লিখেছেন: শশি আলিওশা


ru-movement-13বিশ্ববিদ্যালয় সমস্ত বিদ্যাশিক্ষার জন্য উচ্চতম প্রতিষ্ঠান,স্বাধীনভাবে নিত্যনতুন জ্ঞান চর্চা আর তার বিকাশের মাধ্যমে প্রগতির ধারাবাহিকতা বজায় রাখা তার মৌলিক কাজগুলোর একটি। আর এই নিত্যনতুন জ্ঞান চর্চিত হয় এবং এই জ্ঞানের বিকাশ ঘটে সমাজ, ইতিহাস, সংস্কৃতি, অর্থনীতি, বিজ্ঞানের বিশ্লেষণ এবং গবেষণার মাধ্যমে, শিক্ষকশিক্ষার্থীর পারস্পারিক বোঝাপড়া বিনিময়ের মাধ্যমে। জ্ঞানের এই চর্চা, বিশ্লেষণ, গবেষণা এবং বিনিময় মানুষের কল্যাণের জন্য, প্রগতির জন্য, প্রত্যেক মানুষের মুক্ততার পরিসর আরেকটু বাড়ানোর জন্য। বাংলাদেশের প্রতিটি স্বায়ত্তশাসিত পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পেছনে একটি সুদীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। এই পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো চালিত হয়ে আসছে মূলত জনগণের টাকায়। ফলে এই ভূখণ্ডের মানুষের কাছে,জনগণের কাছে এই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর একটি নৈতিক দায়বদ্ধতা রয়েছে।

বাংলাদেশ আন্দোলন অর্থাৎ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে এই বিশ্ববিদ্যালয়গুলো প্রধানতম কেন্দ্র আকারে কাজ করেছে। ইতিহাসের বিভিন্ন সময় এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষার্থীরা আধিপত্যশীল ক্ষমতার বিরুদ্ধে জনগণকে সাথে নিয়ে দাঁড়িয়েছে। আর এইটার পেছনে রয়েছে মূলত বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বাধীনভাবে জ্ঞান চর্চার সুযোগ। স্বাধীন জ্ঞান চর্চা সর্বদায় ক্ষমতাকাঠামোকে, আধিপত্যকে, অন্যায়কে প্রশ্নবিদ্ধ করে। তাই স্বাধীন জ্ঞান চর্চাকে পৃথিবীর তাবৎ শাসকশ্রেণী তার ভীতির কারণ হিসেবে দেখে। তারা সর্বদায় চায় স্বাধীন জ্ঞান চর্চাকে তাদের অধীনে রাখতে,নিয়ন্ত্রনে রাখতে। কেননা তাছাড়া তাদের আধিপত্তের কুৎসিত চেহেরা জ্ঞানের আলোতে খুলে যায়। ইতিহাসও আমাদের তাই বলে।

অতীতে প্রতিটি জ্ঞান চর্চাকারীকে মেনে নিতে হয়েছে নিদারুণ অত্যাচার, নিপীড়ন। সক্রেতিস কিংবা ব্রুনো আমাদের সামনে উদাহরণ। বর্তমান শাসকদের অতীত শাসকদের সাথে কোন পার্থক্য নেই শুধু মুখোশটুকু ছাড়া। ফলে অতীতের মত বর্তমানেও শাসকেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের মত স্বাধীন জ্ঞান চর্চার জায়গায় তাদের নিয়ন্ত্রণ, কর্তৃত্ব ফলাতে চায়। তাছাড়া রাষ্ট্রযন্ত্রে বসে থাকা শাসকেরা মূলত দেশী বিদেশি মুনাফালোভী ব্যবসায়ীদের টাকায় চলে। ফলে ক্রমাগত নিয়ন্ত্রনের পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষা অর্থাৎ মুনাফাকেন্দ্রিক শাসনব্যবস্থা শাসকশ্রেণীর মূল লক্ষ্য। আর তাই তারা যখন যে শাসনের (!) সুযোগ পায় তখন নিজেদের মতাদর্শের (শাসক গোষ্ঠীর মতাদর্শ মানেই ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার মাধ্যমে ব্যক্তি স্বাধীনতার পরিসর নিজের নিয়ন্ত্রনের মধ্যে আনার মতাদর্শ আর অধিক থেকে অধিকতর মুনাফার অর্জনের মতাদর্শ) ব্যক্তিদের এই স্বাধীন জ্ঞান চর্চার উন্মুক্ত কেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার কাজে নিয়োগের চেষ্টা করে। সেই সাথে স্বায়ত্তশাসিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে বাণিজ্যিক করার মাধ্যমে ব্যবসায়ীদের মুনাফার সুযোগ করে দেয়। এই শাসকগোষ্ঠী আর ব্যবসায়ীর কাছে জনগণ,জনগণের কাছে বিশ্ববিদ্যালয়ের নৈতিক দায়বদ্ধতা, প্রগতি কিছুই চিন্তার বিষয় নয় তাদের মূল লক্ষ্য মুনাফা আর ক্রমাগত নিয়ন্ত্রনের মাধ্যমে কর্তৃত্ব বজায় রাখা। ফলত স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রযন্ত্রে বসে থাকা শাসকগোষ্ঠীর হস্তক্ষেপ কিংবা মুনাফালোভী ব্যবসায়ীদের অনুপ্রবেশ মানেই স্বায়ত্তশাসনের ধারণা ভূলুণ্ঠিত হওয়া, জনগণের টাকায় পরিচালিত হবার ফলে জনগণের সাথে তার নৈতিক দায়বদ্ধতার সম্পর্ক বিনষ্ট হওয়া, স্বাধীন জ্ঞান চর্চার মাধ্যমে মুক্ততার পরিসর বাড়ানোর পথে বাঁধা।

আই এফ এম, ওয়ার্ল্ড ব্যাংক এই মুনাফালোভী ব্যবসায়ীদের বড় বড় প্রতিষ্ঠান। নানা অনুদানের নামে, ঋণের নামে তারা বিভিন্ন দেশে তার তাদের কার্যক্রম চালাচ্ছে আর হাতিয়ে নিচ্ছে মুনাফা। নিজেদের ব্যবসার জন্য আই এফ এম, ওয়ার্ল্ড ব্যাংক এই মুনাফালোভি ব্যবসায়ীরা সব কিছু বেসরকারিকরণের প্রেসক্রিপশান দিচ্ছে। আর আমাদের শাসকেরা অর্থাৎ যখন যে ব্যক্তিরা ক্ষমতায় আসে তারা নিজেদের আর্থিক সুবিধার লোভে এই ফাঁদে পা দিচ্ছে। সব কিছু বেসরকারিকরণের মধ্যে শিক্ষাখাতও রয়েছে। অর্থাৎ শিক্ষার জন্য সরকার যে টাকা(জনগণের ট্যাক্স) বরাদ্দ করত, ভুর্তুকি দিত,ব্যয় করত তা আর করবে না। অর্থাৎ ভুর্তুকির কারণে সীমিত টাকায় যে উচ্চ শিক্ষা লাভের সুযোগ ছিল সবার তা আর সম্ভব হবে না, কেননা শিক্ষা ব্যয় বাড়বে, বাড়বে বেতন ফি। ফলে যার এই অতি উচ্চ বেতন ফি দেবার সুযোগ থাকবে কেবলমাত্র সেই উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করতে পারবে। অধিকাংশ মধ্যবিত্ত আর নিম্মবিত্ত পরিবারে ট্যাক্সের টাকায় যে বিশ্ববিদ্যালয় নির্মিত তাতে তাদেরই শিক্ষা গ্রহনের সুযোগ থাকবেনা!

বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর দেখভালের দায়িত্ব বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ugc)। এই প্রতিষ্ঠান তার কৌশল পত্রের ঘোষণা করেছে ২০২৬ সাল নাগাদ উচ্চশিক্ষার প্রতিষ্ঠানগুলোতে সরকার আর্থ বরাদ্দ দেয়া বন্ধ করে দিবে। বিশ্ববিদ্যালয় তহবিল চলবে ছাত্র বেতনসহ অন্যান্য ফির মাধ্যমে। বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট বাজেটের ১৫% আসবে ছাত্র বেতন থেকে আরও ১৫% আসবে নাইট কোর্স থেকে। এই কৌশল পত্র বাস্তবায়িত হলে দেখা যাবে একজন শিক্ষার্থীকে তার শিক্ষা ব্যয় সম্পূর্ণ নিজেকেই দিতে হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের চাপের কারণে যেহেতু বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে একবারেই এই কৌশল পত্র বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয় তাই তারা প্রতি বছর বেতন বাড়াচ্ছে, নিচ্ছে নামে বেনামে নানা ধরনের লোক দেখানো উন্নয়ন ফি। সেই সাথে চালু করছে বাণিজ্যিক নাইট মাস্টার্স কোর্স।

কৌশল পত্র বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতায় এই বছর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে বাড়ানো হয়েছে বেতন ফি,সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের সাতটি বিভাগে চালু হতে যাচ্ছে নাইট কোর্স নামে অর্থের বিনিময়ে মাস্টার্স কোর্স। তাছাড়া ২০০৮ সাল থেকে বাণিজ্য এবং আইন অনুষদেও চলছে এই বাণিজ্যিক মাস্টার্স কোর্স। বছর বছর বাড়তে থাকা বেতন ফি এবং এই সকল চালু থাকা কিংবা হতে যাওয়া মাস্টার্স কোর্স বিশ্ববিদ্যালয়কে কেবল মাত্র বাণিজ্যিকিকরণের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। উচ্চশিক্ষা গ্রহনের খরচ বেড়ে গেলে নিম্মবিত্ত, মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে আসা শিক্ষার্থীরা ক্ষতিগ্রস্থ হবে, তাদের সুযোগ থাকবেনা উচ্চশিক্ষা গ্রহনের। উচ্চশিক্ষা হয়ে পড়বে কেবল বড়লোকদের জন্য। অন্যান্য অধিকারের মত সবার জন্য গণতান্ত্রিক শিক্ষা লাভের যে স্বপ্ন স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ের পেছনে কাজ করেছিল তা অনেকাংশে ফিকে হয়ে পড়বে। সেই সাথে এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্তশাসনের ধারনাকে, জনগণের কাছে দায়বদ্ধতার প্রশ্নকে নস্যাৎ করবে,অবনতি ঘটবে স্ব শাসিত শিক্ষকশিক্ষার্থী জ্ঞান চর্চার সম্পর্কের এবং বাস্তবায়িত হবে শাসকগোষ্ঠীর মুনাফাকামী মতাদর্শ। সরকারি বরাদ্দ বন্ধ করে শিক্ষা ব্যয় বাড়ানো কিংবা কেবল মাত্র তহবিল চালানোর জন্য এক লাখ পাঁচ হাজার টাকায় মাস্টার্স কোর্স করানো নামে সার্টিফিকেট বিক্রি এই প্রশাসনের এবং এতে হ্যাঁ বলে মত দেওয়া শিক্ষকদের কেবল মুনাফালোভী চিন্তাকে প্রমান করে।

 

এই বাণিজ্যিকীকরনে জন্য যে নাইট কোর্স চালু হতে যাচ্ছে তাতে শিক্ষার্থীদের মত ক্ষতির শিকার হবেন শিক্ষকরাও। নাইট শিফটে নাইট কোর্সে যে সকল শিক্ষকরা ক্লাস নিবেন তাদের তো নতুন করে নিয়োগ দেওয়া হবে না। নাইট শিফটে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মিত শিক্ষকরাই ক্লাস নিবেন। ফলত বিশ্ববিদ্যালয়ের যে ২৪ ঘণ্টার শিক্ষণ প্রক্রিয়ার যে ধারণা রয়েছে তাতে নিয়মিত শিক্ষার্থীরা তাদের শিক্ষকদের কাছ থেকে একটা বড় সময় জ্ঞান লাভের সুযোগ থেকে বঞ্চিত থাকবেন। যেহেতু নাইট কোর্সের শিক্ষার্থীরা অতিরিক্ত অর্থের বিনিময়ে সার্টিফিকেট নিচ্ছে সেহেতু শিক্ষকেরা তাদের কাছে শিক্ষাসেবা(!) দিতে বাধ্য থাকবেন। এই অতিরিক্ত বাধ্যবাধকতা নিয়মিত শিক্ষার্থীদের সাথে জ্ঞান চর্চার পারস্পারিক দায়বদ্ধতাকে অবশ্যম্ভাবীভাবে হ্রাস করবে। বেশি মনোযোগ পাওয়া নাইট কোর্সের শিক্ষার্থীরা প্রথম শ্রেণীর শিক্ষার্থী হয়ে পড়বেন আর নিয়মিত অর্থাৎ যাদের কারণে এই বিশ্ববিদ্যালয় তারা হয়ে পড়বেন দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী। এমনিতে নানা জটিলতার কারণে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন বিভাগে নিয়মিত অর্থাৎ সময়মত ক্লাস,পরীক্ষা এবং ফল প্রকাশ সম্ভব হয়না। যেহেতু নাইট কোর্সে নিয়মিত শিক্ষকরা ক্লাস নেবেন এবং তাঁরায় এই সমস্ত কাজে নিয়োজিত থাকেন নাইট কোর্সে ক্লাস নেবার ব্যস্ততার কারণে ক্লাস,পরীক্ষা এবং ফল প্রকাশ আরও অনিয়মিত হয়ে পড়বে। ফলে ভোগান্তিতে পড়বেন শিক্ষার্থীরা। গবেষণা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অন্যতম কাজ। শিক্ষকরা যদি সকাল,বিকাল সারাদিন ক্লাস নিতে থাকেন তবে তাদের শিক্ষার্থীদের সাথে মিলে তাদের নিজেদের জ্ঞান চর্চার সুযোগ এবং নিত্য নতুন গবেষণার মাধ্যমে জ্ঞানের বিকাশের রাস্তা ক্রমে বন্ধ হয়ে যেতে থাকে। মুক্ত জ্ঞান চর্চার মাধ্যমে ব্যাক্তি স্বাধীনতার পরিসর ক্রমে ক্রমে বড় করে তোলার কাজে নিয়োজিত খোদ শিক্ষকদের স্বাধীনতার পরিসর কমে আসবে। সকাল বিকাল নটা পাঁচটা অফিসের যে বাঁধাধরা পরাধীনতা ক্রমশ তাতে বন্দী হতে থাকবেন তারা।

শিক্ষার মধ্য দিয়েই সমাজ বিকাশ লাভ করে। অথচ আমাদের শাসকগোষ্ঠী উচ্চ শিক্ষার জন্য বরাদ্দ বন্ধের চিন্তা করছে, শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরন করছে। এটা তার শাসন ক্ষমতা নিরঙ্কুশ এবং প্রশ্নহীন করার একটা প্রচেষ্টা, তাদের সহযোগিতা করা ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষার চেষ্টা। বাণিজ্যিকীকরনের বিরুদ্ধে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে আজ হাজার হাজার শিক্ষার্থী পথে নেমেছে।

যে আন্দোলন চলছে তা সবার জন্য শিক্ষা অধিকার রক্ষার আন্দোলন। কোন মতাদর্শ রক্ষা কিংবা প্রতিষ্ঠার জন্য নয় কেবল এবং কেবল মাত্র সবার শিক্ষা অধিকার রক্ষায়, সবার জন্য শিক্ষা দুয়ার খোলা রাখার জন্য এই হাজারো শিক্ষার্থীর আন্দোলন। এই আন্দোলন বাণিজ্যিকীকরনের বিরুদ্ধে,নামে বেনামে বেতন ফি বৃদ্ধির বিরুদ্ধে, নাইট কোর্সের বিরুদ্ধে। এই আন্দোলন স্বায়ত্তশাসন রক্ষার আন্দোলন, জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতার আন্দোলন। আমারা চাই এই শিক্ষা আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ুক সারা দেশে। সারা দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষার্থী মিলে আমরা এই শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরনের বিরুদ্ধে আন্দোলনে সোচ্চার হই।

আমাদের আন্দোলনের দাবি হোক শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ বন্ধ করে জাতীয় বাজেটের ২৫% শিক্ষা খাতে বরাদ্দ দেওয়ার,গণতান্ত্রিক শিক্ষা ব্যবস্থার,প্রাথমিক থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত সকল প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের বেতন বৃদ্ধি করার। আন্দোলন করা হোক বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রীয় হস্তক্ষেপ বন্ধ,বিশ্ববিদ্যালয় বাজেটের ৬০%শিক্ষার্থীদের জন্য এবং গবেষণা কাজে বরাদ্দ, বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা,সিলেবাস প্রণয়নসহ অন্যান্য কাজ শিক্ষক শিক্ষার্থীর যৌথতার ভিত্তিতে করার জন্য। বাণিজ্যিকীকরন বন্ধ করতে না পারলে স্বায়ত্তশাসন থাকবে না, থাকবে না স্বাধীন জ্ঞান চর্চার সুযোগ। আরে এ পরাধীনতা রুদ্ধ করবে প্রগতির দ্বার। সর্বোপরি বিশ্ববিদ্যালয় ব্যবসার জায়গা না, কোন দাস তৈরির কারখানা না। বিশ্ববিদ্যালয় মানে চিন্তার মুক্ততা,জ্ঞান চর্চার স্বাধীনতা,সমস্ত আধিপত্যের বিরোধিতা। তাই আসুন বন্ধুগণ,আমার এই বাণিজ্যিক শিক্ষা ব্যবস্থার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ি,আওয়াজ তুলি

এক দফা এক দাবি

বাণিজ্যিক শিক্ষার মুলতুবি”

লেখক: শিক্ষার্থী, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

Advertisements

মতামত জানান...

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s