লিখেছেন: শওকত রিপন

জাতি হিসেবে আমরা বরাবরই ছিদ্রান্বেষী। অন্যের দোষত্রুটিখুঁত খুঁজে বেড়াতে সময়ের অন্ত নাই। নিজের দোষ তো খুঁজিই না তাই খুঁজে পাবার আশা বাতুলতা। কার্যকারণে যদি কখনো কোন দোষ ধরা পড়ে যায় তবে ব্যাস্ত হয়ে পড়ি সেটা অন্য কারো ঘাড়ে চাপানোর জন্য। বাংলাদেশে এই মূহুর্তে যে অশনি সঙ্কেত বেজে চলেছে,ঘরে ঘরে আহাজারী আর দুর্দশা বেড়েই চলেছেতার জন্য কাকে দোষ দিতে গিয়ে কার কোপানলে পড়ি তা নিশ্চিত করে বলা যায় না। অনেক খুঁজে পেতে একটা মোক্ষম ও নির্ভুল জায়গা পাওয়া গেল যেখানে দোষ চাপালে কারো কিছু বলার সুযোগ থাকবে না,আবার দোষ চাপানোর দায়ভার থেকেও মুক্তি পাওয়া যাবে। বেশ হাল্কা হাল্কা লাগার মতো একটা ব্যাপার হবে আশা করা যায়।

মায়া” ক্যালেন্ডার অনুযায়ী পৃথিবী ধ্বংস হবার কথা ছিলো ২১শে ডিসেম্বর,২০১২ তারিখে। ঐ নির্দিষ্ট দিনে নির্দিষ্ট ঘটনা/দূর্ঘটনাটি না ঘটার কারণেই যত দূর্যোগদূর্ভোগের সৃষ্টি। যদি সেদিন প্রলয় ঘটে যেত তবে বাচ্চু রাজাকারের ফাঁসির রায় পরবর্তী সময়ে আন্দোলন প্রতিবাদের নামে সারা দেশজুড়ে এত এত পুলিশ আক্রান্ত হতো না। পুলিশকেও অজানা কারণে তখন নিস্ক্রিয় থেকে পড়ে পড়ে মার খেতে হতো না। কোতোয়াল মশাই আবার সেই আক্রমনকারী বরাহ সন্তানদের শান্তিপূর্ণ মিছিলের অনুমতি দিতেন না। বরাহ শাবক দলের হাত থেকে পুলিশ হাসি মুখে পুষ্পার্ঘ্য গ্রহন করতো না। একই ধারায় অপরাধ(বলা উচিৎ বাচ্চু রাজাকারের তুলনায় গুনিতক হারে অধিক অপরাধ) প্রমানিত হবার পরেও পর্দার আড়ালের ইশারায়(!) আদালাত এমন হাস্যকর আপোষের রায় ঘোষণা করতো না। সারাদেশ তথা শিক্ষীত মধ্যবিত্ত এবং বিশেষ করে মুক্তিযুদ্ধে স্বজনহারা পরিবারগুলো এতটা মানসিক যন্ত্রণা অনুভব করতো না। ঘৃণায়ক্রোধে রাজপথে একত্রে নেমে মুষ্ঠিবদ্ধ হাত আকাশে ছুঁড়ে দিয়ে প্রতিবাদ করতো না।

এর পরের ঘটনাবলী প্রায় সকলেরই বাল্যকালে নামতা পড়ে এখন পর্যন্ত মুখস্ত থাকার মতোই জানা আছে। জাগরণ মঞ্চ তৈরী হলো, নতুন করে আমরা একাধিক অগ্নিকন্যা পেলাম, মঞ্চে দলীয় ভাষণ বর্জন করা হলো, নগরের প্রতিটি সচেতন নাগরিক সহমত জানাতে স্বশরীরে উপস্থিত হলেন, শীতরোদদিনরাত উপেক্ষা করে একদফা দাবীতে অনড় থাকলেন, চেতনার স্ফুলিঙ্গ ছড়িয়ে পড়লো দেশের আনাচে কানাচে দেশান্তরেও। হিমাঙ্কের নীচে এক বা দ্বিসংখ্যার তাপমাত্রায় ব্যানার ফেস্টুন আর জাতীয় পতাকা হাতে নিয়ে পৃথিবীর নানা প্রান্তে মানুষ পথে নেমে এলো। একই সাথে শুরু হলো মানুষ চেনার পালা। কে কোথায় কোন মানসিকতা নিয়ে ঘাপটি মেরে ছিলো তা প্রকাশিত হতে শুরু করলো। পাশাপাশি চললো নির্বিচারে বিনামূল্যে রাজাকার/ছাগু আর মুক্তিযোদ্ধা/নতুন দিনের মুক্তিযোদ্ধা সনদ প্রদানের পালা। ভিন্নমতের প্রতি সম্মানকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে নানাবিধ বিশেষণে আঙ্গুলদেখানো হয়ে গেল ডালভাত। পান থেকে চুন খসলেই…………….

রাজনৈতিক বিভাজনের পাশাপাশি আমরা দেখলাম জাতি নাস্তিকআস্তিকে বিভাজিত হয়ে গেল। ইসলাম ধর্মের বিরুদ্ধে কিছু ব্লগারের লেখার ভাষা ও বিষয়বস্তুর প্রতি আওয়ামী ওলামালীগ সর্বপ্রথম মূল দলের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেও কোন প্রকার তদন্ত না করেই সরকার পুরোপুরি উপেক্ষা করেন। সেই সূযোগ গ্রহন করে ৭১এ পরাজিত শক্তি মানবিকতা বিবর্জিত দল জামাত ও তাদের নাজায়েজ আওলাদ এর দল শিবির। আবারো মানবাধিকার লঙ্ঘন করে,মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে অবজ্ঞা করে কসাইয়ের মতো নিজ বাড়ীর সামনেই জবাই করে হত্যা করে ব্লগার রাজীব কে। সরকার প্রধান মৃতের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ খতিয়ে না দেখেই এসময়ের মুক্তিযোদ্ধার খেতাব মৌখিকভাবে প্রদান করলেন। স্বাধীনতার ঘোষকের (!) দল চালে ভুল করে (নাকি এটাই তাদের নিয়মতান্ত্রিক চাল?) পশু পক্ষাবলম্বন করে, মোক্ষম রাজনৈতিক অস্ত্র “হরতাল” প্রয়োগ শুরু করে। এতদিনের নিস্ক্রিয় সরকার হঠাৎ করে সক্রিয় হয়ে উঠে। পণ্যের কার্যকারিতা/কর্মক্ষমতা(এখানে আইন ও আদালত পড়তে হবে) প্রতি সন্দিহান হয়ে নির্মাতার(সরকার পড়তে হবে) কাছে প্রতিকারের দাবীর আন্দোলনে নির্মাতা স্বয়ং সামিল হয়ে গেলেন। আন্দোলনের তাল অনেকটা বেসুরো হয়ে গেলো।

স্বঘোষিত আল্লামা (আল্লাহ প্রদত্ত জ্ঞানের অধিকারী !) মেশিনম্যানএর বহু প্রত্যাশিত ফাঁসির রায় ঘোষিত হলো। সমগ্র জাতি আনন্দে উদ্বেলিত হয়ে উঠলো। দেশে বিদেশে সকলেই মিষ্টিমুখ করলাম। পশুকুলের এই আনন্দ সইলো না। শুরু হলো নারকীয় তান্ডব। ভাংচুরআগুনগুমগুলিরক্তহত্যা হয়ে উঠলো নিত্য দিনের ব্যাপার। যাদের রাজাকারের বিরুদ্ধে বিচারের সাথে প্রত্যক্ষ কোন সম্পর্ক নাই,সেই হিন্দু সম্প্রদায়ের (সংখ্যালঘু শব্দটি এড়িয়ে যেতে চাই। বললে বলা উচিৎ ধর্মীয় সংখ্যালঘু কিন্তু তা বলা হয় না। আর ধর্মীয় সংখ্যালঘু শব্দটি দিয়েও চলমান সহিংসতার সঠিক চিত্র তুলে ধরা সম্ভব নয় কারণ,কেবল মাত্র হিন্দু ধর্মাবলম্বীরাই আক্রান্ত হচ্ছে।) বাড়িঘর সম্পত্তি ও জীবনের উপর হামলা শুরু হলো দেশের নানাপ্রান্তে। সরকারী চিন্তকদের মাথায় এমন কিছু যে হবে তা যেন আসেইনি কিংবা করিৎকর্মা গোয়েন্দাগন এমন কোন আভাসও দিতে ব্যার্থ হয়। নির্বাচিত সাংসদ সম্প্রদায় (২৫০ এর অধিক) রাজধানীতে বসে টেলিভিশনে চোখ রেখে বসে থাকলেন।এলাকায় গিয়ে কর্মীঅনুসারী নিয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ভাবনাও যেন মাথায় এলো না। আগুনভাংচুড়লুটপাট ও হত্যার জন্য এখন পর্যন্ত কোন থানায় নির্দিষ্ট মামলা হয়েছে,তেমন জানা যায় নাই। এরই মধ্যে দেশ একলাফে ছাড়িয়ে গেল নাসাকে। প্রযুক্তি সমৃদ্ধ এই আধুনিক বিশ্বে নভোযান ছাড়াই দেলু রাজাকার পৌঁছে গেল চাঁদের বুকে (অনেকের মতে বেবুন/শিম্পাঞ্জীর পশ্চাদ্দেশে ও সানি লিওন বিবির বুকেও)- ইসলামের ধর্মের ১৪শতকেরও অধিক কালের ইতিহাসে যা কখনোই ঘটে নাই।

বিচিত্র পৃথিবীর বুকে ততোধিক বিচিত্র বাংলাদেশে আরো কত বিচিত্র ঘটনা দেখা গেল। সরকারের উপরে সরকার দেখলাম। জাতীয় পতাকা কখন উঠানো হবেনামানো হবে তার আদেশ সরকারের বাইরে থেকে আসতে দেখা গেল। মার্কিন মুল্লুকসহ অনেক পশ্চিমা দেশে জাতীয় পতাকায় অন্তর্বাস তৈরী সাধারন ব্যাপার। বাংলাদেশে এযাবৎ কাল জাতীয় পতাকার সম্মান সর্বোচ্চ পর্যায়েই দেখেছি। এই প্রথম নানা ভাবে জাতীয় পতাকা ব্যাবহার হতে দেখা গেল (যদিও সেই ব্যবহার পশ্চিমা দেশগুলোর পর্যায়ে নেমে বা মতান্তরে উঠে আসে নাই এখনো)। কেবল মাত্র মাটিতে বিছিয়ে রাখতে দেখেছি যা সংবিধানে জাতীয় পতাকার ব্যাবহারবিধিকে প্রশ্নের সম্মুখীন করে। প্রবাসের বাংলাদেশিদের অনেকে মাপজ্ঞান ভুলে গিয়ে কিম্ভূৎ আকারের জাতীয় পতাকা তৈরী করেছেন,বাতাসের প্রবাহে এলোমেলো হয়ে যাওয়া ঠেকাতে নিজেরাই পাএর নীচে চেপে ধরে দাঁড়িয়ে ছিলেন।

ছেলেবেলায় আমরা সকলেই পড়েছি বা জেনেছি যে,চাপে পড়লে বাঘেমহিষে একঘাটে জল খায়। এইবারে তার অনেক গুলো উদাহরন একসাথেই আমরা দেখতে পেলাম।

() স্বাধীনতার ঘোষকের দলের প্রধান উলঙ্গভাবেই স্বাধীনতা বিরোধীদের নিষ্পাপ সনদ বিতরণ করা শুরু করলেন কারণ,নিজ দলের কর্মী সকল এখন লাপাত্তা। মাঠেময়দানের কর্মসূচীতে তাদের দেখা যায় না। তাই সম্বল এখন রাজাকার ও রাজাকারের বংশধর। প্রগতিশীল কলাম লেখক ও টকশোজীবিদের দেখলাম মৌলবাদীদের সপক্ষে কথা বলতেকলাম লিখতে। বঙ্গবীর বীর বিক্রমকে দেখলাম রাজাকার হয়ে যেতে। বাংলাদেশের মাটিতে জামায়াতশিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবীতে চরমপত্র ঘোষিত হলো এবং ২৬শে মার্চ তারিখটি শেষ দিন হিসেবে নির্ধারন করে দেয়া হলো। দিনটি পেরিয়ে গেলে আল্টিমেটাম বা চরমপত্রের পরে দেখলাম নরম কর্মসূচী দিতে অর্থাৎ কোটির অধিক স্বাক্ষর সহ স্মারকলিপি প্রদান করতে। যেখানে হওয়া উচিৎ ছিলো স্মারকলিপির পরে আলটিমেটাম এবং তারপরে দাবী না মানা হলে গরম কর্মসূচী।

() বৃটিশ খেদাও আন্দোলনে গান্ধী ও সুভাস বসু প্রায় সমান জনপ্রিয় ছিলেন। দুজনার আন্দোলন কর্মসূচীর ধারা পৃথক। একজন অহিংস তো আরেকজন সহিংস। অহিংস আন্দোলনের চরম পর্যায় হলো আমরণ অনশন। সহিংস জামায়াতশিবিরহেফাজতীদের চরম আক্রমনের মুখে অহিংস গণ জাগরন মঞ্চের হাতে আমরন অনশনের তুরুপটাই বাকী ছিল। জাগরন মঞ্চের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব সেপথে যেতে ব্যর্থ হলে শহীদ রুমী স্কোয়াড‘-নিজেরাই বাস্তবায়নে নেমে পড়ে। প্রথম দিকে অনেকে শাহবাগে না যাবার পক্ষে কারণ দেখাত তাইলে, যদি, কিন্তুইত্যাদি দিয়ে। এর উত্তরে অনলাইন ব্লগাররা কথা দিয়েই ধোলাই করে দিতেন ঐসকল লোক গুলোকে। অনশন কর্মসূচীতে না যাবার পক্ষে শাহবাগের নেতৃত্বই পরে তাইলে,যদি,কিন্তুব্যাবহার শুরু করে দেয়। এর মূলে ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে একজন গবেষক, ভক্তকুল (follower) যাকে পীরের মতো মান্য করে।

() শাহবাগের আন্দোলন যাতে সরকারের বিপক্ষে না যায় বরং মঞ্চ দখল করা যায় এবং সাফল্য ছিনতাই করা যায়এই চেষ্টায় সরকার শুরু থেকেই বেশ তৎপর ছিলো। সমুদ্রের ঢেউয়ের মতো নেতামন্ত্রী আছড়ে পড়তে লাগলো মঞ্চে বা মঞ্চের সামনে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান,সচিবালয় সহ প্রায় সকল সরকারী/বেসরকারী দপ্তরের মানুষ পথে নেমে এলো তিন মিনিটনিরাবতা পালনের উদ্দেশ্যে। এক নতুন প্রানের স্পন্দন জাগলো সমগ্র জাতির বুকে আর বিশ্ব চেয়ে দেখলো অবাক বিষ্ময়ে। মন্ত্রীএমপি মহাশয়েরা সংসদে ভাষণ দিতে লাগলেন জনগনের অর্থ খরচ করে। সরকার প্রধান স্বয়ং শিশুতোষ উৎসাহে কার্যালয়ের বাইরে এসে দাঁড়ালেন সংহতি জানাতে। বিশ্বের নগরে নগরে ধ্বনিত হতে লাগলো ফাঁসি চাই ফাঁসি চাই,রাজাকারের ফাঁসি চাই।৯০% মুসলমানের দেশে ইসলাম অবমাননার বিরুদ্ধে ধ্বনিত হতে লাগলো শ্লোগান। বিএনপিজামায়াতশিবির প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে সরকারি নির্দেশে পুলিশ চলে গেলো হার্ডলাইনে। উভয়পক্ষের হাতে নিয়ন্ত্রিত টেলিভিশন মিডিয়াতে দেখানো হতে লাগলো বিপরীত দৃষ্টিকোন থেকে ভিডিও সংবাদ। কিভাবে জামায়াতশিবিরপুলিশ নির্বিশেষে সকলকেই ব্রুস লী বা জ্যাকি চ্যান এর সিনেমার মত উড়াল দিয়ে বুকে লাথি মারা হয়,হ্যান্ডকাফ পরা অবস্থায় গ্রেফতারকৃত আসামীকে গাড়ী থেকে নামানোর সময় সংঘবদ্ধ হামলা করা হয়,পয়েন্ট ব্লাঙ্ক দূরত্ব থেকে মাটিতে পড়ে থাকা অবস্থায় গুলী চালানো হয়, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত পুলিশকে কোনঠাসা করে পিটানো হয়,রাস্তায় ফেলে প্রকাশ্যে ইট দিয়ে মাথা থেঁতলে দেয়া হয় ইত্যাদি ইত্যাদি। বলা বাহুল্য,এমন বিভৎস ভিডিও চিত্র দেখে মানসিক বৈকল্য দেখা দেয়া এবং দুঃসপ্ন দেখার ভয়ে রাতের পর রাত জেগে থাকা খুবই স্বাভাবিক অধিকাংশের পক্ষে। এত এত রক্তক্ষয়,এত এত প্রাণ ক্ষয়, এত মন্দির মসজিদে হামলাভাংচুরআগুন,এত এত হৃদয়ের বিশ্বাসে আঘাতসে কিসের জন্য ! বাঘ সরকার এখন মহিষ মৌলবাদীদের (চাইলে পাঠক বিপরীতভাবেও ভাবতে পারেন। অর্থাৎ, মহিষ সরকার বাঘ মৌলবাদী) সাথেই একঘাটে জল খাচ্ছে।

() দেশীয় আইন, আইনজীবি ও বিচারক দিয়ে ট্রাইবুনাল গঠন করা হয়েছে আন্তর্জাতিকনামে। গণদাবী বাস্তবায়নের প্রয়োজনে প্রশ্ন উত্থাপন না করেই প্রায় সকলেই নীরব থেকেছে। সেই ট্রাইবুনালের বিচারক অনভিজ্ঞতার কারণে স্কাইপ কেলেঙ্কারীতে জড়ালেন এবং পদত্যাগ করলেন। স্কাইপ আলাপচারিতায় যাদের নাম এসেছে বিচারকে প্রভাবিত করার ব্যাপারে,শেষ পর্যন্ত তাদের কিছুই হয়নি। আরেক বিচারক জাতীয় সংসদের স্পীকারের সাথে প্রকাশ্য দ্বন্দ্বে লিপ্ত হলেন। তাকেই আবার দেখা গেল আপীল বিভাগের বিচারক নিয়োগ পেতে।।

Advertisements

মতামত জানান...

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

Connecting to %s

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.