লিখেছেন: মতিন বৈরাগী

hill killing-3-লাল মিছিলের ঐক্য’ মোহন রায়হানের সাম্প্রতিক কাব্য। মিছিলটি নির্ধারিত, তথাকথিত গণতন্ত্র নয় যার আড়ালে লুক্কায়িত আছে শোষক শাসকের মুখোশ। ‘ঐক্য’ শব্দটিও কোন না’বোধক বোধ থেকে উৎসারিত হয়নি, বরঞ্চ বাস্তবতার ধুসরতাকে কাটিয়ে সহযাত্রীদের একত্রিত হবার আকাঙ্খায় উদ্ভাসিত। কারণ সকল বিভক্তি গুলোর ভিন্নতা অনাকাঙ্খিত বিভাজনে মুক্তির আকাঙ্খায় রত মানুষদেরকেও বিভাজিত করেছে এবং স্বপ্নকে খন্ডিত করে শাসক শোষকদের স্বার্থকেই সুরক্ষা দিয়েছে। কবি মোহন রায়হান তার সৃজনশীল শিল্প বুননের মাধ্যমে এই কর্মক্রমে মানুষের সংগ্রাম এবং তার প্রয়োজনীয়তা ও আগামীর নির্মাণকে প্রধান্য দিয়েছেন। শিল্পের আদি প্রসংগে মার্কসএর মন্তব্য ‘গ্রীক শিল্প যে অবস্থায় জন্ম নিয়েছিলো বা জন্ম দিতে পেরেছিলো তা’ আর কখনো ফিরে আসবে না’ মাকর্স যুক্তি দিয়েছেন যে, ‘গ্রীকরা মহৎ শিল্প সৃষ্টিতে সক্ষম হয়েছিলো তাদের সমাজের অনুন্নত অবস্থা সত্ত্বেও নয়, অনুন্নত অবস্থার কারণেই’। ইয়েটস, ইলিয়ড,পাউন্ড, লরেন্স ছিলেন সংরক্ষণশীল এবং ফ্যাসিবাদের সমর্থক। মার্কসীয় সমালোচনা এর জন্য অনুযোগ না করে একে ব্যাখ্যা করে..

কবি মোহন রায়হান বিপ্লবী কবি, কবিতায় তিনি পরিচ্ছন্ন আগামীর প্রত্যাশায় ঐক্য চেয়েছেন এবং লক্ষ্যকে স্থির করেছেন। তার কবিতা পড়লে সেই ভাবনায় আমাদেরকেও সংশ্লিষ্ট করে, যুক্ত করে দেয় এক গতিশীল বিপ্লবী চিন্তার সংগে। আমরা তার কবিতায় মা, মাটি, মানুষ মানুষের সংগ্রাম, অগ্রসরমানতা, ব্যর্থতা ও বেদনার দাগরাজি লক্ষ্য করি। তার কবিতায় যে ব্যাথা বেদনা ছড়িয়ে রয়েছে তা’ তার নির্মাণের মধ্যদিয়ে হয়ে যায় সামগ্রিক এবং এক নতুন চিন্তার চিত্র ফুটিয়ে তোলেযাকে আমরা বলতে পারি সামগ্রিক সত্তা। যা বহুত্বের মধ্যে বিলীন হয় নতুনতর চিন্তায়। কবির উচ্চারণ -‘দূরে কাছে কেউ আছে এক দিন ডেকে নেবে কাছে/ভাবভণিতাবিহীন জীবনের সব ক্লান্তি মুছে ..অথবা অপেক্ষক্ষায় আছি করো ডাক শুনবার অপেক্ষায়/কে যেন ভাঙছে প্রতিকূল দেওয়াল অবজ্ঞায়’ ‘অপেক্ষা’।

কবিতার নান্দনিকতা কবিতার অভ্যন্তরীণ কাঠামো, বিষয় ও আবেগের ঐক্য থেকে তৈরি হয়। নান্দনিকতা ও বিষয়ের মধ্যে যুক্ততা আসলে সমাজ ও ইতিহাসের মধ্যকার যুক্ততা যা থেকে মানুষ তার নিজকে চিনতে নতুন ধরন পেয়ে যায়’। (.বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর, কবিতা আলোচনা বিষয়ক প্রবন্ধ) কোন মানুষই তার অনুভূতিকে প্রকাশের ক্ষেত্রে কখনো ব্যক্তিমানুষসমাজরাজনীতিকে পরিহার করে তাঁর চিন্তাকে প্রকাশ করতে পারেন না। কবিতো নয়ই। ‘মানব মনের প্রাচীনতম নান্দনিক কার্যকলাপের মধ্যে কাব্যই অন্যতম’ কবির প্রকাশ যেহেতূ শিল্পের মাত্রায় ঘটে সে কারণে এর সাথে যুক্ত হয় কাব্য প্রকরণ, অনুষঙ্গ, অন্যান্য বিষয়াবলী। কবি এই প্রকাশকে কাব্যের নানা জটিল কৃতকৌশলের মধ্য দিয়েও প্রকাশ করতে পারেন আবার সহজ সরল ভাবেও প্রকাশ করতে পারেন শিল্পের প্রকরণ মেনে কবিতা সহজ বোধ্য হোক এমন প্রত্যাশা প্রায় সকল পাঠকেরই।

মানুষের প্রতি গভীর আস্থা নিয়ে কবিই বলতে পারেনযদিও সেই মানুষেরা কাছাকাছি থেকেও দূর হয়ে আছেন অথবা দূরে থেকেও আছেন কাছাকাছি। আলাপ পরিচয় আর একাগ্রতার অভাবে তাঁদেরকে আপাতত শনাক্ত করা যাচ্ছেনা কিন্তু কবি বিশ্বাস হারান নি যে কেউ নেই এবং ‘আশ্চর্য আলোর রং ছড়িয়ে’ বলবে না ..‘আজ নিকটে বস’ কারণ তিনি তাঁদের অপেক্ষায়ই আছেন। মোহন রায়হান বিস্মৃত হননি শিল্পের একটা নিজস্ব নিয়ম আছে, শরীর ও সত্তা আছে। ‘মৌলিক শিল্প সবসময়ই তার সমকালীন মতাদর্শের সীমাকে ছাড়িয়ে যায় এবং মতাদর্শ যে বাস্তবকে আমাদে দৃষ্টি থেকে আড়াল করে রাখে,সেই বাস্তব দেখার অন্তরদৃষ্টি আমাদের দান করে ’ (আর্নস্ট ফিশার তাঁর ‘আর্ট এগেইনস্ট ইডিওলজি)। উপরোক্ত পঙক্তি সমূহ থেকে এর বাস্তবতা লাভ করি এ ভাবে যে চেতনা জগতে সমাজ পাল্টানোর সংগ্রামে যুক্ত মানুষগুলোর পথ মত পাল্টে ভিন্ন পথ যাত্রি হলেও পরিবর্তন আকাঙ্খায় উন্মূখ মানুষেরা বদলে যায় নি আপাতত তাদের চিহ্নিত করতে না পারলেও পরিবর্তনের ঢেউ সমাজে মৌলিক, তার সংগে সম্পৃক্ত মানুষেরা দূরে থেকে গেলেও চেতনার ঐক্য কর্মে সাধিত হলেই তাদের স্পর্শ মিলবে। কবি মোহন রায়হান বক্তব্যের ভাবকে প্রশমিত করেছেন নান্দনিক আবরণে যা পাঠকের চিত্তে নয়া অনুভূতির সৃষ্টি করে।

বিহ্বল বধির বাকল ছিঁড়ে

নাড়ি ছেড়াঁ রক্তমাখা শিশুর মতন জেগে ওঠে ভোর ’(দগ্ধিত) ‘রাত্রি বিহ্বল’

অচেতন অর্থে যদি রাত্রিকে চিহ্নিত করি তা’ হলে সে শুনতে পায় না এবঙ তার পর ‘বাকল ছিঁড়ে’সম্প্রসারিত ভাবে যে অভিভূত যার নাড়ি ছিঁড়ে জেগে উঠেছে ‘রক্তমাখা ভোর’ জন্মকালীন নতুন শিশুকে প্রথম সূর্যোদয়ের সক্সেগ সন্নিবেশিত করে দ’ুটি দৃশ্য তৈরী করে দিয়েছে মনকাড়া দ্যোতনায়। তার পর তাকে ক্লাইমেক্সে নিয়েছেন

বেদনাজরায়ু চিরে কুসুমিত কান্নার চিৎকারে

হেসে উঠুক বিষন্ন বিবর্ণ স্বদেশ’

অর্থাৎ জন্ম যার রক্তমাখা ভোরের মত তার কান্না কুসুমের মতো আনন্দময় আর তাতে ‘বিবর্ন স্বদেশ হেসে উঠুক’ সকল বিষন্নতা ভেঙ্গে। মার্কসবাদী সাহিত্য তাত্ত্বিক লুকাচের মতে ‘একজন লেখকের ভালো লেখার বিষয়টি তার নিজের ব্যক্তিগত ক্ষমতার উপর নির্ভরশীল নয়, বরং অনেকটাই নির্ভর করে ইতিহাসে তাঁর কি অবস্থানতার উপরে’। কবি মোহন রায়হান জীবন এবং রাজনীতি সচেতন কবি বলেই চিন্তাগত দিক থেকে তার এই কাব্যে দ্বিধাহীন থাকতে পেরেছেন এবঙ খুব আন্তরিক উচ্চারণে মানুষ এবং মানুষের মুক্তির রাজনীতিকে প্রধান্য দিয়েছেন। ‘দ্যাশ পাইলাম,পতাকা পাইলাম, তোমারেতো পাইলাম না’ (তোমারেতো পাইলাম না ) এই কবিতাটিতে স্বাধীনতা যুদ্ধ এবং সেই যু্দ্ধে তার অংশগ্রহণ যে আকাঙ্খার প্রতিফলনের জন্য অনিবার্য হয়েছিল যা চরম ভাবে আশা ভক্সেগর কারণ হয়েছে। যেমন তার সমসাময়িক কবি হেলাল হাফিজের একটি পঙক্তি এরকম ‘স্বাধীনতা তুমি সব খেলে শুধু মানুষের দু:খ খেলে না ’। কবি মোহন রায়হান ধারাবাহিকতায় রাজনীতি সচেতন বিপ্লব মনস্ক কবি। বিশ্ব সাহিত্যে বিপ্লবী কবিতা কলাকৈবল্যবাদী কবিতা থেকে কাব্যকে স্বতন্ত্র মহিমা দিয়ে যাঁরা প্রতিষ্ঠা দিয়েছেন এবং বিপুল মানুষের পাঠ প্রিয়তা পেয়েছে মোহন তাঁদেরই যোগ্য উত্তরসুরী।

হায়রে, ভয়ঙ্কর রক্তাক্ত ক্ষত কিছুতে শুকোবার নয়

জয়লাভেও নাঃ কিছুতে না সমুদ্রসিঞ্চনে – (ধর্ষিতা দেশ, নেরুদা, অনুবাদ মঙ্গলাচরণ চট্টোপধ্যায়)

 

কিংবা ‘হাতে হাত মিলিয়ে সূর্যকে দেখে হাসব

কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়ব হে আমার বন্ধুরা

সহযোদ্ধা আমার (নাজিম হিকমত বিদায়, অনুবাদ সুভাষ মুখোপাধ্যায়)

মানুষ সবসময়ই স্বপ্ন দেখে স্বাধীনতার, কারণ স্বাধীনতাই তার কাঙ্খার অন্যতম উৎসব। স্বপ্নপূরণের একটি ধাপ শেষ হলেও মুক্তি আসেনি।মাহনের পঙক্তিতে তার ক্ষেদোক্তি এরকম

আমরা চাইনা আর মধুমাখা বুলি

শাসনভাষণ কুতর্কের লীলাভূমি

দুইবেলা পেটভাত পরনের কাপড় ঘুমাবার ঠাঁই..এবারে ভরিয়ে দেব চাষাভূষার শরীরের ঘাস

আর চকচকে ব্লেডের দু’ধার’ (ডিজিটাল হে বৈশাখ )

যেমন

পল এল্যুয়ারের ‘স্পেনে’ কবিতার দু’টি পঙক্তি এরকম

স্পেনে যদি কোনো রক্তমাখা গাছ থাকে

সে গাছে স্বাধীনতার’।(অনুবাদ বিষ্ণুদে)

অথবা রাফায়েল অলবের্তি

তোমরা মরোনি‘এতো মৃত্যু নয়,এই বপন

তোমাদের মর্মযাতনায় জন্মেরই যন্ত্রণা’ (অনুবাদ,অধীর মজুমদার)

কবি মোহন রায়হানের আরো কয়েকটি পঙক্তি এখানে উল্লেখ করা সঙ্গত হবে

.‘ শুধু তুমিই দেখো না ভোরের উজ্জ্বল সূয

ক্রমশ নি®প্রভ অস্তগামী মেঘাচ্ছন

মহাঝড় উঠে আসছে ঈষাণ কোন থেকে

সব চোখই কি তবে অন্ধ হয়ে যায়

তেমনি

বার বার এক ভুল.ভুলই জীবন!

ভুলের মাশুল গোনা শেষ হবে কবে?

একটি পঙক্তিতে বিস্ময় অন্যটিতে প্রশ্ন জড়িয়ে রয়েছে অর্থাৎ জনগণের রাজনীতি যারা করবেন বলেছিলেন তারা নানা সময়ে বিভ্রান্তিকর কর্মদ্বারা জনগণকর্তৃক প্রত্যাখ্যাত হয়েছেন। তেমনি ‘কবে এর শেষ হবে’ জিজ্ঞাস্য চিহ্ন দ্বারা নিশ্চিত হতেও চেয়েছেন। গোল্ডমানএর মতে ‘লেখার মধ্য দিয়ে যতো পরিস্কার ভাবে লেখক যে সামাজিক শ্রেণি বা দলে অবস্থান করেন তার চিন্তার কাঠামো কতোটা প্রকাশিত হয়েছে তা বোঝা যায় তার লেখার মধ্যেই এবং তাতে যতো পরিস্কারভাবে সেই সামাজিক বিশ্ববীক্ষা প্রকাশিত হবে ততোই শিল্পকর্ম হিসেবে তার যথার্থতা বাড়বে’। সম্ভবত কবি মোহন রায়হান সে কারণে সমকালে অনেকের থেকে পৃথকই এবং পরিশিলিত কাব্যচিন্তার মাধ্যমে ‘লাল মিছিলের ঐক্য’ কবিতায় তাঁর আকাঙ্খা ব্যক্তিগত অনুভূতির গণ্ডি পেরিয়ে সার্বজনীনতা দিতে পেরেছেন। সামগ্রিকভাবে বিভক্ত হয়ে যাওয়া লাল মানুষদের’

জমিজমা সম্পদ প্রাচূর্য এমনকি নারী নিয়েও

কি কোনো বিরোধ ছিল কমরেড?

তবু কেন মেঘনার ভাঙনের মতো আমরা অস্তিত্বহীন প্রায়’ প্রশ্ন দারিদ্র শেষ হয়ে গেছে,

পৃথিবীর কোথাও ক্ষুধা জরা

অনাহার অপুষ্টি নেই,শোষণ পীড়ন বৈষম্য বিভেদ এই শব্দগুলো

কোনো ভাষার অভিধানেই খুঁজে পাওয়া যাবে না আর।’

তেমনি তিনি সিদ্ধান্ত টেনেছেন এভাবে

লাল পতাকার দিন শেষ হবে না কখনো

যতোদিন পৃথিবীতে তলপেট চিনচিন করবে ক্ষুধার আগুনে

ততোদিন সমাজতন্ত্রের প্রয়োজন ফুরাবে না কোথাও’,

এবঙ তারপর নিজের মধ্যে স্থিত হয়ে নিজের বিশ্বাসকে নির্ধারিত করে আহ্বান আর প্রত্যাশা করেছেন এভাবে

নাচোল থেকে উঠে আসুক হাতুড়ি কাস্তে হাতে অজস্র কিষানী..

সিরাজগঞ্জ থেকে দুর্ধান্ত ক্ষেতমজুর..

যুথবদ্ধ সমাবেশের প্রগাঢ় আলিঙ্গনে

শুরু হোক নতুন যুদ্ধের সূচনা। (লাল মিছিলের ঐক্য)

গোল্ডম্যানের উক্তির যথার্থতা এখানে। আমরা এবারে আমাদের কাব্যাঙ্গনে ফিরে দু’একজন কবির কবিতা উল্লেখ করে দেখার চেষ্টা করতে পারি যে কবি মোহনের কবিতায় তার পূর্বসূরীদের উত্তরাধিকারিত্ব আছে কিনা।

আমি সেই দিন হবো শান্ত

যবে উৎপীড়িতের ক্রনন্দন রোল আকাশে বাতাসে ধ্বনিবে না’ (‘বিদ্রোহী’কাজী নজরুল ইসলাম )

 

আমার প্রিয় রং লাল;আমার প্রিয় ফুল গোলাপ

লাল গোলাপের জন্যে সাহসে বুক বেঁধে এখন আমাদের লড়াই’ (লাল গোলাপের জন্য,সুভাষ মুখোপাধ্যায়)

শোষক শ্রেণিকে কবি হুমায়ুন কবির এভাবে যাচাই করেছেন

ফুলের গর্তে মানুষের সাপ, পাপ

ফুলের গর্তে মানুষের স্বপ্নের বসবাস’

আবার

আমি তাই কাটিয়ে দিতেই পারি একাকী প্রহরগুলি

নারী প্রেম সুখ বর্জিত গণমানুষের ভিড় ভালোবেসে’ ‘রোমান্টিক’ (মুনীর সিরাজ)

এবং তারপর ‘ঐক্য ঐক্য একমাত্র ঐক্য লাল মিছিলের’ ডাকের মধ্যদিয়ে তিনি তার ঐতিহাসিক কাব্যটি শেষ করেছেন ভাববাদীরা কিংবা প্রথা পন্থিরা কিংবা নব্য আধুনিকতা বাদীরা বলতেই পারেন কবিতাটিতে আবেগ যে মাত্রায় প্রসারিত/সংকোচিত হয়েছে শিল্পে তার যৌক্তিকতা কোথায় আমার মনে হয় এই প্রশ্নের উত্তর কবিতাটির মধ্যে আছে। এ’জন্য যে কবিতাটি সময়ের দাবীকে শ্লোগানে নয় ইতিহাস চেতনায়, জনগণের বিভিন্ন সময়ের মর্যাদাপূর্ণ লড়াই অর্জন এবং ব্যর্থতা সহ আগামীর আশায়,আকাঙ্খায়, নির্মাণে প্রবাহিত করেছেন। যা নিছক একজন কবির ভাববিলাস নয়, বরঞ্চ প্রতিমূহুর্তে নতুন পৃথিবী দেখার বাসনা থেকে প্রসারিত হয়েছে আবেগ, কেন্দ্র থেকে আরেক কেন্দ্রে। এখানেই এই কবিতার সার্থকতা। মোহনের কবিতায় সাহস আছে, আছে সমমানের পুষ্টি।।

২৫.১১.১২

Advertisements

মতামত জানান...

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s