লিখেছেন: আলবিরুনী প্রমিথ

পুড়ে যাওয়া বৌদ্ধ বিহার যেন রাষ্ট্রের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ধ্বজা ধরে আছে...টেকনোলজির উল্লম্ফনের এই হাইটেক যুগে দু’দন্ড কোথাও বসে বা থেমে আমরা কেউ কিছু চিন্তা করবো তার বিশেষ কোন উপায় নেই। বর্তমানে উদাসীনতার, নিস্পৃহতার উদাহরণ খুঁজতে আলবেয়ার কামুর উপন্যাসের নায়ক পর্যন্ত যেতে হয়না। সো কল্ড হাইলি ইম্প্রেসিভ, কনজিউমার সোসাইটির সাথে তাল মিলিয়ে চলার জন্য আত্মকেন্দ্রিকতার হাইহিল পরিধান করে সর্বত্র চলতে হয়, এই সত্যটি আরবানাইজড সিটিতে বেড়ে উঠা সিভিলাইজড তষ্কর, তার ছেলেপেলেরা থেকে শুরু করে গ্রাম্য যেসব চাষাড়েরা শহরে আসে টাকার গন্ধে সবাই জানে। পুঁই শাক নায্য দামে বিক্রি করতে না পারা চাষার বউও তাই মিনি প্যাক শ্যাম্পুর নাগাল পাচ্ছে। তাছাড়া ‘কিছুতেই কিছু যায় আসেনা’ অ্যাটিটিউডটাই যেহেতু হাল ফ্যাশনের ‘স্মার্টনেসের’ সর্বোচ্চ স্তর সেহেতু ম্যানিপুলেটিভ চরিত্রের উচ্চতর বিকাশের জন্য প্রয়োজনবোধে চারপাশের অবস্থা ইচ্ছামত চিত্রায়িত করবার বাসনায় সুবিধামত জুম ইন, জুম আউট করাটা পূর্বের থেকেও অপেক্ষাকৃত সহজ। তাই বুঝি রাত বারোটা থেকে সার্টিফাইড বুদ্ধিচোরেরা টকশো নামক আর্বানাইজড সার্কাসে এসে দেঁতো হাসিতে, মাখামাখা গলায় গণতন্ত্র, সেকুলারিজম, সুশাসনের জন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রয়োজনীয়তা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ইত্যাদি কপচে শরীর, মন উভয়ই গরম করা কচকচে টাকার নোটের গন্ধ শুঁকে শুঁকে মদ্যপ, অসভ্যের মত বারবার ইন্টেলেকচুয়ালদের শুঁড়িখানায় প্রবেশ করেন।

তবে কি টেকনোলজি সহজলভ্য হলো, আমি তাকে গ্রহন করলাম আর রাতারাতি কসমোপলিটন হয়ে গেলাম, এমন সরলীকৃত চিন্তাভাবনায় আখেরে শেষ রক্ষা হয়না। প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সুফল পেতে হলে এবং তা উপযুক্তভাবে ভোগ করতে হলে সাথে নিজের চিন্তাভাবনা, মন মানসিকতাও আপডেট করতে হয়। এই অনিবার্য সত্যটিকে অস্বীকার করলে দিনের শেষে একটা বিকলাঙ্গ সমাজ গড়ে উঠতে থাকে এবং অশ্বডিম্ব ছাড়া আর কিচ্ছু প্রসব হয়না। বাংলাদেশে আমরা প্রতিনিয়তই তার প্রমান দেখছি। পরম ইহজাগতিক টেকনোলজিকাল অ্যাডভান্সমেন্টের পাশাপাশি জন্ম জন্মান্তর ধরে পিছনে টেনে ধরা পশ্চাৎপদ পরজাগতিকতার মিশেলে প্রায়ই সিভিলাইজড, ডিসিপ্লিণ্ড সমাজের ব্যালেন্সের দফারফা হয়ে যাচ্ছে। ভোঁতা, আপাদমস্তক স্থূলচিন্তার বাঙ্গালী নিজের ক্ষুদ্র স্বার্থের কারনে এর থেকে বের হতে চাইছেনা। ফলাফল? একের পর এক নৃশংসতা, হানাহানিকে প্রত্যক্ষ, পরোক্ষ উভয়ভাবেই সমর্থন দান আর কৌশলে প্রতিবার নিজেদের পশ্চাৎদেশ বাঁচানো।

 

ইনোসেন্স অব মুসলিমস’ নামক একটি আদ্যপান্ত তৃতীয় শ্রেণীর উদ্দেশ্যপ্রনোদনামূলক ভিডিও দেখে বরাবরের মত এবারো ধর্মান্ধগোষ্ঠী মওকা পেয়ে লাফিয়ে উঠলো। সাথে বরাবরের মতোই যোগ দিলো এক শ্রেণীর স্বার্থ্বান্বেষী, সংকীর্ণ মধ্যবিত্ত বাঙ্গালীর অংশ এবং বরাবরের মতই এদের লুম্পেনবাজীতে প্রতারিত হলো সহজ সরল কিছু মানুষ যাদেরকে নিজেদের অঙ্গুলী হেলনেই যখন তখন ইচ্ছামত চালানো যায়। এর সাথে ধর্মের কি সম্পর্ক আছে? গ্রামের নিরক্ষর বাপ ছেলেটা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে যাবার সময় নিরাকার ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করে, গৃহবধূ মা শাড়ীর কোনায় চোখ মুছে আর আয়াতুল কুরসি পড়ে। অসুস্থ ভাইকে ওষুধ খাওয়ানোর সময়ে ছোট বোনটা একনাগাড়ে ‘আল্লাহ শাফি, আল্লাহ মাফি’ উচ্চারন করতে থাকে। কাছের কোন আত্নীয় দূরপথে যাত্রার সময়কালে আজীবন কেরানীর চাকরী করা সরল লোকটা ‘ফি আমানিল্লাহ’ বলতে ভোলেনা। এদের সবার সরলতাকে বরাবর নিজেদের ক্ষুদ্র স্বার্থের নিমিত্তে ধর্মবেশ্যারা নিলামে উঠায় এবং এবারো উঠিয়েছে। সাথে প্রত্যক্ষ পরোক্ষ উভয় ভাবেই সঙ্গী হিসাবে পায় সকল অধিকার, সুবিধাভোগী বকধার্মিক উচ্চবিত্ত উচ্চমধ্যবিত্তদের এক অংশকে যাদের জীবনের সাথে ধর্মের কোন রুপ সংযোগ নেই। দায়িত্ববিহীন অধিকার তথা জমিদারী ফলানোর উদ্দেশ্যে ধর্মের মুখোশ তারা বরাবরই পরে এসেছে, পরবে। এবং এসবে যে প্রকৃতপক্ষে আংকেল স্যাম আকা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শাসকগোষ্ঠীই সবচাইতে বেশী লাভবান হয় এই সহজ কথাটি পড়ালেখা করা, ইন্টারনেট চালানো, লেটেস্ট মডেলের বাইকে, গাড়িতে অভ্যস্ত হয়ে উঠতে থাকা শিক্ষিতমুর্খ বাঙ্গালীরা বুঝবার চেষ্টা করেনা বা বলা ভালো নিজ স্বার্থেই বুঝেও না বুঝার ভান করে থাকে। তারা মানুষকে বিচার করতে অভ্যস্ত হয়ে উঠেছে ‘মুসলমানী’ নামক আনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমে শিশ্নের অগ্রভাগের চামড়া কর্তন করেছে কিনা তা দিয়ে!

 

রাজাকার ত্রিদিব রায়ের লাশ বাংলাদেশে আসা নিয়ে স্বাভাবিক কারনেই হইচই হয়েছে। এই হইচই, বিতর্ক অত্যন্ত স্বাভাবিক একটি ঘটনা। এদেশের যারা আমাদের জীবনে মুক্তিযুদ্ধের তাৎপর্য, সেই সময়ে সাধারণ জনগণের অপরিসীম, অদ্বিতীয় ত্যাগের কথা কৃতজ্ঞচিত্তেই স্মরণ করেন এবং সেই সময়ের ভয়াবহ নৃশংসতার দগদগে ঘা যারা প্রত্যক্ষভাবেই অবলোকন করেছিলেন ত্রিদিব রায়ের লাশ এই দেশে আসা তাদের হৃদয়ে নিঃসন্দেহে আরো একটি দগদগে ঘা বসিয়ে দিয়েছে। কিন্তু গোল্ডফিশ মেমোরীর বাঙ্গালীর খেয়ালে নেই যে আমরা অতীতে এবং বর্তমানেও অজস্র রাজাকারদের নিরাপত্তা থেকে শুরু করে ক্ষমতার মসনদে পর্যন্ত বসিয়ে রেখেছি। নিজামী, সাকা চৌধুরী, মুজাহিদদের নির্লজ্জ্ব এই আমরাই ভোট দিয়ে সংসদে পাঠিয়েছি, পাহাড়ী জনগণরা পাঠায়নি। তারপরেও ত্রিদিব রায়ের কারনে গোটা চাকমা জাতি থেকে শুরু করে পাহাড়ী জনগণের প্রতি মনের গহীনে সুপ্ত থাকা ঘৃণা, বিদ্বেষকে উগরে দিয়ে ঢালাওভাবে তাদের সবাইকে ‘রাজাকার ’ ট্যাগ দেই কোন লজ্জায়? একজন ত্রিদিব রায়ের কারনে যদি গোটা চাকমা জাতিকে ‘দেশদ্রোহী’ বলা জায়েজ হয়, পাহাড়ী জনগণকে ‘রাজাকার’ অভিহিত করে তাদের হত্যা থেকে শুরু করে ধর্ষণ করাও জায়েজ হয় এবং সেই বিষয়ে নীরব থাকাটা সুবিবেচকতার পরিচয় দেয় তবে সাকা চৌধুরী, মতিউর রহমান নিজামী থেকে শুরু করে অজস্র রাজাকার এবং তাদের কোলাবরেটর হিসাবে আমাদের যীশুর ন্যায় ক্রুশবিদ্ধ করাটা বহু আগেই জায়েজ হয়ে গেছে। আমাদের তবে দয়া দাক্ষিণ্যে বাস করতে থাকা সময়টার জন্য শুকরিয়া জানিয়ে চুপ করে যাওয়া উচিত।এছাড়া পাহাড়ীদের জাতিসত্তার অধিকারসহ নানাবিধ অধিকারের লড়াইয়ে পাশে তারা বাঙ্গালীর অতিক্ষুদ্র একটি অংশকে পাবে এই বিষয়টি তারা যত দ্রুত অনুধাবন করে ততই তাদের মঙ্গল। পরমতসহিষ্ণু বাঙ্গালী তাতেও ক্ষান্ত দেয়নি। পাহাড়ী বাঙ্গালী শোভাযাত্রা নামে নিষ্ঠুর, কুৎসিত এক তামাশা করেই ছেড়েছে শেষমেষ। এক জিন্নাহ মরেছে তো কি? লক্ষ লক্ষ জিন্নাহ আমাদের ঘরে, আমাদের চারপাশেই জ্বলজ্যান্ত হয়ে আমাদের উপর, পাহাড়ী জনগণের উপর ছড়ি ঘুরাচ্ছে। সার্কাস চলছে, চলবে। শেষ বিকালে চায়ের সাথে টোস্ট ভিজিয়ে খেতে খেতে আমরা দার্শনিক সেজেই যাবো– ‘জগত সংসারে আমাদের আর কিইবা করার আছে?’

 

তথাকথিত বিদ্বৎ বাংলাদেশী মধ্যবিত্ত সমাজের বিদগ্ধ বিচারবিশ্লেষণে নানা সময়েই চমৎকৃত হয়েছি। এই কিম্ভুতকিমাকার প্রাণীগণ লোভ, সংকীর্ণতার আতিশায্যে অন্যের থালার খাবার কেড়ে নেওয়ার ইচ্ছায় ঈশ্বরের দোহাই তুলে সকল বর্বরতা হালাল করতে বদ্ধপরিকর। অন্যদিকে, মানুষে মানুষে ইনসাফের প্রশ্ন আসলে এই কীটপতঙ্গদের মুখে ধর্মগ্রন্থের কোন বাণী নিঃসৃত হয়না। নিজেদের পশ্চাৎদেশ মাংসল করার অভিপ্রায়ে অন্যের অধিকার দলিতমথিত করতে তারা নিরাকার ঈশ্বরের জন্য জানপ্রাণ লড়ে দেয়। আবার নিজের পাছা বাঁচাতে পরক্ষণেই ঈশ্বরকে পতিতার মত নিলামে উঠাতে তারা দ্বিতীয়বার চিন্তা করেনা। রামু, উথিয়ায়, টেকনাফে উদ্দেশ্যপ্রনোদিতভাবেই এক সাম্প্রদায়িক হামলায় বৌদ্ধ মন্দির গুড়িয়ে দেওয়াসহ ঘরবাড়ী নিশ্চিহ্ন করা হলো।

স্রেফ হিংসা আর লোভের বশবর্তী হয়ে কিছু প্রাচীন নিদর্শনকে গুড়িয়ে দেওয়া গেলো। পুরাতন কিছুকে গুড়িয়ে দেওয়া যায় নতুন কিছু তৈরীর প্রত্যাশা থেকে। কিন্তু আমরা জাতিগতভাবে এতটাই নিকৃষ্ট যে পুরাতন কিছুকে আমরা ধ্বংস করি তার চেয়েও পুরাতন কিছু প্রতিষ্ঠা করবার লক্ষ্যে। রামুতে, উথিয়ায়, টেকনাফে এই হামলা সম্পর্কে অনেক কিছুই শোনা যাচ্ছে। কোথাও খবর হচ্ছে যে র, মোসাদ ইত্যাদি বিদেশী কিছু গোয়েন্দা সংস্থার ইন্ধনে এই ভয়াবহ হামলা হয়েছে। আবার কখনো শোনা যাচ্ছে যে এর সাথে রোহিঙ্গারা জড়িত। বেশ, তর্কের খাতিরেই ধরে নেওয়া হলো তারা জড়িত। কিন্তু তারা যদি এসব হামলা করেই থাকে তবে প্রশ্ন হচ্ছে তাদের এসব হামলা করতে চালিত করছে কে? পেছনে শক্ত কোন মাথাওয়ালাদের উপস্থিতি আছে যাতে তারা এসব হামলা করতে সক্ষম? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর কে দেবে? যেখানে দিনে দুপুরে প্রকাশ্যে মানুষকে তুলে নিয়ে ক্রসফায়ার করা যায় সেই দেশে এরকম ভয়াবহ একটি সাম্প্রদায়িক হামলায় যারা রেজিমে বহাল তবিয়তে আছেন, ইজমটা যারা বর্তমানে গুলে খাচ্ছেন এবং পাবলিককেও খাওয়াচ্ছেন তারা সম্পূর্ণ অসহায় এই আষাড়ে গল্পটিও শুনতে হবে? কোন দেশে স্বয়ং রাষ্ট্রযন্ত্রের ইন্ধন ছাড়া এ ধরনের বীভৎস হামলা ধারাবাহিকভাবে সংঘটিত হওয়া অসম্ভব এই সহজ প্রশ্নটি কেন কেউ করছেনা? যারা শরীর গরম করা কড়কড়ে টাকার গন্ধে নিয়মিত এখানে সেখানে সংস্কৃতির বটিকা ফেরী করে বেড়ান তাদের একজনও কিন্তু বলেননি যে বুদ্ধের মূর্তি ভাঙলে তাতে বুদ্ধের কিছু যায় আসেনা। কিন্তু তাতে বাঙ্গালী অপমানিত হয়, অপমানিত হয় তাদের কৃষ্টি, ভাষা, সাহিত্য।

যে সরকারের কাছেই বাঙ্গালী মধ্যবিত্তের হিপোক্রেট যেই অংশটি প্রতিকার চাচ্ছে তারা মনে করতে চায়না যে ২০০৬ সালে ক্ষমতায় যাবার জন্য ‘খেলাফত মজলিশ’ এর সাথে ৫ দফা চুক্তি করেছিলো বর্তমানে যারা সরকারের অংশ তারাই। ১৯৯৬ সালে জামাতের সাথে জোট যারা বেঁধেছিলো, তারা ছিলো এরাই। এরশাদের মত লম্পট, জঘন্য, ফ্যাসিস্ট, ধর্মীয় পুঁজ বয়ে বেড়ানো এক সাবেক রাষ্ট্রনায়ক যার হাত ধরে বাংলাদেশের সংবিধানে এসেছিলো ‘রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম’ তার সাথে বর্তমানে জোটে আছে এই সরকারই। তাই বলে বিএনপিকে ধোয়া তুলসী পাতা মনে করার কোন কারণ নেই। দেশে বিএনপির গ্রহনযোগ্যতার একটি বড় কারণই হলো ধর্মের নামে যাবতীয় পশ্চাৎপদতা, অন্ধত্বের বটিকা ফেরী করে বেড়ানোতে তারা বরাবরই দক্ষ। অতঃপর সুবিধাবাদী মানুষ প্রায়শ্চিত্ত না করবার আনন্দে নিরাকার, অসংবেদনশীল ঈশ্বর ফেরী করে। তারপরেও দিনের পর দিন অধিকারবিহীন দায়িত্ব পালন করে যেতে বাধ্য হওয়া মানুষগুলো কখনো জানতে পারেনা তারা আর কখনো ঠিকঠাক ফিরবে কিনা।

 

কবি লুধিয়ানভী বলেছিলেন– “একটি সমাজ যখন পঁচতে শুরু করে তখন তার চারপাশে বাজার গড়ে উঠে”। বাংলাদেশে ধর্মীয় জজবার এই কুৎসিত, কদাকার ধারাবাহিক চর্চা দেখে বড্ড ইচ্ছা করে লুধিয়ানভীকে প্রণাম করতে। অ্যাফ্লুয়েন্ট, ভোগবাদী সমাজে তথাকথিত এটিকেট, ম্যানারিজমের সাথে ধর্মান্ধতা কত চমৎকারভাবে সহাবস্থান করে পরম নির্ভরতায় পরষ্পরের হাত ধরে পাশাপাশি চলতে থাকে তার অনন্য সাধারণ উদাহরন হলো বাংলাদেশ। মার্কস, এঙ্গেলস দূরে থাক সক্রেটিস, প্লেটো, অ্যারিস্টটল, রুশো, হেগেল, ফয়েরবাকও এই জনপদের অবস্থা দেখলে ভিরমী খেতেন নিশ্চিত, আর গলব্রেথ, পল সুইজী এরা বেঁচে থাকলে হতেন অভিভূত। বিজ্ঞাপনী মাদকতায় এখানে শয়তান হয়ে উঠে পয়গম্বর, কীটপতঙ্গ হয়ে উঠে বীর! তাই এই মৃত্যু উপত্যকায় কীটপতঙ্গদের মৃত্যু নেই, তারা অবিনশ্বর।।

Advertisements

মতামত জানান...

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s