লিখেছেন: আবিদুল ইসলাম

rab-রাষ্ট্রীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কর্তৃক গত রাতে মিল্কিহত্যার প্রধান সন্দেহভাজন আসামির ভবলীলা সাঙ্গ হওয়ার পর আজ যারা বলছেন “তারেককে খুন করা র‌্যাবের উচিত হয় নি” তারা হচ্ছেন এমন সব ব্যক্তি যারা র‌্যাবের কাছ থেকে ‘ইতিবাচক’ কিছু আশা করেন। এই ভদ্রলোকগণ শ্রেণীগতভাবে জনগণের শিক্ষিত মধ্যবিত্ত অংশের প্রতিনিধি, যারা মনে করেন বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে দেশে ‘শান্তি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব’। রাষ্ট্রের চরিত্র সম্পর্কে তাদের কুসংস্কারাচ্ছন্ন বিশ্বাসের কারণে তারা একটি নির্দিষ্ট সমাজভূমিতে সন্ত্রাসের উৎপত্তি, বিকাশ এবং তার সার্বভৌম ক্ষমতা লাভের বিষয়ে কোনো গভীর চিন্তা করতে সক্ষম হন না।

বিগত বিএনপিজামায়াত জোট সরকারের আমলে সন্ত্রাস দমনের অজুহাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইংল্যান্ড, ভারত প্রভৃতি রাষ্ট্রের সহযোগিতায় গড়ে ওঠে রাষ্ট্রীয় বাহিনী ‘র‌্যাব’। কালো পোশাকে আবৃত এই বাহিনী গঠন করা হয় সশস্ত্র বাহিনী, পুলিশ, বিডিআর প্রভৃতি সংস্থার ‘চৌকস’ সদস্যদের সমন্বয়ে। এদেরকে দেয়া হয় আধুনিক প্রশিক্ষণ ও অস্ত্র। বলা হয়, এই বাহিনী প্রচলিত সংস্থা সমূহের ব্যর্থতার বিপরীতে ‘আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে’। কিছু সন্ত্রাসীকে বিচারবহির্ভূতভাবে হত্যার মাধ্যমে তারা শিক্ষিত মধ্যবিত্ত শ্রেণীর একাংশের মধ্যে নিজেদের সমর্থন লাভ করতে সক্ষম হয়। এই মধ্যবিত্ত একাংশটি সন্ত্রাসের উদ্ভব ও বিকাশের আর্থসামাজিক ও রাজনৈতিক শর্তের বিষয়ে কোনো গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা এবং এর গণতান্ত্রিক সমাধানে চিন্তাভাবনায় প্রবৃত্ত নন।

কিন্তু লক্ষণীয়, এই বাহিনীর কার্যকলাপ কেবল কথিত সন্ত্রাসী দমনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না। বিরোধী রাজনৈতিক শক্তি দমন ছিল এর অন্যতম উদ্দেশ্য। সন্ত্রাসীহত্যাকাণ্ডের আড়ালে তারা বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতাকর্মীকে পৃথিবী হতে বিদায় করে দিয়েছে। যার মধ্যে দুয়েকটি দৃষ্টান্ত আলাদাভাবে উল্লেখ না করলেই নয়। ২০০৯ সালে তাদের কথিত ‘ক্রসফায়ারে’ হত্যা করা হয় পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্টি (এমএল)-এর তাত্ত্বিক নেতা মোফাখখার চৌধুরী এবং পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্টি (লাল পতাকা)-এর নেতা ডা. মিজানুর রহমান টুটুলকে। তাদের বিরুদ্ধে কথিত সন্ত্রাসের কোনো পূর্ব রেকর্ড ছিল না এবং পুলিশের খাতায়ও তাদের নাম ছিল না। কিন্তু এদেরকে এভাবে হত্যা করে ক্রসফায়ারের গল্প ফাঁদা হয়।

এরপর থেকে এই রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসী বাহিনী র‌্যাব প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের পর জাতিকে ক্রসফায়ারের গৎবাঁধা গল্প শুনিয়ে আসছে। তাদের এই গল্প জাতির কাছে বিশ্বাসযোগ্য না হলেও প্রকাশ্যে এই মিথ্যাচার করতে তাদের কোনো অসুবিধা হয় না। একটি সমাজ ব্যবস্থা কতোটা অধঃপতিত হলে তার রাষ্ট্রীয় বাহিনী কর্তৃক অগণিত সংখ্যক হত্যাকাণ্ডের পর বছরের পর বছর ধরে একই মিথ্যে কাহিনী শুনিয়ে আসা সম্ভব হতে পারে সেটা যেকোনো সংবেদনশীল মানুষই উপলব্ধি করতে সক্ষম। কিন্তু সমাজে এই সংবেদনশীল মানুষের সংখ্যা কম হওয়ায় এবং তাদের সাংগঠনিক শক্তি দুর্বল হওয়ার কারণে র‌্যাব নামক সংস্থাটি এই অপকর্ম অব্যাহতভাবে করে যেতে পারছে।

এর বিরুদ্ধে যে প্রতিবাদ, ক্ষোভ ইত্যাদি একেবারেই নেই এ কথা সত্য নয়। এই দিকটির প্রতি লক্ষ্য রেখেই বিগত নির্বাচনের আগে ‘ক্ষমতায় গেলে ক্রসফায়ার বন্ধ করা হবে’এই মর্মে আওয়ামী লীগ জনগণের নিকট ওয়াদাবদ্ধ হয়েছিল। কিন্তু অন্য আরো অনেক নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির মতোই এক্ষেত্রেও তার বাস্তবায়নযোগ্যতা আওয়ামী নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার ক্ষমতারোহণের পর কর্পূরের মতো উধাও হয়েছে। সরকার গঠনের পর তাই ক্রসফায়ার তো বন্ধ হয়ই নি; বরং তাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জনসমক্ষে ‘স্বীকার করেছেন’, ‘ক্রসফায়ারে’ হত্যাকাণ্ড ‘রাতারাতি’ বন্ধ করা সম্ভব নয়। বর্তমান সরকার তাই তাদের নির্বাচনী প্রতিপক্ষ বিএনপিজামায়াতের সরকারের আমলে সৃষ্ট র‌্যাব বাহিনীর সদ্ব্যবহার করে চলেছে দ্বিগুণ উৎসাহে। ‘ক্রসফায়ারে’র ঘটনা ঘটে চলেছে স্বমহিমায়।

একদিকে যেমন ‘প্রয়োজনবোধে’ কিছু চুনোপুঁটি সন্ত্রাসীকে হত্যার মাধ্যমে তাদের গডফাদারদের চেহারা আড়াল করা হচ্ছে, তেমনি ‘সন্ত্রাসী’ তকমা লাগিয়ে বিরোধী, বিশেষত শাসক শ্রেণীবহির্ভূত রাজনৈতিক বিরোধিতার শক্তিকে এর দ্বারা নির্মূল করা হচ্ছে। একই সাথে হত্যা, ধর্ষণ, চাঁদাবাজি, গুম, ঘুষ, দুর্নীতি ইত্যাদি অপরাধও র‌্যাবের দ্বারা সংঘটিত হয়ে চলছে অবাধ গতিতে। সন্ত্রাস বন্ধের অজুহাতে সৃষ্ট র‌্যাব বাহিনীর হাতে এভাবে জনগণের নিরাপত্তা খর্ব হওয়া কোনো আশ্চর্যজনক বিষয় নয়। যে সকল শর্তের অধীনে এবং যে আসল উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে র‌্যাব গঠন করা হয়েছিল তার পরিণতি এমনটা হওয়াই স্বাভাবিক।

একটি সমাজে সন্ত্রাস কোনো স্বাধীন বিষয় নয়। নিছক সন্ত্রাসের জন্য সন্ত্রাস বলে কিছু নেই। তাই সন্ত্রাসের উৎপত্তি, বিকাশ ও তার সার্বভৌম ক্ষমতা লাভের কিছু সামাজিক ও রাজনৈতিক শর্ত রয়েছে। সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশের দিকে তাকালে এই শর্তাবলীর উপস্থিতি খুব ভালোভাবেই নজরে পড়ে। এখানে শাসক শ্রেণীর রাজনৈতিক দলগুলোর নেতানেত্রীরাই সন্ত্রাসীদের প্রধান লালনকর্তা/কর্ত্রী। বাংলাদেশে রাজনৈতিক ক্ষমতার ব্যবহারের দ্বারা ধনসম্পত্তি অর্জনের যে অর্থনৈতিক ভিত্তি স্থাপিত হয়েছে তার গর্ভেই এই সমস্ত সন্ত্রাসী তৎপরতার জন্ম। এ জন্য দেখা যায় যে, এই রাজনৈতিক দলগুলোর ছাত্র, যুব প্রভৃতি অঙ্গসংগঠনগুলোর কর্মীবাহিনী এই সন্ত্রাসী তৎপরতার প্রধান উদগাতা। সাধারণত টেন্ডারবাজি, হলদখল, চাঁদাবাজি, লুটপাটের অর্থের ভাগবাটোয়ারা প্রভৃতিকে কেন্দ্র করেই এসব সন্ত্রাসী তৎপরতা আবর্তিত হয়। আগে দেখা যেতো, একটি দলের অঙ্গসংগঠনের সাথে আরেকটি দলের অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা সন্ত্রাসী তৎপরতায় লিপ্ত হতো। অবস্থা এখন এতোদূর পর্যন্ত খারাপ হয়েছে যে এই সন্ত্রাসী সংগঠনগুলো এখন নিজেদের মধ্যেই বিভিন্ন গ্রুপে বিভক্ত হয়ে পরস্পরের ওপর অস্ত্রশক্তি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ছে।

গত সোমবার গভীর রাতে রাজধানীর গুলশানের শপার্স ওয়ার্ল্ড শপিং মার্কেটের সামনে সন্ত্রাসীদের গুলিতে ঢাকা মহানগর যুবলীগ দক্ষিণ শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক রিয়াজুল হক মিল্কি নিহত হওয়ার ঘটনাও এর ব্যতিক্রম নয়। একই শাখার যুগ্ম সম্পাদক জাহিদ সিদ্দিকী তারেককে এই ঘটনার জন্য চিহ্নিত করে র‌্যাব তাকে গ্রেপ্তার করে। পরে গতকাল রাতে উত্তরার ফরচুন হাসপাতাল থেকে গুলশান থানায় নেয়ার পথে তাকে হত্যা করা হয়। যেভাবে মিল্কিহত্যার রহস্য ধামাচাপা দেয়ার উদ্দেশ্যে তারেককে খুন করে ক্রসফায়ারের পুরনো গল্প নতুন করে সাজানো হয়েছে তার দ্বারা বোঝা যাচ্ছে এর সাথে আরো ক্ষমতাসম্পন্ন কোনো গোষ্ঠী জড়িত আছে। এই গোষ্ঠী যে ক্ষমতাসীন উচ্চমহলের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কে গ্রথিত এ বিষয়ে জনগণের মধ্যে কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু রাজনৈতিক সাংগঠনিক শক্তিহীন দেশের বিপুল জনগণের এই সমস্ত রাষ্ট্রীয় মিথ্যাচার, হত্যাকাণ্ড চেয়ে চেয়ে দেখে যাওয়া ছাড়া যেন আর কিছুই করার নেই।

র‌্যাব দ্বারা এইভাবে ক্রসফায়ারের মাধ্যমে চুনোপুঁটি সন্ত্রাসী কিংবা বিরোধী রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের হত্যা করা হলেও কথিত ‘ক্রসফায়ার’, ‘এনকাউন্টার’ প্রভৃতি ঘটনা র‌্যাবের মাধ্যমেই এ দেশে শুরু হয় নি। বরং বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকেই বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের এই ‘ঐতিহ্য’ এ দেশে স্থাপিত হয়েছে। স্বাধীন বাংলাদেশে যুদ্ধকালীন র‘ এবং সিআইএএর দ্বারা সৃষ্ট রক্ষী বাহিনী, গণবাহিনী, লাল বাহিনী প্রভৃতি সংগঠন রাজনৈতিক বিরোধিতাকে দমন করার উদ্দেশ্যে হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করত। ১৯৭৫ সালের একেবারে শুরুতেই পূর্ব বাংলা সর্বহারা পার্টির নেতা সিরাজ শিকদারকে এভাবে হত্যা করা হয়।শেরেবাংলা নগর রক্ষী বাহিনীর সদর দফতরে তার ওপর নির্যাতন চালিয়ে সেখানেই তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। পরবর্তীতে সরকারী প্রেসনোটে বলা হয়: “সিরাজ শিকদার গ্রেফতার হওয়ার পর তার পার্টিকর্মীদের কয়েকটি গোপন আস্তানা এবং তাদের বেআইনি অস্ত্র ও গোলাবারুদ রাখার স্থানে পুলিশকে নিয়ে যেতে রাজি হন। সে অনুযায়ী ২ জানুয়ারি রাতে একটি পুলিশ ভ্যানে তাকে ওইসব আস্তানায় নিয়ে যাওয়ার সময় তিনি সাভারের তালবাগ এলাকায় ভ্যান থেকে লাফিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন। এ সময় পুলিশ গুলিবর্ষণ করলে তৎক্ষণাৎ ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।” সরকারের আশ্রয়লালিত রক্ষী বাহিনীর এই বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডকে তৎকালীন সরকার প্রধান শেখ মুজিব অনুমোদন প্রদান করেন “কোথায় আজ সিরাজ শিকদার”এই সদম্ভ আস্ফালনের মাধ্যমে। এই ধরনের আরো অনেক ঘটনার মধ্য দিয়েই রাষ্ট্রীয় হত্যাকাণ্ডের ধারাবাহিকতা বাংলাদেশে রক্ষিত হয়ে এসেছে।

লক্ষণীয় বিষয়, ১৯৭৫ সালের ১৫ অগাস্ট শেখ মুজিব সরকারের পতনের পরও এই বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের কোনো বিচার বাংলাদেশে হয় নি। সামরিক শাসনামলে রক্ষী বাহিনীর সদস্যদেরকে পদোন্নতি দিয়ে সেনাবাহিনীতে তাদের আত্মীকরণ করা হয়, আর রক্ষী বাহিনী প্রধানকে দেয়া হয় রাষ্ট্রদূতের পদ। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো: ৯ অক্টোবর, ১৯৭৫এ জারিকৃত অধ্যাদেশ Jatiya Rakkhi Bahini Absorption Army Ordinance 1975’এ রক্ষী বাহিনীর যাবতীয় কার্যকলাপকে দায়মুক্তি দিয়ে বলা হয়, তাদের “বর্তমান ও পূর্ববর্তী সকল কর্মকাণ্ড সেনাবাহিনীর নিজস্ব এখতিয়ারভুক্ত বিষয় হিসেবে ধরে নেয়া হবে”। এভাবেই বাংলাদেশের শাসক গোষ্ঠী কর্তৃক সঙ্কীর্ণ দলীয় ও শ্রেণীস্বার্থে সংঘটিত অপকর্মগুলোকে পারস্পরিক দায়মুক্তি দানের মাধ্যমে তাদের নিজেদের মধ্যে স্থাপিত হয়েছে তাৎপর্যপূর্ণ শ্রেণীগত ঐক্য। অন্য অনেক বিষয়, যেমন: যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, সাম্রাজ্যবাদী বিভিন্ন রাষ্ট্র ও সংস্থার সাথে অধীনতামূলক চুক্তি, জনগণের ওপর নিপীড়ননির্যাতনমূলক আইন প্রণয়ন ও তার বাস্তবায়ন, ধর্মের রাজনৈতিক ব্যবহার প্রভৃতি ক্ষেত্রের মতো এখানেও তাদের বিভিন্ন দল ও জোটের কর্মকাণ্ডের মধ্যে ধারাবাহিকতা এক লক্ষ্যযোগ্য ব্যাপার।

শাসক শ্রেণীর এই রাষ্ট্রীয় ফ্যাসিবাদী তৎপরতার ধারাবাহিকতা ভাঙা তাদের কোনো একটি জোটের অন্তর্ভুক্ত থেকে অথবা তাদের আশির্বাদ মাথায় নিয়ে পথ চলা রাজনৈতিক শক্তির সাহায্যে সম্ভব নয়। এর জন্য প্রয়োজন হবে জনগণের নিজস্ব রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক শক্তির বিকাশ, বর্তমান সন্ত্রাসী রাষ্ট্রব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জ জানানোর উপযুক্ত সক্ষমতা অর্জন। এর জন্য জনগণকেই সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে এগিয়ে আসতে হবে। এ বিষয়ে প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক ও সমাজতান্ত্রিক শক্তিসমূহের কর্তব্য ও দায়দায়িত্ব কম নয়। উপরন্তু সাংগঠনিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে তাদের দায়িত্বকর্তব্যই এখানে প্রধান ও সর্বাগ্রগণ্য বিষয়।।

Advertisements

মতামত জানান...

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s