয় নির্বাহ করে থাকে। এক্ষেত্রে উদাহরণ হতে পারে, ভবিষ্যত স্বার্থ নির্মাণে চরম প্রতিক্রিয়াশীল রাজনৈতিক দল জামাতশিবিরকে ইসলামি ব্যাংকের অর্থায়ন করা ও সামগ্রিক ব্যয় বা সহযোগিতা অব্যাহত রাখা।

বা যেমন ধরা যাক, শ্যামলি এন্টার প্রাইজ প্রতি বছর একশোটি গাড়ি আমদানি করে থাকে! এক্ষেত্রে দেশের সার্বিক চিত্র বিবেচনায় তুলনামূলক বিলাসবহুল এসব গাড়ি আমদানির ক্ষেত্রে দুশোভাগের বিপরীতে একশোভাগ ট্যাক্সের আইন করলেও কোম্পানীটির সাশ্রয় হয় বছরে শত কোটি টাকার অধিক!

সুতারাং এমন অন্যায্য সুবিধা পেতে কোম্পানিটি বিশত্রিশ কোটি টাকা রাজনৈতিক দলগুলোর পেছনে খরছ করতে অসুবিধা কি?

যেমনটা বহুজাতিক বীজকীটনাশক কোম্পানীগুলো হাজার কোটি টাকার বাজার দখলের আশায় সরকারের এমপিমন্ত্রীদের পেছনে শত কোটি টাকা খরছ করে ঠিক তেমনি!

এভাবে পাঁচটা বাস কোম্পানি, দুটো সয়াবিন আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান, তিনটি চিনি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান, গার্মেন্টস মালিকদের সংগঠন বিজিএমই, মোবাইল অপারেটর কোম্পানি ইত্যাদি লুটেরা গোষ্ঠিই প্রধাত উক্ত নির্বাচনী ব্যয়ের সিংহভাগ বহন করে থাকে! এছাড়া কোম্পানিগুলোর একক প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার ব্যবস্থাতো প্রচলিত ফাঁকিবাজির নির্বাচন ও গনতান্ত্রিক ব্যবস্থায় রয়েছেই, এবং প্রতিনিয়ত হচ্ছেও তাই! এছাড়াও ধনীক শ্রেণীর রাষ্ট্র ব্যবস্থায় সরকারের ভূমিকা কি, এবং সরকার আদতে কার প্রতিনিধিত্ব করে তাতো রাষ্ট্র ব্যবস্থার উৎপত্তি সম্পর্কে যাদের সম্যক ধারণা আছে তাদের সকলেরই জানা আছে!

এখন ভেবে দেখা দরকার, বিভিন্ন লুটেরা গোষ্ঠির আর্শিবাদে টিকে থাকা রাজনৈতিক দল বা সরকার কিভাবে কোম্পানীর স্বার্থের বিপরীতে অবস্থান নেয়, বা নিতে পারে কিনা?

নিশ্চয়ই না

ধরা যাক, সাবেকমন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের নির্বাচনী ব্যয় ছিলো পঁঞ্চাশ কোটি টাকা (দলীয় ফান্ডে জমা দেওয়া বাব সহকারে)

এক্ষেত্রে তিনি হানিফ এন্টারপ্রাইজ থেকে পেয়েছেন পাঁচ কোটি, শ্যামলি থেকে পেয়েছেন পাঁচ কোটি, এবং অন্য আরো পাঁচটি কোম্পানি থেকে পেয়েছেন দশ কোটি টাকা! এবং সমপরিমান টাকা পেয়েছেন বিএনপির কোন পার্থীও! অথ্যাৎ হাজার কোটি টাকা সুবিধা আদায় করে নিতে শত কোটি টাকা বিনিয়োগ সংশ্লিষ্ট কোম্পানীগুলো করেই রাখে!

এবার যে দলই ক্ষমতায় যাক না কেন, এবং যিনিই মন্ত্রী হোন না কেন, কোম্পানিগুলোর স্বার্থ উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। বা কোম্পানী কর্মকর্তা কর্তৃক নিজেদের অফিসে বসে তৈরি করা পরিকল্পনা বাস্তবায়ন এবং মুনাফার লক্ষ্যমাত্রা পূরণই হয়ে উঠে পরোক্ষভাবে মন্ত্রী এমপিদের দায়িত্ব। আর এভাবেই যুগ যুগ ধরে সংসদে পাশ হওয়া আইনগুলো নির্ধারণ করে দেয় পুঁজিপতিরা। যেহেতু তাদের ক্রীতদাস সরকারেই আছে, এবং তাদেরই আশির্বাদপুষ্ট রাজনৈতিক দলই সরকারে থাকে! এক্ষেত্রে মোটাদাগে শুধুমাত্র নির্বাচনের প্রসঙ্গ আনলেও আদতে এবাবধ লেনদেন নিয়মিতই হয়! এবং লেনদেনের উপর নির্ভর করেই নির্ধারিত হয় রাষ্ট্রের কথিত উন্নয়ননীতি!

এমনকি জন্ম থেকেই রাষ্ট্র নামক কাঠামোটি প্রধানত এ ভূমিকাই পালন করে আসছে!

রেল কিভাবে জড়িয়ে যায়?

উপরের আলোচনায় স্পষ্ট যে, নির্বাচিত সরকার এবং বিরোধীদল উভয়েই মালিক বা ব্যবসায়ি শ্রেণীর প্রতিনিধিত্ব হিসেবেই ক্ষমতার কেন্দ্রে প্রতিষ্ঠিত!

এক্ষেত্রে বাস মালিকদের স্বার্থ রক্ষায় দুদলেরই আছে সমান দায়দায়িত্ব বা অঙ্গীকার!

এমতাবস্থায় কোনভাবেই সম্ভব হয়না রেলওয়ের আধুনিকায়নের! যেহেতু রেলওয়ে আধুনিক হলে, বা রেল চলাচল বাড়লে, বা রেলে যাত্রীসেবা বাড়লে সেটার প্রভাব পড়বে বাস কোম্পানীরই উপর! যেমন ধরা যাক, সরকার যদি ঢাকাচট্টগ্রাম রুটে পাঁচটি নতুন রেল চালুর ঘোষণা দেয়, তাহলে সারাদেশে পরিবহনখাতে যাত্রী কমবে দশ শতাংশ! বাৎসরিক মুনাফা কমবে আটশো কোটি টাকা!

এমতাবস্থায় কি বাস কোম্পানিরা তা মেনে নিবে? আর বাস কোম্পানীর আর্শিবাদে টিকে থাকা রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষেই কি সম্ভব বাস কোম্পানীর বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া? হ্যাঁ, ঠিক তাই, একই কারণে সরকারের দরকার হয় (যে সরকারই হোক) প্রাইভেট হাসপাতাল কোম্পানির স্বার্থ রক্ষা থেকে শুরু করে, তেল, ডাল, লবন আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান পর্যন্ত সবারই স্বার্থ রক্ষা করা! এবং সরকারি সকল প্রতিষ্ঠানকে অকার্যকর করে রেখে প্রাইভেট কোম্পানির স্বার্থ উদ্ধার করা!

এবং তাই সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নাই, সরকারি বাস অকেজো হয়ে পড়ে থাকে, সরকারি প্রতিষ্ঠান বাপেক্স অকার্যকর, সরকারি ব্যাংকে সেবা নেই, সরকারি মোবাইল অপারেটর ধব্জভঙ্গ থেকে শেষে প্রাইভেট হয় (সরকারি প্রতিষ্ঠান প্রাইভেট করার পেছনেও জোচ্চুরি বিদ্যমান)!

উপরিউক্ত বক্তব্যের পক্ষে প্রমাণ পাওয়া যায়, বিদ্যমান শাসনব্যবস্থায় বিরোধীদলের ভূমিকা থেকেই! যেমনসরকার যতই গণবিরোধী চুক্তি, আইন করুক না কেন, বিরোধীদল তাতে নিরব ভূমিকা পালন করে! এবং বছর শেষে জাতিয় বাজেটে রেলের জন্য কোন বাজেট না রাখলেও, বিরোধীদল তাতে বিরোধীতা করেনা! বা সরকার যদি বিলাসবহুল গাড়ি আমদানির ক্ষেত্রে কর অর্ধেকে নামিয়ে দেয়, বিরোধীদল তা সহজেই হজম করে! একইভাবে সরকার যখন বহুজাতিক কোম্পানিকে সমুদ্রের গ্যাস ব্লক ইজারা দেয়, বিরোধীদল তখন অন্তত প্রশ্ন তুলেনা যে, “কেন বাপেক্সকে সামর্থ্যহীন করে রাখা হয়েছে চার দশক ধরে”! এমনকি সরকার যখন বিজিএমইয়ের মতো খুনী সংগঠনের মাধ্যমে গার্মেন্টস মালিকদের হাতে নগদ পাঁচ হাজার কোটি টাকা তুলে দেয়, তখনও বিরোধীদলের গাল দিয়ে টুঁ শব্দটিও বের হয়না! আবার রানা প্লাজার মতো একটি ভবন ধ্বসে পনেরশো শ্রমিক মারা গেলেও, এবং পরবর্তীতে আরো শত বর্বরতা পরিলক্ষিত হলেও বিরোধীদল নিশ্চুপ থাকতে বাধ্য হয় শুধুমাত্র গার্মেন্টস মালিকদের স্বার্থে।

ফলে সরকারি প্রতিষ্টানে কখনও জনবল সংকট, কখনও আর্থিক সংকট, কখনও প্রযুক্তি সংকট ইত্যাদি লেগেই থাকে। এক্ষেত্রে প্রধানত আর্থিক সংকটকে বড় করে দেখানো হয় বারবার! অথচ সরকারের পক্ষে অস্ত্র কেনার টাকা থাকে, গার্মেন্টস মালিকদের প্রণোদনা দেওয়ার টাকা থাকে, অপ্রয়োজনিয় ফ্লাইওভার বানানোর টাকা থাকে, সেনা বাহিনীর বিরাট অংকের ব্যয় নির্বাহের টাকা থাকে, কিন্তু রেল খাতে বিনিয়োগের টাকা থাকেনা!

পরিণতি

রেলখাত দিনকে দিন অরক্ষিত হতে থাকে! মুমূর্ষ হতে থাকে, অনিরাপদ হতে থাকে! কারণ রেলখাত ধংসপ্রায়মুমূর্ষু না হয়ে ধুঁকে ধুঁকে না চললে বাস কোম্পানির রমরমা ব্যবসা বা আশি হাজার কোটি টাকা মুনাফা নিশ্চিত হয়না!

আর রেল যেখানে মুমূর্ষ থাকবে, সেখানে রেল লাইন, গেট, ক্রসিং, স্টেশন, জনবলও থাকতে নেই! ফলে প্রায়শ রেল লাইনে সড়ক পথের যানবাহন আটকে যায়! যানবাহনের হতভাগা যাত্রীরা বেঘোরে প্রাণ হারিয়ে এদেশে জন্মানোর দায় শোধ করে! এবং বৃহদাকার রেলের ধাক্কায় গুড়িয়ে যাওয়া মিনিবাসটির মতো মুনাফার দানবের থাবায় চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে যায় নাগরিকের গনতান্ত্রিক ও নিরাপদে পথ চলার অধীকার। এক্ষেত্রে দায় চাপে কখনো ফিটনেসবিহীন বাসট্রাকের উপর, কখনো সংশ্লিষ্ট ড্রাইভারের উপর, কখনো ভাঙ্গা সড়কের উপর, কখনো বুড়ো গেট ম্যানের উপর, আবার কখনো স্রেফ নিহতের ভাগ্যের উপর!

কিন্তু ব্যবস্থা পাল্টেনা! প্রচলিত ব্যবস্থা নিয়ে কেউই প্রশ্ন তুলেনা! কেন রেল লাইন অরক্ষিত এমন রাজনৈতিক প্রশ্ন থেকে যায় মাত্র কয়েকজন ব্যাক্তিকেন্দ্রিক! আর রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে সারাবছরই রাজনৈতিক ইস্যু হয়ে থাকে অরাজনৈতিক বিষয়াদি। এবং মাঠে ঘাটে নেতা নেত্রীরা মঞ্চ কাঁপায় মাইক ফাটায় চানকিচাতক আর খিস্তিখেঁউড় উগড়ে দিয়ে।

প্রতিকার...

সড়ক পথে সারা বছর অন্তত পাঁচ হাজার মানুষ প্রাণ হারায়! মারাত্মকভাবে আহত হয়ে পঙ্গুত্ব বরণ করে আরো অন্তত বিশ হাজার মানুষ! পঁচিশ হাজার মানুষকে কেন্দ্র করে জীবনে দূর্ভোগ নেমে আসে আরো এক লাখ মানুষের! এ ক্ষতি পুঁষিয়ে নেওয়ার কোন পথ নেই মানুষের পক্ষে। তাই প্রয়োজন দ্রুত প্রতিরোধ!

এছাড়া এ বাব দূর্ঘটনাজনিত আর্থিক ক্ষয়ক্ষতি হয় বছরে দশ হাজার কোটি টাকার! এবং অপচয় ঘটে ‘মাসিক’ দশ হাজার কোটি টাকার! যেহেতু রেল পথে যাতায়াত খরছ সড়ক পথের তুলনায় আশিভাগ সাশ্রয়ী! কিন্তু হলে কি হবে, উক্ত সুফল পাওয়ার প্রশ্নটি প্রধানত নির্ভর করে রাজনৈতিক সংস্কৃতির উপর! তাই বিদ্যমান রাজনৈতিক সংস্কৃতি না পাল্টালে, জনগণের সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন নাহলে অবস্থার বিশেষ পরিবর্তন হবেনা। এক্ষেত্রে একজন পরিবহন শ্রমিকের জীবনযাপনের চিত্র, কর্ম পরিবেশ, শিক্ষা প্রাপ্তির নিশ্চয়তা, এবং দেশে আইন ভাঙ্গার সংস্কৃতি ইত্যাদি পাল্টানোর প্রশ্নসমূহও রাজনৈতিকভাবে ফয়সালা না হওয়া অবধি শুধুমাত্র ড্রাইভারকে শাস্তি দিয়ে সুফল পাওয়ার কোন যোক্তিক কারণ নেই বলেই দূর্ঘটনা কবলিত ড্রাইভারের শাস্তির বিধান কার্যকরের দাবী করেও লাভ হবেনা বলে মনে করি! বরং প্রকৃতই প্রতিকার চাইলে নির্মাণ করতে হবে জনগণের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা। যেখানে ক্ষমতা থাকবে জনগণের হাতে, কোনো লুটেরাদালালের হাতে নয়। যেখানে মুনাফাও থাকবে ব্যাপক নিপীড়িত জনগণের অধিকারে। এমন ব্যবস্থাই পারে বর্তমান গণনিপীড়ন থেকে মুক্তির পাথেয়।।

Advertisements

মতামত জানান...

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s