লিখেছেন: শাহেরীন আরাফাত

শহীদ আসাদ

কোন কোন মৃত্যু ইতিহাস হয়ে যায়, অন্যায়ের বিরুদ্ধে বিদ্রোহে জনস্রোতের উদ্বেল জোয়ার আনে। আমানুল্লাহ মোহাম্মদ আসাদ, যিনি আসাদ নামেই সর্বাধিক পরিচিত, তাঁর মৃত্যু এমনি এক ইতিহাস সৃষ্টি করেছিল ৬৯’এর গণঅভ্যুত্থানে। আসাদ এবং ৬৯’এর গণঅভ্যুত্থান এক অখন্ড সত্বা।

এই বিপ্লবী ১৯৪২ সালের ১০ জানুয়ারী নরসিংদী জেলার শিবপুর থানার ধুনিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম মাওলানা আবু তাহের। তিনি ছিলেন হাতিরদিয়া সাদত আলী হাই স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা হেডমাষ্টার। আসাদের মাতার নাম মতি জাহান খাদিজা খাতুন। ছয় ভাই ও দুই বোনের মধ্যে আসাদ ছিলেন চতুর্থ। ১৯৬০ সালে আসাদ শিবপুর হাই স্কুল থেকে মেট্রিকুলেশন পাশ করে সিলেটের এম.সি কলেজে (মুরারী চাঁদ কলেজ) ভর্তি হন। ১৯৬৩ সালে ওই কলেজ থেকে আই.এ পাশ করে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিহাসে অনার্সসহ বি.এ ভর্তি হন। সেখান থেকে ১৯৬৬ সালে বি.(অনার্স) এবং ১৯৬৭ সালে এম.এ ডিগ্রী লাভ করেন।

ছোট বেলা থেকেই প্রতিবাদী আসাদ স্কুল ও কলেজ জীবনে পুরোপুরি রাজনৈতিক অঙ্গনে জড়িত না থাকলেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময়েই রাজনীতিতে আসাদের প্রত্যক্ষ সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি পায়। তিনি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নে যোগ দেন এবং জননেতা আঃ হামিদ খান ভাসানীর অনুসারী হন। এরপর রুশচীন আন্তর্জাতিক মহাবিতর্কের প্রক্রিয়ায় আসাদ বিপ্লবী ছাত্র ইউনিয়নে যুক্ত হন। ধারণা করা যায়, এ সময়েই তিনি ইপিসিপি (এমএল)-এ যোগদান করেন। অত্যন্ত মেধাবী এই ছাত্রনেতার অসাধারণ সাংগঠনিক দক্ষতার কারণে ছাত্র সংগঠনে যুক্ত থাকা অবস্থায় অল্প দিনের মধ্যেই ঢাকা হলের সভাপতিসহ বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেন।

আসাদ ছিলেন তৎকালীন কৃষক আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক, ছাত্র অবস্থাতেই তিনি আত্মপ্রতিষ্ঠার মোহ ত্যাগ করে কৃষকদের সাথে একাত্ম হওয়া এবং তাদেরকে সংগঠিত করার জন্য ইপিসিপি (এমএল)-এর প্রভাবাধীন ভাসানীর নেতৃত্বাধীন কৃষক সমিতি গড়ে তোলার জন্য নিজ এলাকা শিবপুরে কাজ শুরু করেন। অতি অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি শিবপুর, মনোহরদী, রায়পুরা, নরসিংদী অঞ্চলে ব্যাপক বিস্তৃত কৃষক সংগঠন ও আন্দোলন গড়ে তোলেন। তিনি জাগরণীনামে একটি সাংস্কৃতিক সংঘ এবং শিবপুর নৈশবিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। এসময়ে চলছিল জাতীয় পরিসরে ৬৯’এর অভ্যুত্থানের প্রস্তুতি পর্ব। প্রতিনিয়তই রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠছিল।

এই আন্দোলনের অংশ হিসেবে মাওলানা ভাসানী ৬৮’ সালের ২৯শে ডিসেম্বর গ্রামেগঞ্জে হাটহরতালের ডাক দেন। আসাদ ও তাঁর কৃষক সংগঠন এই কর্মসূচী সফল করতে ব্যাপক উদ্যোগ গ্রহণ করেন। সেদিন অত্র এলাকার বৃহত্তম বাজার হাতিরদিয়া হাটবার থাকায় সেখানে আসাদের নেতৃত্বে সর্বাত্মক হরতাল পালিত হয়। হাতিরদিয়ার মহাজনেরা নিজস্ব লাঠিয়াল ও পুলিশ বাহিনী দিয়ে হরতাল প্রতিরোধের চেষ্টা করে। ফলে আসাদের নেতৃত্বে কৃষক সমিতির সাথে মহাজন ও পুলিশ বাহিনীর সংঘর্ষ হয়। এতে চারজন কৃষকমিয়া চাঁন, সিদ্দিক মাস্টার, হাসান আলী ও চাঁন মিয়া ঘটনাস্থলেই শহীদ হন এবং আসাদসহ শত শত কৃষক আহত হন। কিন্তু কৃষক জনতার এই বীরোচিত আত্মবলিদানের মধ্য দিয়ে হাটহরতাল সফল হয়। আহত অবস্থায় সাইকেল যোগে ঢাকা আসার পথে ঘোড়াশালের কাছে আসাদ রাতের অন্ধকারে রাস্তার ধারে জঙ্গলে অজ্ঞান হয়ে পড়ে থাকেন। পরবর্তীতে তারই এক কৃষক কর্মীর সহায়তায় জ্ঞান ফিরলে ঢাকায় আসেন এবং হাতিরদিয়া ঘটনার খবর ঢাকার পত্রিকা অফিসগুলোতে পৌছে দেন। পরের দিন সকল দৈনিক পত্রিকায় ও আকাশ বাণী, কলিকাতা থেকে হাতিরদিয়ার ঘটনার খবর ফলাও করে প্রচারিত হয়। হাতিরদিয়ার কৃষক হত্যার খবর ঢাকায় পৌঁছালে ছাত্রজনতা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। এই ঘটনা পূর্ব বাংলার জনসাধারণকে বিদ্রোহী করে তোলে এবং তৎকালীন স্বৈরাচারী আইয়ুব বিরোধী আন্দোলন আরো বিষ্ফোরনম্মুখ হয়ে ওঠে। পূর্ব বাংলার আনাচে কানাচে আন্দোলনের বহ্নিশিখা ছড়িয়ে পড়ে। ঢাকার ছাত্ররা এ আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। এরই মাঝে হাতিরদিয়ার ঘটনায় পুলিশী গ্রেপ্তার এড়ানোর উদ্দেশ্যে কিছুদিন তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর থানার আসমাতুন্নেসা হাই স্কুলে শিক্ষকতা করেন। অসাধারণ সাংগঠনিক দক্ষতার ফলে আসাদ এত অল্প সময়ের মধ্যে যে বহুমুখী ও বিশাল সাংগঠনিক কাঠামো তৈরী করতে পেরেছিলেন তা এক বিস্ময়কর ব্যাপার।

আসাদ আহত অবস্থায় ঢাকায় এসে আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন। ছাত্র সংগঠনগুলো স্বৈরতান্ত্রিক শাসন উচ্ছেদের জন্য সর্ব দলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ গঠন করে এবং আন্দোলনের ১১ দফা কর্মসুচী ঘোষণা করে। এই আন্দোলন ক্রমে জোরদার হতে থাকে। আইয়ুব খানের এজেন্ট মোনেম খান ও তার সরকার ছাত্র আন্দোলনের গতি রুদ্ধ করার জন্য ছাত্রদের উপর পুলিশী জুলুম চালু করে। ৬৯’এর ২০শে জানুয়ারী পাকিস্তানী শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে বিপ্লবী ছাত্র ইউনিয়নসহ অন্যান্য সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ ১১ দফা দাবীতে ছাত্রসভা ও বিক্ষোভ মিছিলের কর্মসূচী ঘোষণা করে। আইয়ুব স্বৈরাচার এই কর্মসূচী বানচাল করার জন্য সমগ্র ঢাকায় ১৪৪ ধারা জারী করে।

পুলিশী জুলুমের প্রতিবাদে ২০ জানুয়ারি তারিখে ছাত্র নেতৃবৃন্দ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে এক সভা আহ্বান করে। সকাল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জড়ো হতে শুরু করেন ছাত্রছাত্রীরা। ১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে হাজার হাজার শিক্ষার্থী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাবেশিত হয়। একটি সংক্ষিপ্ত ছাত্রসভা শেষে দুপুর ১২টার দিকে জরুরী আইন উপেক্ষা করে প্রায় ১০ হাজার ছাত্রছাত্রী স্লোগান দিতে দিতে ব্যারিকেডের দিকে এগিয়ে যান। গোটা বিশ্ববিদ্যালয় তখন পুলিশ, ইপিআর দিয়ে ঘেরাও করা। এক পর্যায়ে শুরু হয় পুলিশ, ইপিআরের সাথে ছাত্রদের সংঘাত আর তা ঘণ্টাব্যাপী চলতে থাকে। পুলিশইপিআরএর মারমুখী আক্রমণে মিছিল ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। খন্ড খন্ডভাবে মিছিল এগিয়ে চলে। আসাদের নেতৃত্বে একটি খন্ড মিছিল মেডিক্যাল কলেজের সামনে রাস্তা ধরে চাঁন খাঁ’র পুলের দিকে অগ্রসর হচ্ছিল, এসময় সশস্ত্র পুলিশ ও ইপিআর দ্বারা বাধাপ্রাপ্ত হলে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। এমন এক পরিস্থিতিতে বেলা আনুমানিক দেড়টার দিকে মূল ঘটনাস্থলের অনতিদূরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পূর্ব দিকের প্রধান ফটকের পাশের ফুটপাতের উপর জনৈক পুলিশ অফিসার (অনুমান করা হয় সেই পুলিশ অফিসারের নাম বাহাউদ্দিন ডিএসপি) খুবই কাছ থেকে আসাদকে লক্ষ্য করে গুলি করে, যে গুলি আসাদের বক্ষ বিদীর্ণ করে, বুকে বুলেট নিয়ে লুটিয়ে পড়েন তিনি। একই সাথে আরও কয়েকজন গুলিবিদ্ধ হন। ক্ষিপ্ত ছাত্ররাও সমানে ঢিল ছুড়তে থাকেন। তাদের ছোড়া ইটের আঘাতে মাথা ফেটে যায় সেই পুলিশ অফিসারের। জিপে করে দ্রুত সরে পড়ে পুলিশ অফিসার। তৎক্ষণাত গুলিবিদ্ধ আসাদকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

শহীদ আসাদের নিথর দেহ

আসাদের গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর পাওয়ার সাথে সাথে আসাদের বড় ভাই ডা. এন. এম. মুরশীদুজ্জামান আসাদকে অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যান। হাসপাতালের সব ডাক্তাদের সম্মিলিত চেষ্টাতেও তাঁকে বাঁচানো যায়নি। পিস্তলের গুলি আসাদের হৃদপিন্ডের বাম নিলয় বিদীর্ণ করে। শহীদ হন আসাদ।

এরপর শুরু হয় আসাদের লাশ নিয়ে রাষ্ট্রের ছলচাতুরীর রাজনীতি। ময়নাতদন্তের পর সন্ধ্যায় লাশ নিয়ে মিছিলের উদ্যোগ নেয় ছাত্ররা। ঢাকার জেলা প্রশাসক ও পুলিশের মহাপরিদর্শকের নেতৃত্বে হাসপাতালে সশস্ত্র পুলিশ ও ইপিআর ঢুকে পড়ে। পুলিশইপিআর পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে লাশের খোঁজে। পুলিশ জানায়আসাদের ভাইয়ের অনুরোধেই তারা লাশের খোঁজ করছেন। অন্যদিকে ছাত্ররা শহীদ আসাদের লাশ হাসপাতালের একটি ওয়ার্ডে লুকিয়ে ফেলেন। পরবর্তীতে শহীদ আসাদের লাশ আসাদের বড় ভাই নিয়ে যান। ছাত্ররা তার আগেই রক্তমাখা শার্ট নিয়ে বের করেন মিছিল। জনরোষে ফেটে পড়ে মিছিল, এই মিছিলে রাষ্ট্র পক্ষ কোন বাধা দেওয়ার সাহস পায়নি।

 

পরের দিন ২১ জানুয়ারী নিজ গ্রাম ধানুয়ায় পারিবারিক গোরস্থানে আসাদকে সমাহিত করা হয়। সেদিন ঢাকায় আবারও শুরু হয়ে যায় উত্তাল আন্দোলন, সকাল সন্ধ্যা স্বতঃস্ফুর্তভাবে এক অবিস্মরনীয় হরতাল পালিত হয়। আসাদের রক্তমাখা শার্ট নিয়ে লক্ষাধিক লোক নগ্নপদে এক অভূতপূর্ব মৌন মিছিল বের করে রাজপথ প্রদক্ষিণ করে। সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ ২২, ২৩ ও ২৪ জানুয়ারি এই তিন দিন “শোক কাল” হিসেবে ঘোষণা করে। আসাদের শহীদ হওয়ার ঘটনা পাক শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে গণবিষ্ফোরনে পরিণত হয়। প্রতিদিন হরতালসহ বিভিন্ন কর্মসুচী পালিত হয়। ২৪ তারিখে কর্মসূচীর শেষ দিনে সমগ্র প্রদেশব্যাপী সফল হরতাল পালিত হয়। রাজপথে লক্ষ লক্ষ জনতার রোষ তীব্র থেকে তীব্রতর হতে থাকে। এই দুর্দমনীয় গণআন্দোলন একটি স্বতঃস্ফুর্ত গণঅভ্যুত্থানে রূপ হয়। ফলে কথিত লৌহ মানব আইয়ুব শাহীর পতন হয়; আসাদের মৃ্ত্যুর মাত্র দুই মাসের মধ্যে আইয়ুব খানের এক দশকের স্বৈরশাসনের অবসান ঘটে। আসাদের স্মৃতিকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য ছাত্রজনতা স্বৈরাচারী সামরিক জান্তা আইয়ুবের নামানুসারে তৈরী আইয়ুব গেইট’কে আসাদ গেইট এবং আইয়ুব এভিনিউ’কে আসাদ এভিনিউ নামকরণ করেন। যা আজো বীর অগ্রনায়ক আসাদের স্মৃতিকে বহন করে চলেছে। দেশবাসী ১৯৭০এর প্রথম আসাদদিবসে শহীদ মিনারের অনতিদূরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রধান ফটকের পাশে মূল ঘটনাস্থলে “ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের স্মারক ও অমর আসাদ” স্মৃতি স্তম্ভ স্থাপন করে।

যদিও আমরা শহীদ আসাদের স্মৃতিকে ভুলিনি, তথাপি এথেকে শিক্ষাও নিতে পারিনি। শহীদ আসাদ তাঁর আজীবন সংগ্রামী জীবনে কৃষকশ্রমিকসর্বহারার মুক্তির কথাই বলেছেন, তাদের জন্যই রাজনীতি করেছেন। দেখানো ভালবাসায় বা লোক দেখানো শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের কোন মানে হয় না; যদি প্রকৃতার্থে শহীদ আসাদকে ভালবাসেন, তার রাজনীতিকে ভালবাসেন, আদর্শিক রাজনীতিকে ধারণ করেন; তাহলে কৃষকশ্রমিকসর্বহারামেহনতি মানুষের মুক্তি সংগ্রামের জন্য এগিয়ে আসুন। আপনি যে অবস্থায় আছেন, সেখান থেকেই এর পক্ষে কথা বলুন। যারা রাজনীতিতে সক্রিয় আছেন, বা থাকতে চান তাদের অবশ্যই অনুধাবন করতে হবে এই রাজনীতি কার জন্য; যদি তা কৃষকের মুক্তির কথা বলে তাহলে অবশ্যই গ্রামে গিয়ে কাজ করতে হবে, তা সম্ভব না হলে অন্ততঃ সত্যকে স্বীকার করার সৎ সাহস ধারণ করুন। যেখানে দেশের ৮০ ভাগ মানুষ বাস করে গ্রামাঞ্চলে, সেখানে শহরে বসে মিটিংমিছিল আর মানববন্ধন নির্ভর রাজনীতিতে কার কতটুকু মুক্তি এসেছে, আসছে বা আসবে তা বলাই বাহুল্য! এই স্বিদ্ধান্ত কেবলই আপনাদের। লক্ষ্যে পৌছাতে আরো কিছু সময় লাগতে পারে, তবে প্রকৃত মুক্তির পথে জনগণের স্বতস্ফুর্ত অংশগ্রহণ ক্রমেই আশার আলো জ্বেলে যাচ্ছে

আন্তরিক কৃতজ্ঞতা: গণযুদ্ধের অগ্রদূত (শহীদ বিপ্লবী ও দেশপ্রেমিক স্মৃতি সংসদ কর্তৃক প্রকাশিত)

মতামত জানান...

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

Connecting to %s

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.