লিখেছেন: জাহেদ সরওয়ার

Crossfireন্যায় হচ্ছে শক্তিমানের স্বার্থ’ প্লাতনের রিপাবলিক কিতাবের প্রথম পুস্তকের তর্কিত এজেণ্ডাসমূহের একটি। এর আগে পলিমারকাসের ‘ন্যায় হচ্ছে দোস্তের লগে দোস্তামি আর দুশমনের লগে দুশমনি’এই যুক্তিকে সক্রাতেস কতৃক ধূলিসাৎ করা ও পলিমারকাসের পরাজয় স্বীকার করার পর থ্রাসিমেকাস এই প্রস্তাবনা উপস্থাপন করেন। থ্রাসিমেকাসের মতে ‘ন্যায়’, ‘অন্যায়’ এই শব্দসমূহ শক্তিমান তথা শাসকদের তৈরি। প্লাতনিয় থ্রাসিমেকাস আরো বলেন, ন্যায় হচ্ছে দুর্বলকে শোষণ করার জন্য শক্তিমানের কৌশল অথবা শক্তিমানকে পরাজিত করার জন্য দুর্বলের জোট। জনগণ যুক্তির মাধ্যমে এই ধরনের জোট করেছে তা নয়, শক্তিমান তার নীতি জনগণের উপর চাপিয়ে দেয়ার ফলে এই জোটের জন্ম।

থ্রাসিমেকাসের এই প্রস্তাবনা প্লাতনিয় সক্রাতেস যতই অর্ধসত্য কিংবা কুযুক্তি বলে উড়িয়ে দিন না কেন। সক্রাতেসের আদর্শ রাষ্ট্র যে একটা ইউতোপিয়া বা বিমুর্ত রাজ্য এ বাবদে সন্দেহের অবকাশ নাই। বিমুর্ত রাজ্য বাস্তব নয় সাম্ভাব্য ভবিষ্যত। বাস্তবতা পুরাসত্য না হলেও অসুবিধা নাই, আমাদের কারবার বাস্তবতা নিয়া।

সক্রাতেস তার আদর্শ বিমুর্ত রাজ্যে শাসক শ্রেণীর ভেতর যে সমস্ত গুণপনাকে বাসনা করেছিলেন তাদের মধ্যে শক্তি, সাহস,নিয়মতান্ত্রিকতা, সংস্কৃতি ও প্রজ্ঞা (দার্শনিক শাসক) কিসিমের গুণপনার বিকাশ। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত দুনিয়ার কোনো শাষকের ভেতর একসাথে এত গুণপনার দেখা মেলে নাই। ক্ষমতা আছে অথচ দূর্ণীতি করে নাই, জনগণরে শোষণ ও পীড়ন করে নাই এমন শাষকগোষ্ঠী বিরল ও গবেষণার বিষয়।

বর্তমান ভারসাম্যহীন পুঁজিতান্ত্রিক দুনিয়ায় রাষ্ট্রগুলো যেন সাম্রাজ্যবাদ নামের প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানির এজেন্সি। বিদেশী ক্ষমতার পুজা আর নিজেদের অনিয়ন্ত্রিত লোভের ক্ষুধা মেটানোই তাদের একমাত্র লক্ষ্য। ফ্রিৎস ল্যাঙের মেট্রোপলিশের মতই জনগণ আর রাষ্ট্রের সম্পর্ক ও দূরত্ব। রাষ্ট্র যেন এমন এক শহর যার উপরে আছে ঝলমলে নগরী আর নিচে আছে নগরীর আরামের জন্য আলো আর বিদ্যুৎ তৈরী করবার অন্ধকার প্রকোষ্ঠ। যেখানে খেটে মরে দাস শ্রেণী। তারা যখন উপরে আসতে চায় অথবা তাদের অবস্থার পরিবর্তন চায় তখন তাদের তাদের নাম হয় সন্ত্রাসী, চরমপন্থি আর তাদের হত্যা করা হয়।

মহাত্মা নেসার আহমেদ সম্পাদিত ও ঐতিহ্য চিন্তা যৌথ প্রকাশনা’র ‘ক্রসফায়ার রাষ্ট্রের রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড’ নামের প্রায় পাঁচশ পৃষ্ঠার কিতাবখানা পড়ে যে কেউ উপরের প্রস্তাবনার লগে যোগ করতে পারেন নিজের কলবরে। এই বইটি পড়তে পড়তে পাঠক দেখতে পান কীরূপে তিনি রূপান্তরিত হচ্ছেন। এটা মধ্যরাতে বদহজমজনিত কারণে লেখা কোনো কিতাব নয়। আগপাশতলাহীন বানানো কোনো রাক্ষসের গল্পও নয়। এমন কিছু মানুষের লগে সম্পাদক মশাইয়ের কথাবার্তা যাদের নিকট আত্মীয়রে রাষ্ট্র নামক দানবটি গ্রাস করেছে নির্বিচারে। এমন কিছু জনতার জবানবন্দি যারা প্রায় পাঁচশটি ক্রসফায়ারে দেয়া বাংলাদেশের নাগরিকের লগে কোনো না কোনো ভাবে সম্পৃক্ত। সম্পাদক এখানে কাউরেও দোষি করেন নাই। শুধু এই সাধারণ মানুষের বোকা বোকা সাক্ষাৎকার থেকে উঠে আসতে থাকে রাষ্ট্র সম্পর্কে জনগণের দর্শন। সেই হিসাবে ইহা জনগণের রাষ্ট্রদর্শনের বহিও।

প্রায়শই ‘ক্রসফায়ার’ নামক শব্দের লগে একটা জিনিস সংবাদপত্রগুলো ছাপে যে সন্ত্রাসী বা চরমপন্থিরে নিয়া তার অস্ত্রের সন্ধানে যাবার সময় ওৎপেতে থাকা সন্ত্রাসী বা চরমপন্থির লুকিয়ে থাকা লোকজন হামলা করলে ক্রসফায়ারে তিনি ইন্তেকাল করেন। এই জিনিস প্রায় প্রত্যেকটা হত্যাকাণ্ডের সাথেই শুনতে হয়েছে নির্বাক তাকলাগা বোবার মত পুরা জাতিকে। তার ভেতরের সত্য বলে দেয় এই কিতাব।

এখানে জনগণের কিছু বলবার নাই। অথবা জনগণ কিছু বললেও তা মিছা। কারণ শক্তি রাষ্ট্রের সুতরাং তার ভাষ্যই সঠিক ও ন্যায়। রাষ্ট্র আজ স্পষ্টত দুই ভাগে বিভক্ত। সরকার এবং দেশের জনতা। রাষ্ট্র সম্পর্কে কথাবার্তা কইতে গেলে লেলিনের স্মরণ না নিয়া পারা যায় না। দাসরাষ্ট্র সম্পর্কে তিনি বলছেন, দাসদের মানুষ বলে গণ্য করা হতো না, তাদের যে শুধু নাগরিকের মধ্যে ধরা হতো না তাই নয়, তাদের মানুষের মধ্যেই ধরা হতো না। রোমান আইন অনুসারে তারা ছিল অস্থাবর সম্পত্তি। ব্যক্তিগত নিরাপত্তার অন্য সব আইনের কথা তো ছেড়েই দিলাম, নরহত্যার আইনও দাসদের বেলায় খাটতো না। শুধুমাত্র দাসমালিকদেরই পূর্ণাধিকারপ্রাপ্ত নাগরিক বলে মনে করা হতো, শুধু তাদেরই রক্ষা করতো এ আইন। দাসের উপর যে কোনো অত্যাচার তো করা যেতই, তাকে খুন করাটাও অপরাধ বলে গণ্য হতো না।’ মনে হয় সংজ্ঞার দিক দিয়ে আমরা এখনো দাসরাষ্ট্রেই বাস করি। যে দেশে সরকার ও তার চাকরিজীবীরা বা সরকারী দলের সাথে জড়িতরা একপক্ষ বাকি পক্ষে তার জনগণ। এদের সম্পর্ক এখন শত্রুতার। সমস্ত মিড়িয়াকে তারা ব্যবহার করে তারা যা করে তাই একমাত্র ন্যায় জনতা যা করে তা অন্যায়। কারণ তাদের হাতে শক্তি আছে জনগণের হাতে শক্তি নাই। এখানে এসে ত্রাসিমেকাসের অর্ধসত্য যুক্তিটা খাপ পায়। ন্যয় হচ্ছে শক্তিমানের স্বার্থ।

বাংলাদেশে বুর্জোয়া রাষ্ট্র হিসাবেও সম্পূর্ণ ব্যর্থ। একাত্তরের পরে একটা রাষ্ট্র যে পর্যায়ে উন্নীত হবার কথা বাংলাদেশ সে পরিমাণ অবনীত হয়েছে। এর মূল কারণ রাষ্ট্র পরিচালনায় জাতীয় অনভিজ্ঞতা ও জোচ্চুরি। এর আগে বাংলাদেশিদের রাষ্ট্র পরিচালনায় কোনো অভিজ্ঞতা ছিলনা। প্রশাসনিক মানদণ্ড নৈতিকতার হলেও বাংলাদেশে সবসময় যারাই ক্ষমতায় এসেছে তারাই প্রশাসনকে ব্যবহার করে নিজেদের স্বার্থে। যারাই ক্ষমতায় এসেছে তারাই সংবিধানটাকে নিয়া প্রচুর আগ্রহ দেখিয়েছে। সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভেক ধরে ছিন্নভিন্ন করেছে মানুষের অধিকার। জনগণের সাথে চুক্তিভঙ্গ করে নিজেদের কাজে ব্যবহার করতে করতে আইনশৃঙ্খলাবাহিনীকে সম্পূর্ণ দলীয় বাহিনীতে পরিণত করেছে।

মহামতি টয়েনবি বলেন ‘সুগঠিত রাষ্ট্রীয় বাহিনীকে কেউ যদি একবার নিজের কাজে লাগায়। তাহলে দুর্নীতি সেখানেও প্রবাহিত হয়ে যায়, তারা যে শুধু দুর্নীতিপরায়ণ হয় তাই নয় তারা সব ধরনের ছাড়পত্রই পেয়ে যায় এমনকি বিনা বিচারে হত্যা ও ধর্ষণেরও’।কারণ নিজেরা একবার দুষিত হলে দুষিতরা নিজেরাও সুবিধা চাইবে এটা নতুন কিছু নয়। এভাবে দুষিত হতে থাকে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের স্বাধীনতা পরবর্তী আইন প্রয়োগকারী সংস্থা গুলো।

একাত্তরের পর থেকে বাংলাদেশে সরকার পরিচালনার একটা বিশাল অংশ ভয়াবহ দুর্নীতিতে নিমজ্জিত। একটা আমলা ও নব্য লুটেরাশ্রেণী। এই অভিশাপ থেকে বাংলাদেশ এখনও মুক্তি পায় নাই। এটা যেন একটা দৈত্য। এমন কোনো সরকারি শাখা প্রশাখা নাই যেখানে টাকা ও ক্ষমতার খেলা চলেনা। টাকা ও ক্ষমতাই হচ্ছে শক্তিমত্তা। থানা কোর্টে সরকারি অফিসগুলোতে উৎকোচপ্রথা খোলামেলা। জনগণের এখন কোনো খাদ্য নাই। খাদ্য ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করে লুঠেরা সিন্ডিকেট। মাঝে মাঝে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে তারা জনগণকে খাদ্যহীন করার ভয় ও অনিশ্চয়তায় নিমজ্জিত করে। আর যাও পাওয়া যায় সব দূষিত, ভেজাল। পুরা জাতির স্বাস্থ্য আজ সিন্ডিকেটের হাতে। এই সিন্ডিকেট সাম্রাজ্যবাদের হাতের পুতুল।

নবজাতকের দুধ থেকে শুরু করে ভেজালহীন কোনো খাদ্য এদেশে এখন দূর্লভ। কারণ চাষী ফলানোর পর শষ্যও এখন আর ধরে রাখতে পারে না এমনকি ফসলের বীজের রাজনীতিও তাদের হাতে। সিন্ডিকেটের হাতে এদেশের জনগণ শুধু বন্দিই নয়, সিন্ডিকেট পরিকল্পিতভাবে মেতে উঠেছে খাদ্য বিষক্রিয়ার মাধ্যমে একটি জাতিহত্যায়। শুধু যে নবজাতক শিশুর খাদ্যই আজ বিষাক্ত তা নয়, জন্মের আগেই মায়ের পেটে খাদ্য বিষক্রিয়ায় মারা যাচ্ছে এরকম ঘটনা অগণিত। এই কারণেই ক্রমে কমছে বাংলাদেশিদের গড় আয়ূও। ক্যন্সার, কিডনি বিকল থেকে শুরু করে বিভিন্ন দূরারোগ্য ও ব্যয়বহুল অসুখে ধরাশায়ী পুরা জাতি। সরকারিভাবে কোনো চিকিৎসা ব্যবস্থা নাই বললেই চলে। যদিও বাংলাদেশে হাসপাতালের সংখ্যা প্রচুর। ইদানিং সব জায়গায় গজিয়ে উঠছে প্রচুর ফার্মেসি। এই খাদ্যে যারা ভেজাল মিশিয়ে মানুষকে অসুস্থ করছে তারাই আবার ঔষধ বেচে হাতিয়ে নিচ্ছে জনগণের টাকা। আর সামাজিক ন্যয়বিচার যেন এদেশে অতীতের বিষয়। জনতার আতংক হচ্ছে আইন প্রয়োগ বাহিনী। আইন প্রয়োগ সংস্থাগুলো সম্পূর্ণ দূষিত।

আইন প্রয়োগ বাহিনীকৃত বিভিন্ন জায়গায় বিলবোর্ডে লেখা দেখা যায়। ‘র‌্যাব ও পুলিশ জনগণের বন্ধু হতে চায়’। দেখে কেঁপে উঠি। তারা বিনা বিচারে নিরপরাধ জনগণকে ধরে ধরে পাখির মত গুলি করে মারছে। আবার বিজ্ঞাপন দিয়ে বলছে তারা জনগণের বন্ধু হতে চায়। তাহলে তারাও স্বীকার করছে যে আপাতত তারা জনগণের শত্রু। দীর্ঘ দিনের কুয়াশাবৃত থাকার কারণে তারা বুঝেনা যে তারা কখনো জনগণের বন্ধু হতে পারে না। তারা জনগনের পেশাদার সেবক বা দাসমাত্র। তাদের লগে বন্ধুত্ব করবার টাইম জনগণের নাই।একেকটা জমির মামলা নিয়ে চারপুরুষের জীবন পগারপার। যেন ওরা জন্মেছিল শুধু জমির মামলা তদারকি করতে। সার্বিকভাবে জনগণকে দারিদ্রে নিমজ্জিত করে রাখার মধ্যে ক্ষমতাকে প্রলম্বিত করবার রাজনীতি আছে। দারিদ্র আর অশিক্ষা প্রায় সমান পাপ। একই সুঁতায় গাঁথা। এ পাপ কৃত্রিম, দানব রাষ্ট্রের তৈরি।

জনজীবনকে সম্পুর্ণ দুষিত করে, অশিক্ষার অন্ধকারে রেখে, অসুস্থ দুর্বল রেখে ক্ষমতাবানরা ক্ষমতার চিরস্থায়ীত্ব চাইছে। দেশকে বিষাক্ত কারাগার বানিয়ে তারা পার করছে অভাবমুক্ত বিলাসবহুল জীবন।এই যে খাদ্য বিষক্রিয়ায় গণমৃত্যুরত জনগণ, এই যে পুরুষের পর পুরুষ দারিদ্র সীমার নিচে বাস করা জনগণ, এই যে সামাজিক ন্যায়বিচার প্রার্থী সম্পত্তি রক্ষার জন্য ধুকে ধুকে মরা জনগণ, এই যে অশিক্ষায় অভাবে অবিচারে ক্ষয়রত জনগণ ফুসে উঠলে তাদের সন্ত্রাসী নামে ডাকা হচ্ছে। তাদের হত্যা করা হচ্ছে প্রায় বিনা বিচারে। আবার তার গ্লামারাস নাম দেয়া হচ্ছে‘ক্রসফায়ার’ যা কিনা নৈরাজ্যের বা দানবরাজ্যের পীড়নের প্রকৃষ্ট উদাহারণ। আর মিডিয়াগুলোর বদৌলতে সেটা ন্যায়ের মেটাফোর বানানোর প্রচেষ্ঠা করা হচ্ছে।

রাষ্ট্রের মধ্যেও যারা অপরাধ করে তাদের জন্যই মূলত আইনব্যবস্থা যেটা প্রমাণ সাপেক্ষ ব্যাপার। জনগণ কখনো সন্ত্রাসী হতে পারে না। রাষ্ট্র কখনো জনগণকে এই উপাধি দিতে পারে না। এ ক্ষমতা তাকে জনগণ দেয় নাই। জনগণকে বিনা বিচারে হত্যা করবার অধিকার তাকে জনগণ দেয় নাই। মহামতি হবস বলেন হত্যা, আঘাত বা পঙ্গু করবার; অথবা আক্রমণকারীকে প্রতিরোধ না করবার; অথবা খাদ্য, বাতাস, ঔষধ কিংবা যা না হলে সে বাঁচতে পারে না, এমন কোনো নির্দেশ যা ন্যায়সঙ্গত ভাবেই নিন্দার্হ, রাষ্ট্র জনগণের ওপর চাপিয়ে দিলে তার অবাধ্যতা বা বিদ্রোহের স্বাধীনতা ন্যায়সঙ্গত।

ম্যকিয়াভেলী আরেক ধাপ এগিয়ে বলেছিলেন রাষ্ট্র তার চুক্তি ভঙ্গ করলে জনগণের বিদ্রোহ করবার অধিকারতো আছেই, তদোপরি অধিকার আছে রাজাকে হত্যা করবারও। নেসার আহমেদ সম্পাদিত ও সাক্ষাতকৃত এই পরিশ্রমলব্ধ কাণ্ডটি রাষ্ট্রের নীপিড়নের ভাষা ও পদ্ধতি বুঝে নেবার পক্ষে ছহি, নেসার আহমেদকে সেলাম।।

 

দোহাই:

* রিপাবলিকপ্লেটো, সরদার ফজলুল করিম অনূদিত, বাংলা একাডেমী, ঢাকা

* সৃজনমুলক জীবনের দিকেদাইসাকু ইকেদা ও আর্নল্ড টয়েনবির কথোপকথন, আনিসুজ্জামান অনূদিত, ইউ পি এল, ঢাকা

* মেট্রোপলিশপরিচালক ফ্রিৎস ল্যাঙ, জার্মানীর প্রথমার্ধ্বের নির্বাক চলচ্চিত্র

* রাষ্ট্রলেলিন, এন বি এ

* লেটার কনসার্নিং রিলিজনজন লক, গুটেনবার্গ প্রকল্প

* লিভিয়াথানটমাস হবস, গুটেনবার্গ প্রকল্প

* ক্রসফায়ার রাষ্ট্রের রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড নেসার আহমেদ সম্পাদিত, ঐতিহ্য, ঢাকা

Advertisements

মতামত জানান...

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s