লিখেছেন: বন্ধু বাংলা

shahbagh-1গণজাগরণ মঞ্চ নিয়ে অনেক কথা, অনেক বিশ্লেষণ করেছি সাথে এও বলেছিলাম মঞ্চের আন্দোলনের সারসংকলন টানার সময় এখনো আসেনি। কিন্তু যত দিন যাচ্ছে, সেই সময় চলে আসছে এবং সারসংকলন টানার সময়টি আরও বেশী ঘনীভূত রূপ পাচ্ছে এবং আরো পাবে; বিশেষ করে নির্বাচনপূর্ব ও নির্বাচনোত্তর রাজনৈতিক পরিবেশে। না মঞ্চের বিষয়ে আগাম কিছু বা পুরনো বিশ্লেষণ তুলে ধরে কিছু বলব না। কিন্তু আজ গণজাগরণ মঞ্চ, প্রজন্ম ও সুশীল সমাজের কাছে একটি প্রশ্নই করব এবং এই প্রশ্নের উত্তর আমার কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ।

তবে মূল প্রশ্নে যাবার আগে একটু অন্য কথা বলি। আমার কাছে কোরআন পোড়ানো অথবা অন্য কোন ধর্ম গ্রন্থ পোড়ানো, এমনকি অন্য কোন পুস্তক পোড়ানো সমান কথা। আপনাদের নিকটও নিশ্চয় তাই! কারণ আমরা সবাই বুদ্ধিবৃত্তিক মুক্ত চিন্তা ও মুক্ত দর্শনে বিশ্বাসী। ফলে আমাদের কাছে কার কোন ধর্ম, সে অনুযায়ী কার কোন গ্রন্থ এটা বিবেচ্য নয়। যে কোন গ্রন্থ পোড়ানোকে আমরা নিন্দা জানাই। আমি জানি, গণজাগরণ মঞ্চের কর্মী, প্রজন্মের তরুণ ও সুশীল সমাজ তাঁরাও এই মত পোষণ করবেন। আমি জানি আপনারা নিজেদের অসাম্প্রদায়িক ভাবেন এবং সমগ্র জনগণকে ‘জনগণ’ রূপেই বিবেচিত করেন। নির্দিষ্ট মত বা পথের সংকীর্ণ গলিতে নিয়ে গিয়ে ‘জনগণ’কে বিচার করেন না।

গণজাগরণ মঞ্চের কথা দিয়েই মূল প্রসঙ্গে যাই। গণজাগরণ মঞ্চ সমাবেশ, হরতাল, মিছিল আহ্বান করে আবার হরতাল প্রতিহত করার ডাক দেয়। সেটা মঞ্চ করতেই পারে, কারণ অরাজনৈতিক ট্যাগ নিলেও রাজনীতির বাইরে যেমন কিছু নাই; তেমনি যুদ্ধাপরাধের বিচারকে সামনে নিয়ে আসতে হলে কিছুটা রাজনৈতিক ভূমিকা চলে আসে। এটা মঞ্চ বুঝে উঠার আগেই আমার উপলব্ধিতে এসেছিল। সে যাইহোক, আস্তিক নাস্তিক প্রমাণ করতে গিয়ে মঞ্চ চলতি পথে হেফাজতিদের সাথে করমর্দন ও হাসি বিনিময় করতেই পারে। সে দৃশ্য দেখে আমি আনন্দিত হয়েছিলাম। আবার তাঁদের সাথে মত বিনিময় বা বিতর্কের আহ্বান মঞ্চ করতেই পারে। এতে অস্বাভাবিক কিছু নাই।

কিন্তু এই সব ঠিকের মাঝে একটা বেঠিক হয়ে গেল। হেফাজতি সমর্থকদের সাথে গণজাগরণ মঞ্চ হাসি বিনিময় করল, করমর্দন করল; কিন্তু এই সমর্থকরা যখন ৫ তারিখে রাতের অন্ধকারে মারা পড়ল (সংখ্যা যাই হোক), গণজাগরণ মঞ্চ এর প্রতিবাদ করল না। বরং অনলাইনে দেখা গেল, মৃতের সংখ্যার পিছনে মঞ্চের কিছু কর্মীর ছোটাছুটি, যেমন করে এই সংখ্যার পিছনে ছুটাছুটি করেছিল জামাত, বিএনপি! গণজাগরণ মঞ্চ হেফাজতি তাণ্ডবের প্রতিবাদ করে, কিন্তু কিলিং এর প্রতিবাদ করে না। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র কি ব্ল্যাকআউট করে রাতের অন্ধকারে এভাবে মানুষ মারতে পারে? যদি পারে, তবে দুটি প্রশ্ন তাহলে মানবতার সংজ্ঞা কি? গণতন্ত্রের সংজ্ঞা কি? মুক্তচিন্তার একজন মানুষ বা তাঁদের সমন্বয়ে যে মঞ্চ, তারা কিভাবে প্রতিবাদ না করে থাকে? এদের মাঝে গণতন্ত্রী আছে, সমাজতন্ত্রী আছে, এরা কিভাবে প্রতিবাদহীন থাকতে পারে?

যারা মারা গেল, তারা যারাই হোক, যে মতাদির্শেরই হোক, যে শ্রেণীরই হোক, যে মত ও পথের হোক, গণজাগরণ মঞ্চ কি মনে করে, এদের প্রাণের কোন দাম নাই! যদি তর্কের খাতিরে ধরে নেই, এই দেশে হেফাজতি, জামাতি মারা জায়েজ, তবে প্রশ্ন থাকে কয়টা হেফাজতি জামাতি নেতা কর্মী মারা গেল সে রাতে? আবার ধরে নিলাম গণতান্ত্রিক সরকার যদি জামাতিহেফাজতি নেতা কর্মীদের মেরেই থাকে এবং সেটা যদি জায়েজ হয় তবে পাল্টা প্রশ্ন, তবে কেন আল্লামা শফিকে জামাই আদরে হেলিকপ্টারে করে বাড়ী পাঠীয়ে দেয়া হলো? মূল নাটের গুরু যারা, তারা কেন আইনের বাইরে, গ্রেফতারের বাইরে? প্রশ্ন থাকে, রাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো এবং সরকারের নির্বাহী বিভাগগুলো কেন সময়মত তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করে সঠিক ব্যবস্থা নিলো না, যদি নিতে পারতো, এতো প্রাণহানী এড়ানো কি যেত না? রাষ্ট্র যদি এদের হুমকি মনে করতো তবে সমাবেশের অনুমতি রাষ্ট্র না দিলেও পারতো! আবার অনুমতি দিলই যখন, তখন কেন রাষ্ট্রীয় প্রশাসন সমাবেশস্থল সন্ধ্যার মধ্যে না হোক রাত দশটার মধ্যে কেন ফাঁকা করল না? বলা হয় পরের দিন আরও খারাপ কিছু তারা ঘটাত। তর্কের খাতিরে মানলাম, কিন্তু সেই মানার সাথে সাথে আবার প্রশ্ন জাগে, তবে কেন এত এত গোয়েন্দা বিভাগ থাকা সত্ত্বেও প্রশাসন কেন সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্তে না এসে রাতের অন্ধকারে যুদ্ধকালীন অপারেশন চালানোর মত একটি অপারেশন চালাতে হলো?

ঠিক আছে, রাষ্ট্র তার চরিত্র অনুযায়ী এমন একটি অপারেশন না হয় চালাতেই পারে। কিন্তু যে গণজাগরণমঞ্চ হাসি বিনিময় ও করমর্দন করতে পারে, হেফাজতি তাণ্ডবের প্রতিবাদ করতে পারে, তবে কেন এসবের সমান্তরালে ৫ তারিখের রাষ্ট্রীয় কিলিং এর ব্যাপারে গণজাগরণ মঞ্চ ন্যূনতম প্রতিবাদী ভূমিকাও পালন করেনি? যদি এই প্রতিবাদী ভূমিকা মঞ্চ রাখতে পারত, তবে চিন্তা চেতনায় পিছিয়ে পড়া একটা বিশাল জনগোষ্ঠীকে গণজাগরণ মঞ্চ তাঁদের আস্থার মধ্যে নিয়ে আসতে পারতো। মঞ্চ সেই সুযোগ নষ্ট করেছে। নিজেদের নিরব ভূমিকা দিয়ে মঞ্চ মনে হয় নিজেই এখন ধর্মভীরু এক শ্রেণীর মানুষের কাছে আস্থার সংকটে পড়ে গিয়েছে। যে আস্থার সংকট ছিল হেফাজতের পুঁজি!

যাইহোক, আগুনে পোড়ানোর ক্ষেত্রে ধর্মগ্রন্থের যেমন পার্থক্য করা চলে না, তেমনি একটি গণতান্ত্রিক সরকারের রাষ্ট্র ব্যবস্থায় মানুষকে এভাবে মেরে ফেলার মাঝেও মত, পথ দিয়ে পার্থক্য করা চলে না। কিন্তু এখানেই গণজাগরণ মঞ্চ, প্রজন্মের তরুণতরুণী, সুশীল সমাজ, গণতন্ত্রীসমাজতন্ত্রী একটি পার্থক্য তৈরি করে কিলিং এর ঘটনাকে সহি বিবেচনা করে বসল এবং নিরব ভূমিকা পালন করে গেল।

মঞ্চ যতই বলুক তারা “রাষ্ট্রের রক্ত চক্ষুকে ভয় পায় না”, কিন্তু মঞ্চ এ বিষয়ে নিরব থাকা এবং মঞ্চের কিছু কর্মীর এই সংখ্যার পিছনে ছোটাছুটি প্রমাণ করে, যতোই প্রগতিশীলতার ট্যাগ লাগাক না কেন, তাঁদের দৃষ্টিভঙ্গিরও একটি সীমাবদ্ধতা আছে।

আজকাল প্রজন্মের তরুণ তরুণীদের কাছে দেশপ্রেমের সংজ্ঞা ক্রিকেটে “টিম বাংলাদেশ”কে সাপোর্ট করার মধ্যে সীমাবদ্ধ, যারা একটু রাজনীতি সচেতন দাবী করে, তাঁদের কাছে দেশপ্রেমের সংজ্ঞা সরকার বিরোধিতার মধ্যে সীমাবদ্ধ। আবার এক শ্রেণীর কাছে রাজাকার বিরোধিতার মধ্যে সীমাবদ্ধ। কিন্তু মাঝখান থেকে দেশের বারোটা থেকে তেরটা কিন্তু ঠিকই বেজে যাচ্ছে এবং আমাদের দেশপ্রেম, মানবতা জ্ঞান তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে।

ক্রসফায়ার/এক্সট্রা জুডিশিয়াল কিলিং/এনকাউনটার যখন চালু হলো, তখন বলা হলো এর শিকার যারা; এরা সন্ত্রাসী। এভাবে এই রাষ্ট্রীয় আদর্শ প্রতিষ্ঠা করা হলো যে, এই সব কথিত সন্ত্রাসীদের বিচার বহির্ভূত হত্যার প্রয়োজন আছে। রাষ্ট্র যে চশমা দিয়ে এই প্রয়োজনকে দেখে, লেন্সটিকে পাল্টে সেই একই চশমা দিয়ে জনগণকে দেখানো হলো ক্রসফায়ার একটি হালাল জিনিস, জনগণ প্রতিবাদ করল না। এই ব্যর্থতা সমগ্র জনগণের দৃষ্টিশক্তিকে এতটাই ক্ষীণ এবং রাষ্ট্রযন্ত্র কে এতটাই শক্তিশালী করল যে, এখন খোদ জনগণ নিজেই এর শিকারে পরিণত হচ্ছে। ক্রসফায়ারে একদুইজনকে হত্যা করে, রাষ্ট্রের হাত যেমন পাকলো; তেমনি ক্রসফায়ারের শিকার ভিকটিমের একদুইয়ের সংখ্যাকে, দুই অংকের সংখ্যায় উন্নীত করার রাষ্ট্রীয় স্পৃহা ও জিঘাংসা আরো বেশী তীব্রতায় রূপ নিলো । ৫ তারিখের হেফাজতের মহা সমাবেশে রাতের অন্ধকারে যা ঘটেছে, সেটা এমনই দুই অংকের একটি কিলিং; পরিসংখ্যান যাই হোক।

কিন্তু ক্ষীণ দৃষ্টির জনগণকে এই কিলিং এর ঘটনাকে দেখার জন্য এবার আর চশমা নয়, এবার দূরবীন সরবারহ করা হলো। সে দূরবীন হলো ‘মত ও পথে’র দূরবীন। এই মত ও পথের দূরবীন দিয়ে দেখতে গিয়ে জনগণ এই কিলিংকেও হালাল ভাবতে শিখল। যারা মারা গেল তারা আমার মতের বা পথের নয়, আমার আদর্শের নয়, তাই এই কিলিং সহি জনগণকে এমনটি ভাবতে শিখালো!

নিঃসন্দেহে এভাবে মত ও পথের দূরবীন দিয়ে দেখতে দেখতে জনগণের দৃষ্টি শক্তি (বোধ) আরও বেশি ক্ষীণ হবে এবং অনাগত ভবিষ্যতে যদি আবার এমন কোন কিলিং এর ঘটনা ঘটে এবং জনগণ যদি ভিকটিম হয়, তবে দূরবীনের বদলে আমাদের আতশি কাঁচ বা অণুবীক্ষণ যন্ত্র দিয়ে দেখতে হবে আসলেই কিলিং হয়েছে কিনা? সেই কিলিং সহি কিনা? মানবতা ও গণতন্ত্র খুঁজতে হবে অণুবীক্ষণ যন্ত্রের নিচে!

কিন্তু এভাবে সংকীর্ণ মতের বা আদর্শের চশমা, মতের বা আদর্শের দূরবীন দিয়ে দেখায় জনগণের দৃষ্টি শক্তি ক্রমান্বয়ে ক্ষীণ হলেও শক্তিশালী হচ্ছে রাষ্ট্র যন্ত্র, রাষ্ট্র যন্ত্রের চরিত্র হয়ে যাচ্ছে নিপীড়ক!!

সাভারের গণহত্যাকে আমরা গণহত্যা বলতে পারি না, কিন্তু এক রেশমার উদ্ধারে আমরা আনন্দাশ্রুতে ভেসে যাই। ৫ মে সমাবেশে যারা মারা গেল, এরা এই রেশমাদের ভাই; সমাজের নিম্ন বর্গের মানুষ। এদের খাদ্য, বস্ত্র, শিক্ষা, চিকিৎসা, বাসস্থানের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার দায়িত্ব এই রাষ্ট্রের। কিন্তু রাষ্ট্র এই দায়িত্ব পালন করে না। সমাজের এই অপাংক্তেয় শ্রেণীর দায়িত্ব রাষ্ট্র তূলে দিয়েছে কিছু ধর্মান্ধ লোকের হাতে। এই ধর্মান্ধ লোকগুলি এই রেশমা ও তার ভাইদের কাছে ২য় জন্মদাতার মত। আমরা শিক্ষিত লোকজন যখন ভাল মন্দ বিচার করতে জানি না, সেখানে এই অপাংক্তেয় আধুনিক শিক্ষা থেকে বঞ্চিত শিশুকিশোরতরুণেরা ভাল মন্দ নির্ণয় করতে পারবে, এটা আশা করা ভুল! তারা কারো প্ররোচনায় ভুল পথে ভুল রাজনীতিকে হয়ত সমর্থন করতে পারে, কিন্তু তার মানে এই নয় যে, এরা এই রাজনীতিকে নেতৃত্ব দিতে পারে। এরা চিরকালই ব্যবহৃত হয়; কখনো সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী দ্বারা কখনো মূল স্রোতের রাজনীতির দ্বারা। যারা এম.পি, মিনিস্টার হন তারা তাঁদের এলাকায় একটি স্কুলের চেয়ে একটি মাদ্রাসা স্থাপন করতে বেশী ভালবাসে। এই কওমি মাদ্রাসা ছাত্রদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য বা পরিচয় নাই, গড়ে উঠে নাই! এদের বেশিরভাগই পড়াশুনা শেষে রাজনীতিতে আসে না, আবার যারা আসে তারা কিন্তু মূল নেতৃত্বে আসে না। আসতে পারে না। সাম্প্রদায়িক নেতৃত্বেরও লাটাই থাকে গোঁড়া আশরাফ শ্রেণীর হাতে। এই আশরাফ শ্রেণী মরে না কিন্তু এরা মারায় বটে! এই আশরাফ শ্রেণী আবার মুল ধারার রাজনীতির সহায়ক শক্তি বিশেষ!

যাইহোক, এই অপাংক্তেয় আধুনিক শিক্ষা থেকে বঞ্চিত শিশুকিশোরতরুণেরা মারা পড়ল। কিন্তু আমরা এই মারা যাওয়ায় রাষ্ট্রযন্ত্রের মানবতা লঙ্ঘিত করার মত কোন কিছু দেখলাম না। ইবলিশের প্ররোচনায় মানুষ যদি ভুল করে, ভুল পথে পা বাড়ায় তবে সে ইবলিশ হয়ে যায় না, মানুষই থাকে। কিন্তু মতিঝিল সমাবেশে আগত এবং সেখানে রাত্রিযাপনে যারা ছিল; এদের বেশীর ভাগই শিশু ও কিশোর বা সদ্য কৈশোর উত্তীর্ণ তরুণ, এদের আমরা মানুষ নয়, জামাতিহেফাজতি ‘ইবলিশ’ মনে করে রাষ্ট্রযন্ত্র দ্বারা এদের হত্যাকে বৈধ মনে করলাম!

এপ্রসঙ্গে শরৎচন্দ্রের ‘শ্রীকান্ত’ উপন্যাসের চাটুজ্যে মশাইয়ের কথা মনে পড়ল। চাটুজ্যে মশাই বলেছিলেন – “মরার আবার জাত কিসের?” তিনি যদি একবিংশ শতক অব্দি বাঁচতেন তাহলে নিশ্চয় দেখতেন মরার শুধু জাত নয়, পোশাকআশাক, চেহারাসুরত, বর্ণ এমনকি মতপথও আছে!

পর্দার অন্তরালে বসে রাষ্ট্রযন্ত্র, মিডিয়া আমাদের বলে দেয়, কোন মৃত্যুতে আমরা হাসব এবং কোন মৃত্যুতে আমরা কান্না করব। রাষ্ট্রযন্ত্র, শাসক শ্রেণী, মিডিয়া যেভাবে মানবতাবিরোধী ও মানবতার সংজ্ঞা নির্ধারণ করে দিচ্ছে এর বাইরে আমরা কিছু বুঝি না। ভাঁড়ামির একটা সীমা থাকা উচিৎ, কিন্তু সব দেখে শুনে মনে হচ্ছে, আমরা সে সীমাটাকেও টপকে অন্য পারে চলে গিয়েছি

যে শিক্ষক, কবি, বুদ্ধিজীবী, কেরানী, শ্রমিক, কৃষক প্রকাশ্য বা রাতের অন্ধকারে রাষ্ট্র কর্তৃক প্রজাতন্ত্রের সন্তান হত্যার বিচার চায় না, প্রতিবাদ করে না; মূক ও বধির ভূমিকা নেয়, তাদের করুণা করতেও আমার ঘৃণা হয়।।

Advertisements

মতামত জানান...

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

Connecting to %s

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.