লিখেছেন: আলবিরুনী প্রমিথ

A revolution is not a dinner party, or writing an essay, or painting a picture, or doing embroidery.’ – Mao Tse -Tung

ইদানিং এই অধম কিছুই ঠিকভাবে ঠাহর করে উঠতে পারেনা। যেমন উপরে মাও সেতুঙ এর কোটেশনের দিকেই তাকানো যাক, উক্তিটায় স্পষ্ট করে বলা আছে বিপ্লব ডিনার পার্টি, রচনা লেখা, ছবি আঁকা কিংবা এমব্রয়ডারি করার কোনটাই নয়। এখানে ‘বিপ্লব’এর পরিবর্তে ধরে নেই ‘আন্দোলন’ শব্দটাই আছে; কারণ ‘বিপ্লব’ শব্দখানায় বাঙ্গালীর সবসময়েই আতঙ্ক, ঘেন্না, বিদ্বেষ ইত্যাদি কাজ করে। নিজেদের চিন্তার অ্যারিস্টোক্রেসিতে তারা বিদ্যাসাগর নিয়ে নর্তনকুর্দন করে, মাস্টার দা’ সূর্য্যসেন যেন সবসময়ে চাপা পড়ে থাকেন সে জন্যে। তারা রবীন্দ্রনাথ, নজরুল নিয়ে ফ্যাসিস্ট নির্যাতন সমতূল্য সভা–সেমিনারে অনুষ্ঠিত আলোচনা, বক্তৃতা সবই শুনবে, তাও কেবল সুকান্ত ভট্টাচার্য নিয়ে যেন কথাবার্তা বিশেষ না হয় সেই কারণে। স্মরনীয়া – বরনীয়া নারীদের মধ্যে তারা তাদের মগজে বেগম রোকেয়া নিদেনপক্ষে সুফিয়া কামাল’কে গ্রহণ করতে রাজী আছেন, তাও যেন বিপ্লবী প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার, বিপ্লবী কল্পনা দত্ত কিংবা তেভাগা আন্দোলনের সময় যৌনাঙ্গে গরম ডিম প্রবিষ্ট করানোর মত নির্যাতন সহ্য করা বিপ্লবী ইলা মিত্র যেন কখনো আলোচনায় না আসে। যাক গে এই জনপদের দ্বিপদ স্তন্যপায়ীদের হিপোক্রেসির কথা, লিস্টটা শুধু লম্বাই হতে থাকবে।

কিন্তু মূল প্রসঙ্গে এসে দেখি যে ইদানিং অনুষ্ঠিতব্য আন্দোলনগুলো আন্দোলনের মত মনে হয়না। এখন প্রতিটি আন্দোলনকে মনে হয় প্রতি বছরে ফেব্রুয়ারী মাসে বইমেলাকে স্বাগত জানানোর জন্য ‘জাতীয় কবিতা পরিষদ’ নামক উৎকট এক উৎসবের মত। এই যে দেখুন না সামনে আসছে ১ মার্চ বাংলাদেশে সকল ভারতীয় পণ্য বয়কট করার উৎসব এর মধ্যেই শুরু হয়ে গেছে! তা’ এই উৎসবের হেতু কি? বিএসএফ কর্তৃক ক্রমাগত বাংলাদেশীদের হত্যার প্রতিবাদে সেদিন সকল ভারতীয় পন্য বয়কট করা হবে; আহা কি চমৎকার দেখা গেলো! আগে তাও এসব নিয়ে প্রেসক্লাবে, শাহবাগে, টিএসসির রাজু ভাস্কর্যে মিছিল, সমাবেশ হতো। রাতেরবেলা ভারতীয় ‘নীল ছবি’ দেখে বেলা করে ঘুম থেকে উঠা বাঙ্গালী মধ্যবিত্তরা সেজেগুজে শুক্রবার বিকালে প্রেসক্লাবে এসে মনোযোগ দিয়ে আবাল পাবলিকের সস্তা সেন্টিমেন্টে সুড়সুড়ি দিতে পারঙ্গম নেতাদের বচনামৃত শুনতো। চোখমুখ কুঁচকে ভেবে আবারো নিশ্চিত হতো ‘মালাউনদের’ সবই খারাপ, এমনকি আগের রাতে যেই ভারতীয় ‘নীল ছবি’ দেখেছিলো সেখানের মেয়েটার ‘মাই’ দুইটাও বেঢপ, কুৎসিত আকারের সেটা মনে করে নিজের হাত কামড়াতো! কিন্তু এখন আন্দোলনের নামে, প্রতিবাদের নামে এই ধরণের উৎসব এই ভোগবাদী, টেকনোলজিক্যাল উল্লম্ফনের আমলের নতুন অস্ত্র ‘ফেসবুক’ নামক সামাজিক নেটওয়ার্কের কল্যাণে অনায়াসেই সম্ভব। বিশ্বাস না করে যাবেন কোথায়? মধ্যবিত্ত বাঙ্গালী দেখিয়েই ছেড়েছে, তাদের দক্ষতার ব্যাপারে যেই ‘হোমো সেপিয়ান্স’ সন্দেহ পোষণ করেছে, তার গালেই এরা ঠাস করে চড় দিয়েছে, তারপর ঝেড়েছে হাল ফ্যাশনের রাজনৈতিক সংলাপ ‘আপনে আমাত্তে বেশী বুঝেন?’

সীমান্তে বিএসএফ কর্তৃক বাংলাদেশীরা ক্রমাগত হত্যাকান্ডের শিকার হচ্ছে তাকে কোন পাষণ্ড নিন্দনীয় বলবেনা? কিন্তু এর ফলে পোঁদ ফাটা আবেগে যারাই আন্দোলনের নামে, প্রতিবাদের নামে এই ধরনের উৎসবে সাগ্রহে সায় দেন, বালবাচ্চা সহ নিজেরাও লাফিয়ে পড়েন তাদের কি লক্ষ্য করার সময় হয় এই ২০১১ সালেই ‘র‍্যাব’ নামক প্রাণীটির হাতে ১০৬ জন (প্রকৃত সংখ্যাটা নিঃসন্দেহে আরো বেশী হবে) মানুষ বিনা বিচারে খুন হয়েছে? এই সংখ্যাটা অবশ্যই বিএসএফের হাতে প্রতি বছরে খুন হওয়া বাংলাদেশীদের সংখ্যার চাইতে অনেক বেশী। কিন্তু কই ‘র‍্যাব’ নামক উৎকট প্রাণীটির বিরুদ্ধে কয়জনে কথা বলে বা কিছু লেখার চেষ্টা করে? মুহূর্ত্বের মধ্যে র‍্যাবের তপ্ত বুলেটের সীসা আমাদের যে কারোর বুকের বাম পাশটা এফোঁড়–ওফোঁড় করে দিতে সক্ষম। আপনি, আমি, রহিম কেউই কালো পোষাক পরা সেই প্রাণীটির হাত থেকে নিরাপদ নই, কিন্তু কই হইচই–শোরগোল, সবই তো কেবল বিএসএফের বিরুদ্ধে। র‍্যাবকে জামাই আদরে আসীন করা এই আমাদের হিতাহিত সকল জ্ঞান সম্পূর্নই লুপ্ত হবার পথে, সেই খেয়াল কি আছে? যদি খেয়াল থাকে তাহলে যেকোন অবস্থাতেই বিএসএফ নয়, সবার আগে র‍্যাব, কোবরা, চিতা থেকে শুরু করে বাংলাদেশে ফ্যাসিস্ট রাস্ট্রের যত ফ্যাসিস্ট পেটোয়া বাহিনী আছে তার বিরুদ্ধেই আগে প্রতিবাদ জানানোটা জায়েজ হয়। কিন্তু কোথায় কি? দালাল মিডিয়ার কল্যাণে লিমনের পা হারানোর ঘটনা লাইমলাইটে এসেছে, নাহলে ১৯৭২ সাল থেকেই তো বাংলাদেশের ভেতরেই একের পর এক পেটোয়া বাহিনী এসেছে এবং গেছে কিন্তু আমরা কি তার বিরুদ্ধে কথা বলার কিংবা কিছু লেখার সাহস করেছি?

বুঝতে পারলাম যে নিজেদের নানাবিধ ছেনালীর কারণে ‘কমিউনিস্ট’ নামক প্রাণীদের একের পর এক হত্যা করে ‘চরমপন্থী’ নাম দিয়ে পত্রিকার শেষের পাতায় ছোট করে একটা খবর দিলেই আমরা সন্তুষ্ট কারণ বামপন্থী কমিউনিস্টগুলা ‘নাস্তিক’। তাই বলে খাওয়া–ঘুমানো, বছরান্তে যন্ত্রের মত একের পর এক আদমসন্তান পয়দা করা আমরা কবে এই ফ্যাসিস্ট, পেটোয়া বাহিনীর থেকে নিরাপদ হলাম? ঘর থেকে দুই পা ফেললে কি বিএসএফের সেনা দেখা যায় নাকি র‍্যাব, কোবরা, চিতা এদের দেখা যায়? বিএসএফের বিরুদ্ধে গুহ্যদ্বারের সর্বশক্তি প্রয়োগ করে গলা ফাঁটানো হিপোক্রেট বাঙ্গালীর আসল মতলব নিশ্চয়ই অন্য জায়গায়। একে রাষ্ট্রধর্ম ‘ইসলাম’, তার উপর মুসলিম প্রধান দেশ, মালাউনদের দেশ ‘ভারত বিরোধীতা’ না করলে পেটের ভাত হজম হবে কেন? এটাই কি নেপথ্যের আসল কারণ নয়?

এই দেশে মুসলমান ধর্মের অনুসারী কোন পরিবারে কোন শিশু জন্মগ্রহণ করলে সে যত না মানুষ হিসাবে জন্মগ্রহন করে এবং বড় হয় তার চেয়ে অনেক বেশী ‘মুসলমান’ হিসাবেই জন্মগ্রহন করে এবং বড় হয়। সুশীল, মেঠো সংস্কৃতির (!) ধারক – বাহক এই আমরা এই কথা শুনলে তেলেবেগুনে জ্বলে উঠবো নিশ্চিত। ধানাই পানাই করে, সহজাত হিপোক্রেসি করে একে আদর করে ভিন্ন কোন নাম দেওয়া হবে তাও জানা কথা, কিন্তু তাতে কি আমাদের প্রকৃত চরিত্র উন্মোচিত হয়না? যদি ‘মালাউনদের দেশ’ বলেই ‘ভারত বিরোধীতা’ করা না হয়, একে যদি ভারতের ‘সম্প্রসারনবাদী’ চরিত্রের বিরুদ্ধেই যদি প্রতিবাদী হওয়া বলে তাহলে মার্কিন সরকারের কুকুরগুলোর সাথে যখন ‘সোফা’, ‘ টিফা’এর মত ভয়ংকর সব চুক্তি হয় তখন প্রতিবাদ কোথায় যায়? বাংলাদেশের অভ্যন্তরীন রাজনীতির প্রায় প্রতিটি বিষয়তেই মার্কিন সরকারের কুকুরগুলো যখন হস্তক্ষেপ করে তখন কোন বীরপুঙ্গব বলে উঠেনা যে, ‘বাংলাদেশ আমেরিকার ৫১ তম অঙ্গরাজ্য’! বেশী দিন তো নয় একবছর আগেই যখন লিবিয়ায় ৬০ হাজার বাংলাদেশী বেকার শ্রমিক অবস্থান করছিলো তখন টাকার অভাবের অজুহাতে তাদের বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হয়নি, সেই সময়তেই কিন্তু বিশ্বকাপ ক্রিকেট নামক মুনাফা সর্বস্ব এক অনুষ্ঠান থেকে ব্যবসা হচ্ছিলো সাড়ে চারশো’ কোটি টাকা। সাকিব–তামিমের ‘মার ঘুরিয়ে’কে টেমপ্লেট বানিয়ে বহির্বিশ্বের কাছে ‘দেশের ভাবমূর্তি’ উজ্জ্বল করানোর থিউরী এই আবাল পাবলিকই কিন্তু গনহারে গিলেছিলো। কিন্তু কোন বীরপুঙ্গব তখন এই নিয়ে কথা বলেনি, বলার কথাও না। লিবিয়া হোক কিংবা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র; সেই দুইটি দেশের কোনটিই হিন্দু অধ্যুষিত নয় যে!! এই লিস্টটাও অনেক অনেক লম্বা হতে থাকে, তাই এখানেই থামিয়ে দিলাম।

মজার ব্যাপার এখানেই যে কথায় কথায় ভারত বিরোধিতার নামে ‘মালাউন বিদ্বেষী’ এই জনপদের আমরাই কিন্তু ভারতের ফ্যাসিস্ট রাষ্ট্রের সব ধরণের ফ্যাসিজমকে আমাদের অস্থিমজ্জায় লালন করে চলেছি বছরের পর বছর। আপনি জাতিগত নিপীড়নের কথা বলবেন? তাহলে আদিবাসীদের ব্যাপারে দিস্তার পর দিস্তা কাগজ খরচ করে মহাকাব্য লেখা যায়। ভারতের বিএসএফের সীমান্তে বাংলাদেশীদের গনহারে হত্যার বিষয়টি যদি অত্যাধিক মর্মপীড়ার কারণ হয় তবে পার্বত্য অঞ্চলে বছরের পর বছর ধরে বাঙ্গালী কুকুরদের নিকট পাহাড়ী আদিবাসীরা যেই ফ্যাসিস্ট অত্যাচার, নির্যাতনের শিকার হয় তার কথা কি বলবেন? সেখানকার মা, বোন, স্ত্রী, কন্যা সবাই বানের জলে ভেসে এসেছে কিনা; তাই তারা বাইডিফল্ট সেখানে অবস্থিত বাঙ্গালী কুকুরদের ‘গনিমতের মাল’! এই থিউরী কিভাবে ‘মানবতাবাদী’ বাঙ্গালী বছরের পর বছর কোরানের বাণীর মত শ্বাশ্বত মনে করে গিলে এসেছে, তার কথা কি কারো স্মরণে আসেনা?

আপনি ভাষাগত নিপীড়নের কথা বলবেন? তাহলে বলুন কেন বাংলাদেশে অবস্থিত উর্দূ ভাষীদের কোন ভাষার স্বীকৃতি নেই? আদিবাসীদের তো সেই ১৯৭২ সালেই শেখ মুজিবর রহমান ‘বচন’ শুনিয়েছিলেন ‘বাঙ্গালী’ হয়ে যেতে। বিপুল সংখ্যক ‘মানবতাবাদীদের’ বসবাসে মহিমান্বিত এই বাংলাদেশে খুব কম সংখ্যক মানুষই আছেন যারা এসব ‘মানবতাবাদের’ পাছায় লাথি দিয়ে এর বিরুদ্ধে কিছু বলার সাহস করেন, কিংবা কিছু লেখার সাহস করেন।

খুব সংক্ষেপেই লিখলাম এসব নিয়ে, এবার এসবের ছেনালীপনার সাথে ভারতের ফ্যাসিস্ট রাষ্ট্রের তুলনা করে দেখুন, সবই খাপে খাপে মিলিয়ে যাচ্ছে। মনে কি হচ্ছেনা যে একমুখে ভারত বিরোধীতা করে অপরদিকে তাদের আদলেই আমরা নিজেদের গড়ে তুলেছি? মনে কি হয়না যে আমাদের ভাবনাচিন্তা থেকে শুরু করে প্রায় প্রতিটি কর্মেই আমরা ভারতের শাসকশ্রেণীর প্রতিনিধিত্ব করি? যদি ভারত বিরোধিতার ধরণ ‘মালাউন বিদ্বেষী’ না হয়ে কার্যতই ভারতের ‘সম্প্রসারনবাদের’ বিরুদ্ধে হতো, তাহলে শার্টের বোতাম থেকে শুরু করে লুম পর্যন্ত সবই ভারত থেকে আমদানী করে এই দেশের গার্মেন্টস শ্রমিকদের সর্বস্ব ছিবড়ে ফেলে ‘গার্মেন্টস ব্যবসা দেশের ভাবমূর্তি বহির্বিশ্বে উজ্জ্বল করে চলেছে’ এমন বচন শোনানো হয় কোন যুক্তিতে? এক বছরের কিছু বেশী সময় গিয়েছে যখন শাহরুখ খানকে দেখে দায়িত্বরত পুলিশ অফিসার প্রটোকল ভুলে গিয়ে ‘শাহরুখ, শাহরুখ’ বলে লাফিয়ে উঠেছিলো, আর লাখ টাকা খরচ করে সামন্তীয় মানসিকতার বাংলা ছবির ‘চৌধুরী সাহেব’ মার্কা মানুষগুলো নিজ নিজ পরিবার নিয়ে সেই সার্কাসে আমোদ–ফূর্তি করেছিলো। গোল্ডফিশ মেমোরীর বাঙ্গালী সবই ভুলে যায়, ভুলে যেতেই চায়, কারণ ওই যে ‘Ignorance is bliss!’

দৌলতদিয়া, টানবাজারের নাম শুনলেই মধ্যবিত্ত বাঙ্গালী চোখমুখ কুঁচকে ফেলে, দেশের প্রতি তাদের আবেগ–ভালোবাসার (!) অ্যারিস্টোক্রেসিতে এই জায়গাগুলো কিংবা জায়গাগুলোর মানুষগুলো সম্পূর্ণই অচ্ছ্যুত! কিন্তু ভারতের ‘সম্প্রসারনবাদের’ বিরুদ্ধে কোনরুপ বিক্ষোভ, প্রতিবাদ না করে নিরাপদে ভারত বিরোধীতার নামে আমরা যেই কুৎসিত, কদর্য্য সাম্প্রদায়িকতাকেই লালন–পালন করে যাই, সেখানে ‘দেশপ্রেমের’ ছিঁটেফোঁটাও থাকেনা। যা থাকে তা হল ভন্ডামী, শয়তানী এবং সোজা কথায় শাসকশ্রেণীর ভাড়া খাটা। আমাদের দেশপ্রেমের ধরণ এতটাই জঘন্য এবং কৌলীন যে এর মাধ্যমে আমরা আমাদের চারপাশকে দৌলতদিয়া, টানবাজারের এক্সটেনশন বানিয়ে ফেলেছি। যদি এই ধারাই চলতে থাকে দিনের পর দিন, তাহলে এই অধমের এটাই প্রত্যাশা থাকবে যেন এই সো কলড প্রগ্রেসিভ, ডেভেলপড জনপদে দিনে দিনে কন্ডোমের ব্যবহার বৃদ্ধি পায়। কারণ তাতে অন্তত মানুষের নামে কিছু সংখ্যক খাটাশের জন্ম কম হবার কথা, এই ঘোর দুর্দিনে কিছু কম সংখ্যক খাটাশ জন্ম নিলে সেটাও নির্দ্বিধায় একটা ভালো সংবাদ।।

Advertisements

মতামত জানান...

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s