“ঠিক কতটা দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ না হলে একজন মানুষকে মানুষ বলা যায় না?”

Posted: অক্টোবর 14, 2011 in দেশ
ট্যাগসমূহ:, ,

লিখেছেন: ফেরারী সুদ্বীপ্ত

সারা ক্যাম্পাসের যে জায়গাটায় অর্জুন গাছ গুলো অকৃত্রিম ঔদার্যবশত ছায়া বিস্তার করে তার কোন একটা অংশে নোমান ভাঙ্গাচোরা ভ্যানগাড়ি ও কয়েকটা নীল প্লাষ্টিক চেয়ার এনে প্রতিদিন সকালে ফুচকার দোকানের পসরা সাজায় আবার সন্ধ্যা না হতে গুটিয়ে নিয়ে বাড়ির পথ ধরে। তার অনতিদূরে , কয়েকজন বামপন্থী তরুণ পরিত্যক্ত শিলাখন্ডের উপর বসে আড্ডা দেয় , রাজনৈতিক বিতর্কের ঝড় তোলে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের গাত্রদাহ তরুণ বামগুলোকে ঐ জায়গা থেকে উৎখাত করার জন্য মিয়া মুহম্মদ আবু জুনায়েদের স্যাঙ্গাতরা অনেক চেষ্টা করেও সফল হতে পারে না। বর্ষা যায় বসন্ত আসে। হাসির কলরোল, আড্ডা, হৈ চৈ তার সন্নিকটে শিলাখন্ডে উপবিষ্ট কয়েকজন তরুণের উত্তপ্ত রাজনৈতিক বিতর্ক এই সব আমার দেখা নিত্য বর্তমান এবং এসবের একজন অনুঘটক ও দর্শক হয়ে রোদছায়াকুয়াশার খেলা দেখতে দেখতে বিশ্ববিদ্যালয় জীবনটা কেটে যাচ্ছে। আমি দেখি নোমানের ফুচকার দোকানের নীল রঙের প্লাষ্টিক চেয়ারে বসে প্রেমিক –প্রেমিকার অফুরন্ত সময় ক্ষেপণ, রাগঅনুরাগ, ক্লাসের ফাঁকে বন্ধুদের আড্ডাখিস্তিচাপাবাজি, অপ্রিয় শিক্ষকদের চৌদ্দ গুষ্টি উদ্ধার প্রচেষ্টা, সুন্দরী –শুচিস্মিতাদের মুখর হাসির কলতান, যে হাসি শুনতে পেয়ে হঠাৎ কোন তরুণের যেতে যেতে ইতস্তত থেমে যাওয়া, কিংবা এক পলক তাকানোর ইচ্ছা অবদমন করে ক্লাসে ছোটা, অনেক অনেক কিছু। সেই দিনও শিলাসনে বসে রাজনৈতিক আলাপে মত্ত এই আমাকে হঠাৎ থেমে যেতে হয়। অদূরবর্তী ফুচকার দোকানের অনামিকাদের হাসির শব্দে আমাকেও ফিরে তাকাতে হয়। তাকিয়ে দেখি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন ডিপার্টমেণ্টের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থে অস্বাভাবিক ছোট জনৈক কর্মচারী নীল রঙের চেয়ারে বসে ফুচকা খাচ্ছে ।ওই রক্তমাংসের বামন পিন্ডটার ফুচকা খাওয়ার দৃশ্য দর্শনে দুই জন মেয়ের উচ্চগ্রামে হাসির মহড়া দেখে আমি কিন্তু বিস্ময়ে হতবাক হই নি।কারণ আমার বুঝতে বাকি ছিল না মানুষ হতে হলে যে দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের প্যারামিটার সমাজ ঠিক করে দিয়েছে প্রকৃতির নির্মমতার কারণে তার ধারে কাছেও ওই লোকটা নেই।মেয়ে দুটো এই মানুষটাকে চিড়িয়াখানার প্রাণী ভেবে হাসির বন্যা বইয়ে দিয়েছে আর সেই বাঁধ ভাঙ্গা হাসির স্রোতের বিপরীতে দাঁড়িয়ে আমি তখন ভাবছিলাম

ঠিক কতটা দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ না হলে একজন মানুষকে মানুষ বলা যায় না?”

আমার খুবই পরিচিত একজন , নামটা বললাম না । স্থিতধী , নিরহঙ্কার এবং প্রজ্ঞাবান কিন্তু দরিদ্র এই মানুষটি কোন এক দিন একজন রিকশাওয়ালার কাছে তার মানুষ স্বরূপ যোগ্যতা প্রমাণ করতে পারেন নি। কারণ রিকশাওয়ালার চোখে মানুষ হওয়ার জন্য যে দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের দরকার তার অধিকারী তিনি ছিলেন না। আর তাই রিকশাওয়ালা তাকে ভাংতি টাকা ফেরত দেওয়ার প্রয়োজন বোধ করে নি।পুরোটা নিয়ে দাত কেলিয়ে হাসতে হাসতে রিকশাটা চলে যায় । সেই দিন হতদরিদ্র মানুষটার পকেটে আর কোন টাকা ছিল না । শ্রমিক শ্রেণীর রাজনীতিতে বিশ্বাসী এই মানুষটা সারাটা দিন অভুক্ত থেকে রাস্তায় একা হাঁটতে হাঁটতে হয়তো ভাবছিলেন

ঠিক কতটা দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ না হলে একজন মানুষকে মানুষ বলা যায় না?”

পারতপক্ষে ওই মুখো হই না। ওসব বিত্তবানদের তুঘলকী ব্যাপারস্যাপার। আমার মত চালচুলোহীন ছন্নছাড়া বাউন্ডুলেরা ওখানে অপাংক্তেয়। তবুও বিশেষ একজনের অনুরোধ উপেক্ষা করতে না পেরে লিফট বেয়ে উঠে পড়ি সিলেটের কোন এক বিলাসবহুল রেস্তোরায়। শতরঞ্ছি পাতা মেঝে, দেয়ালে অসামঞ্জস্যপুর্ণ অর্থহীন কাঠের কারুকাজ, আলোআঁধারের কৃত্রিম পরিবেশ, আর অশ্রুতপুর্ব উদ্ভট সংগীত যন্ত্রণা সব হাসি মুখে মেনে নিয়ে বিব্রত ও ক্ষুধার্ত আমি অপেক্ষার প্রহর গুণছি খাবারের আশায়। এই সময় টুকুর মধ্যে চিরন্তন বদ অভ্যাসবশত চারিদিকে তাকানোর কাজটাও শুরু করে দিয়েছি। দেখলাম একটা বাচচা হঠাৎ ভুত দেখার মত চমকে ঊঠে অবাক বিস্ময়ে তার মাকে বলছে “আম্মু ইতা কিতা” ইতা নড়ে কিতার লাগি?” বাচচার দৃষ্টির গতিপথ অনুসরণ করে দেখলাম রেস্তোরায় থরে থরে সাজানো অনেক শোপিসের মাঝে কিম্ভুতকিমাকার পোশাক পরে সং সেজে একটা মানুষ(?) ঠাঁই দাঁড়িয়ে আছে। বাচচার মা , তার স্বামীকে বলছে “ আল্লাহ! দেখছি নি কিতা? আমি মনে কররাম ইতা এক্কান মুর্তি”। অতঃপর স্বামীস্ত্রী হেসে গড়াগড়ি খেল,রেস্তোরা মালিকের অভিষ্ট লক্ষ্য সাধিত হল, কিন্তু একটা মানুষ শোপিস হয়ে তার মানুষ নামক অভিধাটা হারিয়ে ফেলল। আমি ভুলে যাই নি রেস্তোরার জীবন্ত শোপিসটি প্রকৃতির নিষ্ঠুরতার শিকার হয়ে , ততোধিক অমানবিক সমাজের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের চোরাবালিতে মানুষ নামক অভিধাটা বিসর্জন দিয়ে, জীবন ধারণের আশায় মানুষের হাসির খোরাক হয়ে এভাবে জীবনটা কাটিয়ে দেবে । কিন্তু শুধু আমি এই প্রশ্নের উত্তরটা খুঁজে পাব না

ঠিক কতটা দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ না হলে একজন মানুষকে মানুষ বলা যায় না?”

সারি সারি অনেকগুলো ইটকাঠের খাঁচা ।সবটাই মানুষের বানানো, নিজের জন্য। প্রাণহীন বিবর্ণ নগরীর ইটের পাজরে লোহার নিগড়ে আত্মবিচ্ছিন্ন মানুষগুলো তবুও প্রাণ ধারণের আশায় নিরন্তর ছুটে চলে। এ এক রিলে দৌড় ,প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে। এই শশব্যস্ত মানুষগুলোর ভেতরে আমাকেও মিশে যেতে হয়। প্রতিনিয়ত প্রতিটা পদক্ষেপের গতি বাড়াতে হয় নইলে যে পিছিয়ে পড়ব ।যান্ত্রিক মানুষগুলোর ভেতর হাঁটতে হাঁটতে চোখ পড়ে যায় ওদের কোন এক অবকাশ যাপন কেন্দ্রের সিংহদ্বারে। যেখানে দাঁড়িয়ে আছে ৪ফুট ৩ইঞ্ছির একজন দ্বাররক্ষী। ওই উনমানুষটার পক্ষে নিরাপত্তা প্রদান যে অসম্ভব সেটা হোটেল কতৃপক্ষ ঢের ভালো জানে।

তবে কেন ওকে দ্বারবান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া? কারণ একটাই ওটা একটা রক্তমাংসের জ্বলজ্যোন্ত শো পিস। ব্যাটারি চালিত যন্ত্রের মত নড়বে, চড়বে, মাথা নোয়াবে, অভিবাদন জানাবে। বাচচারা অবাক হবে, হাসবে,বুড়োরা চমতকৃত হবে, মালিক পক্ষ খুশিতে বগল বাজাবে। আর সকাল থেকে গভীর রাত অবধি দন্ডায়মান উনমানুষটা তার মানুষ নামক অভিধাটা ওদের কাছে বন্ধক দিয়ে পাবে পারিশ্রমিক । শুধু খুঁজে পাবে না একটা প্রশ্নের উত্তর–

ঠিক কতটা দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ না হলে একজন মানুষকে মানুষ বলা যায় না?”

উপরোল্লিখিত ঘটনাগুলো আমার নাতিদীর্ঘ জীবনের পরিক্রমায় গত দুই বছরের সঞ্চিত অভিজ্ঞতার বয়ান মাত্র। প্রকৃতির নির্মম খেয়ালিপনার কথা বাদই দিলাম কিন্তু বিরাজমান বৈষম্যমুলক সমাজ ব্যবস্থা ও তার সুবিধাভোগী শ্রেণী কর্তৃক নির্মম ক্রুর পরিহাস, অমানবিক আচরণ, ক্ষেত্রবিশেষে করুণা ভিক্ষা এই দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের ইঁদুর দৌড়ে পিছিয়ে পড়া মানুষ গুলোর দুঃসহ জীবনযাত্রাকে আরো দুর্বিষহ করে তুলছে। পত্রিকায় চাকরির কিংবা বিয়ের বাজারের বিজ্ঞাপনে স্পষ্টত উল্লেখ করা থাকে প্রার্থী কিংবা আবেদনকারীকে কত ইঞ্ছি বা কত ফুট হতে হবে।যেন ঐ মাপকাঠির পরীক্ষায় উর্ত্তীণ হতে না পারলে তারা সমাজের পূর্ণাংগ মানুষ হওয়ার অযোগ্য বলে বিবেচিত হয়।

আর এভাবে কর্পোরেটোয়ালারা সুপরিকল্পিত ভাবে টেলিভিশনের বিজ্ঞাপনে শারীরিকভাবে অপেক্ষাকৃত কম অসমর্থ বাচচা ছেলেকে ঝুলন্ত বাবু আখ্যা দিয়ে এরকম অসংখ্য বাচচা এবং তাদের মা বাবার মনন জগতে হীনমন্যতা প্রোথিত করে দেয়। এবার মহান কর্পোরেট গুরুরা তাদের আসল চালটা চালেন। হাজির করেন কমপ্লান, বর্ন ভিটা, হরলিক্স সহ লম্বা হওয়ার জন্য অনেক ধরনের মহাষৌধ।ডারউইনের বিবর্তনবাদের বহুল প্রচলিত উক্তি”সারভাইভাল অব দ্যা ফিটেস্ট”এখন কর্পোরেটোয়ালাদের কাছে মহা জনপ্রিয়। এর অপব্যাখ্যা দিয়ে গুরুরা নিপুণ ব্যাবসার ফাঁদ পেতেছেন। “টলার স্ট্রংগার শার্পার” এই শব্দটা টেলিভিশনে অসংখ্যবার শুনতে শুনতে কান ঝালাপালা হয়ে যাওয়ার উপক্রম। দুর্বল, খাটো রোগা মানুষগুলো যেন সমাজের আবর্জনা কলঙ্ক, তাই এদের শ্রেণীভুক্ত হতে না চাইলে হরলিক্স খেতে হবে , মালটোভা খেতে হবে, বর্ন ভিটা খেতে হবে ।আর এই সব কিছু করা হচ্ছে সমাজের একটা শ্রেণীর জন্য যারা অর্থনৈতিকভাবে সচ্ছল, যাদের বাচ্চারা জন্মথেকে সেরিলাক আর নেসলের বোয়ামের মধ্যে বড় হয়। অর্ধেক খায় আর অর্ধেক ছারখার করে। এরা অনেক পায়, তবুও এদের আরো পাওয়ার আশা বেড়েই চলে , কর্পোরেট হর্তাকর্তারা আরো, আরো বাড়িয়ে দেয়।আর এদের এই ভেল্কিখেলায় ওরা ছুড়ে ফেলে দেয় সেই সব মানুষদের যাদের জন্ম সোনার চামচ মুখে নিয়ে হয় নি, যাদের মা গর্ভাবস্থায় জীবিকার তাগিদে মাটি কাটে, জন্মাবার পর যাদের কঙ্কালসার ও হাড়জিরজিরে মা বুকের দুধ দিতে পারে না, ক্ষুধার তাড়নায় কাঁদতে কাঁদতে যারা ধুলো বালিকে আহার্য জ্ঞান করে মুখে পুড়ে নেয় ,যাদের শ্রমিক বাবা কোনদিন তাদের জন্য দুধের প্যাকেট কিনে আনতে পারে না, যারা জীবনে সেরিলাকের নাম শোনে নি, যাদের শৈশব কাটে গায়ে ধুলা মেখে, জনসন ক্রীম নয়,যাদের ঔরসজাত অপুষ্ট শিশুগুলো সাক্ষ্য দেয় শত বছরের বঞ্চনার করুণ ইতিহাস ।এরা খেতে পায় না আর ঝুলন্ত বাবুরা খেতে চায় না। এরা খেতে না পেয়ে মরে যাক, ডাস্টবিনে উচ্ছিষ্ট নিয়ে কাড়াকাড়ি করুক আর ঝুলন্ত বাবুরা এটা খেতে না চাইলে এটা খাওয়াও ,সেটা খাওয়াও, তবুও খাওয়াও। একসময় ঝুলন্ত বাবুরা হয়ে ওঠে কমপ্ল্যান বয় আর মাজারমসজিদে বিলাসী ও সীমাহীন লোভী বিত্তবানদের আর্থিক আনুকুল্যে বিতরণকৃত অখাদ্য খিচুড়ির পাওয়ার জন্য এরা কুকুরের মত কাড়কাড়ি করে, ক্ষেত্রে বিশেষে কুকুরের সাথে প্রতিযোগিতায় নামে। এভাবে মৌলিক অধিকার বঞ্চিত এই আশি যোগ পাঁচ জন মানুষ দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারে না আর তাই তারা ব্রাত্য, মানুষ নামক অভিধাটি ওদের জন্য নয়। আর এই সুবিধাবঞ্চিত শ্রেণীর কেউ যদি শারীরিক প্রতিবন্ধকতাকে জয় করে উঠে আসতে চায়, দৈর্ধ্য ও প্রস্থের ফিতা নিয়ে অপেক্ষমান সমাজের ছদ্মবেশী প্রতিক্রিয়াশীলশ্রেণী মধ্যবিত্তদের দল সস্তা সেন্টিমেন্টবশত করুণা ভিক্ষা দিয়ে এদের চলার রাস্তায় কাঁটা পুতে দেয় ।প্রকৃতি নির্মম আচরণ করলেও তার দান দাক্ষিণ্য লম্বাবামন নির্বিশেষে সবার জন্য অবারিত। তবুও সমাজের, রাষ্ট্রের নির্মম অবিচার ও ঠাট্টার দায় প্রকৃতিকে নিতে হয়। বামনরা মানুষ নয় ওরা উনমানুষ ওদের ঠাঁই সার্কাসের প্রাণীদের সাথে, কিম্ভুতকিমাকার পোশাক পরে নিজের মানুষ নামক সত্তাটাকে ঢোলা জোব্বার তলায় কবর দিয়ে এরা শৌখিন মধ্যবিত্তদের নির্মল আনন্দের যোগান দেয়। আজ সমাজের নিচুতলার মানুষগুলোও বামন রূপে পরিগণিত। উঁচুতলায় ঝুল বারান্দায় বসে পুর্ণিমার চাঁদের দিকে হাত বাড়ানো তথা নান্দনিক রসনা নিবৃত্তির একচ্ছত্র অধিকার শুধু ধনপতিদের । কারণ ওরাই চাঁদের নন্দনতত্ত বোঝে , ক্ষুধার্ত ভুখা অসংস্কৃত বামনদের দল চাঁদকে তো স্রেফ ঝলসানো রুটি বলেই ধরে নেয় ।রুপকথায় বামনরা লোকালয় থেকে নির্বাসিত, গল্পকার সাত বামনকে শুধু তুষারকন্যার যত্ন আত্তি করার সুযোগ দেয় , কিন্তু ভালোবাসার অধিকার দান করে না। এই সমাজ এই রাষ্ট্র কখনো কান পেতে শোনে নি শুনতে চায় নি ,তাদের চাপা দীর্ঘশ্বাস থেকে ভেসে আসা একটা প্রশ্ন

ঠিক কতটা দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ না হলে একজন মানুষকে মানুষ বলা যায় না?”

কৃতজ্ঞতা: মোস্তাফা সরয়ার ফারুকী( তার পরিচালিত উনমানুষ নাটক থেকে একটা সংলাপ ধার নিলাম বিধায়)

Advertisements
মন্তব্য
  1. mongoldhoni বলেছেন:

    ধন্যবাদ পড়া ও মন্তব্য করার জন্য…
    অন্যান্য লেখাগুলোও পড়ে দেখবেন আশা করি…

মতামত জানান...

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s